শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:২২, মঙ্গলবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৫

কৃষি সমবায়ের সাফল্যগাথা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

ড. জাহাঙ্গীর আলম
অনলাইন ভার্সন
কৃষি সমবায়ের সাফল্যগাথা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

স্বেচ্ছায় সম্মিলিত হয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য গঠিত মানুষের সংগঠনই সমবায়। প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সমাজকর্মী কামিনী রায়ের ‘পরার্থে’ কবিতার একটি পঙিক্ত ‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’কে সমবায়ের মূলনীতি হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে। সমবায় হচ্ছে অংশগ্রহণকারী জনগণের স্বতন্ত্র ও স্বায়ত্তশাসিত সংগঠন। এর সদস্যরা যৌথভাবে পরিচালিত সম্পদ ও শ্রমের ভিত্তিতে নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য মিলিত স্বার্থে কাজ করে থাকে।

সমবায় মালিকানায় সদস্যদের অর্থনৈতিক দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হয়। এটি পরিচালিত হয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। কর্মসম্পাদনে স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহি সমবায়ের গুরুত্বপূর্ণ কৌশল। সমবায়ের সদস্যরা নিজেরা উৎপাদন করে, ভোগ করে ও বিপণনে অংশগ্রহণ করে।

সমবায়ের মাধ্যমে ছোট উদ্যোগগুলো লাভজনক হয়ে ওঠে এবং বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। এর অংশীজন বেশি হলে প্রতি ইউনিট উৎপাদন খরচ হ্রাস পায়। বাজারে দর-কষাকষির ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং তাতে ভালো মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়। উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থা যখন মানসম্পন্ন পণ্য ন্যায্যমূল্যে প্রদানে ব্যর্থ হয়, তখন সমবায় এর প্রতিকার হিসেবে আবির্ভূত হয়।

এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সদস্যদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং আর্থিক কর্মকাণ্ডের পরিধি বিস্তৃত করা। এ ছাড়া সামাজিক উন্নয়ন, বৈষম্য হ্রাস, কর্ম সৃজন ও দারিদ্র্যমোচনে সমবায় হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। বাংলাদেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ধরনের সমবায় সংগঠন গড়ে উঠেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে উপযোগমূলক সেবা, ভোগ্যপণ্য, শ্রম, পরিবহন, বিদ্যুৎ, চিকিৎসাসেবা, শিল্প, গৃহায়ণ, সঞ্চয় ও ঋণ প্রদান, বীমা এবং কৃষি উৎপাদন ও বিপণন সম্পর্কিত সমবায়। তন্মধ্যে কৃষি উৎপাদন ও বিপণন বিষয়ক সমবায়ের পরিধি অনেক বিস্তৃত। অংশীজনের সাফল্য খুবই দৃশ্যমান।

কৃষি মানুষের সবচেয়ে পুরনো পেশা। সমবায়েরও আদি রূপ কৃষি সমবায়। এর মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে কৃষক ফসলহানির সংকট কাটিয়েছেন, কৃষিতে অর্থায়ন নিশ্চিত করেছেন, উপকরণ সহায়তা নিয়েছেন, উৎপাদনে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছেন এবং পণ্য বিপণনে সফলতা পেয়েছেন। এতে কৃষকদের জন্য লাভজনক হয়েছে কৃষির উৎপাদন। কৃষি সমবায়গুলোর মূল উদ্দেশ্য নিম্নরূপ :

ক. উৎপাদন বৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ হ্রাস; খ. ঝুঁকি উপশম করা; গ. প্রতিযোগিতামূলক পণ্যবাজারে প্রবেশের সক্ষমতা অর্জন; ঘ. বিভিন্ন কৃষি উপকরণ সংগ্রহের ক্ষেত্রে অভিগম্যতা প্রাপ্তি; ঙ. মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস; চ. কৃষি ব্যবসায় লাভজনকতা বৃদ্ধি করা এবং ছ. গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

কৃষিকাজ বলতে বাংলাদেশে এবং অন্যান্য দেশে ফসল ফলানো, খাদ্যশস্য উৎপাদন, পশুপাখি পালন, মাংস, দুগ্ধ ও ডিম উৎপাদন, মৎস্য চাষ, কৃষি বনায়ন ইত্যাদি সমষ্টিকে বোঝায়। এই বিশাল কার্যক্রমের প্রতিটি ক্ষেত্রে সহযোগী ভূমিকা পালন করেছে সমবায়। এগুলোর মধ্যে শস্য উৎপাদন ও বিপণন সমবায়, দুগ্ধ সমবায়, মৎস্য চাষি সমবায়, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ সমবায়, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় ইত্যাদি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সমবায়ের ক্ষেত্রে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড, ডেনমার্ক, ভারত ও বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এসব দেশে সমবায়ের বার্ষিক আয় পর্যাপ্ত। অংশীজনের সংখ্যাও অনেক বেশি। জাতীয় উৎপাদনে ও কর্ম সৃজনে দীর্ঘকাল ধরে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলছে কৃষি সমবায়। নিম্নে এর কিছু বিবরণ পেশ করা হলো।

জাতীয় কৃষি সমবায় ফেডারেশন জাপানের এবং সমগ্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃষি সমবায় সংগঠন হিসেবে বিবেচিত। এর প্রধান দপ্তর টোকিওতে অবস্থিত। ১৯৭২ সালের ৩০ মার্চ থেকে এর যাত্রা। বর্তমানে এর বার্ষিক আয় ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কৃষি খামারগুলোর অর্থনৈতিক মান বৃদ্ধি করা, বাজারব্যবস্থায় মধ্যস্বত্বভোগীদের পাশ কাটিয়ে কৃষকদের জন্য পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কৃষি উপকরণ সংগ্রহের ক্ষেত্রে কৃষকদের জন্য বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা, তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং উৎপাদনে নিয়োজিত মূলধন সংগ্রহে সহায়তা করা ওই সমবায় সংগঠনের কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।

দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় কৃষি সমবায় ফেডারেশন পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃষি সমবায় সংগঠন হিসেবে পরিচিত। এর বার্ষিক আয় ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৯৬১ সালের ১৫ আগস্ট এর প্রতিষ্ঠা। এক হাজার ১৫৫ সমবায় সমিতি এই ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত। এর সদস্য সংখ্যা ২.৪ মিলিয়ন। কৃষকদের উৎপাদনে ও বিপণনে সহায়তা দেওয়া এই সংগঠনটির প্রধান উদ্দেশ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় প্রতিষ্ঠিত কৃষি ব্যবসা সমবায় সংগঠন পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ একটি সমবায় প্রতিষ্ঠান। এর বার্ষিক আয় ৩১.৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর কর্মচারীর সংখ্যা ১০ হাজার ৪৫৫। কৃষকদের উৎপাদনে সহায়তা করা এবং নতুন প্রযুক্তি, বীজ, সার, কীটনাশক, জ্বালানি ইত্যাদি যথাসময়ে ন্যায্যমূল্যে সরবরাহ করা সংগঠনটির প্রধান দায়িত্ব। পৃথিবীব্যাপী সদস্যদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করাও সংগঠনটির কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত।

কৃষি সমবায় তথা দুগ্ধ সমবায়ের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য দেশ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড। সে দেশের ফন্টেরা সমবায় সংঘ লিমিটেড বিশ্বের একটি অন্যতম বৃহৎ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় হিসেবে বিবেচিত। এর বার্ষিক আয় ১৩.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সদস্যসংখ্যা ১০ হাজার ৫০০ দুগ্ধ খামারি। মোট বার্ষিক দুগ্ধ উৎপাদন দুই বিলিয়ন লিটার। এই সংগঠনটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দুধ, পনির, মাখন, দই ও আইসক্রিম সরবরাহ করে থাকে।

ডেনমার্কে অবস্থিত আরলা ফুডস একটি বহুল পরিচিত খাদ্য সমবায়। এটি মূলত দুগ্ধজাত খাদ্যপণ্য উৎপাদনে নিয়োজিত। এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৮০ সাল। ডেনমার্ক ও সুইডেনে ছড়িয়ে থাকা মোট ১১ হাজার ২০০ সদস্য নিয়ে এর অভিযাত্রা। মোট দুগ্ধ উৎপাদনের পরিমাণ বছরে ১৩.৭ বিলিয়ন কিলোগ্রাম। বার্ষিক আয় ১৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্বের ১৫১টি দেশে সংগঠনটি দুধ, পনির, মাখন, ক্রিম ও মার্জারিন রপ্তানি করে থাকে। এসব পণ্য উৎপাদনের জন্য সংগঠনটিতে ৬০টি প্রক্রিয়াকরণ কারখানা নিয়োজিত রয়েছে। ডেনমার্কের শতকরা ৯৫ ভাগ দুগ্ধ উৎপাদন সমবায় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

ভারতে বহুল পরিচিত দুগ্ধ সমবায় সংগঠন আমুল  ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। গুজরাট সমবায় দুগ্ধ বিপণন ফেডারেশন লিমিটেড এই সংগঠনটির পরিচালনাকাজে নিয়োজিত। এতে দুগ্ধ উৎপাদনকারী সদস্যসংখ্যা ৩.৬ মিলিয়ন। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ১৩টি জেলার দুগ্ধ সমবায় ইউনিয়ন, যা ১৩ হাজার গ্রামে বিস্তৃত রয়েছে। ভারতের জাতীয় দুগ্ধ উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে আমুল শ্বেত বিপ্লব ত্বরান্বিত করে দেশটিকে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ দুগ্ধ উৎপাদনকারী দেশে পরিণত করেছে। এই সংগঠনটি প্রতিদিন গড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ প্রক্রিয়াজাত দুগ্ধ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য বাজারজাত করছে। এর বার্ষিক আয় সাত মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিডেট গ্রামীণ সমবায়ভিত্তিক দুগ্ধ সংগ্রহ, দুগ্ধজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাত ও বিপণনের মাধ্যমে  ক্ষুদ্র কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে এর অধীন প্রাথমিক দুগ্ধ সমবায় সমিতির সংখ্যা দুই হাজার ৫১৭ এবং ব্যক্তি সদস্যের সংখ্যা এক লাখ ১৭ হাজার ৭৫৮। এই সমিতির উৎপাদিত পণ্যের ব্র্যান্ড নাম মিল্ক ভিটা। তরল দুধের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি ঘি, মাখন, মিষ্টি ও টক দই, আইসক্রিম, ক্রিম, চকোলেট, লাবাং, রসগোল্লা, সন্দেশ, রসমালাই ইত্যাদি উৎপাদন ও বিপণন করে থাকে। এর বার্ষিক দুগ্ধ সংগ্রহের পরিমাণ ৪.৩২ কোটি লিটার। শেয়ার মূলধনের পরিমাণ ৪৪ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। বার্ষিক নিট লাভের পরিমাণ ১৮৫.৬৯ লাখ টাকা। বাংলাদেশে বর্তমানে একটি পথিকৃৎ সমবায় সংগঠন হিসেবে কাজ করছে মিল্ক ভিটা।

বাংলাদেশ সমবায়ের এক উর্বর ভূমি। বর্তমানে এ দেশে ২৯ প্রকারের সমবায় সমিতি রয়েছে। মোট সমিতির  সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। এতে অংশগ্রহণকারী সদস্যের সংখ্যা প্রায় সোয়া কোটি। তাঁদের একটি বড় অংশ কৃষি সমবায়ের সঙ্গে জড়িত। তারা কৃষিপণ্যের উৎপাদন করছে, মধ্যস্বত্বভোগীদের নাগপাশ এড়িয়ে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করছে। সমবায়ের মাধ্যমে তারা উন্নত বীজ, সার, সেচ ও কৃষি যন্ত্রায়নের ব্যবস্থা করছে। সমবায়ী কৃষকরা মিলিত হয়ে মাঠের ফসল সংগ্রহ করছেন, মাড়াই, ঝাড়াই ও সংরক্ষণ করছেন। বন্যা, খরা ও তীব্র শৈত্য প্রবাহের সময় তাঁরা একসঙ্গে লড়ছেন। একসঙ্গেই তাঁরা মোকাবেলা করছেন সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বৈপরীত্যকে। বর্তমানে দেশের কৃষিব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও গ্রামীণ জীবন উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পন্থা হচ্ছে সমবায়।

বাংলাদেশে এখন প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হচ্ছে। আরো উৎপাদিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণে মাছ, ফলমূল ও পশুপাখি। এতে সমবায়ী কৃষকদের বড় অবদান রয়েছে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের সবার জন্য খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা বিধান করতে হবে। এর জন্য দেশের খাদ্য ও কৃষিপণ্যের উৎপাদন বছরে গড়ে সাড়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ হারে বাড়িয়ে যেতে হবে। দেশের শতকরা প্রায় ৮২ ভাগ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষির পক্ষে এত দ্রুত উৎপাদন বাড়িয়ে যাওয়া খুবই দুষ্কর। এর জন্য দরকার তাঁদের সংগঠিত করা। আর্থিক ও সামাজিকভাবে তাঁদের ক্ষমতায়ন করা। সমবায়ের মাধ্যমেই তা সম্ভব হতে পারে। এ লক্ষ্যে সমবায় আন্দোলনকে আরো জোরদার করা দরকার। রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা বাড়ানো দরকার দেশের সমবায়ী কৃষকদের জন্য। এতে কৃষি সমবায়ের ভিত্তি আরো দৃঢ় হবে। সমৃদ্ধিশালী হবে দেশের অর্থনীতি। তবে দেশের সমবায়ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করার জন্য এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা দরকার। একে ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন ও দুর্বৃত্তায়ন থেকে মুক্ত রাখা দরকার।

লেখক : কৃষি অর্থনীতিবিদ

এই বিভাগের আরও খবর
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
সর্বশেষ খবর
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৭২ জন
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ১৭২ জন

৫৩ সেকেন্ড আগে | ডেঙ্গু আপডেট

মনোরেল দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা চাই: চসিক মেয়র
মনোরেল দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা চাই: চসিক মেয়র

৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক প্রবণতা, ডিসেম্বরের ১৬ দিনে এসেছে ১৮২ কোটি ৬০ লাখ ডলার
প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক প্রবণতা, ডিসেম্বরের ১৬ দিনে এসেছে ১৮২ কোটি ৬০ লাখ ডলার

৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

লঙ্কানদের হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন টাইগার যুবারা, সেমিতে প্রতিপক্ষ পাকিস্তান
লঙ্কানদের হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন টাইগার যুবারা, সেমিতে প্রতিপক্ষ পাকিস্তান

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অত্যাধুনিক বায়ো-ক্যাপসুল উৎক্ষেপনের পরিকল্পনা ইরানের
অত্যাধুনিক বায়ো-ক্যাপসুল উৎক্ষেপনের পরিকল্পনা ইরানের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাজীপুরে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ রাজশাহী বিভাগে নেই
নির্বাচনের তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ রাজশাহী বিভাগে নেই

২৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেন ঘরোয়া ক্রিকেটারেই বাজি ধরছে আইপিএলের দলগুলো
কেন ঘরোয়া ক্রিকেটারেই বাজি ধরছে আইপিএলের দলগুলো

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টুঙ্গিপাড়ায় উন্মুক্ত বইপাঠ প্রতিযোগিতা
টুঙ্গিপাড়ায় উন্মুক্ত বইপাঠ প্রতিযোগিতা

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৩০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা
বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নানা আয়োজনে সিকৃবির যুগপূর্তি উদযাপন
নানা আয়োজনে সিকৃবির যুগপূর্তি উদযাপন

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীতে ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শীতে গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা, কীভাবে মিলবে স্বস্তি?
শীতে গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা, কীভাবে মিলবে স্বস্তি?

৩৮ মিনিট আগে | জীবন ধারা

১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার
১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮২ কোটি ডলার

৩৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

অমর একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারি
অমর একুশে বইমেলা শুরু ২০ ফেব্রুয়ারি

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ভেজাল সার তৈরির কাঁচামাল জব্দ
শ্রীপুরে ভেজাল সার তৈরির কাঁচামাল জব্দ

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পোস্টাল ভোট : নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতদের নিবন্ধন ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বর
পোস্টাল ভোট : নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতদের নিবন্ধন ১৮ থেকে ২৫ ডিসেম্বর

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

আরও তিন হত্যা মামলায় ছোট সাজ্জাদের জামিন
আরও তিন হত্যা মামলায় ছোট সাজ্জাদের জামিন

৪৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি 'অযৌক্তিক': পুতিন
রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি 'অযৌক্তিক': পুতিন

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা, গৃহকর্মীর দোষ স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যা, গৃহকর্মীর দোষ স্বীকার

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

আরও ৬৭ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আরও ৬৭ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

৫২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুদানে ড্রোন হামলায় শতাধিক নিহত
সুদানে ড্রোন হামলায় শতাধিক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাইফয়েড টিকাদানে অসামান্য অবদান: গাইবান্ধা পৌরসভাকে সম্মাননা
টাইফয়েড টিকাদানে অসামান্য অবদান: গাইবান্ধা পৌরসভাকে সম্মাননা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
বগুড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ মারা যাচ্ছেন ভারতের নির্বাচন কর্মীরা, কেউ করছেন আত্মহত্যা
হঠাৎ মারা যাচ্ছেন ভারতের নির্বাচন কর্মীরা, কেউ করছেন আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন বরুণ, নতুন উচ্চতায় ভারতীয় স্পিনার
শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন বরুণ, নতুন উচ্চতায় ভারতীয় স্পিনার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার
রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়ি আটকে ৭ দফা দাবি ছাত্র-জনতার
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়ি আটকে ৭ দফা দাবি ছাত্র-জনতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

১০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে
মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মেসিকে ১১ কোটি টাকার অতিবিরল ঘড়ি উপহার দিলেন অনন্ত
মেসিকে ১১ কোটি টাকার অতিবিরল ঘড়ি উপহার দিলেন অনন্ত

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ব্রি.জে. (অব.) শামছুল ইসলাম
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ব্রি.জে. (অব.) শামছুল ইসলাম

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর
পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ
জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার
হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা