শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১০, রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ০৯:১১, রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪

এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে পাচারকারী রুই-কাতলরা

পাচারের ১৭ লাখ কোটি ফেরাবে কে

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দিকে তাকিয়ে সবাই
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
পাচারের ১৭ লাখ কোটি ফেরাবে কে

পাচারে ফোকলা দেশের অর্থনীতি। প্রবাসীরা ঘামঝরা কষ্টের আয় দেশে পাঠান ঠিকই, কিন্তু সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চুরি ও লুটপাট করে দেশের টাকায় বিদেশে বিলাসী জীবন যাপন করেন ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ লুটেরারা। 

অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার বদলে এই পাচারকারীচক্র দেশ থেকে অন্তত ১৭ লাখ কোটি টাকা বিদেশে নিয়ে গেছে। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় ওই টাকায় দুবাই, কানাডা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে তারা বউ-বাচ্চা নিয়ে বিলাসবহুল ভিলাবাড়ি, ফ্ল্যাট কিনে আয়েশে দিন কাটাচ্ছেন, অথচ তাদের লুটের শিকার অনেক ব্যাংক এখন দেউলিয়ার পথে।

ক্ষমতার পালাবদলে নতুন সরকার এলেও এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে পাচারকারী রুই-কাতলরা। বিপুল অঙ্কের টাকা পাচার করে সামিটের মতো গ্রুপ সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে সাম্রাজ্য গড়ে তুললেও ওই টাকা ফিরিয়ে আনার অগ্রগতি এখনো চিঠি চালাচালিতেই সীমাবদ্ধ। 

টাকা পাচারের ইস্যু যখন সরকারের অগ্রাধিকারে, তখনই নতুন করে দুবাইয়ে ৮৪৭টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, ভিলাবাড়িসহ বিভিন্ন প্রপার্টি কেনার তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী একাই কিনেছেন ১৩৭টি ফ্ল্যাট। ফরেন রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট তথ্যভাণ্ডার থেকে তৈরি একটি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংক, দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটে জানা যায়, অর্থনৈতিকভাবে দেশ এখন ক্রান্তিকাল পার করছে। ঋণখেলাপি আর আর্থিক কেলেঙ্কারির মধ্যে ডলার সংকট থেকে তৈরি অর্থনৈতিক অস্থিরতার রেশ কাটছে না কোনোভাবেই। তবে নামে-বেনামে ব্যাংকের টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করার ঘটনা এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

দেশের সাবেক মন্ত্রী, এমপি, আমলা, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের কানাডা, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার পাশাপাশি দুবাইও এখন বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের ‘হাব’ হয়ে উঠছে। বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল এই শহরে টাকা পাচার করে প্রপার্টি কেনার একের পর এক তথ্য ফাঁস হচ্ছে।

পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর পাচারের টাকা ফেরানোর দাবি জোরালো হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিশ্বব্যাপী তার যে যোগাযোগ, সেটি কাজে লাগিয়ে তিনি চাইলে বিপুল অঙ্কের ওই পাচারের টাকা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবেন। অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে দেশ পুনর্গঠনের জন্য এই টাকা বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

পাচারের টাকা ফেরানো সময়সাপেক্ষ হলেও তা সম্ভব বলে অর্থনীতিবিদ-ব্যাংকাররা আশা প্রকাশ করেন। তাদের ধারণা, আগের সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবে থাকা ব্যাংকগুলোর মদদেই মূলত টাকা পাচার হয়েছে। এ ছাড়া অনেক ব্যাংকের নজরদারির ঘাটতিও এ ক্ষেত্রে অনেকাংশে দায়ী। তবে টাকা ফেরানো সময়সাপেক্ষ হলেও সরকার তা ফেরাতে ঠিক পথেই আছে। কোনো কোনো অর্থনীতি বিশ্লেষক মনে করেন, টাকা ফেরানো প্রায় অসম্ভব। যদি দ্বিপক্ষীয় উপায়ে সরকার টু সরকার চেষ্টা করে সফল হয়, তখন হয়তো কিছু টাকা ফেরত আসতে পারে।

তথ্য পর্যালোচনা করে জানা যায়, এরই মধ্যে ‘দুবাই আনলকড’ নামের অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট (ওসিসিআরপি) এবং নরওয়ের সংবাদমাধ্যম ই-টোয়েন্টিফোর পাচারের টাকায় প্রপার্টি কেনার তথ্য ফাঁস করেছে। 

২০২০ থেকে ২০২২ সালের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে পাচার করা টাকায় আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবিসহ বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশিরা অন্তত এক লাখ প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন। ইইউ ট্যাক্স অবজার্ভেটরির প্রকাশিত ‘অ্যাটলাস অব অফশোর ওয়ার্ল্ড’ আরেক প্রতিবেদনেও বিশ্বের ‘ট্যাক্স হেভেন’ দেশগুলোতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার অফশোর সম্পদ রয়েছে বলে জানিয়েছে, যা বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১.৩ শতাংশ। এর মধ্যে অন্তত ৬০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে এশিয়ার ট্যাক্স হেভেনে আর বাকিটা ইউরোপ-আমেরিকায়। 

এর আগে, আইসিআইজে প্রকাশিত প্যান্ডোরা পেপার্সেও টাকা পাচারকারীদের তালিকায় অনেক বাংলাদেশির নাম এসেছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- দেশ থেকে পাচারের টাকার পরিমাণ অন্তত ১৭ লাখ কোটি টাকা। টাকা পাচার নিয়ে অনেক আলোচনা, সরকারের অনেক উদ্যোগ ও তৎপরতার কথা জানা গেলেও এখনো তা চিঠি চালাচালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এখনো পাচারকারীচক্র এবং তাদের হোতাদের চিহ্নিত করা যায়নি। সরকারের বিভিন্ন সূত্র বলছে, টাকা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলেও এখনো সাফল্য অধরাই রয়েছে।

জিএফআইয়ের তথ্য মতে, নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলাদেশ থেকে গড়ে বছরে পৌনে এক লাখ কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। পাচারকারীদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ ব্যবসায়ী। তারা আমদানি-রপ্তানির আড়ালে আন্ডার ইনভয়েস ও ওভার ইনভয়েসের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করছেন। ডিজিটাল কারেন্সির মাধ্যমেও এখন অর্থপাচার বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিপুল পরিমাণ অর্থপাচারের কারণে বাংলাদেশের বছরে গড়ে প্রায় ২-৩ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি কম হচ্ছে। 

সরকার ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর প্রিভেন্টিং মানি লন্ডারিং অ্যান্ড কমব্যাটিং ফিন্যান্সিং অব টেররিজম ২০১৯-২১’ শীর্ষক একটি কৌশলপত্র তৈরি করেছিল। তাতে অর্থপাচারের গন্তব্য হিসেবে ১০টি দেশ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কেইমান আইল্যান্ড ও ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসের কথা বলা হয়েছে। এর বাইরে আরো কিছু দেশ রয়েছে। কৌশলপত্র তৈরিসহ পদক্ষেপও কম নেওয়া হয়নি। কিন্তু বিদেশ থেকে পাচারের টাকা ফেরানোর রেকর্ড খুবই নগণ্য।

দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের শত শত ফ্ল্যাট-ভিলাবাড়ি- দুবাইয়ের বিলাসবহুল অট্টালিকা বুর্জ খলিফা। টানা পাঁচ বছর ছয় হাজার ৮৩২ জন শ্রমিক অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার এই ভবন নির্মাণ করেন। আর এই শ্রমিকদের চার হাজারই ছিলেন বাংলাদেশি। টানাটানির সংসারের এই প্রবাসী শ্রমিকরা বাড়িতে প্রিয়জন ফেলে রেখে তাদের ভাগ্যবদলের আশায় উত্তপ্ত মরুর দেশে গিয়ে রক্ত পানি করা খাটুনি দিয়ে বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল এই ভবন তৈরি করেন। তাদের ওই কষ্টের আয়ে তিল তিল করে জমানো টাকা রেমিট্যান্স হয়ে দেশে আসে। অথচ এই কষ্টার্জিত টাকাই নানা কৌশলে লুট করে নিয়ে গিয়ে ওই ভবনেই ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট কিনে আরাম-আয়েশ আর ভোগবিলাসে মত্ত আছে আরেক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ চক্র। তথ্য-উপাত্ত বলছে, দেশের টাকা পাচার করে ওই চক্রটি শুধু বুর্জ খলিফাতেই কিনেছে ৭৭টি ফ্ল্যাট।

শুধু বুর্জ খলিফাই নয়, দুবাইয়ের এ রকম প্রধান প্রধান বিলাসবহুল এলাকা বিশেষ করে পাম জুমাইরাহ, মার্শা দুবাই, ওয়াদি আল সাফা, আল হাবিয়াহ, হাদেক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ, মদিনাত আল শিবা, জাবেল আলি, মেরকাদাতে এখন শত শত দামি ভিলাবাড়ি, ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট, অফিসের মালিক বনে গেছেন বাংলাদেশিরা। এসব এলাকা শুধু বাংলাদেশিদের কাছে বিলাসবহুল নয়, সারা বিশ্বের ধনকুবেররাও সেখানে যান প্রপার্টি কিনতে। স্থানীয় সূত্র বলছে, এখন সেসব অভিজাত এলাকায় বাংলাদেশি দুর্নীতিবাজদের পাচারের টাকায় কেনা প্রপার্টির ছড়াছড়ি। তারা দু-একটি নয়, ডজন ডজন প্রপার্টি কিনেছেন ওই সব জায়গার দুবাই মেরিটাইম সিটি, গ্রান্ডে, দ্য পলো রেসিডেন্স, রয়াল আটলান্টিস. দুবাই হিলস, রুকন, ওয়াদি, পাম জুমাইরাহ, বুর্জ খলিফাসহ নানা বিলাসবহুল ভবন ও কনডোমেনিয়ামে।

ব্যাংকের টাকা লোপাট, আমদানি-রপ্তানির আড়ালে, কর ফাঁকি দিয়ে কিংবা ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে এ রকম ৮৪৭টি ফ্ল্যাট, ভিলাবাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক স্পেস কেনার তথ্য এসেছে কালের কণ্ঠের কাছে। ফরেন রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট তথ্যভাণ্ডার থেকে তৈরি ওই প্রতিবেদন এবং কালের কণ্ঠের অনুসন্ধান থেকে আরো জানা যায়, গত কয়েক বছরের মধ্যে দুবাইয়ের সবচেয়ে অভিজাত এলাকায় বাংলাদেশি ১৩৪ জন ব্যক্তি মোট ৮৪৭টি ফ্ল্যাট, ভিলাবাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন, যার দাম ন্যূনতম সাড়ে তিন কোটি থেকে শতকোটি টাকা পর্যন্ত।

তালিকায় অনেক পরিচিত মুখও রয়েছেন। এদের মধ্যে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নামেই কেনা হয়েছে ১৩৭টি ফ্ল্যাট ও হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট। তিনি নাদ আল শিবা, পাম জুমাইরাহ, বুর্জ খলিফা ও দ্য পলো রেসিডেন্সে এসব ফ্ল্যাট ও হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন। 

অনুসন্ধানে জানা যায়, পাম জুমাইরাতে তিন হাজার ৩৫৩ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের দাম প্রায় ৪০ কোটি টাকা। বুর্জ খলিফায় ৯৮৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের দাম প্রায় ১১ কোটি টাকা। তিনি বেশির ভাগ ফ্ল্যাট কিনেছেন দ্য পলো রেসিডেন্সে। সেখানে ৯৩২ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের দাম প্রায় চার কোটি টাকা। যদি সবচেয়ে কম বর্গফুটের ফ্ল্যাটের দামই হিসাব করা হয়, তাহলে দেখা যাচ্ছে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ১৩৭টি ফ্ল্যাটের পেছনে তার খরচ করতে হয়েছে অন্তত ৫৫০ কোটি টাকা। 

সূত্র বলছে, শুধু এখানেই শেষ নয়; দুবাইয়ে তার আরো ফ্ল্যাট রয়েছে বলে খবর হয়েছে। এর বাইরেও তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে আরো ফ্ল্যাট ও বাড়ি কিনেছেন। তার শত শত ফ্ল্যাট-প্রপার্টি দেশ থেকে পাচার করে নেওয়া টাকায় কেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। চৌধুরী নাফিস সরাফতের নামে চারটি ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি দুটি কিনেছেন বুর্জ খলিফায় আর দুটি কিনেছেন গ্রান্ডে।

তথ্য পর্যালোচনা করে আরো জানা যায়, দুবাইয়ে ফ্ল্যাট, ভিলাবাড়ি ও অন্যান্য প্রপার্টি কেনার শীর্ষ দশের মধ্যে ১৩৭টি প্রপার্টি কেনায় প্রথম অবস্থানে রয়েছেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন রুবাইয়া লস্কর। তিনি কিনেছেন ৩২টি প্রপার্টি। আশিকুর রহমান লস্কর ৩০টি প্রপার্টি কেনার মধ্য দিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন। চতুর্থ অবস্থানে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি কিনেছেন ৩০টি প্রপার্টি। মো. ইদ্রিস শাকুর ২১টি প্রপার্টি কিনে তালিকার পঞ্চম অবস্থানে আছেন। 

মির্জা সামিয়া মাহমুদ ১৫টি প্রপার্টি কিনে তালিকার ষষ্ঠ অবস্থানে আছেন। দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় ১৫টি প্রপার্টি কিনে তালিকার সপ্তম অবস্থানে আছেন খালিদ হেকমত আল ওবাইদি। মনোজ কান্তি পাল কিনেছেন ১৪টি প্রপার্টি। তিনি আছেন তালিকার অষ্টম অবস্থানে। মোহাম্মদ শফিউল আলম ১৩টি প্রপার্টি কিনে তালিকার নবম স্থানে আছেন। কাজী মোহাম্মদ ওসমান ১২টি প্রপার্টি কিনে আছেন তালিকার দশম অবস্থানে।

দুবাইয়ের কোথায় কত ফ্ল্যাট-প্রপার্টি-

পাচারের টাকায় কেনা ৮৪৭টি প্রপার্টির মধ্যে ফ্ল্যাট ৩৩৮টি, ভিলাবাড়ি ৭০টি, হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট ৪৫টি, আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ২৪টি। এ ছাড়া অফিস, দোকান, বাণিজ্যিক প্রপার্টিসহ আরো অন্যান্য প্রপার্টি আছে ৩৫৭টি। এসব প্রপার্টির ৭৭টি বুর্জ খলিফায়, পাম জুমাইরায় ২৮টি, মার্শা দুবাইয়ে ১৪৫টি, ওয়াদি আল সাফায় ৯৬টি, আল হাবিয়াহ থার্ড এলাকায় ১৫টি, হাদেক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ এলাকায় ৩৩টি, মদিনাত আল মাতার এলাকায় ৩৪টি, নাদ আল শিবায় ১২৫টি, জাবেল আল ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ২০টি, এমআইআরডিআইএফে দুটি, আল মেরকাদহে ছয়টি এবং অন্যান্য জায়গায় আরো ২৬০টি প্রপার্টি কেনা হয়েছে।

পাচারের টাকায় আরো যারা প্রপার্টি কিনেছেন-

তালিকা পর্যালোচনা করে আরো জানা যায়, প্রত্যেকে ১২টি করে প্রপার্টি কেনার তালিকায় কাজী মোহাম্মদ ওসমান, মোহাম্মদ সালমান, মোকাররম হোসেন ওমর ফারুকের নাম রয়েছে। সৈয়দ রুহুল হকের নামে কেনা হয়েছে ১১টি প্রপার্টি। ১০টি করে প্রপার্টি কেনার তালিকায় গোলাম মোহাম্মদ ভুইয়া, মোহাম্মদ আবদুল মজিদ আলী ও মোহাম্মদ এমরান হোসেনের নাম রয়েছে।

নিজ নামে আটটি করে ফ্ল্যাট-প্রপার্টি কেনার তালিকায় নাম রয়েছে ১০ জনের। এরা হলেন ফারজানা চৌধুরী, ইয়ান উইলকক, খুরশিদা চৌধুরী, এম সাজ্জাদ আলম, মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ ইলিয়াস বজলুর রহমান, নাসির উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম আনু মিয়া, সামিরা আহমেদ ও তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী।

নিজ নামে ছয়টি করে ফ্ল্যাট ও প্রপার্টি কেনার তালিকায় নাম আছে সাতজনের। তারা হলেন আবু ইউসুফ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, হুমাইরা সালিমুল হক এশা, মোহাম্মদ শফি আবদুল্লাহ নবী, মোহাম্মদ ওয়ালিউর রহমান, নাহিদ কোরেশি, সালিমুল হক এশা, সামিনা সালমান ও সৈয়দ সালমান মাসুদ।

নিজ নামে চারটি করে ফ্ল্যাট ও প্রপার্টি কেনার তালিকায় নাম আছে ৩৭ জনের। তারা হলেন আহমেদ ইমরান চৌধুরী, আহমেদ ইফজাল চৌধুরী, আলহাজ মিজানুর রহমান, আনজুমান আরা শহিদ, আনোয়ারা বেগম, আজিজ আল মাহমুদ, আজিজ আল মাসুদ, বিলকিস ইকবাল দাদা, চৌধুরী হাসান মাহমুদ, দেওয়ান শাজেদুর রহমান, ফারহানা মুনেম, ফাতিমা বেগম কামাল, গুলজার আলম চৌধুরী, হাসান আশিক তৈমুর ইসলাম, হাসান রেজা মাহমুদুল ইসলাম, ইফতেখার রানা, জুরন চন্দ্র ভৌমিক, খালেদ মাহমুদ, এমডি আবদুস সালাম, এমডি আবুল কালাম আরশাদ আলী, এমডি ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, এমডি রাব্বি খান, এমডি সেলিম রেজা, মো. মিজানুর রহমান ভুইয়া, মোহাম্মদ আল রুমান খান, মোহাম্মদ মইন উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ মিরাজ মাহমুদ, মোহাম্মদ নাজির আহমেদ, মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান, মশিউর রহমান ভুইয়া, মোস্তফা আমির, মোস্তফা জামাল নাসের, এস ইউ আহমেদ, সৈয়দ মাহমুদুল হক ও সৈয়দ সামিউল হক। এর বাইরে তিনটি, দুটি ও একটি করে ফ্ল্যাট, ভিলাবাড়িসহ বিভিন্ন প্রপার্টি কেনার তালিকায় নাম রয়েছে আরো অনেকের।

কানাডা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরেও পাচারের টাকা-

সামিট গ্রুপের মালিক মুহাম্মদ আজিজ খান এখন শুধু বাংলাদেশের ধনী হিসেবেই নন, তিনি এখন সিঙ্গাপুরেরও অন্যতম সেরা ধনী। বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বসের তথ্য মতে, আজিজ খান ১.১২ বিলিয়ন ডলারের মালিক হয়ে সিঙ্গাপুরের ৪১তম শীর্ষ ধনীর তালিকায় নাম লেখান। অথচ এই টাকা তিনি বাংলাদেশ থেকে কোনো বৈধ উপায়ে নিয়েছেন বলে কোনো তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নেই। বরং এ পর্যন্ত দেশের ২০টি প্রতিষ্ঠানের ২৪টি ভেঞ্চারকে সর্বসাকল্যে ৬৯.৫ মিলিয়ন বা প্রায় সাত কোটি ডলার বিদেশে বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাহলে এত বিপুল অঙ্কের টাকা তিনি কিভাবে সিঙ্গাপুরে নিয়ে শীর্ষ ধনী হলেন, এখন এই প্রশ্ন উঠেছে।

আওয়ামী লীগ নেতা মো. আবদুস সোবহান গোলাপের নিউইয়র্কে ৯টি বাড়ি, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের বেলজিয়ামে বাড়িসহ বিভিন্ন সম্পদ থাকার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের স্ত্রী শামীমা সুলতানা জান্নাতীর নামে কানাডার টরন্টোর স্কারবোরোতে বাড়ি, সোনালী ব্যাংকের আলোচিত ঋণখেলাপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হান্নান রতনের কানাডায় তিনটি বাড়ি, সাদ মুসা গ্রুপের মুহাম্মদ মোহসিনের যুক্তরাষ্ট্রে বাড়িসহ সম্পদের তথ্য বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে এসেছে। এ ছাড়া সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, ডিবির সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদসহ অনেকের বিদেশে সম্পদ থাকার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

ক্যাসিনোকাণ্ড ফাঁসের পর বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ টাকা পাচারের বিষয়ে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের কাছে আইনি সহায়তা চেয়েও সাড়া মেলেনি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জাপান বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রিন্টিংয়ের পরিচালক সেলিম প্রধানের ১২ কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়ার চার কোটি ৩৪ লাখ টাকা, বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের তিন কোটি টাকা এবং মমিনুল হক সাঈদের চার কোটি ৪৭ লাখ টাকা পাচারের বিষয়ে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার কাছে আইনি সহায়তা চাওয়া হয়। এসব সহায়তায়ও সাড়া মেলেনি বলে জানা গেছে।

ব্যাংকার, বিশ্লেষক ও অর্থনীতিবিদরা কী বলছেন? 

টাকা পাচারের কারণ এবং তা ফেরানোর বিষয়ে ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক এমডি ও বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক মঈনুদ্দীন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘টাকা পাচারের একটা বড় কারণ হলো ব্যাংকের কমপ্লায়েন্ট না হওয়া। যেসব ব্যাংক কমপ্লায়েন্ট, তাদের মাধ্যমে পাচার হওয়া কঠিন। কমপ্লায়েন্ট ব্যাংকগুলো আমদানির ক্ষেত্রে যেসব সংবেদনশীল সফটওয়্যার ব্যবহার করে, তাতে আন্ডার ও ওভার ইনভয়েসিং কঠোরভাবে নজরদারি করা হয়। যেসব ব্যাংক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সহায়তা করেছে, ওই সব ব্যাংকের মাধ্যমেই পাচারটা বেশি হয়েছে বলে মনে হয়। আর পাচারের টাকা ফেরাতে আইনি পদক্ষেপ তো নিতেই হবে। তার পাশাপাশি ব্যক্তি ও কূটনৈতিক চ্যানেলে যোগাযোগ বাড়িয়ে করা যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকের সঙ্গেই বহির্বিশ্বে ভালো যোগাযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে টাকা ফেরানো যেতে পারে।’

বিশ্বব্যাংকের সাবেক অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা সংস্থা পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. মাশরুর রিয়াজ বলেন, টাকা পাচার হয়েছে—এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। মূলত টাকাটা পাচার হয়েছে যে ব্যাংকগুলো রাজনৈতিক প্রভাববলয়ে ছিল, তাদের মাধ্যমে। ওই সব ব্যাংকের ঋণ নিয়ে তা মেরে দিয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে গত ১০ বছরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ও কেনাকাটায় দুর্নীতির বিষয়টি। শুধু মেগাপ্রকল্পেই নয়, ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে ১০০ বা ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পেও। এই টাকাগুলোই মূলত পাচার হয়েছে। 

তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েই এ ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। টাকা কবে ফেরত আসবে, সেটা পরের কথা। তবে তারা এখন পর্যন্ত যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, আমি মনে করি, তা ঠিক পথেই আছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বে একটা ভালো তদারকি দেখা যাচ্ছে। বিদেশি সহযোগী ও সরকারের সঙ্গেও কথা বলছে। তবে টাকা কবে ফেরত আসবে, এটা এখনই বলা মুশকিল।

সূত্র- কালের কণ্ঠ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা পেলেন কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা পেলেন কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী
গণসংহতি আন্দোলন ও জাতীয় কবিতা পরিষদের মতবিনিময়
গণসংহতি আন্দোলন ও জাতীয় কবিতা পরিষদের মতবিনিময়
হাওর মহাপরিকল্পনার খসড়া মূল্যায়ন ও হালনাগাদকরণে মতামত আহ্বান
হাওর মহাপরিকল্পনার খসড়া মূল্যায়ন ও হালনাগাদকরণে মতামত আহ্বান
সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ১৫১৫
সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ১৫১৫
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সমস্যা হতে যাচ্ছে রোহিঙ্গা সংকট : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সমস্যা হতে যাচ্ছে রোহিঙ্গা সংকট : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৬ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়