শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০২১ ২৩:১৪

আম নিয়ে নতুন ভাবনা

উৎপাদনে সপ্তম, টার্গেট বিশ্ববাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

আম নিয়ে নতুন ভাবনা
Google News

বিশ্বে আম উৎপাদনে শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম হলেও রপ্তানিতে পিছিয়ে আছে অনেক। এ অবস্থায় দেশীয় আম আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ডিং করে রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়। গতকাল আম রপ্তানি বৃদ্ধি সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় কৃষিমন্ত্রী বলেছেন,  দেশের আমকে আমরা ব্যাপকভাবে বিশ্ববাজারে নিয়ে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে রপ্তানি বাধাগুলো চিহ্নিত করে তা নিরসনে কাজ চলছে। বিকালে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি ‘আম রপ্তানি বৃদ্ধিতে করণীয়’ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ বিশ্বে আম উৎপাদনে সপ্তম স্থানে রয়েছে। দেশে প্রতি বছর আমের উৎপাদন দ্রুত বাড়লেও উৎপাদনের তুলনায় রপ্তানি অনেক কম। ২০১৯-২০ সালে দেশে প্রায় ১৫ লাখ টন আম উৎপাদিত হলেও রপ্তানি হয়েছে মাত্র ২৭৯ মেট্রিক টন। যার আর্থিক মূল্য ১ হাজার ২০০ মার্কিন ডলার। সভায় আরও জানানো হয়,  ২০২০ সালে থাইল্যান্ড সর্বোচ্চ ৭৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,  প্রতিবেশী ভারত ১৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ও পাকিস্তান ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের আম রপ্তানি করলেও বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৫০ হাজার ডলারের আম রপ্তানি হয়েছে। দেশে হাঁড়িভাঙা, আম্রপালি, ফজলি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া ও হিমসাগরের মতো উন্নত জাতের আম উৎপাদন হলেও উত্তম কৃষিচর্চার অভাব, সংগ্রহোত্তর পর্যায়ে শনাক্তকরণের অভাব, আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিংয়ের অভাব এবং ব্র্যান্ডিং ইমেজ সৃষ্টি না হওয়ার কারণে বাংলাদেশি আম রপ্তানি আশানুরূপ হচ্ছে না। কৃষিমন্ত্রী বলেন, এ বছর আমের ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি লকডাউন ও বাজার না থাকায় চাষিরা আম বিক্রিতে হিমশিম খাচ্ছে ও আশানুরূপ দাম পায়নি। সেজন্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বেশি যেতে হবে। যাতে করে চাষিরা আশানুরূপ দাম পায় ও আম চাষে আরও আগ্রহী হয়।