শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১২, শুক্রবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০৯:১৩, শুক্রবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৫

নির্বাচনী সহিংসতার শঙ্কা বাড়ছে

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
নির্বাচনী সহিংসতার শঙ্কা বাড়ছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, নির্বাচনী মাঠ ততই উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বা আরো প্রায় এক মাস পর। কিন্তু এরই মধ্যে অনানুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়ে গেছে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সহিংসতায় ১১ জনের মতো নিহত হয়েছেন। অক্টোবর মাসে নিহত হয়েছেন ১০ জন।

বিএনপির দলীয় প্রার্থী ঘোষণার মাত্র দুই দিনের মাথায় চট্টগ্রাম নগরীর হামজারবাগ এলাকায় গত বুধবার চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগে গুলির ঘটনা ঘটে। এতে এরশাদ উল্লাহসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন আলোচিত ‘সন্ত্রাসী’ সরওয়ার হোসেন বাবলা (৪৩)। একই দিন রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

যদিও চট্টগ্রাম-৮ আসনের ঘটনাকে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট না বলে বিবদমান দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপকে দায়ী করা হচ্ছে।

নির্বাচনী সহিংসতা বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদত হোসাইন বলেন, ‘নির্বাচনী সহিংসতা রোধে পুলিশ চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা নির্বাচন-পূর্ববর্তী, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধে কাজ করে যাচ্ছি এবং করব। এখন আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দিয়ে যায়। এ ছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অনেক অস্ত্র লুট হয়। এগুলোর বেশির ভাগ উদ্ধার হয়নি।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, ১৯৯১ সাল থেকে দেশে যে আটটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তার কোনোটিতেই সহিংস ঘটনা এড়ানো যায়নি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে সহিংসতার মাত্রা ছিল আরো অনেক বেশি।

সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সবচেয়ে কম সহিংতা ঘটলেও এই নির্বাচনের আগে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল চরম উত্তপ্ত। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা লগি-বৈঠাসহ সমাবেশের ডাক দেন। একই দিনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে পূর্বঘোষিত সমাবেশ ছিল। ফলে চলমান সংঘর্ষে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটে। জামায়াতের ছয় কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই দিন থেকে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে ৪০ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়।

সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ওই নির্বাচনের আগে ও পরে ১৪১ জন নিহত হন বলে জানা যায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ওই নির্বাচন প্রতিহত করার ডাক দেয় আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামীসহ বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল এবং তাতে হতাহতের ঘটনা বৃদ্ধি পায়। এই পরিস্থিতিতে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ স্থায়ী হয় ১২ দিন এবং ওই সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস হয়। এরপর ওই বছরের ১২ জুন অনুষ্ঠিত হয় সপ্তম সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে ভোটের দিন তিনজন নিহত হন বলে জানা যায়।

মানবাধিকার সংস্থার তথ্য মতে, এবার নির্বাচনসংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সহিংসতায় অক্টোবর মাসে ১০ জন নিহত হয়েছেন। নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময় থেকে শুরু করে নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও এই সহিংসতা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

গত মঙ্গলবার মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম জানান, গত অক্টোবর মাসে কমপক্ষে ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন এবং আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫১৩ জন।

মানবাধিকারকর্মী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির বলেন, নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন ও প্রচারণা শুরু করেছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এরই মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। একজন প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং একজন প্রাণ হারিয়েছেন। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জানি অতীতেও নির্বাচনী সহিংসতায় সাধারণ মানুষ হতাহত ও নানা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সহিংসতার অবসান হওয়া জরুরি। সহিংসতার সংস্কৃতি থেকে আমরা বের হতে চাই। রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মীদের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখা ও সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ধারায় থাকতে হবে।’

সহিংসতার প্রকৃতি ও প্রবণতা :

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনই কমবেশি সহিংসতার সাক্ষী হয়েছে। তফসিল ঘোষণার আগে ও পরে, মনোনয়নপত্র দাখিল, প্রতীক বরাদ্দ, প্রচারণার সময়, ভোটগ্রহণের সময় ক্রমে সহিংসতা বাড়ে। ভোটের পরও এর রেশ থেকে যায়। প্রতিপক্ষের অফিস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর হামলা, বোমাবাজি এবং মারামারির ঘটনা সাধারণ ব্যাপার। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই, জাল ভোট প্রদান, ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়া, পোলিং এজেন্টদের ওপর হামলা এবং প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গেও সংঘাতের ঘটনা ঘটে থাকে। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পরাজিত প্রার্থীর বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

আগে যত সহিংস ঘটনা : 

বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সহিংসতায় ১৮ জন নিহত হন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বর্জনকৃত এই নির্বাচনে ১৪১ জন প্রাণ হারান। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচন তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ হলেও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনায় প্রাণহানি ঘটে। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন, যার মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগও ছিল। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন নিহত হন। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম সহিংস নির্বাচন ছিল। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দলের বর্জনের মুখে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ২১ জন নিহত হন। এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিনই একজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারসহ ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে হামলা ও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

নির্বাচন কমিশন সহিংসতা এবং ভোটকেন্দ্র পুড়িয়ে দেওয়ার কারণে ৫৯৬টি ভোটকেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত করে। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর দিন থেকে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত ২১ দিনে সারা দেশে ২২ জন নিহত ও দুই হাজার ১৭৯ জন আহত হন। এর মধ্যে ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টায় নিহত ১৭ জন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর ১০ থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনে ৫৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী (বেশির ভাগ বিএনপির, জাপা, সিপিবিসহ বামদলের) হামলার শিকার হন এবং এসব হামলায় মোট দুই হাজার ১৩২ জন আহত হন।

ওই নির্বাচন সম্পর্কে ‘ক্রিয়েটিং প্যানিক :  বাংলাদেশ ইলেকশন ক্র্যাকডাউন অন পলিটিক্যাল অপন্যান্টস অ্যান্ড ক্রিটিকস’ শিরোনামে ৩৭ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বলছে, এ নির্বাচনে শুধু ৯ থেকে ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে ৪৭টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সে সময় বিএনপি এক বিবৃতিতে দাবি করে, গত ১০ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিরোধী দলগুলোর (যাদের বেশির ভাগ বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মী) ওপর করা দুই হাজার ৮৩৩টি হামলায় ১২ হাজার ৯২৩ জন আহত হয়েছেন। ৮ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় এক হাজার ৫৭৪টি মামলা দায়ের এবং ১৫ হাজার ৫৬৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই বছরের ১৪ নভেম্বর ঢাকা নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশের দুটি ভ্যান পুড়িয়ে দেওয়া হয়। দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষে ২৩ জন পুলিশ সদস্য এবং অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন বলে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মী উভয় পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। ওই ঘটনায় তিন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ৫০ জন বিএনপির কর্মীকে। এ ছাড়া ওই নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় নোয়াখালীর সূবর্ণ চরের চর জুবিলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমীনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন মিলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করে।

ওই নির্বাচন সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে বলা হয়, সহিংসতার কারণে নির্বাচন মানসম্পন্ন হয়নি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে সহিংসতা, নাগরিক স্বাধীনতার সংকোচন এবং বাকস্বাধীনতা ও সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতার অবনতিও এই নির্বাচনের মান ক্ষুণ্ন করার জন্য দায়ী।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের একপক্ষীয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতা নিয়ে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) নামের একটি সংগঠনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই বছরের ১৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দুই মাসে নির্বাচনী সহিংসতায় অন্তত ১৮ জন নিহত হন। আহত হন দুই হাজার ২০০ জনের বেশি। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন শতাধিক। আর ৩৫০টি ঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

সহিংসতার মূল কারণ : জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, সহিংসতার কারণের মাঝে সবচেয়ে বেশি রয়েছে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস, অসহিষ্ণুতা ও ক্ষমতার একচ্ছত্র দখলের প্রবণতা সহিংসতার জন্ম দেয়। স্থানীয় পর্যায়ে আধিপত্য বিস্তার এবং অর্থনৈতিক সুবিধা লাভের আকাঙ্ক্ষা অনেক সময় সহিংসতাকে উসকে দেয়। আইনের প্রয়োগে শৈথিল্য এবং অপরাধীদের বিচার না হওয়া বা দেরিতে হওয়া সহিংসতা বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়া অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতা এবং এর ব্যবহার সহিংসতাকে আরো মারাত্মক করে তোলে। কিছু ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষপাতমূলক আচরণ বা নিষ্ক্রিয়তা সহিংসতার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাদের মতে, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবও সহিংসতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিপক্ষকে শত্রুজ্ঞান করার একটি সংস্কৃতি সহিংসতার একটি অন্তর্নিহিত কারণ। সহিংসতা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে, যা গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তিকে দুর্বল করে। ভোটাররা ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে দ্বিধাবোধ করে, যা ভোটদানের হার কমিয়ে দেয়। সহিংসতা মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন ঘটায়, যার মধ্যে জীবন, নিরাপত্তা ও চলাচলের স্বাধীনতা অন্যতম। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকার কারণে দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ে। সহিংসতা সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে এবং রাজনৈতিক মেরুকরণকে তীব্র করে। 

সূত্র: কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
বিএনপির শরিকদের আসন চূড়ান্ত চলতি সপ্তাহে
বিএনপির শরিকদের আসন চূড়ান্ত চলতি সপ্তাহে
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিএনপির কাছেই নিরাপদ : তারেক রহমান
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিএনপির কাছেই নিরাপদ : তারেক রহমান
বিএনপি-জামায়াতের আলোচনায় জনগণের প্রত্যাশার সংস্কার নেই: আখতার হোসেন
বিএনপি-জামায়াতের আলোচনায় জনগণের প্রত্যাশার সংস্কার নেই: আখতার হোসেন
দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসংহতি আন্দোলনের ১১ দফা প্রস্তাবনা
দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসংহতি আন্দোলনের ১১ দফা প্রস্তাবনা
জামায়াত এখন নতুন চেতনার আড়ালে ধর্মের ব্যবসা করছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জামায়াত এখন নতুন চেতনার আড়ালে ধর্মের ব্যবসা করছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
‘বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দেশপ্রেমিক শক্তিগুলোকে একত্রে সামনে এগোতে হবে’
‘বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দেশপ্রেমিক শক্তিগুলোকে একত্রে সামনে এগোতে হবে’
ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে বিএনপি: রিজভী
ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে বিএনপি: রিজভী
নিবন্ধন পুনর্বহাল, ‘হুক্কা’র বদলে ‘চশমা’ প্রতীক পেল জাগপা
নিবন্ধন পুনর্বহাল, ‘হুক্কা’র বদলে ‘চশমা’ প্রতীক পেল জাগপা
দলীয় ইশতেহার তৈরিতে অনলাইনে জনগণের মতামত নেবে জামায়াত
দলীয় ইশতেহার তৈরিতে অনলাইনে জনগণের মতামত নেবে জামায়াত
জনগণ কোনো শক্তিকে নতুন করে ষড়যন্ত্র করতে দেবে না: নজরুল ইসলাম খান
জনগণ কোনো শক্তিকে নতুন করে ষড়যন্ত্র করতে দেবে না: নজরুল ইসলাম খান
জাপা নেতা থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গোলাম মসীহ
জাপা নেতা থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গোলাম মসীহ
৮ দলের বৈঠক : আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু হচ্ছে আজ
৮ দলের বৈঠক : আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু হচ্ছে আজ
সর্বশেষ খবর
ঝিনাইদহে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত
ঝিনাইদহে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পথচারীর সাথে ধাক্কা খাওয়ার পর ধরা পড়ল ১০ হাজার ইয়াবা
পথচারীর সাথে ধাক্কা খাওয়ার পর ধরা পড়ল ১০ হাজার ইয়াবা

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে নেপালে ১১৪ দলকে অনুমোদন
গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে নেপালে ১১৪ দলকে অনুমোদন

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিএলে রানে শীর্ষে সৌম্য, সেঞ্চুরিতে মার্শাল আইয়ুব
এনসিএলে রানে শীর্ষে সৌম্য, সেঞ্চুরিতে মার্শাল আইয়ুব

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

১৩ ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
১৩ ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দ্বিনি বিষয়ে আলেমদের দ্বারস্থ হতে হবে
দ্বিনি বিষয়ে আলেমদের দ্বারস্থ হতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সীমান্ত ঘিরে মাদকের নতুন কারখানা
সীমান্ত ঘিরে মাদকের নতুন কারখানা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ডিসেম্বর)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির শরিকদের আসন চূড়ান্ত চলতি সপ্তাহে
বিএনপির শরিকদের আসন চূড়ান্ত চলতি সপ্তাহে

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বনিম্ন রানের লজ্জা, বড় জয় ভারতের
দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বনিম্ন রানের লজ্জা, বড় জয় ভারতের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে কিউবার সাবেক অর্থমন্ত্রীর যাবজ্জীবন
গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে কিউবার সাবেক অর্থমন্ত্রীর যাবজ্জীবন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহকর্মী নিয়োগে পরিচয় যাচাইয়ের আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের
গৃহকর্মী নিয়োগে পরিচয় যাচাইয়ের আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ দিনই বোরকা পরে, না হয় মুখ ঢেকে এসেছিলেন ওই গৃহকর্মী
৪ দিনই বোরকা পরে, না হয় মুখ ঢেকে এসেছিলেন ওই গৃহকর্মী

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইলন মাস্ক, মার্ক জাকারবার্গের আদলে রোবট কুকুর
ইলন মাস্ক, মার্ক জাকারবার্গের আদলে রোবট কুকুর

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ধর্মেন্দ্রর জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট ববির
ধর্মেন্দ্রর জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট ববির

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গাজায় ত্রাণ প্রবেশে জর্ডান সীমান্তের অ্যালেনবি ক্রসিং ফের খুলছে বুধবার
গাজায় ত্রাণ প্রবেশে জর্ডান সীমান্তের অ্যালেনবি ক্রসিং ফের খুলছে বুধবার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকালে ঘুম ভেঙে অস্ট্রেলিয়ার লাখো শিশু দেখবে তাদের ‘আইডি’ আর নেই
সকালে ঘুম ভেঙে অস্ট্রেলিয়ার লাখো শিশু দেখবে তাদের ‘আইডি’ আর নেই

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

কেন সীমান্তে আবার লড়াই করছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া?
কেন সীমান্তে আবার লড়াই করছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ যুব হকি দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
বাংলাদেশ যুব হকি দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা কলেজের বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
ঢাকা কলেজের বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ
সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হংকংয়ে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ১৬০, এখনো নিখোঁজ ছয়জন
হংকংয়ে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ১৬০, এখনো নিখোঁজ ছয়জন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নাটোরের সিংড়ায় দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নাটোরের সিংড়ায় দোয়া

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় হাটহাজারীতে দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় হাটহাজারীতে দোয়া

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি : ডিএনসিসি প্রশাসক
ডেঙ্গু প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি : ডিএনসিসি প্রশাসক

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘সরকারের যেকোনো পদে থেকে কেউ নির্বাচন করতে পারবেন না’
‘সরকারের যেকোনো পদে থেকে কেউ নির্বাচন করতে পারবেন না’

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ধুরন্ধর’ এর কিছু দৃশ্যের শুট কি পাকিস্তানে হয়েছে?
‘ধুরন্ধর’ এর কিছু দৃশ্যের শুট কি পাকিস্তানে হয়েছে?

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা-মেয়ের দাফন সম্পন্ন
মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা-মেয়ের দাফন সম্পন্ন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুধবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন উপদেষ্টা আসিফ
বুধবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন উপদেষ্টা আসিফ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বজিৎ হত্যাকারীদের ফাঁসি কার্যকরের দাবি জবি শিবিরের
বিশ্বজিৎ হত্যাকারীদের ফাঁসি কার্যকরের দাবি জবি শিবিরের

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি ৫ নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি ৫ নির্দেশনা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

করদাতাদের বার্ষিক রিটার্ন দাখিল ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরি করছে এনবিআর
করদাতাদের বার্ষিক রিটার্ন দাখিল ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরি করছে এনবিআর

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে শর্ত না মানলে প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা বেতন পাবেন না
যে শর্ত না মানলে প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা বেতন পাবেন না

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হলেন ৩১ কর্মকর্তা
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হলেন ৩১ কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে আরও কঠোর জবাব দেয়া হবে, হুঁশিয়ারি আসিম মুনিরের
ভারতকে আরও কঠোর জবাব দেয়া হবে, হুঁশিয়ারি আসিম মুনিরের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বুধবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন উপদেষ্টা আসিফ
বুধবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন উপদেষ্টা আসিফ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বুধবার সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার তফসিল : ইসি মাছউদ
বুধবার সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার তফসিল : ইসি মাছউদ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে নেই সাকিব, আছেন বাংলাদেশের ৭ জন
আইপিএল নিলামে নেই সাকিব, আছেন বাংলাদেশের ৭ জন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জ অচল হলে সারাদেশ অচল হবে: মোস্তাফিজুর রহমান
নারায়ণগঞ্জ অচল হলে সারাদেশ অচল হবে: মোস্তাফিজুর রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাপা নেতা থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গোলাম মসীহ
জাপা নেতা থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গোলাম মসীহ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা বাড়ি হস্তান্তরে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ
সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা বাড়ি হস্তান্তরে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ প্রকল্পে জমা পড়ল কতো কোটি রুপি?
হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ প্রকল্পে জমা পড়ল কতো কোটি রুপি?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পে স্কেল কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ
পে স্কেল কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির তাগিদ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাজারে থাকা মোবাইল ফোন ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকাভুক্তির নির্দেশ
বাজারে থাকা মোবাইল ফোন ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকাভুক্তির নির্দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তফসিলের পর অনুমোদনহীন সমাবেশ-আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান
তফসিলের পর অনুমোদনহীন সমাবেশ-আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নামাজ পড়ার ফজিলত ও না পড়ার ক্ষতি
নামাজ পড়ার ফজিলত ও না পড়ার ক্ষতি

১৯ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ইসরায়েলের
লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ইসরায়েলের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গাজীপুরে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছেছে গ্রামে, দাফন দুপুরে
মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছেছে গ্রামে, দাফন দুপুরে

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেন নিয়ে নতুন শান্তি–প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে
ইউক্রেন নিয়ে নতুন শান্তি–প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৯ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৯ ডিসেম্বর)

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউরোপ নিয়ে কঠোর সমালোচনায় ট্রাম্প
ইউরোপ নিয়ে কঠোর সমালোচনায় ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে ‌‌‌‘পাখি’: কবে, কোথায় দিনক্ষণ জানালেন অভিনেত্রী
আবারও বিয়ের পিঁড়িতে ‌‌‌‘পাখি’: কবে, কোথায় দিনক্ষণ জানালেন অভিনেত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শত্রুকে বিপর্যস্ত করতে ক্ষেপণাস্ত্রে এআই প্রযুক্তি যুক্ত করবে ইরান
শত্রুকে বিপর্যস্ত করতে ক্ষেপণাস্ত্রে এআই প্রযুক্তি যুক্ত করবে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়াকে ভূখণ্ড ছাড়তে নারাজ জেলেনস্কি, প্রস্তাব বদলাচ্ছে?
রাশিয়াকে ভূখণ্ড ছাড়তে নারাজ জেলেনস্কি, প্রস্তাব বদলাচ্ছে?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের ট্রেনে উঠে গেছি আমরা : সিইসি
নির্বাচনের ট্রেনে উঠে গেছি আমরা : সিইসি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআইডি কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাতকারী পলাতক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
সিআইডি কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাতকারী পলাতক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৮ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির প্রার্থী মোশারফের কাছে চাঁদা দাবি
বগুড়ায় বিএনপির প্রার্থী মোশারফের কাছে চাঁদা দাবি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমারসহ ৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক যুগ্ম-কমিশনার বিপ্লব কুমারসহ ৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
দলের অবস্থান পরিষ্কারে উজ্জীবিত নেতা-কর্মী
দলের অবস্থান পরিষ্কারে উজ্জীবিত নেতা-কর্মী

প্রথম পৃষ্ঠা

মহামারির মতো ভাঙছে সংসার
মহামারির মতো ভাঙছে সংসার

পেছনের পৃষ্ঠা

আসছে ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান
আসছে ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান

প্রথম পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মানবাধিকার লঙ্ঘন পদে পদে
মানবাধিকার লঙ্ঘন পদে পদে

প্রথম পৃষ্ঠা

৫৭ চা-শ্রমিককে হত্যা
৫৭ চা-শ্রমিককে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার শেষ পরীক্ষা
প্রধান উপদেষ্টার শেষ পরীক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

হকির বিস্ময় বালক আমিরুল
হকির বিস্ময় বালক আমিরুল

মাঠে ময়দানে

দুই মাসেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ ৩৮ যুবকের
দুই মাসেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ ৩৮ যুবকের

পেছনের পৃষ্ঠা

বেগম রোকেয়া পদকজয়ী ঋতুপর্ণা
বেগম রোকেয়া পদকজয়ী ঋতুপর্ণা

মাঠে ময়দানে

মানবাধিকার অপরিহার্য
মানবাধিকার অপরিহার্য

সম্পাদকীয়

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনা
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনা

সম্পাদকীয়

আবারও ব্রাদার্সের কাছে হার আবাহনীর
আবারও ব্রাদার্সের কাছে হার আবাহনীর

মাঠে ময়দানে

তুলে নিয়ে ধর্ষণ গণধোলাই অভিযুক্তকে
তুলে নিয়ে ধর্ষণ গণধোলাই অভিযুক্তকে

দেশগ্রাম

বরেন্দ্রে পানিসংকট
বরেন্দ্রে পানিসংকট

সম্পাদকীয়

অনুমোদনহীন আন্দোলন সমাবেশে আইনি ব্যবস্থা
অনুমোদনহীন আন্দোলন সমাবেশে আইনি ব্যবস্থা

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ক্লাব ম্যাচ স্থগিত
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ক্লাব ম্যাচ স্থগিত

মাঠে ময়দানে

হত্যা মামলার আসামি আটক
হত্যা মামলার আসামি আটক

দেশগ্রাম

জমেছে পুরাতন শীতবস্ত্র বেচাকেনা
জমেছে পুরাতন শীতবস্ত্র বেচাকেনা

দেশগ্রাম

উন্নয়নে গতি নেই
উন্নয়নে গতি নেই

সম্পাদকীয়

লঙ্কানদের কাছে হারল টাইগার যুবারা
লঙ্কানদের কাছে হারল টাইগার যুবারা

মাঠে ময়দানে

আজকের প্রশ্ন
আজকের প্রশ্ন

মাঠে ময়দানে

কারখানা বন্ধ, প্রতিবাদে বিক্ষোভ শ্রমিকদের
কারখানা বন্ধ, প্রতিবাদে বিক্ষোভ শ্রমিকদের

দেশগ্রাম

খলিফা আবু বকর (রা.)
খলিফা আবু বকর (রা.)

সম্পাদকীয়

সড়কে দুই শিশুসহ নিহত ১২
সড়কে দুই শিশুসহ নিহত ১২

দেশগ্রাম

হারাচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
হারাচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার
আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার

মাঠে ময়দানে

স্বনির্ভরতার বাস্তব সংজ্ঞা
স্বনির্ভরতার বাস্তব সংজ্ঞা

সম্পাদকীয়

প্রক্সি হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে
প্রক্সি হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে

দেশগ্রাম