শিরোনাম
প্রকাশ: ০৩:৫০, বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৫

বন্দর নিয়ে সদরে-অন্দরে মতলবি তৎপরতা

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
বন্দর নিয়ে সদরে-অন্দরে মতলবি তৎপরতা

চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ত্রুটির বিষয়টি বহুদিন ধরে আলোচনায়। কিন্তু ব্যবস্থাপনার উন্নতিসহ চট্টগ্রাম বন্দরের মান উন্নয়নে কোনো উদ্যোগের একটি খবরও দিতে পারেনি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। এর বদলে দিতে পারছে বিদেশিদের হাতে বন্দর তুলে দেওয়ার সদরে-অন্দরে নানা আয়োজনের খবর। এটি যেনতেন বিষয়? আদৌ কোনো অন্তর্বর্তী, মধ্যবর্তী বা অস্থায়ী সরকারের কাজ?  বরাবরই সমুদ্রবন্দর বিষয়ে ড. ইউনূসের একটি আলাদা নজর রয়েছে।

বন্দরগুলোর বিশ্বগুরুত্ব বোঝার প্রশ্নে তিনি উচ্চমার্গের মানুষ। তাই অনেকের আশা ছিল, তাঁর হাত দিয়ে চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলো ভিন্ন অবয়বসহ বাড়তি গুরুত্ব পাবে। বিশ্বের কাছে প্রেজেন্টেবল হবে। কিন্তু হচ্ছে উল্টোটা।

মানোন্নয়ন দূরে থাক, বন্দরের নিজস্বতাই দেশের হাতছাড়া করে দেওয়ার আয়োজন পাকাপোক্ত হচ্ছে। কেমন হয়ে গেল ব্যাপারটা? সাধারণ মানুষের ধারণারও বাইরে।

এ সরকারের ফরজ কাজের অন্যতম হচ্ছে নির্বাচন করা। সঙ্গে নফল বা বাড়তি কাজ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের অব্যবস্থাপনা- দুর্নীতি-অনিয়মের একটা হিল্লা করতে পারত। তা না করে ‘এটা বিদেশিদের দিয়ে দাও’ পথ বাছাই করা হচ্ছে। আমাদের সচিবালয়, সংসদ, এমনকি আদালতেও অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা রয়েছে। কখনো কখনো প্রোডাক্টিভিটি থাকে না। সরকারের বিভিন্ন অফিসেও দুর্নীতি হয়, হচ্ছে। এখন সেগুলো হ্যান্ডেলিংয়ের ভারও বিদেশিদের হাতে তুলে দিতে হবে?  মূল ফের অন্যখানে।

আসলে চট্টগ্রাম বন্দর লাভজনক। সেই লাভের গুড়ে নজর বিদেশিদেরও। অজুহাত হিসেবে বলার চেষ্টা করা হয়, অনেক দেশ তো বিদেশিদের কাছে ইজারা দিয়েছে।

কিন্তু সেসব দেশের বন্দরের সংখ্যা কত জানা আছে? কয়টা বন্দরের মধ্যে কয়টা ইজারা দিয়েছে? আমাদের বন্দর কয়টা? এ ছাড়া নির্বাচন সামনে রেখে কি বন্দর কোনো সাবজেক্ট হতে পারে? হওয়া উচিত? মানুষ চায় নির্বাচনী উদ্যোগ দৃশ্যমান হোক। কিন্তু সরকার তার কাজের পেরিফেরি নিয়ে যাচ্ছে আরেকদিকে।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৯টি দেশের মধ্যে সমুদ্রবন্দরে আমদানি পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া শেষ করতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে পাকিস্তানে। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। এ কারণে আমদানিকারকরা তাঁদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমদানি করা পণ্যের দামও বাড়িয়ে দেন।

এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন ভোক্তারা। দেশের বেশির ভাগ পণ্যের আমদানি-রপ্তানি হয় এ বন্দর দিয়ে। চলমান কাজের অংশ হিসেবে সরকার চাইলে বন্দরের অব্যবস্থাপনা দূর করার একটি উদ্যোগ নিতে পারত। সম্ভব ছিল বন্দরের গতিশীলতা বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া।  পাশাপাশি সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়নে চোখ দেওয়া। তা না করে কুটিল ও বাঁকাপথে হাঁটার প্রবণতা।

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং বৃহত্তম বন্দর। বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির প্রধান গেটওয়ে চট্টগ্রাম বন্দর। দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ কনটেইনার এবং ৯৩ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। যে কারণে আরো দুটি সমুদ্রবন্দর থাকার পরও এটি বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর শুধু একটি বন্দর নয়, এটি বাংলাদেশের সম্ভাবনার পরীক্ষার ক্ষেত্র। বিষয়বস্তু না হলেও গণ-অভ্যুত্থানের আগে-পরে এ বন্দর বারবার আলোচনায় এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যবস্থাপনা বিদেশি কম্পানিকে দেওয়া নিয়ে কথাগুলো কখনো কখনো কথার কথা থাকছে না, হয়ে যাচ্ছে অতিকথা, কুকথা। কেন এটিকে এ সময় কথামালায় আনা হবে? আমাদের তিনদিক ভারত দিয়ে ঘেরা, আর একদিকে সমুদ্র। বিশ্বে সমুদ্র না থাকা দেশগুলোকে বলা হয় অভাগা। সেই বিবেচনায় বাংলাদেশ ভাগ্যবান। কিন্তু সমুদ্র থেকেও তার নিয়ন্ত্রণ না থাকা প্রকারান্তরে দুর্ভাগ্য। সমুদ্র এবং তার ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এই বন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি। দেশের মোট কনটেইনার পণ্য ওঠানামার ৫৫ শতাংশই হয় এনসিটি দিয়ে। পণ্য ওঠানামার আধুনিক সব উপকরণ ও যন্ত্রপাতি রয়েছে এই টার্মিনালে।

বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম এই টার্মিনাল থেকে বছরে হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আয় করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গেল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। এ সরকারও কেন সেই পথ মাড়াচ্ছে? নিষ্পত্তিহীন প্রশ্ন। বিষয়টি স্পর্শকাতরও। এর বিরুদ্ধে বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীসহ অনেকেই প্রতিবাদমুখর। এর পরও চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা ও টার্মিনাল বিদেশিদের হাতে তুলে দিতে সরকার যত উতলা হবে, সরকারের মোটিভ নিয়ে তত প্রশ্ন উঠবে। রাষ্ট্র এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার মনে করলে সেটি ভাবার এখতিয়ার রাখে নির্বাচিত সরকার। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে নির্বাচন, সংস্কার, মানবাধিকারের বিচারসহ কত কাজ। সরকারের হাতে সময়ও আছে বড়জোর মাস চারেক। এ রকম সময় কেন বন্দরের হ্যান্ডেলিংয়ে হ্যান্ডেল মারতে যাওয়া?

কয়েক দিন আগে সরকারের দিক থেকে জানানো হয়েছে, বন্দরে বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হিসেবে গড়ে তোলার ইচ্ছা রয়েছে প্রধান উপদেষ্টার। এ জন্য বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বন্দর ঘিরে মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসবে। তরুণদের জন্য প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশ ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হলে শুধু দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য নয়, পুরো রিজিয়নের ৩০ থেকে ৪০ কোটি মানুষ এর সুফল ভোগ করবে। চট্টগ্রামের লালদিয়া, বে-টার্মিনাল, পতেঙ্গা টার্মিনাল, মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরসহ পুরো অঞ্চলটাই বন্দরের উপযোগী। মানুষ কি এ সময় এসব শুনতে চায়? বা শুনতে হবে বলে ধারণাও ছিল? ফরজে ঠন ঠন, নফলে ঠেলাঠেলি বলতে গ্রামবাংলায় বহু পুরনো একটা স্লোক আছে। এর নতুন ভারসন দেখতে হচ্ছে বন্দর ঘিরে সরকারের অতি কাজে। বন্দরের সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বও যুক্ত। তাই বন্দর নিয়ে যাই করা হোক, চিন্তা-ভাবনার বিষয় রয়েছে। কেউ কেউ বলতে চান, বন্দর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব অভিজ্ঞ ও দক্ষ বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া এখন বৈশ্বিক ট্রেন্ড। পৃথিবীর অনেক দেশেই বিদেশি বিনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনায় বন্দর পরিচালিত হয়। কোনো বন্দরে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে আনা হয় দুটি কারণে। এর একটি হলো নিজেদের পুঁজি না থাকায় বিনিয়োগ পাওয়া, আর অন্যটি হলো উন্নত যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ কর্মীর সঙ্গে থেকে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি। কিন্তু নিউমুরিং টার্মিনালে নতুন করে এসব খাতে বিনিয়োগের সুযোগ নেই। কারণ পাশেই নৌঘাঁটি থাকায় এটি সুযোগ নেই সম্প্রসারণের। প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কেন এই উৎসাহ? পৃথিবীর যেসব দেশের উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে, সেই দেশগুলোতে বন্দর কতগুলো? ভিয়েতনামে বন্দর আছে ২৯৬টি। তার মধ্যে  হাইফং, কাই মেপ-থি ভাই এবং সাইগন বিশ্বের শীর্ষ ৫০টি কনটেইনার বন্দরের অন্যতম। শ্রীলঙ্কায় আটি বন্দর, পাকিস্তানে ৩৭টি বন্দর, যার মধ্যে তিনটি আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর, ভারতে ২৩০টি বন্দর, যার মধ্যে ১২টি প্রধান বন্দর, যেগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে পরিচালিত হয়। ভারতের এই বন্দরগুলোর মাধ্যমে সে দেশের ৯৫ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ কি এসব দেশের মতো? যে দেশের শিল্পের কাঁচামাল পুরোটাই আমদানিনির্ভর, জ্বালানির ওপর বিদেশি নির্ভরতা বেশি, রপ্তানির ৮০ শতাংশ গার্মেন্টস পণ্য, খাদ্য এবং ভোজ্যতেল আমদানি করতে হয়, সেই দেশ তার একমাত্র বন্দর নিয়ে ঝুঁকি নিতে পারে?

পাশাপাশি এই ভূ-রাজনৈতিক, সামরিক বিষয়টাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এখানে আরো কথা আছে। যে পোর্ট বা টার্মিনালে কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি, সেখানে বিনিয়োগ করা হয়, যাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ দিয়ে পোর্ট বা টার্মিনাল তৈরি করতে পারে। এরপর তারা সেটি পরিচালনা করে তাদের বিনিয়োগ তুলে নেবে। একটা নির্দিষ্ট সময় পর বিদেশিরা চলে যাবে। তখন বন্দর আবার দেশীয় মালিকানায় ফিরে আসবে। কিন্তু নিউমুরিং পুরোদমে চলমান একটি টার্মিনাল। এখানে বিদেশি বিনিয়োগ কেন প্রয়োজন, কোথায় প্রয়োজন এবং এর ফলে বন্দরের দক্ষতা কতটা বাড়বে সেটা নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা দরকার। সেটা করার এখতিয়ারও নির্বাচিত সরকারের। গত সোয়া এক বছরে বৈষম্যহীন মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিপুল সম্ভাবনা বিনষ্ট হয়েছে শুধু ফরজ বাদ দিয়ে নফল নিয়ে ঠেলাঠেলি আর নানা মতলববাজিতে। নানা শঙ্কা-সংশয় কাটিয়ে দেশে বর্তমানে নির্বাচনের সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। সেখানে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই মাহেন্দ্রক্ষণে কারোরই হঠকারিতা-ধড়িবাজির অবকাশ থাকা ঠিক নয়। কেউ গণ-অভ্যুত্থানের তাৎপর্য উপলব্ধিতে না নিয়ে অন্য কিছুতে মেতে থাকলে শত শত শহীদের আত্মা ও হাজারো আহতের অভিশাপ অবধারিত।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
সর্বশেষ খবর
রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা
রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা
নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা

২৭ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'
'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা
কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা
সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বড় আতঙ্ক কি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? মোসাদ প্রধানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের বড় আতঙ্ক কি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? মোসাদ প্রধানের সতর্কবার্তা

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন এআই ইমেজ মডেল আনল ওপেনএআই
নতুন এআই ইমেজ মডেল আনল ওপেনএআই

২৭ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডিএসইতে বড় দরপতন, সূচক কমেছে
ডিএসইতে বড় দরপতন, সূচক কমেছে

২৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুদানে আহত শান্তিরক্ষী মোস্তাকিম হোসেনের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন
সুদানে আহত শান্তিরক্ষী মোস্তাকিম হোসেনের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় লালবাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে
দুই ঘণ্টার চেষ্টায় লালবাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন

৩৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

চবি উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম
চবি উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম

৩৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ, পাল্টা গুলি
ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ, পাল্টা গুলি

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
বাগেরহাটে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাগুরায় ‘রাজাকার ঘৃণা চত্বর’ নির্মাণ, জুতা–স্যান্ডেল নিক্ষেপ
মাগুরায় ‘রাজাকার ঘৃণা চত্বর’ নির্মাণ, জুতা–স্যান্ডেল নিক্ষেপ

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহাবিশ্বের ফাঁকা জায়গার মানচিত্র বানাবে নাসার রোমান টেলিস্কোপ
মহাবিশ্বের ফাঁকা জায়গার মানচিত্র বানাবে নাসার রোমান টেলিস্কোপ

৪৬ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

নিরাপত্তা শঙ্কায় বাতিল বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
নিরাপত্তা শঙ্কায় বাতিল বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৩ নেতা গ্রেফতার
বগুড়ায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৩ নেতা গ্রেফতার

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যাত্রীদের ব্যাগেজ নিরাপত্তায় বডি ক্যামেরা চালু করলো বিমান
যাত্রীদের ব্যাগেজ নিরাপত্তায় বডি ক্যামেরা চালু করলো বিমান

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল
জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

এডুকেশন পার্লামেন্ট সোনারগাঁ-এর বৃত্তি পরীক্ষা শুরু
এডুকেশন পার্লামেন্ট সোনারগাঁ-এর বৃত্তি পরীক্ষা শুরু

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘হাদি ভাইকে গুলি কেন, ভারত তুই জবাব দে’-স্লোগানে উত্তাল প্রগতি সরণি
‘হাদি ভাইকে গুলি কেন, ভারত তুই জবাব দে’-স্লোগানে উত্তাল প্রগতি সরণি

৫১ মিনিট আগে | নগর জীবন

অং সান সু চি ভালো আছেন: মিয়ানমার জান্তা
অং সান সু চি ভালো আছেন: মিয়ানমার জান্তা

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বাবাকে হত্যায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবক গ্রেফতার
যুক্তরাষ্ট্রে বাবাকে হত্যায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবক গ্রেফতার

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঁধনের ‘মাস্টার’ যাচ্ছে আন্তর্জাতিক উৎসবে
বাঁধনের ‘মাস্টার’ যাচ্ছে আন্তর্জাতিক উৎসবে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা
ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর
পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা