শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২:৩৭

কৃষি

শহরের উপকণ্ঠে সবজি ও মাছ চাষ

সরকার হায়দার, পঞ্চগড়

শহরের উপকণ্ঠে সবজি ও মাছ চাষ

উত্তরের জেলা শহর পঞ্চগড়। এই শহরের চারপাশে ১৫ মিনিটের হাঁটা পথ পার হলে চোখে পড়বে ছোট বড় শাক-সবজির খেত খামার আর পুকুর। চোখে পড়বে বিভিন্ন প্রকারের শাক, শিম, আলু, বরবটি,  মটরশুঁটি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটোসহ নানা ধরনের সবজির মাঠ। এই সবজি চাষিরা সবাই পঞ্চগড় শহরে বাস করেন। গত কয়েক বছর ধরে এখানকার উৎপাদিত সবজি শহরের মানুষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অন্যান্য জেলাতেও রপ্তানি করা হচ্ছে। নানা ধরনের ব্যবসার পাশাপাশি তারা এসব ছোট ছোট কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন। কেউ ছোট ছোট পুকুর খনন করে নিজেদের মাছের চাহিদা মিটিয়ে শহরের মানুষদের চাহিদা মেটাচ্ছেন। ফলে এই শহরের মানুষ পাচ্ছেন নিরাপদ সবজির স্বাদ। পাচ্ছেন টাটকা ফর্মালিন মুক্ত মাছ। এতে গ্রাহকরা খুশি হলেও সরকারি সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন চাষিরা । করোতোয়া নদী বেষ্টিত কয়েকশ একর জমিতে এসব খামার গড়ে তুলেছেন চাষিরা। খামারে নানা ধরনের শাক-সবজি ও মাছ উৎপাদন করছেন তারা। শহরের কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে গড়ে উঠেছে এসব শাক-সবজি আর মাছের খামার। রামের ডাঙ্গা, জালাসী, তুলার ডাঙ্গা, কামাতপাড়াসহ কয়েকটি এলাকার প্রায় আড়াই হাজার কৃষক এসব সবজি আবাদ করছেন। কামাতপাড়া এলাকার চাষি নাজিম উদ্দিন আহমেদ জানান, গত কয়েক মাসে তিন একর জমিতে সবজি চাষ করে তিনি প্রায় ২ লাখ টাকা আয় করেছেন। আরও ৫ লাখ টাকা আয় করবেন বলে তিনি আশা করছেন। এ ছাড়া শহরের আশপাশেই গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক মাছের খামার। রাজনগর এলাকার গোলাম রাব্বানী বানী প্রিন্টিং ব্যবসার পাশাপাশি শহরের উপকণ্ঠে গড়ে তুলেছেন মাছের খামার। তিনি জানান, নিরাপদ মাছ চাষ করে তিনি ভালো আয় করছেন। পাশাপাশি শহুরে নাগরিকদের জন্য টাটকা মাছ সরবরাহ করতে পারছেন। তবে জেলার মৎস্য অধিদফতর থেকে তারা কোনো প্রকার সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। পঞ্চগড় সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল মতিন জানান, শহরের উপকণ্ঠে এই সবজি চাষ করে চাষিরা যেমন লাভবান হচ্ছেন তেমনি শহুরে নাগরিকরা টাটকা শাক-সবজি পাচ্ছেন। আমাদের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক এই কৃষকদের নানা ধরনের সহায়তা এবং পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর