শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ মে, ২০২১ ২৩:২৭

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা

সাত আসামির জামিনে স্থগিতাদেশ বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

Google News

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সাত আসামিকে হাই কোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। গতকাল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ জামিন স্থগিতের এ আদেশ দেয়। আগামী ২০ জুন পর্যন্ত জামিন স্থগিত করে এ সময়ের মধ্যে লিভ টু আপিল করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর। অন্যদিকে আসামি পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। এর আগে গত ২৭ মে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালত সাতজনের জামিন স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিল। তার আগে গত ২৫ মে এ মামলায় সাতজনকে জামিন দেয় হাই কোর্ট।

যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা হয়। এ ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই দিনই কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন মামলা করেন। এ মামলায় তদন্ত শেষে হাবিবুল ইসলামসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা হয়। এরপর মামলার আসামি রাকিবের আবেদনে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট হাই কোর্ট মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়। একই সঙ্গে রাকিবের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। পরে রাকিবকে জামিন দেওয়া হয়।

রাকিবের আবেদনে বলা হয়েছিল, ২০০২ সালে তার বয়স ছিল ১০ বছর। সুতরাং তার বিচার হতে হলে শিশু আইনে হবে। বড়দের সঙ্গে দায়রা জজ আদালতে করা যাবে না। গত বছর ৮ অক্টোবর ওই রুল খারিজ করে রায় দেয় আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন রাকিবুর। এই আবেদনে আপিল বিভাগ তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়। এরপর বিচার শেষে সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ৪ ফেব্রুয়ারি মামলায় সব আসামিকে সাজার রায় দেয়। রায়ে হাবিবুল ইসলামকে কয়েকটি ধারায় ১০ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তারসহ অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

এই বিভাগের আরও খবর