শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৩
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

ট্যুর অপারেটরদের আইনি কাঠামোয় আনার জন্য আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত

অনলাইন ডেস্ক

ট্যুর অপারেটরদের আইনি কাঠামোয় আনার জন্য আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত

পর্যটকদের সর্বোত্তম পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় ট্যু’র অপারেটরদের সুপরিকল্পিত ভাবে ট্যুর পরিচালনার উদ্দেশ্যে এবং তাদের একটি আইনী কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষে মন্ত্রিসভা আজ ‘বাংলাদেশ ট্যুর অপারেটরস এবং ট্যুর গাইডস (রেজিস্ট্রেশন এবং কন্ট্রোল অ্যাক্ট), ২০২০’ অনুমোদন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন প্রদান করা হয়। পরে বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে সুপরিকল্পিতভাবে ট্যুর কার্যক্রম পরিচালনায় ট্যুর অপারেটর ও গাইড আইনের আওতায় পর্যটকদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।’

‘ট্যুর অপারেটর কীভাবে পরিচালনা করা হবে, দেশি-বিদেশি ট্যুর অপারেটরদের কীভাবে অনুমোদন দেয়া হবে, কীভাবে নিবন্ধন দেয়া হবে- আইনে এসব উল্লেখ করা হয়েছে এবং নিবন্ধন ছাড়া ট্যুর পরিচালনাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ৬ মাসের জেল বা ২ লাখ টাকা বা উভয় দ-ের বিধান নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আইনে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ট্যুর অপারেটররা যদি কোনো অপরাধ করে তাহলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদ- এবং সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। অপরাধের বিচার মোবাইল কোর্টের আওতাধীন হবে এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচার করা যাবে।’

নিবন্ধন ছাড়া ট্যুর অপারেশন করা যাবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘নিবন্ধনের জন্য কি কি যোগ্যতা তা নির্ধারণ করে দেয়া হবে। সনদ প্রদানের জন্য সরকার একটি নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ গঠন করবে।’

তিনি বলেন, ‘পর্যটকদের কাক্সিক্ষত সেবা দিতে আইন করা হয়েছে। এর অধীনে একটি গাইডলাইন করা হবে। কোন সেবা কত টাকার মাধ্যমে পাওয়া যাবে, এগুলো পরিষ্কার হবে। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য ট্যুর অপারেটর, ট্যুর গাইডের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ধীরে ধীরে যত উন্নত দেশের দিকে যাব, আমাদের সেবাগুলো তত উন্নত হতে থাকবে। সেবাখাত বিনিয়োগের একটা বড় ক্ষেত্র হবে। এজন্য আইন করার উদ্যোগ নেয়া হয়।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আইনের মাধ্যমে পর্যটকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সেবা প্রাপ্তি সহজ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। কারণ, অনেক বড় বড় ইনফরমাল ট্যুর হচ্ছে কিন্তু কোনো ভ্যাট বা ট্যাক্স সরকারের খাতে জমা হচ্ছে না। এজন্য যত নিবন্ধন ও ট্যুর হবে সবগুলো রাজস্ব বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চলে আসবে।’

এদিন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ‘জাহাজ নির্মাণ শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা-২০২১’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘২০২৫ সালের মধ্যে জাহাজ রফতানি আয় বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে চার বছরের মধ্যে জাহাজ নির্মাণ খাতের কর্মী সংখ্যা ৩০ হাজার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ করারও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জাহাজ নির্মাণ খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি, এই শিল্প সংশ্লিষ্ট নানাবিধ ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের বিকাশ, অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আমদানি নির্ভরতা হ্রাস, রফতানি আয় বৃদ্ধিসহ জাহাজ নির্মাণ শিল্পের টেকসই বিকাশ ত্বরান্বিত করার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনাসহ জাহান নির্মাণ শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।’

নীতিমালার মূল লক্ষ্যগুলো আলোচনায় এনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহনের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় জাহাজ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন, বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে বিশ্ব জাহাজ নির্মাণ শিল্পের উপযুক্ত অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলা হবে এই নীতিমালার লক্ষ্য।

এছাড়া, অধিক বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০২৫ সালের মধ্যে জাহাজ রফতানি খাতের অবদান ৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে। এখন জাহাজ রফতানি করে আয় হয় এক বিলিয়ন ডলার,’ বলেন তিনি।

নীতিমালা অনুযায়ী অধিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জাহাজ শিল্পে নিয়োজিত বিদ্যমান ৩০ হাজার কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি করে ২০২৫ সালের মধ্যে এক লাখে উন্নীত করা হবে জানিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করাও নীতিমালার উদ্দেশ্য।’

তিনি বলেন, ‘জাহাজ নির্মাণের সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের কিভাবে ঋণ সহায়তা দেয়া যায়, ট্যাক্স ও ভ্যাটের ক্ষেত্রে তাদেরকে কিভাবে একটু সুবিধা দেয়া যায় এগুলো এই নীতিমালার মধ্যে আছে। জাহাজ নির্মাণ আমাদের জন্য অত্যন্ত চমৎকার শিল্প। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের জন্য জাহাজ তৈরি করতে পারব। এতে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।’

উন্নত দেশগুলো সমুদ্রগামী জাহাজ নির্মাণ শিল্প থেকে দূরে সরে এসেছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘তারা এখন আউটসোর্সিং করছে। আমরা চেষ্টা করছি যাতে এই ইন্ডাস্ট্রিটাকে আমরা ধরতে পারি। সেটা পারলে এখান থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যাবে।’

এছাড়া, ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সরকারি কর্মচারিদের অবসর সুবিধাদি বৃদ্ধি, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার এবং এ সংক্রান্ত অটোমেশন কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এদিন ‘বয়লার আইন-২০২০’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন এবং সরকারি কর্পোরেশন (ব্যবস্থাপনা সমন্বয়) আইন’ প্রণয়নের আবশ্যকতা নিরূপণের বিষয়ে গত ৯ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মন্ত্রিসভার গঠিত কমিটি পুণর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:০৪
প্রিন্ট করুন printer

সুদানে শান্তিরক্ষায় কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেলেন মাসুক মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুদানে শান্তিরক্ষায় কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেলেন মাসুক মিয়া

সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষায় ‘কঠোর পরিশ্রম’ আর ‘অসাধারণ কর্মদক্ষতার’ জন্য ‘প্রশংসা সনদ’ পেলেন সেখানে বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটে অপারেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া। 

বৃহস্পতিবার দারফুরে এলফেশার সুপার ক্যাম্পের বঙ্গবন্ধু ক্যাম্পে তার কাছে এই সনদ হস্তান্তর করেন সুদানে নিযুক্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার ড. সুলতান আজম তিমুরি।

মাসুক মিয়া ২০১৯ সালের ২৫ মে সুদানের দারফুরে শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের পর নিয়ালা সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান এবং সফলভাবে সুদান সরকারের কাছে ক্যাম্প হস্তান্তর করেন। কুটুম টিম সাইটের ফাতাবর্ন আইডিপি ক্যাম্পে বাস্তুচ্যুত মানুষকে নিরাপত্তা প্রদান করে প্রশংসা কুড়ান। এরপর এলফেশার সুপার ক্যাম্পের নিরাপত্তা প্রদান ছাড়াও করোনাকালীন সময়ে জাতিসংঘের কোভিড-১৯ গাইডলাইন মেনে দক্ষতার সাথে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনাসহ জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টাস থেকে আগত বিভিন্ন ভিআইপিদের এসকর্ট প্রদান করেন।

সুদানে শান্তিরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য এ মাসের শুরুতে ‘জাতিসংঘ শান্তি পদকে’ ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের এই কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষার্থী সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে সফলভাবে দায়িত্বপালন শেষে আগামী মাসের ১১ তারিখ দেশে ফিরবেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে মাসুক মিয়া জানান, ‘সুদানের দারফুরে জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন যৌথভাবে শান্তিরক্ষায় কাজ করছে। বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে এই মিশনে কাজ করার সৌভাগ্য হয় আমার। দায়িত্ব পালনকালে শান্তিরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের ইতিবাচক ইমেজ তৈরি হয় এমন কাজ করার চেষ্টা করেছি যার স্বীকৃতি হিসেবে আমাকে এই ‘প্রশংসা সনদ’ দেওয়া হয়েছে।’

প্রশংসা সনদ পাওয়ার দিনটিকে অত্যন্ত আনন্দের দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‌‌''একজন শান্তিরক্ষী হিসেবে মিশনে অনেক প্রতিকূল পরিবেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এই সনদ প্রাপ্তি আমার সকল কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। এরকম ‘প্রশংসা সনদ’ মিশনে কর্মরত অন্যদেরও কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করি।''

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৬
প্রিন্ট করুন printer

এ পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন সাড়ে ২৮ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৬৯৬ জনের

অনলাইন ডেস্ক

এ পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন সাড়ে ২৮ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৬৯৬ জনের

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৪৩৯ জন। তাদের মধ্যে মাত্র ২৭ জনের সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেমন: জ্বর, টিকা দেওয়া স্থানে লাল হাওয়া ইত্যাদি) দেখা গেছে। আর এখন পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৪০ জন। এদের মধ্যে মোট পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে ৬৯৬ জনের।

বৃহস্পতিবার রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতেতে বলা হয়, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৪৩৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ১২ হাজার ৪৮৯ জন এবং নারী ৬৮ হাজার ৯৫০ জন।

বিজ্ঞতিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিভাগে ৬৩ হাজার ২৪৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ হাজার ২৩৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩ হাজার ৮৬৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৮ হাজার ২১৬ জন, রংপুর বিভাগে ১৬ হাজার ৭০১ জন, খুলনা বিভাগে ২৬ হাজার ৮৩৮ জন, বরিশাল বিভাগে ৭ হাজার ৯৪১ জন ও সিলেট বিভাগে ৮ হাজার ২৮৮ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুসারে, গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। প্রথম দিন টিকা দেওয়া হয় ২৬ জনকে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৮
প্রিন্ট করুন printer

পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে বৃক্ষমেলা ৫ জুন

অনলাইন ডেস্ক

পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে বৃক্ষমেলা ৫ জুন
সংগৃহীত ছবি

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ৫ জুন বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন।

আজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২১ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২১ উদযাপনের প্রাক-প্রস্তুতিমূলক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাণ প্রকৃতিকে সবুজে শ্যামলে ভরিয়ে দিতে কাজ করছে সরকার। জনগণের নিকট এ বার্তা পৌঁছে দিতে ‘মুজিববর্ষে অঙ্গীকার করি, সোনার বাংলা সবুজ করি’ প্রতিপাদ্যে উদযাপিত হবে এবারের জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা-২০২১। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই আমরা দেশকে সবুজে শ্যামলে ভরে দিতে সক্ষম হব।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ পরিবেশ উন্নয়নে দেশের সর্বত্র ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। এ বৃক্ষরোপণ অভিযানকে গতিশীল রাখার লক্ষ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন গ্রহণ করে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-এ দুটি কর্মসূচিই ৫ জুন উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এবং বৃক্ষমেলা বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজন করা হবে। 

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

ফরিদপুরের দুই ভাইয়ের ৫৭০৬ বিঘা জমি ও ৫৫ গাড়ি ক্রোকের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

ফরিদপুরের দুই ভাইয়ের ৫৭০৬ বিঘা জমি ও ৫৫ গাড়ি ক্রোকের নির্দেশ
সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেল (ফাইল ছবি)

ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের ৪৮৭টি তফসিলে পাঁচ হাজার ৭০৬ বিঘা সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১৮৮ ব্যাংক হিসাবের পৌনে ১০ কোটি টাকা এবং বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ ৫৫টি গাড়ি জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে, মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের তফসিল সম্পত্তি, ব্যাংক হিসাব ও গাড়ি জব্দের জন্য আদালতে আবেদন করে সিআইডি। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। 

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ জুন সিআইডির পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে অর্থপাচারের অভিযোগে ঢাকার কাফরুল থানায় বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দুই হাজার কোটি টাকা উপার্জন ও পাচারের অভিযোগে মামলা করেন। 

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন চালু ২৬ মার্চ

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন চালু ২৬ মার্চ
ফাইল ছবি

আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও ঢাকার মধ্যে চালু হচ্ছে রেল যোগাযোগ। সপ্তাহে দু'দিন এ ট্রেন চলাচল করবে। এটি হবে দু'দেশের মধ্যে তৃতীয় যাত্রীবাহী ট্রেন।

বুধবার দুই দেশের কর্মকর্তাদের বৈঠকে ট্রেন চালুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পাকশি রেলওয়ে বিভাগের ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলাম এবং ভারতের পক্ষে কাটিহার বিভাগের ম্যানেজার রবীন্দ্র কুমার ভার্মা।

সোম এবং বৃহস্পতিবার ট্রেনটি এনজেপি থেকে ছেড়ে আসবে এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে ছাড়বে মঙ্গল এবং শুক্রবার। জলপাইগুড়ি থেকে ঢাকার দূরত্ব ৫৩০ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে রয়েছে ৪৪৬ কিলোমিটার।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে, বিরতিহীন ৯ ঘণ্টার যাত্রায় ট্রেনটি গন্তব্যে পৌঁছবে। ১০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচ নিয়ে একটি ডিজেল ইঞ্জিনের মাধ্যমে এটি চলবে। 

বৈঠক শেষে কাটিহার বিভাগের ম্যানেজার রবীন্দ্র কুমার ভার্মা বলেন, ‘মূলত পর্যটন শিল্পকে সামনে রেখেই এই রেল পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে সপ্তাহে দু'দিন এই ট্রেন চলবে। ২৬ মার্চ এনজেপি থেকে দুপুর ২টায় ট্রেনটি যাত্রা শুরু করবে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এর উদ্বোধন করবেন।’

এর আগে দুই দেশের মধ্যে দুটি রেল পরিষেবা চালু হয়। ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল চালু হয় মৈত্রী এক্সপ্রেস। বন্ধন এক্সপ্রেস চালু হয় ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর। এছাড়া ভারতের হলদিবাড়ি থেকে বাংলাদেশের চিলাহাটি পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরুর প্রক্রিয়া চলছে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর