শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৫৮, শুক্রবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৫

সিপাহি-জনতার সংহতি থেকে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান

ব্রি. জে. ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম (অব.)
অনলাইন ভার্সন
সিপাহি-জনতার সংহতি থেকে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান

বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছুদিন আছে, যেগুলো কেবল একেকটি তারিখ নয়, বরং একেকটি মাহেন্দ্রক্ষণ, একেকটি নবযুগের সূচনা। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেই রকম ঐতিহাসিক দিন, একটি বিপ্লব, একটি ঐক্য এবং একটি জাতির আত্মপরিচয়ের নিরিখে পুনরায় এক পথচলা। ইতিহাসে এই দিনটি চিহ্নিত হয়েছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে, যেদিন দেশের সেনা ও সাধারণ মানুষ একই পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এটি ছিল এমন এক বাস্তবতা, যা রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের সীমা ছাড়িয়ে এক পুনর্জাগরণের প্রতীক হয়ে ওঠে।


৭ নভেম্বর ছিল মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী অস্থিরতা, বিভাজন আর বিদেশি প্রভাবমুক্তির আহবান, একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের মনোজাগতিক প্রেক্ষাপট।
শেখ মুজিবের বাকশালকেন্দ্রিক একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় যে বিভাজন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল, সেটি পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পরে অনিয়ন্ত্রিত ও মারাত্মক রূপ ধারণ করে এবং বাংলাদেশকে এক ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটে নিক্ষেপ করে। দেশ তখন নেতৃত্বশূন্য, সেনাবাহিনী বিভক্ত আর জনগণ দিশাহারা। এই প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব ছিল আত্মমর্যাদা পুনরুদ্ধারের এক নবপ্রয়াস।

বন্দি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের মুক্তি এবং তাঁর নেতৃত্বে জনগণ ও সেনাবাহিনীর ঐক্য—এই দুই ঘটনার মিথস্ক্রিয়ায় জন্ম নেয় নতুন বাংলাদেশ। এই দিনটি প্রমাণ করে, জাতির ভাগ্য কোনো বিদেশি দূতাবাস বা গোষ্ঠীর হাতে নয়, বরং জনগণের ইচ্ছা ও ঐক্যের ভেতর  নিহিত। সেদিনের সেই ঐক্য আজও শেখায়, যে জাতি নিজের মুক্তির দায়িত্ব নিজে নেয়, তাকে কেউ পরাজিত করতে পারে না।

৭ নভেম্বরের পর বাংলাদেশ নতুন এক আদর্শের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের পথে যাত্রা শুরু করে।

এটি কেবল একটি রাজনৈতিক তত্ত্ব ছিল না, বরং ছিল জাতির আত্মপরিচয়ের নতুন সংজ্ঞা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও ভূখণ্ড নির্ভর এক সমন্বিত জাতিসত্তা গঠন করে। তাঁর ঘোষণা ছিল সুস্পষ্ট : ‘আমরা প্রথমে বাংলাদেশি, তারপর মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান।’ এই বক্তব্যের মধ্যে অন্তর্নিহিত ছিল এক বাস্তববাদী ঐক্যে নির্ভর দর্শন, যা বিদেশি মতাদর্শের প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্রে রূপান্তর করেছিল। এটি ছিল এক দৃঢ় প্রত্যয়, বাংলাদেশ আর কারো ছায়ায় নয়, নিজের পায়ে দাঁড়াবে, নিজস্ব নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিশ্বে নিজের অবস্থান গড়ে তুলবে।

