শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মে, ২০১৯ ২২:৫৬

রাসেলকে বাকি টাকা দেয়নি

গ্রিন লাইনের ভূমিকায় হাই কোর্টের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালতের আদেশ সত্ত্বেও বাসচাপায় পা হারানো প্রাইভেট কার চালক রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণের ৫০ লাখ টাকার মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার পর আর কোনো  টাকা না দেওয়ায় গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে হাই কোর্ট। পরিবহনটির কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে হাই কোর্ট বলেছে, আমাদের নমনীয়তাকে দুর্বলতা ভাববেন না। আমাদের কঠোর হতে বাধ্য করবেন না। গতকাল এ মামলার শুনানিতে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এমন ক্ষোভ প্রকাশ করে। আদালতে গ্রিন লাইনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ওজিউল্লাহ। পা হারানো রাসেল সরকারের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শামসুল হক রেজা। শুনানির শুরুতে আইনজীবী মো. ওজিউল্লাহ আদালতকে বলেন, আদালতের সর্বশেষ আদেশের পর গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তাদের আইনজীবী হিসেবে আমার নাম প্রত্যাহার করতে চাই। এ সময় পা হারানো রাসেল সরকারের আইনজীবী শামসুল হক রেজা বলেন, আমাদের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ করছে না গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ। রাসেলকে চিকিৎসা খরচ বাবদ তিন লাখ টাকা দেওয়ার পর আর কোনো খরচও দিচ্ছে না। যানবাহনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কেন নয় : রাস্তার সব যানবাহনে (প্রাইভেট ও পাবলিক) আগুন নেভানোর জন্য ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট। একই সঙ্গে আইন অনুসারে বাস-মিনিবাসের রুট পারমিট অনুমোদনের ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার বিধান কার্যকরের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে করা এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাই কোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সৈয়দ মিছবাহুল আনোয়ার এবং তার সঙ্গে ছিলেন মো. সোহরাব সরকার ও মো. জামাল উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে বাশার জানান, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের (মহাপরিদর্শক) আইজিপি, বিআরটিএর চেয়ারম্যান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য