শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:১০

শুরু হলো বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির গণশুনানি

পিডিবি ১৯ শতাংশ; পিজিসিবি ৫০ দশমিক ৭৭ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করতে চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুরু হলো বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির গণশুনানি

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ইস্যুতে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ২৩ দশমিক ২৭ ভাগ বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এর বিপরীতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ দাম বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে মনে করে। অপরদিকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন খরচ ২৭ পয়সা থেকে ৫০.৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে প্রায় ৪২ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। তবে বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ৬.৯২ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মতামত দিয়েছে। গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) অডিটরিয়ামে এই গণশুনানির আয়োজন করে বিইআরসি কর্তৃপক্ষ। বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম এবং কমিশনের অপর চার সদস্য রহমান মুর্শেদ, মিজানুর রহমান, মাহমুদুল হক ভূঁইয়া ও আবদুল আজিজ খান এই শুনানি পরিচালনা করেন। শুনানিতে বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন অংশগ্রহণ করে। এর পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধি এবং কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর প্রতিনিধিরা শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। গতকাল দুপুরে প্রথমে পিডিবি এবং পরে পিজিসিবির বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১ ডিসেম্বর রবিবার থেকে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির জন্য বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবিত দামের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। যা চলবে আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি করে গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে গণশুনানিতে উল্লেখ করা হয়। আবার আমদানিকৃত কয়লার ওপর ভ্যাট আরোপ করায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের দামও বৃদ্ধি পাবে। সকালে পিডিবির শুনানিতে সংস্থাটির জিএম (বাণিজ্যিক কার্যক্রম) কাউসার আমীর আলী বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পাইকারিতে বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় ছিল ৫ টাকা ৮৩ পয়সা। এখন বিদ্যুতের  পাইকারি মূল্য ৪ টাকা ৭৭ পয়সা। এর ফলে গত অর্থবছরে ৬৮ হাজার ৬২৩ মিলিয়ন টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।

 আর বিদ্যুতের বর্তমান মূল্য বজায় থাকলে ঘাটতি হবে ৮৫ হাজার ৬০৬ মিলিয়ন টাকা। এ ঘাটতি পোষাতে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য এক টাকা ১১ পয়সা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।  অন্যদিকে মূল্যায়ন কমিটির পক্ষে প্রস্তাব উপস্থাপন করেন কমিশনের উপপরিচালক (ট্যারিফ) মো. কামরুজ্জামান।


আপনার মন্তব্য