এই সময়েই সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বুঝেছিলেন, একটি রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে বাহিনীকে পেশাদার, দেশপ্রেমিক এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হতে হবে। তিনি সেনাবাহিনীতে নতুন কাঠামো ও নীতিনির্ধারণ করেন, যেখানে সেনাবাহিনীকে জনগণের রক্ষক এবং রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে দেখা হয়। তাঁর নেতৃত্বে সেনাবাহিনী আবারও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্ভাসিত হয়, আর বিভক্ত মনোবল পরবর্তী সময়ে ঐক্য ও শৃঙ্খলার প্রতীকে রূপ পরিগ্রহ করে। তাঁর সময়েই গঠিত হয় জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি, যা অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও বৈদেশিক ভারসাম্যের মধ্যে এক কৌশলগত সেতুবন্ধ তৈরি করে। এই সময় থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু একটি সামরিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধই সর্বোচ্চ নীতি বলে বিবেচিত হয়।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন সেই বিরল সামরিক নেতা, যিনি ক্ষমতা ধরে রাখার বদলে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। সামরিক প্রশাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে রূপান্তরের যে পথ তিনি নির্দেশ করেন, তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ও অনন্য। তিনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন এবং জনগণকে তাদের মত প্রকাশের সুযোগ দেন। তাঁর উদ্যোগে ১৯৭৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জনগণ সরাসরি অংশগ্রহণ করে এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রাণ ফিরে পায়। তাঁর নেতৃত্বেই গঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি একটি আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন, যার মূলে ছিল গণতন্ত্র, অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন এবং ইসলামী মূল্যবোধের সঙ্গে জাতীয় স্বাতন্ত্র্যের সমন্বয়।

৭ নভেম্বরের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু রাজনৈতিক স্বাধীনতা নয়, অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের দিকেও মনোনিবেশ করেন। তাঁর ঘোষিত ‘গ্রাম হবে শহর’ নীতি ছিল রাষ্ট্রচিন্তার এক যুগান্তকারী প্রয়োগ, যেখানে উন্নয়নকে কেন্দ্রীয় শহরনির্ভর না রেখে বিকেন্দ্রীভূত করা হয়। তিনি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম চালু করেন, যাতে সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের উন্নয়নে সরাসরি অংশ নিতে পারে। তিনি কর্মসংস্থান, কৃষি উন্নয়ন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আত্মনির্ভর অর্থনীতি গঠনের আহবান জানান।

পাশাপাশি পররাষ্ট্রনীতিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অনুসরণ করেন ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এই বাস্তববাদী নীতি, যা বাংলাদেশের স্বাধীন কূটনৈতিক অবস্থানকে বিশ্বমঞ্চে সুদৃঢ় করে তোলে।

৭ নভেম্বর ছিল ষড়যন্ত্রের অবসান এবং আত্মমর্যাদার পুনর্জাগরণ। এই দিনটি জাতিকে শিখিয়েছে, বাংলাদেশের ভাগ্য বাংলাদেশের জনগণই নির্ধারণ করতে পারে, কোনো বিদেশি শক্তি নয়। এদিন সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রমাণ করেছে, দেশের স্বাধীনতা কেবল অস্ত্রের শক্তিতে নয়, বরং ঐক্য, বিশ্বাস ও দেশপ্রেমের শক্তির ভিত্তিতে টিকে থাকে। এটি এমন এক ঐক্যবদ্ধতার প্রতীক হয়ে উঠেছে, যা বিভাজনের রাজনীতি ও বিদেশি প্রভাবের বিরুদ্ধে জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধের প্রতিধ্বনি হয়ে আজও আমাদের কানে বাজে।

এই ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা পুনরুজ্জীবিত হয় ২০২৪ সালের অগ্নিঝরা আগস্ট মাসে জনগণ-সেনা ঐক্যের মধ্য দিয়ে, যখন দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একযোগে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-নিপীড়ন, অন্যায় ও বিদেশি প্রভাবের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে। চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলন জাতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়, ৭ নভেম্বরের মতোই আজও সেনা ও জনতার ঐক্যই দেশের অস্তিত্ব রক্ষার নিশ্চয়তা দেয়। ঐতিহাসিক নভেম্বর এবং দেদীপ্যমান জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম প্রমাণ করেছে যে জাতির সার্বভৌমত্ব কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের হাতে নয়, বরং জনগণের সম্মিলিত চেতনায় নিহিত। যেমন ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে একটি বিভক্ত রাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল, তেমনি চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঐতিহাসিক ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পুনরায় জাতির আত্মমর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিকে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে। এই দুই ঘটনার মাঝে প্রায় অর্ধশতাব্দীর ব্যবধান, কিন্তু তাদের মূলে একই দর্শন—বাংলাদেশ নিজের ভাগ্য নিজেই নির্ধারণ করবে, কোনো পরাশক্তির ছায়ায় বাংলাদেশের গতিপথ নির্ধারিত হতে পারে না।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বরের চেতনা তাই আরো গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। আজ যখন দেশের রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জাতীয় সংহতি প্রশ্নবিদ্ধ; যখন বিদেশি প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রে রাষ্ট্রীয় ভারসাম্য টলমল; তখন ৭ নভেম্বরের শিক্ষা আমাদের নতুন করে পথ দেখায়। এই দিনের মর্মবাণী হলো জাতির শক্তি জনগণের ঐক্যে, সৈনিকের দেশপ্রেমে, আর নেতৃত্বের সততায়। ৭ নভেম্বর শেখায়, দেশপ্রেম মানে কোনো দলের প্রতি আনুগত্য নয়, বরং জাতির সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার। এটি আরো শেখায়, সেনা ও জনতার ঐক্যই পারে স্বাধীনতা রক্ষা করতে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে।

আজকের তরুণ প্রজন্মের জন্য ৭ নভেম্বর শুধু অতীতের স্মৃতিচারণা মাত্র নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের একটি দিকনির্দেশনা। সেদিনের সিপাহি-জনতার বিপ্লব আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জাতীয়তাবাদ মানে হলো আত্মমর্যাদা; গণতন্ত্র হলো আপামর জনতার অংশগ্রহণ; আর দেশপ্রেম হলো দায়িত্ব, ত্যাগ ও সাহসের সম্মিলন। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান এই বার্তাটিকেই পুনরুজ্জীবিত করেছে। ইতিহাস তার পুনরাবৃত্তি করেছে এমনভাবে, যেখানে স্বাধীনতার চেতনা আবারও জনতার হাতে ফিরে এসেছে এবং সেই চেতনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ৭ নভেম্বরের সেই অমর ঐক্যের স্মারক।

নিকট অতীতে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জাতি ৭ নভেম্বরের শিক্ষা থেকে বিচ্যুত হয়েছিল বলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হয়েছিল। ৭ নভেম্বরের ঐক্য, সাহস ও আত্মমর্যাদাকে ধারণ করে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলন রক্ষা করেছে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। সেদিনের সিপাহি-জনতার বিপ্লব আজও আমাদের আত্মিক শক্তির ফল্গুধারা এবং আমাদের জাতীয় পুনর্জাগরণের আলোকবর্তিকা ও ভবিষ্যতের পথনির্দেশনা।

লেখক : সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
সর্বশেষ খবর
পিএসএল এবার নতুন ফরম্যাটে
পিএসএল এবার নতুন ফরম্যাটে

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে
মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে

১২ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

'প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধ অমূল্য সম্পদ'
'প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধ অমূল্য সম্পদ'

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী আইনে হত্যাচেষ্টার শাস্তি
ইসলামী আইনে হত্যাচেষ্টার শাস্তি

৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নোবেল পুরস্কারের মনোনীতদের তালিকায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি
নোবেল পুরস্কারের মনোনীতদের তালিকায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হিটলার-নেপোলিয়ন রাশিয়াকে দমাতে পারেনি, ইউরোপও পারবে না: সালভিনি
হিটলার-নেপোলিয়ন রাশিয়াকে দমাতে পারেনি, ইউরোপও পারবে না: সালভিনি

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবির বিএসসি ইন ‘সিএসই’ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
বাউবির বিএসসি ইন ‘সিএসই’ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জয়পুরহাটে পিঠা উৎসব
জয়পুরহাটে পিঠা উৎসব

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব
প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা
রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা
নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা

১৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'
'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা
কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা
সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বড় আতঙ্ক কি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? মোসাদ প্রধানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের বড় আতঙ্ক কি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? মোসাদ প্রধানের সতর্কবার্তা

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন এআই ইমেজ মডেল আনল ওপেনএআই
নতুন এআই ইমেজ মডেল আনল ওপেনএআই

৪০ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডিএসইতে বড় দরপতন, সূচক কমেছে
ডিএসইতে বড় দরপতন, সূচক কমেছে

৪২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুদানে আহত শান্তিরক্ষী মোস্তাকিম হোসেনের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন
সুদানে আহত শান্তিরক্ষী মোস্তাকিম হোসেনের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় লালবাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে
দুই ঘণ্টার চেষ্টায় লালবাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

চবি উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম
চবি উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ, পাল্টা গুলি
ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ, পাল্টা গুলি

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
বাগেরহাটে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাগুরায় ‘রাজাকার ঘৃণা চত্বর’ নির্মাণ, জুতা নিক্ষেপ
মাগুরায় ‘রাজাকার ঘৃণা চত্বর’ নির্মাণ, জুতা নিক্ষেপ

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা
ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর
পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা