১০ মে, ২০২২ ১০:৫৩

ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও পিরোজপুরে বৃষ্টি

অনলাইন ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও পিরোজপুরে বৃষ্টি

ফাইল ছবি

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও পিরোজপুরে বৃষ্টিপাত হয়েছে। ঝড়ের কবল থেকে মানুষকে নিরাপদে রাখতে নোয়াখালী ও পিরোজপুরে বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

অশনির প্রভাবে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। সোমবার সকাল থেকে পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ উপকূল জুড়ে মাঝারি ও ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। নদ-নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সকাল থেকে পটুয়াখালী জেলায় মোট ২৪৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস ও কলাপাড়া রাডার স্টেশন।

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, ভোর পৌনে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৪৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৩০.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

অশনির প্রভাবে নোয়াখালীতে সকাল থেমে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। জেলার দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় সব ধরণের নৌ চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। ফলে জেলার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে হাতিয়ার নৌ-যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

হাতিয়ার ইউএনও মোহাম্মদ সেলিম হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তত রাখা হয়েছে ২০১টি আশ্রয় কেন্দ্র। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৯০ হাজার মানুষের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গত মানুষকে নিয়ে আসা ও খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নেতৃত্বে মনিটরিং টিম গঠন করা হবে।

অশনির প্রভাবে পিরোজপুরে সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। রাতে আবহাওয়ার গুমোট ভাব থাকলেও সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ২৪৭টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে।

সোমবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’ মোকাবেলায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমানের সভাপতিত্বে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় জেলা প্রশাসক জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলার ৭টি উপজেলায় ২৪৭টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত আছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের কাছে ৪২৫ প্যাকেট শুকনা খাবার তৈরি কার আছে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কন্ট্রোল রুম ও একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর