Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:৩৩

ভোটের হাওয়া সারাদেশে

জোটগত মনোনয়নে অস্বস্তি জাপায়

শফিকুল ইসলাম সোহাগ

জোটগত মনোনয়নে অস্বস্তি জাপায়

জোটগতভাবে জাতীয় পার্টিকে ৪৭টি আসন দেওয়ার কথা থাকলেও মাঠের অবস্থা দেখে নিশ্চিন্ত হতে পারছে না আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টি। পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ঢাকা-১৭ আসন ও মহাসচিব এ বি এম রুহল আমিন হাওলাদারের পটুয়াখালী-১ আসনসহ অধিকাংশ আসনেই আওয়ামী লীগ নিজস্ব প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। জাপাকে যেসব আসন ছাড় দেওয়ার খবর বেরিয়েছে তার অধিকাংশ আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। মহাজোটের শরিকদের জন্য ৬৫ থেকে ৭০টি আসন ছাড় দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে আওয়ামী লীগ ৩৬টি আসনে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়নি। জাতীয় পার্টির দাবি অনুযায়ী তাদের ছাড় দেওয়া ৪৭টি আসনের মধ্যে ২৫টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী না দিলেও বাকি ২২টি আসনে নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে মহাজোটের প্রধান শরিক জাতীয় পার্টিকে ৪৯টি আসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও আওয়ামী লীগ তাদের জন্য ৩৫টি আসন ছাড় দিয়ে একই সঙ্গে ১৪টি আসনে আলাদাভাবে নৌকার  প্রার্থী বহাল রাখে। এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছে জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। তখন বলা যাবে কে কতটি আসন পাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি আওয়ামী লীগ আমাদের সম্মানজনক আসন দেবে।

জানা যায়, জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি এইচ এম এরশাদ ঢাকা-১৭, এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার পটুয়াখালী-১, নূরুল ইসলাম তালুকদার বগুড়া-৩, ইয়াহহিয়া চৌধুরী সিলেট-২, মো. নোমান লক্ষ্মীপুর-২ সহ অনেক আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোট গঠিত হলে জাতীয় পার্টিকে ৪৯টি আসন দেওয়া হয়। সেই আসন ভাগাভাগি ছিল পুরোটাই কাগজেকলমে। রওশন এরশাদের দুটি আসনসহ ১৪টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা থেকে যান। আওয়ামী লীগের প্রার্থী থেকে যাওয়া ১৪টির একটিতেও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি। রওশন এরশাদ পরবর্তীতে এরশাদের ছেড়ে দেওয়া রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে যান। পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এইচ এম এরশাদের ব্যক্তিগত সহকারী মেজর (অব.) খালেদ আখতার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, লালমনিরহাট-১ আসনটি আমাদের ছেড়ে দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এখনো সেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন। আশা করি চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা  মহাজোটের মনোনয়ন পাব।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর