শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:৩৫, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০১:৩৭, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫

বাঙালির গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বাঙালি

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
বাঙালির গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বাঙালি

বাঙালি যদিও গণতন্ত্র ও নির্বাচনের নামে পাগল, কিন্তু জাতীয় সংসদকে পুরো মেয়াদ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখার জন্য তারা আদৌ মাথা ঘামায় না। জনগণও এ নিয়ে ভাবে না, রাজনৈতিক দলগুলোও ভাবে না। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। দেশের রাজনীতিবিদরা যদি রাজনীতি বুঝতেন, দেশের কল্যাণ কামনা করতেন তাহলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের পরিবর্তে অনুষ্ঠিত হতো ২০৩৩ সালে।

২০২৪ সাল পর্যন্ত ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এর মধ্যে ৬টি সংসদ পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি। মেয়াদ পূরণ হোক বা না হোক, বাঙালি নির্বাচন ‘ম্যানিয়াক’ এবং তাদের এ ম্যানিয়ার কারণে তারা ১৯৯৬ সালে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে দ্বিধা করেনি। ছিয়ানব্বইয়ের প্রথম নির্বাচনের আয়ু ছিল মাত্র ১২ দিন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ, যে সংসদ গঠিত হয়েছিল ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে, অর্থাৎ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের আয়ু ছিল আট মাসের কম সময়।

ছয়টি জাতীয় সংসদ যে মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি, তার পেছনে অন্য যে কোনো পক্ষের চেয়ে রাজনীতিবিদরাই অধিক দায়ী। দেশে দুবার সামরিক আইন জারি এবং একবার বেসামরিক অনির্বাচিত সরকারের পেছনে মদতদানকারী হিসেবে সামরিক বাহিনী ছড়ি ঘোরানোর ঘটনার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিলেন এই রাজনীতিবিদরাই। ভবিষ্যতে তারা সংসদের মেয়াদ পূরণ করার ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটাবেন না, এমন আশা দুরাশা ছাড়া আর কিছু নয়। গত বছরের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান কিছু রাজনীতিবিদের মাথা বিগড়ে দিয়েছে।

অভ্যুত্থানের সাফল্যের ষোলো আনা দাবি করতে কেউ পিছু হটেনি। এমনকি কোনো কোনো দল এতটাই বেপরোয়া যে তারা আওয়ামী লীগ বিহনে নিজেদের দেশের ক্ষমতায় আসীন দেখতে পাচ্ছে এবং অনুরূপ আচরণ করতে শুরু করেছে। ছোটখাটো দলের নেতারা পর্যন্ত সামরিক বাহিনী এবং সেনাবাহিনী প্রধানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, যা ২০২৪-এর আগে অসম্ভব ছিল। অবাধ স্বাধীনতা যে রাজনীতিবিদদের উন্মত্ত করে তোলে তা এবার আরও বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে। কোনো প্রতিষ্ঠানকে যে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত, সেই তালজ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন সব ‘দেশপ্রেমিক’ রাজনীতিবিদরা।

বিএনপি অতীতে তাদের শর্তে জামায়াতকে ব্যবহার করেছে। জামায়াত প্রথমবারের মতো ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে মাতৃদুগ্ধ পানের সুযোগবঞ্চিত তিন নম্বর ছাগশাবকের মতো লাফালাফি করেছে। তারা এবারও বিএনপির বগলতলায় থেকে ক্ষমতার অংশীদার হতে চায়

‘দেশপ্রেম’-এর প্রকাশ এবং ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতায় আলোচনায় আছে তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। যে কোনো দেশে কোনো অভ্যুত্থান বা বিপ্লবের সাফল্যের পর সব দল সমন্বয়ে কোয়ালিশন বা জাতীয় সরকার, যদি তা নির্বাচনের মাধ্যমেও হয়, গঠিত হওয়া জরুরি। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা শুরু থেকেই ঘটেনি। স্বাধীনতা লাভের পর শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় সরকার গঠনের পরামর্শের কোনো তোয়াক্কা করেননি। এমনকি তিনি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ২৯৩টি আসনে বিজয়ী ঘোষণা করা নিশ্চিত করেছিলেন। কোনো রাজনৈতিক দল যদি বুঝে যায় যে তাদের ক্ষমতায় আসতে তেমন কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই, তখন তারা আর কোনো দলকে পাত্তা দেয় না। এমনটাই ঘটেছে বিএনপির ক্ষেত্রে। তারা ধরেই নিয়েছে যে তাদের মোকাবিলা করার মতো দ্বিতীয় কোনো দল নেই, তখন তারা তাদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামীকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। আওয়ামী লীগ এবং তাদের মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো জামায়াতকে আক্রমণ করতে যে ভাষায় কথা বলে, বিএনপি এখন জামায়াতের বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে সেই ভাষা ব্যবহার করছে। বিএনপি এমনকি জামায়াতকে ‘স্বাধীনতার শত্রু’ এবং ‘জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠন রাজনৈতিক ভুল ছিল’ মর্মে গালিগালাজ শুরু করেছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে দুই দলের মধ্যে যে দ্বিধা ও ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বৈঠকে বসার জন্য জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ তাহেরের প্রস্তাবকে নাকচ করে দিয়েছে বিএনপি। বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গিই প্রমাণ করে যে অতীতে জামায়াতের সঙ্গে তাদের মাখামাখি ছিল সম্পূর্ণভাবে তাদেরই স্বার্থে এবং স্বার্থ উদ্ধার করতে তারা তাদের শর্তে জামায়াতকে ব্যবহার করেছে। জামায়াত প্রথমবারের মতো ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে মাতৃদুগ্ধ পানের সুযোগ বঞ্চিত তিন নম্বর ছাগশাবকের মতো লাফালাফি করেছে। তারা এবারও বিএনপির বগলতলায় থেকে ক্ষমতার অংশীদার হতে চায়। কিন্তু বিএনপি মনে করছে যে মাঠে যেহেতু আওয়ামী লীগের মতো ভোট কারচুপি করার কোনো দল নেই, অতএব তাদের পক্ষে নির্বাচনে জয়লাভ ও সরকার গঠন করতে কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই, অতএব অতীতের মতো তারা শুধু জামায়াত নয়, অতীতে তাদের ছোটখাটো মিত্র যারাই ছিল, তাদের প্রতিও কোনোরূপ দৃকপাত করছে না।

সে ক্ষেত্রে জামায়াত কি ভিন্ন কোনো পন্থা অবলম্বন করবে? করতে পারে। কারণ জামায়াত গত বছরের গণ অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে তাদের নেতৃত্ব বলে বিবেচনা করছে এবং শেখ হাসিনার অপনেতৃত্বাধীন আওয়ামী সরকারের পতন ও পলায়নের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার এবং সেনাবাহিনীর প্রধান থেকে ঊর্ধ্বতনরা জামায়াতকে যে তমিজ-তোয়াজ করছে, তা জামায়াতকে মানসিকভাবে বলীয়ান করেছে যে তারা এককভাবে নির্বাচন করলেও ক্ষমতায় আসতে তাদের তেমন বাধার মোকাবিলা করতে হবে না। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের ধারণা হলো, অভ্যুত্থানে সাফল্য লাভ এবং নির্বাচনে বিজয় ভিন্ন ব্যাপার। জামায়াতে ইসলামী ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে নির্বাচন করেছিল এবং সংসদের ৩০০ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।

কিন্তু বিজয়ী হয়েছিল মাত্র তিনটি আসনে। বিএনপির প্রতি তাদের যে ক্ষোভ, তা চরিতার্থ করতে তারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসার পথ করে দিয়েছিল। তবে ছিয়ানব্বইয়ের নির্বাচনে ভরাডুবিও যে জামায়াতের এককভাবে নির্বাচনের অহংকার চূর্ণ করতে পারেনি, তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩০০ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে ধারণা করা যেতে পারে।

জামায়াতে ইসলামীর জন্য জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্র। ক্ষমতার রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। এখানেই বিপত্তি ঘটবে জামায়াতে ইসলামীর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মোকাবিলায় প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো রাজনৈতিক দল নেই।

জামায়াতকে সঙ্গছাড়া করার পেছনে বিএনপির এটাই মূল অভিসন্ধি। এ কথাও সত্য যে নির্বাচনি রাজনীতিতে কোনো দলের পক্ষে আওয়ামী লীগের মতো শঠতার আশ্রয় নেওয়া সম্ভব হবে না।

অতএব অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিএনপি যদি এককভাবে সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং সরকারে গিয়ে আওয়ামী লীগের মতো আচরণ শুরু করে, তাহলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আয়ু সংক্ষিপ্ত হতে বাধ্য।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ও অনুবাদক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
হাদির পর কে টার্গেট?
হাদির পর কে টার্গেট?
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
সর্বশেষ খবর
শঙ্কার মধ্যে বিজয়ের আনন্দ ফিকে হয়ে যায় : মাহমুদুর রহমান মান্না
শঙ্কার মধ্যে বিজয়ের আনন্দ ফিকে হয়ে যায় : মাহমুদুর রহমান মান্না

এই মাত্র | রাজনীতি

শীতে মুখে ব্রণ–র‌্যাশে ভোগান পুরুষদেরও, যেভাবে পাবেন মুক্তি
শীতে মুখে ব্রণ–র‌্যাশে ভোগান পুরুষদেরও, যেভাবে পাবেন মুক্তি

৪ মিনিট আগে | জীবন ধারা

ট্রাকভর্তি চোলাই মদ আগুনে পোড়ালো জনতা
ট্রাকভর্তি চোলাই মদ আগুনে পোড়ালো জনতা

৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জামালপুরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি
জামালপুরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে তেল ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি মেলা
বাগেরহাটে তেল ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি মেলা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পোল্যান্ডে সেনা পাঠোচ্ছে জার্মানি
পোল্যান্ডে সেনা পাঠোচ্ছে জার্মানি

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে চোটের হানা
ভারত সফরের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে চোটের হানা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা
গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তিতাসে নতুন কূপ খনন শুরু, দৈনিক মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
তিতাসে নতুন কূপ খনন শুরু, দৈনিক মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন
এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন

২২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যকে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে : সালাহউদ্দিন
ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যকে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে : সালাহউদ্দিন

২৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

নতুন ২ মামলায় গ্রেফতার ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী
নতুন ২ মামলায় গ্রেফতার ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ
দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২৯ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
২৯ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কামিন্স-স্টার্কদের প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা: ব্রেট লি
কামিন্স-স্টার্কদের প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা: ব্রেট লি

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির মাসসেরা প্রোটিয়া স্পিনার
আইসিসির মাসসেরা প্রোটিয়া স্পিনার

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোতে আকস্মিক বন্যায় ৩৭ জনের মৃত্যু
মরক্কোতে আকস্মিক বন্যায় ৩৭ জনের মৃত্যু

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজন গ্রেফতার

৪৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যুব এশিয়া কাপে টানা জয় বাংলাদেশের
যুব এশিয়া কাপে টানা জয় বাংলাদেশের

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

৫১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবসে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবসে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা

৫৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কলমাকান্দায় ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
কলমাকান্দায় ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের লাশ
রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের লাশ

৫৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিজয় দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নৌবাহিনীতে অনারারী কমিশন প্রদান
বিজয় দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নৌবাহিনীতে অনারারী কমিশন প্রদান

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় খাল খননে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতবিনিময়
কলাপাড়ায় খাল খননে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতবিনিময়

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার অর্থ জব্দ করে ইউক্রেনকে দিচ্ছে ইইউ
রাশিয়ার অর্থ জব্দ করে ইউক্রেনকে দিচ্ছে ইইউ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পটুয়াখালীর ৪৪ জলমহাল ইজারা যোগ্য নয়: ভূমি উপদেষ্টা
পটুয়াখালীর ৪৪ জলমহাল ইজারা যোগ্য নয়: ভূমি উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগান ক্ষতি না করার অনুরোধ
বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগান ক্ষতি না করার অনুরোধ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ সড়কের ফলক উন্মোচন কাল
‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ সড়কের ফলক উন্মোচন কাল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?
কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা
হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?
সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন
হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ
বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন
ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাদ দিলেন জেলেনস্কি
ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাদ দিলেন জেলেনস্কি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব
এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব

প্রাণের ক্যাম্পাস

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়