শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:২১

ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মামলার জের

ইবির প্রধান ফটকে তালা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ইবির প্রধান ফটকে তালা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান লালনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেছেন সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া লাইভ সাক্ষাৎকারে ড. মাহবুবের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করায় তিনি এ মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলার প্রতিবাদে গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয় ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েন ২টার বাসে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহগামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ডিবিসি নিউজে ‘মানচিত্র : বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অস্থিরতা’ বিষয়ক লাইভ সাক্ষাৎকার দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান লালন। সাক্ষাৎকারে লালন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন ছাত্রশিবিরের নেতৃত্ব দিতেন বলে উল্লেখ করেন। তবে ড. মাহবুব ইবির ছাত্র ছিলেন না। এ ছাড়া ড. মাহবুবরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যের মূলহোতা, শিক্ষার্থীদের হুমকিদাতা, ছাত্রলীগের ওপর গুলিবর্ষণের নির্দেশদাতা বলে অভিযোগ করেন লালন। এ ঘটনায় গত ১৭ অক্টোবর কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইবি আমলি আদালতে সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান মামলা দায়ের করেন। তিনি অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান লালনকে মামলার প্রধান বিবাদী করে দ বিধির ৫০০/৫০১/৫০২ ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করেন। এর আগে ড. মাহবুব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতি বরাবর অভিযোগ করে বিচারের দাবি জানান। এ মামলা প্রত্যাহার ও মামলাকারী শিক্ষককে সব প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির দাবিতে দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শাখা ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দেয়। পরে ছাত্রলীগ নেতারা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উপাচার্য অভিযুক্ত ছাত্র ও অভিযোগকারী শিক্ষকের সঙ্গে বসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিলে প্রায় আধা ঘণ্টা পর ছাত্রলীগ নেতারা প্রধান ফটক থেকে তালা খুলে নেন। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, ছাত্র ও শিক্ষকের মাঝে যে মামলার ঘটনা ঘটেছে তা তাদের ব্যক্তিগত। তারপরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বসার ব্যবস্থা করব।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর