শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০

প্রকৃত

মুখরিত নাটোর বড়ভিটা বিল

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

মুখরিত নাটোর বড়ভিটা বিল

পাখির কিচিরমিচির, মুক্ত আকাশে ওড়াউড়ি নাটোর শহরতলির বড়ভিটা বিলে। শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে সুদূর রাশিয়ার সাইবেরিয়াসহ বিশ্বের শীতপ্রধান দেশ থেকে পাখি এসে বিলের সৌন্দর্যের বিকাশ ঘটাচ্ছে। বিলটিকে গত বছর পরিযায়ী পাখির অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে।

নাটোর শহরতলির হরিশপুর ইউনিয়নের বড়ভিটা বিল এখন হয়ে উঠেছে লাখ লাখ পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল। মল্লিকহাটি বিলেও একই চিত্র। নাটোর জেলায় কোনো হাওর-বাঁওড় না থাকলেও রয়েছে বেশ কয়েকটি বড় বিল। হালতি পাখির নামানুসারে নামকরণ করা হালতির বিল ছাড়াও রয়েছে চলনবিল, চিনিডাঙ্গার বিল আর ভাতঝরার বিলের মতো বড় বড় অনেক বিল। আবহাওয়া অনুকূল আর পর্যাপ্ত খাবার থাকায় অতিথি পাখির সমাবেশ ঘটে নাটোরে।

শীতকালে সোলি, বদর, লালমোন, শামুকখোল, বক, বালিহাঁস, কাইয়ুম, বাগাড়িসহ নানা প্রজাতির পাখির কিচিরমিচিরে ওইসব বিল মুখরিত থাকে। বিলের দেশি ছোট ছোট মাছই মূলত এসব পাখির প্রধান খাদ্য। বর্তমানে বড়ভিটা, মল্লিকহাটি বিলে বিচরণ করা পরিযায়ী পাখির সংখ্যা ৫-৬ লাখ হবে বলে স্থানীয় পাখিপ্রেমীদের ধারণা। বিলটি শহরের একদম কাছে হওয়ায় প্রতিদিনই সকাল-বিকাল শত শত দর্শনার্থী যাচ্ছেন পরিযায়ী পাখির কলতান, নীলাকাশে ডানা মেলে উড়ে বেড়ানোর মতো মোহময় দৃশ্য উপভোগ করতে। আবদুর রহমান নামে বিলের এক মাছ চাষি বলেন, ‘পরিযায়ী পাখিরা মূলত দেশি প্রজাতির ছোট ছোট মাছ খায়। আমাদের লোকসান হলেও পাখিরা যাতে অবাধে বিচরণ করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখি। এর আগে অনেক শিকারি বন্দুক, জাল, ফাঁদ দিয়ে অতিথি পাখি শিকার করতে এসেছে। কিন্তু আমরা শিকার করতে দিইনি।’ তিনি বলেন, প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে অতিথি পাখির সমস্যা থাকবে না।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর