Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ এপ্রিল, ২০১৭ ২৩:৪৯

রয়টার্সের প্রতিবেদন

রিজার্ভ চুরির ‘প্রমাণ’ ক্যাসপারস্কির কাছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

রিজার্ভ চুরির ‘প্রমাণ’ ক্যাসপারস্কির কাছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তথ্য সাইবার নিরাপত্তাদানকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কির কাছে রয়েছে। এ ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার জড়িত থাকার ডিজিটাল প্রমাণ আছে বলে দাবি করেছে ক্যাসপারস্কি ল্যাব। গত সোমবার রাশিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার একদল গবেষক জড়িত। রয়টার্স সোমবার এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বিষয়ে ৫৮ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ক্যাসপারস্কি ল্যাব। প্রতিবেদনে বলা হয়, হ্যাকিং গ্রুপ ল্যাজারাসের হ্যাকাররা শুরুতেই উত্তর কোরিয়ার একটি আইপি অ্যাড্রেস থেকে ইউরোপের একটি সার্ভারের          সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করে। যে সার্ভার ল্যাজারাসের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহূত হয়েছে। ক্যাসপারস্কির গবেষক ভিটালি কামলুক রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, শুরুতেই তারা উত্তর কোরিয়া ও ল্যাজারাসের মধ্যে যোগাযোগ ছিল এ বিষয়টির প্রমাণ পান। তাদের কাছে প্রমাণ আছে, ২০০৯ সাল থেকেই এই হ্যাকিং গ্রুপ সক্রিয় আছে। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়াই যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা একদম নিশ্চিত করে বলতে চাইছি না। উত্তর কোরিয়া থেকেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে হ্যাকাররা এমনটা দেখানোরও চেষ্টা করে থাকতে পারে। হয়তো এ ঘটনা অন্য কেউ ঘটিয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির জন্য উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের দায়ী করছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ)। সংস্থাটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, ২০১৪ সালের সনির হলিউড স্টুডিও এবং ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে পিয়ংইয়ং (উত্তর কোরিয়ার রাজধানী) জড়িত ছিল। একই ধরনের কোড ব্যবহার করা হয় বলে জানান গোয়েন্দারা। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে (নিউইয়র্ক ফেড) রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির ঘটনা ঘটে।


আপনার মন্তব্য