শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর, ২০২০ ২০:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

সাক্ষ্য দিলেন আবরারের চাচাসহ তিনজন

অনলাইন ডেস্ক

সাক্ষ্য দিলেন আবরারের চাচাসহ তিনজন
আবরার ফাহাদ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন তার চাচা মমিরুল ইসলামসহ তিনজন। সাক্ষ্য দেওয়া অপর দুইজন হলেন- বুয়েটের গাড়ির ড্রাইভার আবুল কালাম ও পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম।

আজ বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। এরপর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা মমিরুল ইসলাম ও আবুল কালামকে জেরা করেন। এ নিয়ে মামলায় মোট ৬০ সাক্ষীর মধ্যে ৩৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।

আর রফিকুল ইসলামের জেরা ও পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।  

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী  আবরার ফাহাদকে রাতে ডেকে নেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। 

পরে নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারনামীয় ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ৬ জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন ৮ জন।

মামলার তিন আসামি এখনও পলাতক আছেন। তারা হলেন মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। 
 
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর