শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৪৫, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫

নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ
অনলাইন ভার্সন
নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

নির্বাচন নিয়ে সংশয় ও শঙ্কার মধ্যে সোমবার রাজনীতিতে বড় কয়েকটি ঘটনা হঠাৎ করে বদলে দিল দৃশ্যপট। অনেক জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি এদিন ২৩৭ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। প্রার্থী তালিকার উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসন থেকে নির্বাচন করছেন। আরেকটি বিশেষ দিক হলো, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রার্থী হলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া ও ঐক্য ধরে রাখার পর তারেক রহমান এবার ভোটের মাঠে লড়বেন। এদিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল এনসিপি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৭-৮টি আসনের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। তারা শিগগিরই ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণার কথা জানিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনে তাদের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে প্রচার-প্রচারণায় কাজ করছে গত ১৫ মাস ধরে। গত কয়েক দিনে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নানা বক্তব্য-মন্তব্যে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন নিয়ে জটিলতার অবসানের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। গণভোটের সময় নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা অবসানেরও ইঙ্গিত পাওয়া যায় এদিন। অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটসহ সার্বিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে ঐক্যবদ্ধ দিকনির্দেশনা প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ নির্দেশনা দিতে না পারলে সরকার তার নিজের মতো সিদ্ধান্ত দেবে বলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

নির্বাচন ঘিরে যে ধোঁয়াশা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল তা কেটে গিয়ে ভোটের মাঠ এখন সরগরম হয়ে উঠেছে। রাজনীতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা নির্বাচন হবে কি হবে না, এমন সংশয় কাটাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এত দিন তালিকা ঘোষণা না করায় প্রায় সব আসনেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগ করছিলেন। নাম ঘোষণা করায় এখন মনোনয়নপ্রাপ্তরা নির্বাচনি প্রচারে জনগণের কাছে বিএনপি ও তার নিজের অবস্থান তুলে ধরে ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করছেন। যা দেশকে নির্বাচনমুখী করতে এগিয়ে নেবে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের লড়াইয়ের আরেক বড় শক্তি জামায়াতে ইসলামী অনেক আগেই ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে জোরেশোরে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনি প্রতীক চেয়ে শাপলার দাবিতে অনড় এনসিপিকে ‘শাপলাকলি’ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এনসিপি শাপলা কলিকে প্রতীক হিসেবে নিতে সম্মত হয়েছে। প্রতীকে সম্মতি জানানোর পর দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের সঙ্গে শাপলাকলির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।

নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় অন্তর্বর্তী সরকারের নানা তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ক্যাম্পেইন শুরু করেছে সরকার। রবিবার প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত ৪৮ সেকেন্ডের প্রথম টিজার প্রকাশ করা হয়। টিজারটির ক্যাম্পেইনে বলা হয়েছে, আজ থেকে শুরু হলো জাতীয় নির্বাচন-২০২৬-এর ক্যাম্পেইন। টিজারে ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে অংশ নিতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন গুমের শিকার বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রমের সমন্বয়ক ক্যাপ্টেন (অব.) ড. খান সুবায়েল বিন রফিক। যেখানে তাঁকে বলতে দেখা যায়, বাংলাদেশ আজ ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের সামনে।

কারণ এই নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাকে আপনার দেশের দখল বুঝে নিতে হবে। নির্বাচন ২০২৬, দেশের চাবি আপনার হাতে। আপনার ভোটটি আপনি দিয়ে নির্ধারণ করুন কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান।

প্রশাসনও ভোটের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। গণমাধ্যমে ৩ নভেম্বর প্রকাশিত প্রধান শিরোনামের খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে ঢেলে সাজানো হচ্ছে প্রশাসন। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মাঠ প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল করা হবে। ডিসি, এডিসি, ইউএনও পদে আসছে ব্যাপক রদবদল। ৩০ জেলার ডিসি ও শতাধিক ইউএনও পরিবর্তন হতে পারে। পুলিশেও চলছে রদবদলের প্রক্রিয়া। এরপরও তফসিল ঘোষণার পর যদি রদবদলের দরকার হয়, সেটি করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনসংক্রান্ত সব প্রস্তুতি ১৫ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের এবার নির্বাচনের দায়িত্বে রাখবে না। তিন বাহিনী প্রধান সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে আসন্ন নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখা ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট আয়োজনের বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে তিন বাহিনী প্রধানকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

এসব কিছুর মধ্যে বড় চমক ছিল বিএনপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা। এই ঘোষণার মধ্যে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রার্থী হবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনাকল্পনার অবসান হলো। তিনটি আসনে তাঁকে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করল। বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে খালেদা জিয়া একমাত্র প্রার্থী যিনি প্রতিটি নির্বাচনে (শেখ হাসিনার আমলের বিতর্কিত ও কলঙ্কিত তিনটি নির্বাচন ছাড়া) সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এই রেকর্ড আর কোনো দলের আর কোনো নেতার নেই। বেগম জিয়া ১৯৯১ সালে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়ে সেবারও বিপুল ভোটে জয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আবারও পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করে অনেক ভোটের ব্যবধানে জায়ী হন। খালেদা জিয়া একমাত্র প্রার্থী যিনি বিশেষ কোনো অঞ্চল থেকে নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচনে লড়াই করে জয়লাভ করেন। নির্বাচনি আসন সংশোধনের পর ২০০৮ সালে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ তিনটি আসনে জয়ী হওয়ার নিয়ম করা হয়। খালেদা জিয়া সেবার তিনটি আসনে নির্বাচন করে জয়ী হন। বেগম জিয়া কোনো নির্বাচনেই হারেননি।

অন্যদিকে শেখ হাসিনা ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ঢাকার দুটি এবং টুঙ্গিপাড়ার নিজ আসন থেকে নির্বাচন করে শুধু টুঙ্গিপাড়ার আসন থেকে জয়ী হন। তিনি ঢাকায় সাদেক হোসেন খোকা ও মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের কাছে হেরে যান। বিএনপির তালিকায় এবার ৮৩ নতুন মুখের আগমন ঘটেছে। এক ডজনের বেশি আসনে ত্যাগী নেতাদের সন্তানরা প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপি জুলাই সনদের সুপারিশ মেনে আসন্ন নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দিচ্ছে। খালেদা জিয়াসহ নারী প্রার্থী ১০। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং গণভোটের সময় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সৃষ্ট জটিলতার কারণে নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা শুরু হলেও তা এখনো পুরোপুরি গতি পায়নি। বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে ত্রিমুখী বিরোধ থামানো না গেলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বৈঠকের পর জানানো হয়, সরকার এ বিষয়ে কোনো মধ্যস্থতা করবে না।

আইন উপদেষ্টা প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোতে নিজ উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার পথ বের করতে হবে। তারা ব্যর্থ হলে সরকার সনদ ও গণভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। গণমাধ্যমের খবর থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবারের মিটিংয়ে প্রায় সব উপদেষ্টা একই দিনে নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজনে মত দিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব প্রধান উপদেষ্টাকে দেওয়া হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা ওই দিনের পর চার দিন বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপির সঙ্গে কথা বললেও সমঝোতা হয়নি। আলোচনার জন্য সাত দিন সময় দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতসহ অনেকেই। তবে জামায়াত এর আগেই দেশের চলমান সংকট নিয়ে প্রয়োজনে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে আলোচনায় বসার জন্য সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামী বলেছে, আলোচনার জন্য রেফারির অভাব হতে পারে। উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া জানায়নি বিএনপি। আর এনসিপির প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, সংস্কার নিয়ে সরকার সাপলুডু খেলছে।

নির্বাচনের প্রাক্কালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ও অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও শক্তির মধ্যে বিভাজন দেশের মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। অথচ শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে দলগুলো এককাট্টা হয়ে গণ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। চব্বিশের ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাইদ পুলিশের গুলির সামনে দাঁড়িয়ে যান। গুলিতে সাইদ লুটিয়ে পড়েন, কিন্তু পিছু হটেননি। একই দিনে চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম অসীম সাহস নিয়ে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। এদিন সারা দেশে পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে ছয় তরুণ প্রাণ হারান। আর অসংখ্য তরুণ-তরুণী গুলিবিদ্ধ হন। উত্তরায় নিহত হন মুগ্ধ। সাইদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ, নাফিসের মৃত্যু শেখ হাসিনার নৃশংস স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী জনতার আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, দোকানদার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, গৃহবধূ, রিকশাচালক, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী- সব শ্রেণিপেশার মানুষ স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে সাহসের সঙ্গে লড়াই করেন। ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর শেখ হাসিনার পতন ঘটে। স্বাধীনতা যুদ্ধ ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো গণ আন্দোলনে এত বিপুলসংখ্যক শিশু, ছাত্র, যুবকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ হত্যার শিকার হননি। জুলাই অভ্যুত্থানে সাইদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ, নাফিসসহ অগণিত মানুষের ফ্যাসিস্টের গুলিতে শহীদ হওয়ার ঘটনা জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাই বলতে হয় ‘মুক্তির আকাশে প্রতিবাদী সূর্য, তুমিই সাইদ তুমিই মুগ্ধ।’

গণ অভ্যুত্থানের পর প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল ও শক্তি গণ অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘদিন ঐক্য ধরে রেখেছিল। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই ঐক্যে ফাটল ধরেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরাজ করছে তীব্র বিভাজন। এর সুযোগ নিচ্ছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ পতিত স্বৈরাচারের দল এবং তাদের সহযোগী সংগঠন। তারা দেশের ভিতরে বাইরে নানামুখী অপতৎপরতা চালাচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা স্বয়ং সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হবে, হঠাৎ আক্রমণ আসতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলো প্রফেসর ইউনূসের সতর্ক বার্তার গুরুত্ব না দিয়ে বিভাজন জিইয়ে রাখলে নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশ হারাবে গণতন্ত্র উত্তরণের সুযোগ। দেশ হুমকির মুখে পড়বে। বৃথা হয়ে যাবে সাইদ, ওয়াসিম, মুগ্ধসহ শত শত শহীদের রক্তদান।

লেখক : চেয়ারম্যান, ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি

ইমেইল : [email protected]    

এই বিভাগের আরও খবর
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
গুলি নয়, ইয়াবাই অস্ত্র : আরাকান আর্মির নীরব আগ্রাসন
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
হাদির পর কে টার্গেট?
হাদির পর কে টার্গেট?
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সর্বশেষ খবর
সংসদ নির্বাচন : প্রবাসী নিবন্ধন ছাড়ালো ৪ লাখ ৩৫ হাজার
সংসদ নির্বাচন : প্রবাসী নিবন্ধন ছাড়ালো ৪ লাখ ৩৫ হাজার

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিজয় দিবস উদযাপিত
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিজয় দিবস উদযাপিত

২ মিনিট আগে | পরবাস

কুলাউড়ায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট জব্দ
কুলাউড়ায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট জব্দ

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্বাধীনতা বিরোধীদের চেষ্টা নস্যাৎ করে দেশের মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে : মির্জা ফখরুল
স্বাধীনতা বিরোধীদের চেষ্টা নস্যাৎ করে দেশের মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে : মির্জা ফখরুল

১৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

পিকআপ চাপায় ভ্যানচালক নিহত
পিকআপ চাপায় ভ্যানচালক নিহত

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ৭টি কার্যকর টিপস
উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ৭টি কার্যকর টিপস

২৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

টাঙ্গাইলে মহান বিজয় দিবস পালিত
টাঙ্গাইলে মহান বিজয় দিবস পালিত

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয় দিবসে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শ্রদ্ধা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয় দিবসে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শ্রদ্ধা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে বিজয় দিবসে ছাত্রশিবিরের সাইকেল র‍্যালি
নারায়ণগঞ্জে বিজয় দিবসে ছাত্রশিবিরের সাইকেল র‍্যালি

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস পালন
রাজশাহীতে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবস পালন

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ময়লার ভাগাড়
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ময়লার ভাগাড়

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীরা চায় দেশ বিপাকে পড়ুক : মির্জা আব্বাস
একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীরা চায় দেশ বিপাকে পড়ুক : মির্জা আব্বাস

৩৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

পঞ্চগড়ে বিজয় দিবসে ছাত্রশিবিরের ম্যারাথন শোভাযাত্রা
পঞ্চগড়ে বিজয় দিবসে ছাত্রশিবিরের ম্যারাথন শোভাযাত্রা

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিসিএলেও খেলা হচ্ছে না অভিজ্ঞ নাহিদার
বিসিএলেও খেলা হচ্ছে না অভিজ্ঞ নাহিদার

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন
রাজবাড়ীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার
মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সৌদিতে গান গাইতে এসে হিজাব পরলেন মার্কিন র‌্যাপার
সৌদিতে গান গাইতে এসে হিজাব পরলেন মার্কিন র‌্যাপার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাবমেরিনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা নিয়ে যা বলল রাশিয়া
সাবমেরিনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা নিয়ে যা বলল রাশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে আগ্রাসনবিরোধী যাত্রা করবে এনসিপি
বিজয় দিবসে আগ্রাসনবিরোধী যাত্রা করবে এনসিপি

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি বিজিবি মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি বিজিবি মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ উইকেট নিয়েও দলে জায়গা হারালেন নিসার
৫ উইকেট নিয়েও দলে জায়গা হারালেন নিসার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে মহান বিজয় দিবস পালিত
পঞ্চগড়ে মহান বিজয় দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের শ্রদ্ধা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান
আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মহান বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা
মহান বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী
কানাডায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

চাঁদপুরে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন
চাঁদপুরে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ফুলের শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ
সিরাজগঞ্জে ফুলের শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালন
পিরোজপুরে নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার
ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন
ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?
অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?
সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ
বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন
হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর
আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম
আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে
হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিদেশে হাদির চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশে হাদির চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এভারকেয়ার ছাড়লেন ওসমান হাদি
সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এভারকেয়ার ছাড়লেন ওসমান হাদি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন
হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা
'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৃথিবীতে ইহুদি বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: যুক্তরাষ্ট্র
পৃথিবীতে ইহুদি বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম
১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল
রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মঙ্গলবার ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল
মঙ্গলবার ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে সিঙ্গাপুর
হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে সিঙ্গাপুর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমাবে এনবিআর: চেয়ারম্যান
মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমাবে এনবিআর: চেয়ারম্যান

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’

প্রথম পৃষ্ঠা

আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের
আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের

প্রথম পৃষ্ঠা

সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ
সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে
আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

মহান বিজয় দিবস আজ
মহান বিজয় দিবস আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ
হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ
হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে
সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ

সম্পাদকীয়

স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে
স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে

নগর জীবন

জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি
জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান
জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান

নগর জীবন

বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে
বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল

প্রথম পৃষ্ঠা

আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে

সম্পাদকীয়

মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস

সম্পাদকীয়

নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার
গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার

খবর

‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন
‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন

নগর জীবন

বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম
বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম

মাঠে ময়দানে

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

নগর জীবন

সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার
সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার

খবর

যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ
যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল
আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল

নগর জীবন

বই ও নারী
বই ও নারী

সম্পাদকীয়

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর

খবর

বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস
বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

খবর

১০ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় হবে ১ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা
১০ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় হবে ১ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা

নগর জীবন