শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৫৬, শনিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৫

নির্বাচন : একই প্রত্যাশায় জনতা ও সেনাবাহিনী

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
নির্বাচন : একই প্রত্যাশায় জনতা ও সেনাবাহিনী

তিন বাহিনীর প্রধানরা রওনা করলেন প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে। গন্তব্যে পৌঁছতে যতটা দেরি গুজব রটাতে ততটা দেরি হলো না। প্রধান উপদেষ্টার আর রক্ষা নেই। আজই এসপার-ওসপার হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু মিনিট কয়েকের মধ্যেই কিচ্ছার ফানুস শেষ। গুজববাজদের সুবিধা হলো না। সাধারণ মানুষ গ্রাহ্য করেনি সোশ্যাল মিডিয়ার খবর। আজগুবি কনটেন্ট না দেখে মূল ধারার গণমাধ্যমের দিকে অপেক্ষা করতে থাকে তারা।

অল্প সময়ের ব্যবধানে জানতে পারে, ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানাতে গেছেন তিন বাহিনীর প্রধানরা। তিন বাহিনীর প্রধানদের সাক্ষাতে নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে তাঁদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষািটর প্রতি মানুষের ছিল ব্যাপক আগ্রহ। বাস্তবতা বুঝেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। সংবাদটি জানাতে দেরি করেনি। বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের কঠোর পরিশ্রমের জন্য সাধুবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, গত ১৫ মাসে সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর সদস্যরা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেছেন।


বৈঠকে নির্বাচনের জন্য সামরিক বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেছেন তিন বাহিনীর প্রধানরা। নির্বাচন ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ৯০ হাজার সেনা সদস্য, নৌবাহিনীর আড়াই হাজার সদস্য এবং বিমানবাহিনীর দেড় হাজার সদস্য মোতায়েন, প্রতিটি উপজেলায় এক কম্পানি সেনা মোতায়েনসহ আনুষঙ্গিক তথ্যও জানা হলো। এর মাঝেই নির্বাচন হলে দেশে স্থিতিশীলতা আরো ভালো বলে আশাবাদের কথা জানিয়েছে সেনাবাহিনী। সেটাও কোনো খুচরা আলাপে নয়, একদম আনুষ্ঠানিক ব্রিফ করে জানিয়েছে সেনা সদর। ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে সেনা সদর আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সফট টকে লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান সোজা বাংলায় জানিয়েছেন, দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী একটা অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সেনাবাহিনী প্রত্যাশা করে, নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরো ভালো হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে এবং সেনাবাহিনী তখন সেনানিবাসে ফিরে যেতে পারবে।

তিনি সেনা সদর দপ্তরের আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জিওসি। ব্রিফিংয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমানও কয়েকটি প্রশ্নের জবাব পরিষ্কার করেন স্পষ্টভাষায়। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনীর কার্যক্রম তাঁরা ব্যাখ্যা করেন চমৎকারভাবে। কোন প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনী গত সোয়া এক বছর ধরে বেসামরিক প্রশাসনকে কত চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছে, প্রতিকূল পরিস্থিতি মাড়াচ্ছে—তা উঠে আসে তাঁদের ব্রিফিংয়ে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান জানান, সরকার এখন পর্যন্ত নির্বাচনের যেটুকু রূপরেখা প্রণয়ন করেছে, সেটার ওপর ভিত্তি করে সেনাবাহিনী যথাযথ প্রস্তুতি নিয়েছে। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সেনাবাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে, এ বিষয় এড়িয়ে যাওয়া হয়নি। বরং নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নিশ্চিত করা হয়েছে, সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সেনাবাহিনী প্রধান, সেনাবাহিনীর সিনিয়র লিডারশিপে শতভাগ অনুগত এবং বিশ্বস্ত। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় সেনাবাহিনী এখন আরো বেশি ঐক্যবদ্ধ, তাদের ভ্রাতৃত্ববোধ এখন আরো বেশি—এ দাবিও করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচার রুখতে যে মিথ্যা দিয়ে মিথ্যা ঢাকতে নেই, তা একটু ভিন্ন ন্যারেটিভে জানানো হয়েছে ব্রিফিংয়ে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমানের ভাষায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচারণার (নেতিবাচক) বিরুদ্ধে কিছু করার প্রয়োজন নেই। মিথ্যাকে বিতাড়িত করতে সত্যই যথেষ্ট। সত্যের মাধ্যমে এবং কাজের মাধ্যমে সেটার প্রমাণ করতে চায় সেনাবাহিনী।

ব্রিফিংয়ে প্রাসঙ্গিক আরো নানা বিষয়ই উঠে এসেছে। সময়ের চাহিদায় বেশি প্রাসঙ্গিক হচ্ছে নির্বাচন। রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ভোটারসহ দেশে-প্রবাসে সবাই নির্বাচনমুখী। সেনাবাহিনী জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার সেই অভ্যুত্থানের পর থেকেই যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের তাগিদ দিয়ে আসছে। সেই তাগিদ এবং চেষ্টায় তারা আরো বলীয়ান। কিন্তু খেয়াল করার বিষয়, সেখানে দুষ্ট চোখের চাহনি আঁচ করা যাচ্ছে। নির্বাচন বিঘ্নিত করতে সশস্ত্র বাহিনীকে চটাতে, মন ভাঙতে সর্বোপরি মনোবল দুর্বল করার জন্য কিছু নাটিগুটি চালানো হচ্ছে। নির্বাচন একটি উপলক্ষ মাত্র। চক্রটির চাহিদা হচ্ছে, দেশে-বিদেশে  সেনাবাহিনীর ইমেজ-সুনাম ও বিশ্ব মর্যাদায় আঁচড় বসানো। সেনাবাহিনী যত চেষ্টা-সাধনায় এ ইমেজকে আরো শাণিত করছে, কখনো কখনো তার চেয়েও বেশি চেষ্টা হচ্ছে ইমেজে ঘা লাগানোর। নির্বাচনী ট্রেন ট্র্যাকে উঠে পড়ায় মহলটি একটু মনোকষ্টে ভুগছে। পর পর তিনটি তামাশাপূর্ণ নির্বাচনের পর জনগণ মূলত মুখিয়ে আছে সেনাবাহিনীর দিকে। এটি আস্থা ও ভরসার বিষয়। বাংলাদেশের মতো দুর্যোগ-দুর্বিপাকসহ জাতীয় নানা প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর ওপর ভরসা করার দৃষ্টান্ত বিশ্বে কম দেশেই আছে। আবার সেনাবাহিনী নিয়ে অবান্তর কথা, আজেবাজে ন্যারেটিভ তৈরির প্রবণতাও বিশ্বে বিরল। চব্বিশের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর এই রোগটি সেরে যেতে পারত। কিন্তু মাঝেমধ্যেই রোগ চাগাড় দেওয়ার লক্ষণ ভর করছে। সেই সঙ্গে আচানক-আজগুবি, রাতের ঘুম নষ্ট করা গুজবের হাট। সেদিন তিন বাহিনীর প্রধানের যমুনায় যাওয়া নিয়ে তা জমানো যায়নি। তার পরও সেনা সদরের ব্রিফিংটি কাজে দিয়েছে। অনেক কিছু পরিষ্কার করা হয়েছে। টুইস্ট করার মতো মেটেরিয়াল মেলেনি। তাই বলে তারা দমে গেছে বা দমে যাবে, সেই আশা করা বোকামি। বড়জোর একটু দম নেবে। দুই দিন পর আবার নামবে। প্রয়োজনে ফ্যাসিজম ডাকবে। তবু তাদের সেনাবাহিনীকে ডিস্টার্ব করা চাই।

চব্বিশের পটপরিবর্তনে সেনাবাহিনীর জনসম্পৃক্ততার অনন্য দৃষ্টান্তের প্রশংসা এ চক্রের চরম অসহ্য। নির্বাচন সামনে রেখে যেকোনো ছুতায় এর একটা প্রতিশোধ তাদের প্রত্যাশা। নির্বাচনের মুখ্য দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও তা কেবল তাদের একার নয়। এখানে প্রার্থী, ভোটার, রাজনৈতিক দল, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীসহ অংশীজন অনেক। ইসি অনেকটা রেফারির মতো। আর আম্পায়ারিংয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বলতে মানুষ আগে চেনে পুলিশকে। তারপর সশস্ত্র বাহিনী,  র‌্যাব, বিজিবি, আনসার। বাস্তবতা হচ্ছে, পুলিশ এখনো ট্রমাগ্রস্ত। গেল সরকার আমলে নানা ক্রিয়াকর্মে পুলিশ হয়ে যায় জনতার প্রতিপক্ষ। ঘৃণার ওই জায়গা থেকে পুলিশ এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। এর বিপরীতে সেনাবাহিনী চলে এসেছে আরো ভরসা ও আস্থার জায়গায়। গেল সরকার নির্বাচনকালীন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞা থেকেই তাদের খারিজ করে দিয়েছিল। এবার আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশন ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২’ সংশোধন করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে আবারও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা আর প্রয়োগকারীর মধ্যে বেশ ফারাক আছে। ভোট দেওয়া ভুলে যাওয়া মানুষের বিশ্বাস, নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালনে সুফল আসবে। এই বিশ্বাস থেকেই ২০০১ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আরপিও সংশোধন করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগগুলো বা সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কেবল জাতীয় সংসদ নির্বাচনেই নয়, পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকার ওই সংশোধনী অধ্যাদেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞা থেকে প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগগুলো বাদ দেয়। এবার সেখানে আশাবাদের খবর। মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে এ আশা ও নিশ্চয়তা গণতন্ত্রকামী যে কারোর জন্যই অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত। সশস্ত্র বাহিনীরও সেই আশা ও অপেক্ষা, যা নিয়ে তিন বাহিনীর প্রধানদের বিশদ কথা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে। সেনা ব্রিংফিংয়ে ক্লিয়ার করা হয়েছে আরো অনেক কিছু। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী যোগ করেছেন আরেকটি দামি কথা। নির্বাচনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ফ্যাক্টর রয়েছে জানিয়ে বলেছেন, মূল ফ্যাক্টর হচ্ছে জনগণ। তারা নির্বাচনমুখী হয়ে গেলে অনেকে অনেক কিছু করার চেষ্টা করলেও পারবে না। সত্যিই এই ‘অনেকরা’ আরো ‘অনেক’ কিছু করার চেষ্টা সেই জুলাই-আগস্টেও করেছে। পারেনি ছাত্র-জনতা আর সেনাবাহিনীর একমুখী অবস্থানের কারণে।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট, ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন।

এই বিভাগের আরও খবর
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
সর্বশেষ খবর
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টান দিয়ে নারীর মুখের নিকাব সরিয়ে তোপের মুখে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী
টান দিয়ে নারীর মুখের নিকাব সরিয়ে তোপের মুখে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলার মুখে কঠোর অবস্থানে বিবিসি
ট্রাম্পের ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলার মুখে কঠোর অবস্থানে বিবিসি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

শীতার্তের পাশে থাকুক মানবতার হাত
শীতার্তের পাশে থাকুক মানবতার হাত

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৭ ডিসেম্বর)

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘শিশুদের স্বপ্ন দেখার এবং শৈশবের অঙ্গীকার পূর্ণ হলে স্বাধীনতা ফলপ্রসূ হবে’
‘শিশুদের স্বপ্ন দেখার এবং শৈশবের অঙ্গীকার পূর্ণ হলে স্বাধীনতা ফলপ্রসূ হবে’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে কিশোর নিহত
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে কিশোর নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিফা বর্ষসেরা কোচ এনরিকে-ভিগমান
ফিফা বর্ষসেরা কোচ এনরিকে-ভিগমান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুড়িগ্রামে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
কুড়িগ্রামে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি ‘যেকোনো সময়ের চেয়ে কাছাকাছি’: ট্রাম্প
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি ‘যেকোনো সময়ের চেয়ে কাছাকাছি’: ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মা বাবাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার নিক রাইনার
মা বাবাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার নিক রাইনার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউক্রেনের কুপিয়ানস্ক শহর দখলের দাবি রাশিয়ার
ইউক্রেনের কুপিয়ানস্ক শহর দখলের দাবি রাশিয়ার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে গুণীজন সম্মাননা পেলেন সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু
বিজয় দিবসে গুণীজন সম্মাননা পেলেন সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এসআইআর খসড়া তালিকা প্রকাশ, বাদ গেছে ৫৮ লাখের বেশি ভোটারের নাম
এসআইআর খসড়া তালিকা প্রকাশ, বাদ গেছে ৫৮ লাখের বেশি ভোটারের নাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

নানা আয়োজনে নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বিজয় দিবস উদযাপিত
নানা আয়োজনে নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বিজয় দিবস উদযাপিত

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জার্মানিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
জার্মানিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ : চারদিনে গ্রেফতার ২৪৩৩
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ : চারদিনে গ্রেফতার ২৪৩৩

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডুয়েটে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
ডুয়েটে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ব্রিতে বিজয় দিবসে নানা আয়োজন
ব্রিতে বিজয় দিবসে নানা আয়োজন

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলে আবারও মুস্তাফিজ-পাথিরানা জুটি
আইপিএলে আবারও মুস্তাফিজ-পাথিরানা জুটি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিদ্ধিরগঞ্জে ৮ মামলার আসামি নূর ছালাম গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে ৮ মামলার আসামি নূর ছালাম গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফোনে ডেকে নিয়ে তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ফোনে ডেকে নিয়ে তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় পতাকা নিয়ে সর্বাধিক প্যারাস্যুটিং করে বিশ্বরেকর্ড
জাতীয় পতাকা নিয়ে সর্বাধিক প্যারাস্যুটিং করে বিশ্বরেকর্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলাম আজম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান কোথায় : মির্জা আব্বাস
গোলাম আজম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান কোথায় : মির্জা আব্বাস

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা
১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ
হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা, নিরাপত্তা নিশ্চিতে মমতার কড়া নির্দেশ
৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা, নিরাপত্তা নিশ্চিতে মমতার কড়া নির্দেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা
ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম
বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান
আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল নিলাম: সবচেয়ে বেশি টাকা কেকেআর'র, অন্য দলের হাতে কত?
আইপিএল নিলাম: সবচেয়ে বেশি টাকা কেকেআর'র, অন্য দলের হাতে কত?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রশান্ত মহাসাগরে তিন জাহাজে মার্কিন হামলা, নিহত ৮
প্রশান্ত মহাসাগরে তিন জাহাজে মার্কিন হামলা, নিহত ৮

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন
আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জড়িয়ে ভারতের ট্রলার ডুবি নিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার
বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জড়িয়ে ভারতের ট্রলার ডুবি নিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ, টানা ছয় দিন ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ, টানা ছয় দিন ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা কারাগারের সামনে থেকে সুব্রত বাইনের মেয়ে আটক
কুমিল্লা কারাগারের সামনে থেকে সুব্রত বাইনের মেয়ে আটক

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ ডিসেম্বর)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনা ও বিমানবাহিনীতে অনারারি কমিশন
সেনা ও বিমানবাহিনীতে অনারারি কমিশন

নগর জীবন

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

কুমিল্লায় সুব্রত বাইনের মেয়ে আটক
কুমিল্লায় সুব্রত বাইনের মেয়ে আটক

খবর

সরে দাঁড়ালেন বিএনপি প্রার্থী
সরে দাঁড়ালেন বিএনপি প্রার্থী

নগর জীবন

মালটায় নৌকাডুবি ৫৯ বাংলাদেশি উদ্ধার, মৃত ১
মালটায় নৌকাডুবি ৫৯ বাংলাদেশি উদ্ধার, মৃত ১

পেছনের পৃষ্ঠা