শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৫৩, শনিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ১০:২৭, শনিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৫

জটিলতায় স্থবির জাইকা ঋণের ৫ মেগাপ্রকল্প

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
জটিলতায় স্থবির জাইকা ঋণের ৫ মেগাপ্রকল্প

সিদ্ধান্তহীনতা আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ঝুলে গেছে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার অর্থায়নের পাঁচ মেগাপ্রকল্প। মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রো রেল বা বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল—সবখানেই হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প এখন থমকে আছে সিদ্ধান্তহীনতার ফাঁদে পড়ে। সর্বশেষ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) বৈঠকে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র। কাঁচপুর-মেঘনা-গোমতী সেতু থেকে শুরু করে শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ, মেট্রো রেল প্রকল্প, যমুনা রেল সেতু ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র—সব কটিই কোনো না কোনোভাবে জটিলতায় জর্জরিত।

জাইকা এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি বাস্তবায়নে সমন্বয়ের অভাব ও সিদ্ধান্তহীনতা দূর না হয়, তারা ভবিষ্যতে নতুন প্রকল্প অনুমোদনে আরো সতর্ক থাকবে। জানা যায়, বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বড় সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করছে। সড়ক, সেতু, রেল, বিদ্যুৎ ও বিমানবন্দর—সবখানেই তাদের অর্থায়নে চলছে বড় বড় প্রকল্প। একসময় উন্নয়নের রোল মডেল ছিল জাইকা অর্থায়িত প্রকল্পগুলো।

সাম্প্রতিক সময়ে দৃশ্যপট একেবারে পাল্টে গেছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এখন জাইকার অর্থায়নের প্রায় সব বড় প্রকল্পই থমকে আছে।
শেষ হয়েও হয়নি কাঁচপুর-মেঘনা-গোমতী সেতু : ‘কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতু নির্মাণ ও পুরনো সেতুগুলোর পুনর্বাসন’ প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে প্রায় এক বছর আগে। কিন্তু এখনো এর আর্থিক নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়নি।

জাপানি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ শেষে প্রায় আট কোটি টাকার অতিরিক্ত দাবি তুলেছে, যা এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায়। প্রকল্পের বিরোধ নিষ্পত্তি বোর্ড দাবি স্বীকার করলেও কত অর্থ প্রদান করা হবে তা ঠিক করা হয়নি। ফলে প্রকল্প চালু হলেও হিসাবের খাতা বন্ধ হয়নি। এই প্রকল্পের আর্থিক বিশ্লেষণের দায়িত্ব এখন দেওয়া হয়েছে মাতারবাড়ী বন্দরের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে, যা বিশেষজ্ঞদের মতে প্রশাসনিক জটিলতা ও সমন্বয়ের ঘাটতিরই প্রমাণ।

বিলম্বের গহ্বরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প : শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পটি এখন নানা দাবি, বিরোধ ও অনুমোদনের বিলম্বে জড়িয়ে পড়েছে। বিদেশি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ছয় শতাধিক পরিবর্তন প্রস্তাব দিয়েছে, যার অর্ধেকেরও বেশি এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায়।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঠিকাদারদের দাবি-পাল্টাদাবি মিলিয়ে এখন বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকায়। বিমান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা, আর ঠিকাদার পক্ষ দাবি করছে এক হাজারেরও বেশি কোটি টাকা। এই বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বোর্ড গঠন করা হলেও তা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।

জাইকার পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সরকারি অনুমোদন ও সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব জমা দিতে দেরির কারণে পরামর্শক ও ঠিকাদার উভয়ের বিল আটকে গেছে। এতে প্রকল্পের সময়সূচি ভেঙে পড়েছে এবং নির্মাণ ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল আংশিক প্রস্তুত হলেও পুরো কাজ শেষ হতে আরো অন্তত দেড় বছর লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যমুনা রেল সেতু—টানাপড়েনেই অগ্রগতি : যমুনা নদীর ওপর রেল সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি দেশের রেল যোগাযোগে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখানেও দেখা দিয়েছে দাবি, বিরোধ ও অনুমোদনের বিলম্ব। প্রকল্পের বেশির ভাগ কাজ শেষ হলেও এখনো দুটি প্যাকেজে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়নি। ঠিকাদারদের কিছু দাবির নিষ্পত্তির জন্য মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদন দরকার, কিন্তু সংশোধিত প্রস্তাব এখনো পরিকল্পনা কমিশনে জমা পড়েনি।

জাইকা জানিয়েছে, বারবার সময় বাড়ানো ও অনুমোদন বিলম্বের কারণে তারা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে খুব হতাশ। যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এবং বকেয়া অর্থ ছাড় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

মেট্রো রেল লাইন ১ ও ৫—স্থবির স্বপ্ন : রাজধানীর যানজট কমানোর বড় স্বপ্ন হিসেবে শুরু হয়েছিল মেট্রো রেল প্রকল্প। কিন্তু জাইকা অর্থায়িত লাইন ১ ও লাইন ৫ এখন প্রশাসনিক জটিলতায় প্রায় থমকে আছে। লাইন ১-এর একটি বড় প্যাকেজের দরপত্র অনুমোদনের আবেদন করা হলেও জাইকা এখনো সম্মতি দেয়নি। অন্যদিকে ইউটিলিটি স্থানান্তর না হওয়ায় উত্তর বাড্ডা ও আফতাবনগর এলাকায় কাজ বন্ধ রয়েছে।

লাইন ৫-এর একটি প্যাকেজে দরদাতার প্রস্তাব প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এখন সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব জরুরি হয়ে পড়েছে। ফলে পুরো প্রকল্পেই সময়সূচি ভেঙে পড়েছে। জাইকা জানায়, প্রকল্প পরিচালক ও জাইকার কার্যালয়ের মধ্যে যোগাযোগ ঘাটতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেরি এবং বাস্তবায়ন পর্যায়ে জবাবদিহির অভাবই এর মূল কারণ।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, জাইকার ঋণে উন্মুক্ত দরপত্রের সুযোগ নেই। টেন্ডার হলে জাপানের প্রতিষ্ঠানই শুধু অংশগ্রহণ করতে পারে। এ কারণে অনেক টেন্ডার প্রস্তাব প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে অনেক বেশি পড়ছে। এতে জটিলতা তৈরি হয়েছে। অন্যান্য দেশও যদি এখানে অংশ নিতে পারত তাহলে প্রতিযোগিতা আরো ভালো হতো। কম রেটে কাজ করানো যেত।

ইআরডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মন্ত্রণালয় চেষ্টা করছে প্রকল্প ব্যয় কমানো যায় কি না। সেটা নিয়ে জাইকার সঙ্গে আলোচনা চলছে। কারণ যত টাকা খরচ লাগছে মেট্রো রেল নির্মাণে তা আমাদের জন্য অত্যধিক বেশি। এত টাকা ঋণ করে মেট্রো রেল নির্মাণ আমাদের জন্য কঠিন।’

সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানান, এত উচ্চমূল্যে মেট্রো রেল নির্মাণ করা সম্ভব নয় বলে জাইকাকে জানানো হয়েছে। এখন ব্যয় কমানোর জন্য পর্যালোচনা চলছে। জাপানের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র—প্রযুক্তিগত ব্যর্থতায় দুঃস্বপ্ন : সবচেয়ে আলোচিত জাইকা অর্থায়িত প্রকল্পগুলোর মধ্যে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন গভীর সংকটে। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চলতি বছরের শুরু থেকে নানা প্রযুক্তিগত সমস্যায় ভুগছে। বয়লারে ছাই জমে যাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অনেক কমে গেছে। ঠিকাদার সংস্থা অভিযোগ করছে যন্ত্রের নকশায় ত্রুটি ছিল, কিন্তু পরামর্শক সংস্থা তা অস্বীকার করছে।

প্রযুক্তিগত এই ব্যর্থতার পাশাপাশি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত দাবি করছে। প্রকল্প পরিচালকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের সক্ষমতা ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, যা চুক্তির নির্ধারিত মানের অর্ধেকেরও কম। এতে সরকারের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ডলার। জাইকা এই পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ বলে মন্তব্য করেছে।

জটিলতার মূল কারণ প্রশাসনিক অদক্ষতা ও সিদ্ধান্তহীনতা : সব প্রকল্পের আলাদা সমস্যা থাকলেও মূল সংকট তিন জায়গায়—চুক্তিগত অস্পষ্টতা, অনুমোদনের বিলম্ব এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি। জাইকার মতে, বাংলাদেশের সরকারি সংস্থাগুলো সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এতে শুধু খরচই বাড়ছে না, বরং বিদেশি সহযোগীদের আস্থাও কমছে। অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, জাইকার নিজস্ব প্রক্রিয়াও অত্যন্ত ধীরগতি ও জটিল; প্রতিটি সিদ্ধান্তে টোকিওর অনুমোদন নিতে হয় বলে সময় অনেক বাড়ে। ইআরডি ও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, বিদেশি শর্ত ও জটিল অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে অনেক সময় তাঁরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। এতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ে, কাজ থেমে যায়, আর শেষ পর্যন্ত জনগণের প্রত্যাশা অপূর্ণ থেকে যায়।

সূত্র : কালের কণ্ঠ।

এই বিভাগের আরও খবর
এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন
এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমাবে এনবিআর: চেয়ারম্যান
মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমাবে এনবিআর: চেয়ারম্যান
বিদেশে হাদির চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশে হাদির চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
১৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো দেড় বিলিয়ন ডলার
১৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো দেড় বিলিয়ন ডলার
ডিএসইতে ব্যাপক দরপতন
ডিএসইতে ব্যাপক দরপতন
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বেড়েছে স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর
বেড়েছে স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর
স্থবিরতা কাটছে না অর্থনীতিতে, পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় উদ্যোক্তা ব্যবসায়ীরা
স্থবিরতা কাটছে না অর্থনীতিতে, পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় উদ্যোক্তা ব্যবসায়ীরা
দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
সর্বশেষ খবর
বাগেরহাটে তেল ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি মেলা
বাগেরহাটে তেল ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি মেলা

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

পোলান্ডে সৈনা পাঠোচ্ছে জার্মানি
পোলান্ডে সৈনা পাঠোচ্ছে জার্মানি

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে চোটের হানা
ভারত সফরের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে চোটের হানা

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা
গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তিতাসে নতুন কূপ খনন শুরু, দৈনিক মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
তিতাসে নতুন কূপ খনন শুরু, দৈনিক মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন
এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন

১২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যকে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে : সালাহউদ্দিন
ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যকে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে : সালাহউদ্দিন

১৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

নতুন ২ মামলায় গ্রেফতার ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী
নতুন ২ মামলায় গ্রেফতার ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ
দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২৯ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
২৯ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

২৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কামিন্স-স্টার্কদের প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা: ব্রেট লি
কামিন্স-স্টার্কদের প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা: ব্রেট লি

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির মাসসেরা প্রোটিয়া স্পিনার
আইসিসির মাসসেরা প্রোটিয়া স্পিনার

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোতে আকস্মিক বন্যায় ৩৭ জনের মৃত্যু
মরক্কোতে আকস্মিক বন্যায় ৩৭ জনের মৃত্যু

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজন গ্রেফতার

৩৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যুব এশিয়া কাপে টানা জয় বাংলাদেশের
যুব এশিয়া কাপে টানা জয় বাংলাদেশের

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

৪১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবসে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবসে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা

৪৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কলমাকান্দায় ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
কলমাকান্দায় ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের লাশ
রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের লাশ

৪৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিজয় দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নৌবাহিনীতে অনারারী কমিশন প্রদান
বিজয় দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নৌবাহিনীতে অনারারী কমিশন প্রদান

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় খাল খননে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতবিনিময়
কলাপাড়ায় খাল খননে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতবিনিময়

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার অর্থ জব্দ করে ইউক্রেনকে দিচ্ছে ইইউ
রাশিয়ার অর্থ জব্দ করে ইউক্রেনকে দিচ্ছে ইইউ

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পটুয়াখালীর ৪৪ জলমহাল ইজারা যোগ্য নয়: ভূমি উপদেষ্টা
পটুয়াখালীর ৪৪ জলমহাল ইজারা যোগ্য নয়: ভূমি উপদেষ্টা

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগান ক্ষতি না করার অনুরোধ
বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগান ক্ষতি না করার অনুরোধ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ সড়কের ফলক উন্মোচন কাল
‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ সড়কের ফলক উন্মোচন কাল

৫৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

হবিগঞ্জে সংকটাপন্ন জুলাই যোদ্ধার পাশে জেলা প্রশাসক
হবিগঞ্জে সংকটাপন্ন জুলাই যোদ্ধার পাশে জেলা প্রশাসক

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল
রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আ.লীগের পক্ষে দেয়ালে লিখনকালে যুবলীগ কর্মীসহ আটক ৩
আ.লীগের পক্ষে দেয়ালে লিখনকালে যুবলীগ কর্মীসহ আটক ৩

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯৫৫ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯৫৫ মামলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?
কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা
হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?
সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন
হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ
বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন
ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব
এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব

প্রাণের ক্যাম্পাস

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়