শিরোনাম
শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
অষ্টম কলাম

করোনা থেকে রক্ষা পেতে মার্কিন প্রশাসনের বুস্টার ভ্যাকসিনে অনুমোদন

প্রতিদিন ডেস্ক

করোনা নিয়ে বিপর্যস্ত মার্কিন প্রশাসন এবার বুস্টার ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। এ সম্পর্কে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) বলেছে, যাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের এই বুস্টার ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। রয়টার্স, এনবিসি।

গত বৃহস্পতিবার এফডিএ আরও বলেছে, দেশ নতুন করে একটি করোনার ঢেউয়ের মুখে পড়েছে। যাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদেরই গুরুতর অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সে কারণেই বুস্টার ভ্যাকসিন প্রয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খবরে বলা হয়, এফডিএর এ ঘোষণায় অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন লক্ষাধিক মার্কিনবাসী। যাদের অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছে বা ক্যান্সার আক্রান্ত কিংবা জটিল কোনো রোগে আক্রান্ত, তাদের করোনা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। টিকার পাশাপাশি তাদের অতিরিক্ত সুরক্ষা দেবে এই বুস্টার ভ্যাকসিন। এরই মধ্যে ফ্রান্স ও ইসরায়েলেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম- এমন ব্যক্তিদের বুস্টার ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম বা কোনো কড়া ওষুধ চলছে, তাদের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের একটি বা দুটি

 ডোজের মাধ্যমে সুস্থ ব্যক্তির সমান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা অসম্ভব। সেক্ষেত্রেই এই বুস্টার ভ্যাকসিন কিছুটা সাহায্য করবে।

খবরে বলা হয়েছে, টিকার তৃতীয় ডোজ নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে গবেষণা চালিয়ে আসছে ফাইজার। গত জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ফাইজার বায়োএনটেকের টিকার তৃতীয় ডোজ করোনার মূল ভ্যারিয়েন্ট, বেটা ভ্যারিয়েন্ট ও দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি করছে। করোনার টিকার দুই ডোজ দিলে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, তার চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয় তৃতীয় ডোজে। সেই সময় ফাইজার ও বায়োএনটেকের পক্ষ থেকে এও বলা হয়, টিকার দুই ডোজ নেওয়ার পর ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে তৃতীয় ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন হবে। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছে, টিকার দুই ডোজ বা পূর্ণাঙ্গ টিকা নেওয়ার পর ছয় মাস পর্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের সুরক্ষা পাওয়া যায়। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টিকার কার্যক্ষমতা কমতে থাকে।