শিরোনাম
প্রকাশ: ০৫:৫২, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫

ইসলামে ধর্মীয় সহাবস্থানের দৃষ্টান্ত ও নীতিমালা

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ
অনলাইন ভার্সন
ইসলামে ধর্মীয় সহাবস্থানের দৃষ্টান্ত ও নীতিমালা

ইসলাম আরবদের মধ্যে এমন এক সময়ে আগমন করেছিল, যখন ঈসা (আ.)-এর পর ওহির ধারাবাহিকতা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় আরবরা সত্য ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়ে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া মূর্তিগুলোর পূজা করতে শুরু করেছিল। ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘নুহ (আ.)-এর সম্প্রদায় যেসব মূর্তি পূজা করত, তা পরবর্তীকালে আরবদের মধ্যেও প্রচলিত হয়েছিল। ওয়াদ ছিল দুমাতুল জান্দালের কালব গোত্রের মূর্তি, সুওয়া ছিল হুযাইল গোত্রের, ইয়াগুস ছিল মুরাদ গোত্রের—পরে সাবার নিকটস্থ আল-জাওফ অঞ্চলের গুতাইফ গোত্রেও তা ছড়িয়ে পড়ে।

ইয়াউক ছিল হামদান গোত্রের, আর নাসর ছিল হিময়ার গোত্রের জুলকুলা পরিবারভুক্ত লোকদের পূজার মূর্তি। প্রকৃতপক্ষে এগুলো ছিল নুহ (আ.)-এর যুগের ধার্মিক ব্যক্তিদের নাম। তাদের মৃত্যু হলে শয়তান মানুষকে তাদের স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করতে এবং তাদের নাম সংরক্ষণ করতে প্ররোচনা দেয়। প্রথমে এগুলো শুধু স্মৃতিচিহ্ন ছিল; কিন্তু প্রজন্মের পর প্রজন্ম অতিক্রান্ত হলে এগুলোকেই মানুষ উপাস্য রূপে গ্রহণ করে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৯২০)

ঠিক সে সময়ই  মুহাম্মদ (সা.) আগমন করেন এবং মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে, মূর্তিপূজা থেকে একমাত্র আল্লাহর একত্ববাদে ফিরিয়ে আনতে শুরু করেন। তারপর নবী করিম (সা.) যখন মদিনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে হিজরত করেন, তখন সেখানে ইহুদি, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস ছিল। নবীজি তাদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি অনুসরণ করেন। সহাবস্থান বলতে এমন একটি সমাজব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে বিভিন্ন মতবাদ, ধর্ম কিংবা সামাজিক অবস্থানের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সমাজের ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বোঝাপড়া, সম্মান ও সহযোগিতা থাকে এবং যা যুদ্ধ, বৈরিতা বা সহিংসতা থেকে মুক্ত থাকে।

পবিত্র কোরআন মানবসমাজকে শান্তিপূর্ণ ও বিবাদমুক্ত জীবনযাপনের নির্দেশ দিয়েছে। ইসলাম ঘোষণা করেছে যে সমগ্র মানবজাতি মূলত একক আত্মা থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন : ‘হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে স্মরণ করো, যিনি তোমাদের একক আত্মা থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তাঁর সঙ্গিনীকে সৃষ্টি করেছেন, এবং সেই দুজন থেকে বহু পুরুষ ও নারীকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো, যার নামে তোমরা একে অপরের থেকে অধিকার চাও এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর সদা পর্যবেক্ষক।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১)

এই আয়াত প্রমাণ করে যে এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ মানবতার এক অবিচ্ছেদ্য অংশীদার এবং তারা মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপনের অধিকার রাখে—ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা জন্মপরিচয়-নির্বিশেষে। ইসলাম প্রতিটি মানুষের মৌলিক সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করেছে, যা মানবতার সামগ্রিক মর্যাদার সঙ্গে সম্পর্কিত। আল্লাহ তাআলা বলেন : ‘নিশ্চয়ই আমি আদম-সন্তানদের সম্মানিত করেছি, তাদের জলে-স্থলে যাতায়াতের ব্যবস্থা দিয়েছি, তাদের জন্য উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করেছি এবং আমি তাদের আমার অনেক সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।’ (সুরা : ইসরা/বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৭০)

মানুষের রূপ, রং, জাতি ও ভাষার ভিন্নতা ইসলামের দৃষ্টিতে বিভেদ সৃষ্টির কারণ নয়; বরং এগুলো আল্লাহর সৃষ্টিশক্তি, জ্ঞান ও সৃজনশৈলীর বহিঃপ্রকাশ। আল্লাহ বলেন : ‘আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে আসমান ও জমিনের সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও রঙের ভিন্নতা। নিশ্চয়ই এতে জ্ঞানীদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ২২)

অতএব ইসলামের দৃষ্টিতে আন্তর্ধর্মীয় সহাবস্থান হলো—সমতা, ন্যায়, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করা, যেখানে প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে ও মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারে। তবে মানবসমাজে বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। এ পার্থক্যগুলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতি কিংবা সংস্কৃতি—যা-ই হোক না কেন, কোনো গোষ্ঠী যেন অপর গোষ্ঠীর ওপর অত্যাচার বা বৈরিতা না করে। কারণ এতে সমাজে শত্রুতা, ঘৃণা ও বিভাজনের বীজ বপন হয়, যা সাম্প্রদায়িক বৈরিতার জন্ম দেয় বরং, এসব ভিন্নতাকে পারস্পরিক বোঝাপড়া, ভালোবাসা এবং সহানুভূতির মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানো উচিত। মানুষের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে একসঙ্গে সাধারণ কল্যাণের জন্য প্রচেষ্টা চালানোই ইসলামের মূল শিক্ষা। আল্লাহ বলেন : ‘হে মানবজাতি! আমি তোমাদের একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যেন তোমরা পরস্পরকে জানতে পারো। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহভীরু (ধার্মিক)।’ (সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ১৩)

এই আয়াত স্পষ্ট করে দেয় যে মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি হলো তার তাকওয়া, আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা এবং আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবনযাপন। শুধু জন্ম, জাতি, রং, ভাষা বা সামাজিক অবস্থান কখনোই শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হতে পারে না।

ইসলামের আগমনের আগে যারা অন্যান্য ধর্মালম্বী ছিল তাদের প্রতি কোরআন কোনো অবজ্ঞা বা ঘৃণা প্রদর্শন করেনি; বরং তাদের প্রতি আচরণে সম্মান, সহনশীলতার নির্দেশ দিয়েছে। ইসলামের দাওয়াত হলো যুক্তি, উপদেশ ও কল্যাণ কামনার মাধ্যমে মানুষকে সত্যের পথে আহবান করা। আল্লাহ বলেন : ‘আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না সেই লোকদের প্রতি সদ্ব্যবহার করতে, যারা তোমাদের ধর্মের কারণে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে না বা তোমাদের ঘর থেকে তোমাদের তাড়িয়ে দেয়নি। নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।’ (সুরা : মুনতাহিনা, আয়াত : ৮)

এ থেকেই বোঝা যায়, ইসলাম শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে এক বহুমাত্রিক সমাজ গড়ে ওঠার পথ দেখায়। এমনকি ইসলাম শুধু মুসলিমদের অধিকারকেই রক্ষা করেনি; বরং যেসব অমুসলিম মুসলমানদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ চুক্তি বা নিরাপত্তা চুক্তির অধীনে বসবাস করে, তাদের নিরাপত্তাও সমানভাবে নিশ্চিত করেছে। রাসুল (সা.) বলেছেন : ‘যে ব্যক্তি কোনো মুআহিদ (চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম)-কে হত্যা করে, সে জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ ৪০ বছরের দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৯১৪)

এই হাদিস ইসলামের অসীম ন্যায়-নীতি ও মানবিক আচরণের সাক্ষ্য বহন করে। নবীজি (সা.) অমুসলিমদের নিরাপত্তা রক্ষা করতে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাদের প্রতি যেকোনো আক্রমণকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যা কঠোর শাস্তিযোগ্য।

ইসলামে অন্যান্য ধর্মের সঙ্গে সহাবস্থানের নীতিমালা

ইসলাম জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, যা মানব প্রকৃতি ও সামাজিক শান্তির সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্য ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মুসলমানদের সহাবস্থানের ক্ষেত্রেও ইসলাম কিছু মৌলিক ও ভারসাম্যপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো—ন্যায়, সম্মান, শান্তি ও সুসম্পর্ক বজায় রেখে একটি আদর্শ সমাজ গঠন করা। যেমন—

১. ইসলামী পরিচয়ের প্রতি গর্ব ও দৃঢ়তা পোষণ করা

মুসলমানদের উচিত, তাদের ইসলামী পরিচয়কে গর্বের সঙ্গে ধারণ করা। ইসলাম শুধু বিশ্বাস নয়—এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। তাই এর শিকড়ে দৃঢ় থাকা এবং ইসলামী শিক্ষাকে হৃদয়ে লালন করা সহাবস্থানের মৌলিক শর্ত।

২. অন্ধ অনুকরণ থেকে বিরত থাকা

ইসলাম চায় মুসলমানরা তাদের মৌলিক আদর্শ, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বজায় রাখুক। অন্য ধর্মাবলম্বীদের সংস্কৃতি বা মতবাদে অন্তঃস্থভাবে ভেসে যাওয়া বা অন্ধভাবে অনুকরণ করা—ইসলামী দৃষ্টিতে বরং নিজেদের পরিচয় হারানোর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

৩. নিজেদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা

সহাবস্থানের নামে মুসলমানরা যেন অবমাননা, অত্যাচার বা প্রান্তিকায়নের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখলেও আত্মসম্মান ও ধর্মীয় মর্যাদা রক্ষা করা ইসলামের শিক্ষা।

৪. পারস্পরিক শান্তি ও উপকারিতা নিশ্চিত করা

মুসলমান ও অমুসলিমদের মধ্যে সম্পর্ক হওয়া উচিত শান্তিপূর্ণ ও পারস্পরিক উপকারের ভিত্তিতে। কোনো ধরনের আগ্রাসন, শোষণ বা একতরফা প্রভাব যেন না থাকে; বরং হোক সহযোগিতা, সম্মান ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ আচরণ। এই নীতিগুলোর মধ্য দিয়ে ইসলাম একটি ভারসাম্যপূর্ণ, ন্যায়সংগত ও মানবিক সহাবস্থানের কাঠামো উপস্থাপন করেছে। যার অধীনে একদিকে ইসলামী পরিচয় সংরক্ষিত থাকে, অন্যদিকে সমাজে শান্তি, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে।

এই বিভাগের আরও খবর
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
সাংসারিক শান্তির জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বোঝাপড়া
সাংসারিক শান্তির জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বোঝাপড়া
মৃত মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের গুরুত্ব
মৃত মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের গুরুত্ব
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকৌশলবিদ্যার উন্নয়নে মুসলমানদের অবদান
প্রকৌশলবিদ্যার উন্নয়নে মুসলমানদের অবদান
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
সম্পদ উপার্জনে নীতি বিসর্জন নিন্দনীয়
সম্পদ উপার্জনে নীতি বিসর্জন নিন্দনীয়
হাদিস ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস ও দলিল
হাদিস ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস ও দলিল
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ খবর
৫ উইকেট নিয়েও দলে জায়গা হারালেন নিসার
৫ উইকেট নিয়েও দলে জায়গা হারালেন নিসার

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে মহান বিজয় দিবস পালিত
পঞ্চগড়ে মহান বিজয় দিবস পালিত

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের শ্রদ্ধা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান
আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান

১২ মিনিট আগে | রাজনীতি

মহান বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা
মহান বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী
কানাডায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

১৬ মিনিট আগে | পরবাস

চাঁদপুরে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন
চাঁদপুরে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ফুলের শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ
সিরাজগঞ্জে ফুলের শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালন
পিরোজপুরে নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালন

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষের জন্য আজ শ্রেষ্ঠতম একটা দিন: ড. আসিফ নজরুল
দেশের মানুষের জন্য আজ শ্রেষ্ঠতম একটা দিন: ড. আসিফ নজরুল

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

যথাযোগ্য মর্যাদায় জামালপুরে মহান বিজয় দিবস পালন
যথাযোগ্য মর্যাদায় জামালপুরে মহান বিজয় দিবস পালন

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর
দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর

২৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের ফুলেল শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের ফুলেল শ্রদ্ধা

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৬ ডিসেম্বরের প্রত্যয় থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান : আসিফ নজরুল
১৬ ডিসেম্বরের প্রত্যয় থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান : আসিফ নজরুল

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

রাশিয়ার সাবমেরিনে ড্রোন হামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ইউক্রেন
রাশিয়ার সাবমেরিনে ড্রোন হামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ইউক্রেন

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবস উপলক্ষে সিডনিতে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ
বিজয় দিবস উপলক্ষে সিডনিতে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ

২৭ মিনিট আগে | পরবাস

যথাযথ মর্যাদায় মানিকগঞ্জে মহান বিজয় দিবস পালিত
যথাযথ মর্যাদায় মানিকগঞ্জে মহান বিজয় দিবস পালিত

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

৪০ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

পরমাণু বিজ্ঞানে নতুন তিনটি সাফল্য পেল ইরান
পরমাণু বিজ্ঞানে নতুন তিনটি সাফল্য পেল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

নিরাপত্তার স্বার্থে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল
নিরাপত্তার স্বার্থে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ ডিসেম্বর)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭১’ এর স্বপ্ন রাষ্ট্র পূরণ করতে পারেনি: উপদেষ্টা রিজওয়ানা
৭১’ এর স্বপ্ন রাষ্ট্র পূরণ করতে পারেনি: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাধারণ মানুষের ঢল
মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাধারণ মানুষের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ, টানা ছয় দিন ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ, টানা ছয় দিন ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিবিসির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা করলেন ট্রাম্প
বিবিসির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা করলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লি-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়েতে একসঙ্গে ১০ যানবাহনের সংঘর্ষ, কয়েকটি গাড়িতে আগুন
দিল্লি-আগ্রা এক্সপ্রেসওয়েতে একসঙ্গে ১০ যানবাহনের সংঘর্ষ, কয়েকটি গাড়িতে আগুন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?
কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?

২২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার
ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন
ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?
সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন
হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?
অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ
বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম
আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে
হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর
আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিদেশে হাদির চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশে হাদির চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এভারকেয়ার ছাড়লেন ওসমান হাদি
সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এভারকেয়ার ছাড়লেন ওসমান হাদি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর
পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন
হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পৃথিবীতে ইহুদি বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: যুক্তরাষ্ট্র
পৃথিবীতে ইহুদি বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা
'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম
১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’

প্রথম পৃষ্ঠা

আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের
আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের

প্রথম পৃষ্ঠা

সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ
সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে
আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

মহান বিজয় দিবস আজ
মহান বিজয় দিবস আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ
হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ
হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে
সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি
জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান
জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান

নগর জীবন

বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ

সম্পাদকীয়

হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস

সম্পাদকীয়

বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে
বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে

সম্পাদকীয়

গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার
গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার

খবর

বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম
বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম

মাঠে ময়দানে

‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন
‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন

নগর জীবন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

নগর জীবন

সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার
সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার

খবর

যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ
যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল
আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল

নগর জীবন

স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে
স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে

নগর জীবন

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর

খবর

বই ও নারী
বই ও নারী

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস
বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

খবর

১০ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় হবে ১ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা
১০ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় হবে ১ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা

নগর জীবন