শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫১, শনিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৫

শেষ ভালো যার সব ভালো তার

ফাইজুস সালেহীন
ফাইজুস সালেহীন
অনলাইন ভার্সন
শেষ ভালো যার সব ভালো তার

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কতখানি ঐক্য গড়েছে, আর কতখানি বিভেদ সৃষ্টি করেছে- প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়া কঠিন। যে নিরপেক্ষতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে কমিশনের কাজ করা উচিত ছিল, তা করেনি। তবে আশার কথা এই যে কমিশন বিভেদের বীজ বুনে গেলেও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে বাধাগুলো মনে হয় কেটে গেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতাও অনেকটাই কমে এসেছে। ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অটল অবস্থান এ ক্ষেত্রে ধন্বন্তরির মতো কাজ করেছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়ন প্রশ্নে সোচ্চার জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিও এখন আর অতটা কড়া অবস্থানে নেই। দল দুটি নির্বাচনি যাত্রায় সরব ও সক্রিয়। অবশ্য জামায়াতে ইসলামী আগে থেকেই ইলেকশন ক্যাম্পেইনে ছিল। সব আসনেই দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। জামায়াতের কেন্দ্রের নেতারা পিআর, গণভোট, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দান, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধকরণ, গণহত্যার বিচার ইত্যাদি ইস্যুতে মাউথ ফায়ার করলেও নির্বাচনি এলাকাগুলোতে তাদের মনোনীত প্রার্থীরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কাইন্ড অ্যান্ড কুল। তারা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন, ভোট প্রার্থনা করছেন। এমনকি তারা যাচ্ছেন চাপের মধ্যে থাকা আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বাড়িতেও। এসব দেখে তথ্যাভিজ্ঞ মহল আগে থেকেই বলছিল যে জামায়াত গরম কথার ফুলকি যতই ছড়াক না কেন, কাজের বেলায় ইলেকশন মেইল মিস করবে না।

এনসিপিও একই পথের যাত্রী। তরুণদের দলটিও ইলেকশনের ট্রেন ধরতে ব্যস্ত সময় পার করছে। নির্বাচন ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়ন যে সম্ভব নয়, তা তারা বেশ বুঝতে পেরেছে। জুলাই জুলাই করে ইলেকশনের ট্রেন মিস হয়ে গেলে এনসিপির অস্তিত্বের সংকট দেখা দেবে। সংস্কার, গণভোট ও গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে ইলেকশন বিলম্বিত করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মতো সাংগঠনিক ভিত তৈরি করা বা বিনা ভোটে দীর্ঘদিন সরকারের ছায়া হয়ে সুবিধা ভোগ করার স্বপ্নটি যে ইউটোপিয়া ছিল, এত দিনে এই দলের নেতাদের তা বুঝতে বাকি থাকার কথা নয়। সবগুলো কিংবা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসনেও শাপলাকুঁড়ির পক্ষে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা কঠিন। এটা হচ্ছে অপ্রিয় বাস্তবতা। বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীর আনুকূল্য ছাড়া এনসিপির বড় নেতাদেরও অনেকের পক্ষে ইলেকশনে জিতে আসা কঠিন হতে পারে। এমতাবস্থায় সংস্কারের আগে ইলেকশনে কিছু আসনে হলেও জিতে অস্তিত্ব রক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি।

তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে এগোচ্ছিল, সেই ধারাটি অব্যাহত থাকলে এবং ইন্টেরিমের আশকারা পেলে, এনসিপি হয়তো অবস্থান পরিবর্তন করত না। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সেই ঝুঁকি নেয়নি। ইলেকশনের আগে গণভোটের দাবিও সরকার মেনে নেয়নি। জুলাই সনদ প্রশ্নে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন হবে একই দিনে। আগামী পার্লামেন্টকে জুলাই সনদ অনুমোদনের জন্য ঐকমত্য কমিশন যে ২৭০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছিল, তা-ও রহিত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা জুলাই সনদ প্রশ্নে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বল নিজের কোর্টে না রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে ঠেলে দিয়েছেন। বিষয়টি এনসিপির মনমতো হয়নি। ইন্টেরিম নিজে গোল না করে রাজনৈতিক কোর্টে পাস করে দেওয়ায় শাপলাকুঁড়ির দলটি হতাশ হলেও মনে হয় মেনেই নিয়েছে। এমত পরিস্থিতেতে আশা করা যায় দেশ একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

'হলফ করে বলা যায় না যে বাহাত্তরের সংবিধানই ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে। আসলে ফ্যাসিবাদের জন্ম হয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির জঠরে, ফ্যাসিবাদের চোখ ফোটে দুর্নীতির তাপে বা ওমে। সেই জায়গায় সংস্কার না করে আমরা পড়ে আছি সংবিধান নিয়ে।'

আশা করি নির্বাচনের যে জোর হাওয়া বইছে, তা আর বাধাগ্রস্ত হবে না। এই পর্যায়ে ইতিহাসের প্রয়োজনে ৫ আগস্টের পর সৃষ্ট জাতীয় ঐক্য-সম্ভাবনার জমিনে দাঁড়িয়ে যা যা হয়েছে, সে বিষয়ে কিঞ্চিৎ আলোকপাত করা বাঞ্ছনীয়। পযবেক্ষক মহলের অনেকেই মনে করে, এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে পলিটিকাল স্ক্যামের অনেক উপাদান ছিল। সংবিধান সংস্কার কমিশনসহ বেশ কয়েকটি কমিশন এমন কিছু সুপারিশ করেছিল, যেগুলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাওয়া স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের হৃৎপিণ্ডে আঘাত করার শামিল। সংবিধান সংস্কার কমিশন বাংলাদেশের নাম পরিবর্তনেরও প্রস্তাব করেছিল। সে সময়ে জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল কোনো কোনো মহল থেকে। স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন কৌশলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আইউব খানের মৌলিক গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব করেছিল। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন এমন কিছু সুপারিশ করেছিল, যা অনুসরণ করা হলে অনেকগুলো পত্রিকা ও টেলিভিশন বন্ধ হয়ে যেতে পারত। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পেশাজীবী সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী চাকরি হারাতেন।

অভিযোগ রয়েছে যে ওই কমিশন একটি বিশেষ পত্রিকা গোষ্ঠীর স্বার্থে সুপারিশগুলো তৈরি করেছিল। অন্তর্বর্তী সরকার ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সেসব সুপারিশ ইগনোর করেছে বলেই প্রতীয়মান হয়। জুলাই সনদে কেবল ছয়টি কমিশনের সুপারিশ আমলে নেওয়া হয়েছে। বলতে দ্বিধা নেই, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জটিলতা তৈরির চাইতে উপেক্ষা করা হাজার গুণে ভালো।

তবে জুলাই সনদের কেন্দ্রে রয়েছে সংবিধান, যা এখনো বহাল। বলা হচ্ছে যে সংবিধানই সমস্যার মূল। এই সংবিধানই নাকি ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে! অতঃপর প্রশ্ন উঠবে, কোন সংবিধান ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে? সেটা কি ১৯৭২ সালে গৃহীত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের শাসনতন্ত্র, নাকি ১৭ বার সংশোধিত হওয়ার পরের সংবিধান? ১৯৭২ সালে যে শাসনতন্ত্র হয়েছিল তার কিছু সীমাবদ্ধতা তো ছিলই। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্রের বিচারে সমর্থনযোগ্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। উপজাতি জনগোষ্ঠী বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে তখনই প্রশ্ন তুলেছিল। শাসনতন্ত্রের সত্তর অনুচ্ছেদ পার্লামেন্টে ব্রুট মেজরিটির বিপদ ডেকে এনেছিল। পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর সত্তর অনুচ্ছেদ ছাড়া বাহাত্তরের সংবিধানের অসংগতিগুলোর সমাধান করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও এমন কথা হলফ করে বলা যায় না যে বাহাত্তরের সংবিধানই ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে। আসলে ফ্যাসিবাদের জন্ম হয় রাজনৈতিক সংস্কৃতির জঠরে, ফ্যাসিবাদের চোখ ফোটে দুর্নীতির তাপে বা ওমে। সেই জায়গায় সংস্কার না করে আমরা পড়ে আছি সংবিধান নিয়ে। সংবিধানে বিচারবহির্ভূত হত্যার বিধান নেই। ভোট জালিয়াতি, দিনের ভোট রাতে, বাকস্বাধীনতা হরণ কিংবা মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো সমর্থনও সংবিধানে নেই। এগুলো আছে দুর্নীতিমনস্ক রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে। তারপরও এ কথা বলছি না যে সংবিধান সংস্কার- সংশোধনের প্রয়োজন নেই। ১৭ বার যে জিনিস ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে, সেটা যে কিম্ভূতকিমাকার অবয়ব ধারণ করেছে, তাতে আর সন্দেহ কী! গত অর্ধ শতাব্দে বাহাত্তরের সংবিধানের কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে। কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে কোটারি স্বার্থে। কোটারি স্বার্থে যে সংশোধনীগুলো আনা হয়েছে, সেগুলো পরগাছাতুল্য। সেই পরগাছাগুলো চিহ্নিত করে ছেঁটে রাষ্ট্রের ফান্ডামেন্টাল গাইড লাইন ঝঞ্ঝালমুক্ত করা সময়ের দাবি। এইরূপ পরিমার্জনের জন্য জনগণের দ্বারা নির্বাচিত পার্লামেন্টই যথোপযুক্ত ফোরাম। নির্বাচিত সংসদ প্রয়োজন মনে করলে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেবে। জুলাই সনদে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলোও এই কাজে সহায়ক হবে। এজন্য গণভোট জরুরি না।

এখন জাতীয় জীবনে সবচেয়ে বড় কর্তব্য হচ্ছে একটি অবাধ এবং সব অর্থে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা। সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে একটি দক্ষ পার্লামেন্ট গঠিত হলে সেটা হবে জুলাই আন্দোলনের সার্থক উপসংহার। সরকার, প্রশাসন, ইলেকশন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি। পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রায়শই সরকারকে কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠতে ইন্ধন জোগায়। শাসনতন্ত্রের সত্তর অনুচ্ছেদ বিলোপ না হওয়া পর্যন্ত এই ঝুঁকিটি থেকেই যাবে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরও অনেক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। একটি ব্যালান্সড পার্লামেন্টের জন্য ভোটার সাধারণের সচেতনতা অত্যাবশ্যকীয়। রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী-সমর্থকরা সাধারণত ভোট দেন মার্কা দেখে। কোনো দলে সরব ও সক্রিয় নন- এমন ভোটারের সংখ্যাও কিন্তু দেশে কম নেই।

এই ভোটার শ্রেণিটি সংশ্লিষ্ট দলের আদর্শ-উদ্দেশ্য ও প্রার্থীর যোগ্যতা দেখে ভোট দিলে ভারসাম্যপূর্ণ জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর গত ১৫টি মাস আমাদের গিয়েছে বিবিধ অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে। তুমুল একটা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি জাতিকে করেছে শঙ্কিত, বিচলিত ও যন্ত্রণাবিদ্ধ। রাজনৈতিক বিভেদ পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তুলেছিল। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। আমরা আশায় বুক বেঁধে রইলাম। শেষ ভালো যার, সব ভালো তার।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
হাদির পর কে টার্গেট?
হাদির পর কে টার্গেট?
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন, জটিল বাস্তবতা
পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন, জটিল বাস্তবতা
সর্বশেষ খবর
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

১ মিনিট আগে | রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে হাঙ্গেরিতে বিক্ষোভ
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে হাঙ্গেরিতে বিক্ষোভ

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব খাবার খেলে কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি
যেসব খাবার খেলে কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি

১৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

ইলেকশন হবে ইনশাআল্লাহ, কোনো শঙ্কা নেই: সিইসি
ইলেকশন হবে ইনশাআল্লাহ, কোনো শঙ্কা নেই: সিইসি

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সিডনিতে প্রাণঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের
সিডনিতে প্রাণঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক ১
মুন্সীগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক ১

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘এটি ছিল এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা’
‘এটি ছিল এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা’

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় নিহত ৩২৫
বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় নিহত ৩২৫

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উন্নত জীবনের আশা: শীতে মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্তে ৯ অভিবাসীর মৃত্যু
উন্নত জীবনের আশা: শীতে মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্তে ৯ অভিবাসীর মৃত্যু

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবীণদের মাঝে কম্বল বিতরণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবীণদের মাঝে কম্বল বিতরণ

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর
পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর

৫৫ মিনিট আগে | শোবিজ

প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল
প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট
সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২
দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ত্রিবেনী চিত্র প্রদর্শনী ও জনস্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন
মুন্সীগঞ্জে ত্রিবেনী চিত্র প্রদর্শনী ও জনস্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্শদীপ
মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্শদীপ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আলাভেসকে হারিয়ে আপাতত রক্ষা আলোনসোর চাকরি
আলাভেসকে হারিয়ে আপাতত রক্ষা আলোনসোর চাকরি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শততম উইকেট নিয়ে অনন্য কীর্তি ভারতীয় অলরাউন্ডারের
শততম উইকেট নিয়ে অনন্য কীর্তি ভারতীয় অলরাউন্ডারের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় জিমি লাই দোষী সাব্যস্ত
হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় জিমি লাই দোষী সাব্যস্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ডানপন্থি কাস্ত
চিলির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ডানপন্থি কাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পঞ্চগড়ে সকালের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে
পঞ্চগড়ে সকালের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পিসিএল শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ
পিসিএল শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রিয়ালের স্বস্তির জয়
রিয়ালের স্বস্তির জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জকসু নির্বাচনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন ৮ প্রার্থী
জকসু নির্বাচনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন ৮ প্রার্থী

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

১৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চুপিসারে বাগদান সারলেন অর্জুন
চুপিসারে বাগদান সারলেন অর্জুন

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

টি    স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে