শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ আগস্ট, ২০১৫

আগাম নির্বাচন হলেও এই বিএনপি কি পারবে?

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
আগাম নির্বাচন হলেও এই বিএনপি কি পারবে?

দেশে মধ্যবর্তী বা আগাম নির্বাচন নিয়ে বেশ কথাবার্তা হচ্ছে। বিএনপির এই দাবিটি পুরনোও, দশম সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই তারা এ দাবি করে আসছে। শাসক লীগ পৌনঃপুনিকভাবে বিএনপির দাবি নাকচ করে এলেও এখন তারা এ ব্যাপারে মন্তব্য প্রদানে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করছেন বলে মনে হয়। বাইরের গণতান্ত্রিক দুনিয়ার মনোভাবও আমরা জানি। তারা প্রায় সবাই সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে বাংলাদেশে দ্রুত একটি অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে প্রকাশ্যেই তাদের মনোভাব ব্যক্ত করছে। সম্প্রতি মনে হচ্ছে, দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে পর্দার আড়ালে কিছু কথাবার্তাও হচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক বেসরকারি গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান স্ট্র্যাটফোরের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, '২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসের নির্বাচনের পর থেকে সহিংসতায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশ। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা তত্ত্বাবধায়কের দাবি থেকে সরে আসবেন। তবে দলটি নতুন একটি নির্বাচন চায়। অনড় অবস্থান থেকে খালেদা জিয়ার সরে আসার ফলে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে সমঝোতার। সামনের সপ্তাহ, মাসগুলোতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে পর্দার অন্তরালে নতুন করে সমঝোতা আলোচনা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে'।

গণতান্ত্রিক রাজনীতি হচ্ছে সমঝোতার ও বোঝাপড়ার রাজনীতি; তবে কোনো অবস্থায়ই 'ভাগাভাগির' রাজনীতি নয়। আবার সমঝোতা ও বোঝাপড়ার মানে একজনের কাছে অপরজনের আত্দসমর্পণও নয়। সবলের কাছে দুর্বলের মাথানত করতে বাধ্য হওয়া তো নয়ই। এই রাজনীতির সারমর্ম হচ্ছে, আমি আমার চিন্তা ও বিশ্বাসের অবস্থান থেকে আমার নীতি-আদর্শের কথা বলব, আমার কর্মপরিকল্পনার কথা বলব, আপনি আপনারটা বলবেন। কেউ কাউকে বাধা দেব না। জনগণ যেটা সত্য বলে রায় দেবে তা মাথা পেতে নেব দুজন। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, গণতন্ত্রের মৌলিক এ বিষয়টি বাংলাদেশে অবহেলিত। দেশে গণতান্ত্রিক সহনশীলতার অনুপস্থিতিই হিংসা আর হানাহানির রাজনীতিকে উসকে দিচ্ছে। অথচ এ ভূখণ্ডে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বা অর্জনের দীর্ঘ সংগ্রামে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে ভিন্নমতাবলম্বী গণতান্ত্রিক দল ও শক্তিসমূহের মধ্যে হানাহানির পরিবর্তে পারস্পরিক সমঝোতা ও বোঝাপড়ার বহু উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে।

'৭০-এর ঐতিহাসিক নির্বাচনেও সমঝোতা ও বোঝাপড়ার এক দুর্লভ রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমরা লক্ষ্য করেছি। সমঝোতা ও বোঝাপড়াটা ছিল এমন যে, সব বাঙালির ভোট এক বাঙ্ েআসতে হবে, গণরায়ে বাঙালির অভিন্ন আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হতে হবে, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে সংসদীয় দলের নেতৃত্ব বাঙালির হাতে আনতে হবে। তার ভিত্তিতেই মওলানা ভাসানী নির্বাচন বর্জন করলেন। স্লোগান দিলেন- 'ভোটের আগে ভাত চাই'। আওয়ামী লীগের 'মাথা মোটা' কিছু নেতা মওলানা ভাসানীর সেই নির্বাচন বর্জন নিয়ে এখনো হাস্যকর কিছু কথা বলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বিষয়ে কখনো একটা টুঁ শব্দও করেননি নির্বাচনের পর। মওলানা ভাসানী ওইভাবে নির্বাচন বর্জন না করলে তার দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) কমপক্ষে ১০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত। ভোটপাগলদের থামানো যেত না। তখন ধারণা ছিল, ১২ থেকে ১৫ জন জিততে পারলেও কমপক্ষে আরও ৪০টি আসনে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পক্ষের বাঙালির ভোট ভাগ হতো এবং মুসলিম লীগ পূর্ব পাকিস্তানে কিছু আসন পেয়ে যেত। তাহলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারত। তাহলে রাজনীতির দৃশ্যপটও পাল্টে যেত। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে পরে; কিন্তু তার আগেই আমরা মতাদর্শগত লড়াইয়ে এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামে পাকিস্তানিদের চরমভাবে হারিয়ে দিয়েছি। গণতন্ত্রের শর্ত পূরণে পাকিস্তানিদের বাধ্য করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছেন গণতান্ত্রিক পন্থায়। ১৯৭১ সালের ২২ মার্চ পর্যন্ত তিনি ইয়াহিয়া-ভুট্টোর সঙ্গে সংলাপ করেছেন। বাইরে মওলানা ভাসানী এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক শক্তি তাকে শক্তি জুুগিয়েছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে হোক আর আলোচনা ছাড়াই হোক, 'কমন গোল' বা একই লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে সমঝোতা ও বোঝাপড়া এভাবেই হয়ে যায়, হতে হয়। না হলে যে বিপদ আসে, তা একজনের জন্য আসে না।

বাংলাদেশে এখন যে সংকট চলছে, অবশ্যই তা গণতন্ত্রের সংকট। ক্ষমতার লড়াই গণতন্ত্রের এ সংকটকে অতিশয় তীব্র করে তুলেছে। নির্বাচনমুখী গণতান্ত্রিক শাসনে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জন্য প্রতিপক্ষ-প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকবেই। রায় দেবে জনগণ। জনগণের রায়ের প্রতি যেমন সম্মান দেখাতে হবে, একইভাবে জনগণ যাতে নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে তাদের রায় ঘোষণা করতে পারে, অর্থাৎ তাদের ভোটাধিকার যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারে তার নিশ্চয়তাও অবশ্যই থাকতে হবে। জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয় রাষ্ট্রশাসন বা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব জনগণ কাকে দিল। এ বিষয়টি নিয়েই দেশে রাজনৈতিক বিরোধ এখন তুঙ্গে। পৃথিবীর গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে অথবা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে বিদায়ী সরকারই নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। তবে কিছু রুটিন কাজের মধ্যেই তাদের দায়িত্ব পালন সীমাবদ্ধ থাকে। সে ব্যবস্থাটা আমাদের দেশেও ছিল। '৭৫-পরবর্তীকালের শাসকরা '৯১-পূর্ব পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা অনুসরণ করলেও ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনেই দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে পঞ্চম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও তা ছিল সাংবিধানিক নিয়ম অনুসরণ করে। এরপর সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনেই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ততক্ষণে আমাদের রাজনৈতিক নেতারা একের প্রতি অপরে বিশ্বাস হারান। বিশেষ করে ১৯৯৪ সালের ২০ মার্চ মাগুরা-২ আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার এমন ন্যক্কারজনকভাবে কারচুপি করে যে, ক্ষমতাসীনদের ওপর বিরোধী দলের সন্দেহ-অবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। জোর আওয়াজ ওঠে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টি খালেদা জিয়ার সরকারকে তত্ত্বাবধায়কের দাবি মানতে বাধ্য করে। সপ্তম, অষ্টম এবং নবম সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক বা কেয়ারটেকার সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত ড. ফখরুদ্দীন (মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকার নামেই সমধিক পরিচিত) সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে 'অবিশ্বাস্য' ফল করে ক্ষমতায় আসা মহাজোট সরকার ২০১১ সালে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি বাতিল করে দেয়। সর্বদলীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রায় একদলীয় সিদ্ধান্তে বাতিল করে দেওয়া গণতন্ত্রে নজিরবিহীন। আবারও তুমুল বিরোধের সূত্রপাত। বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বে ১৮-দলীয় জোট নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়ে দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের একটা সম্মানজনক সুযোগ বিরোধী দলের জন্য সৃষ্টি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন একটি সর্বদলীয় সরকার গঠনের ঘোষণা দেন এবং বিএনপিকে পছন্দনীয় মন্ত্রণালয় বেছে নেওয়ারও অফার দেন। খালেদা জিয়া সে প্রস্তাবে কেন রাজি হননি, তিনিই জানেন। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, সেটি তার ভুল সিদ্ধান্ত ছিল এবং অনেকে মনে করেন, সে সিদ্ধান্ত ছিল জামায়াত প্রভাবিত। জামায়াতের বর্তমান লক্ষ্য তো কারও অজানা নয়। ভুল সরকারও করেছে, অনেক বড় ভুল। সংবিধানে (৬৫/২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ গঠিত হওয়ার নির্দেশ থাকলেও ৩০০ আসনের সংসদে ১৫৩ আসনে কোনো নির্বাচনই করেনি তারা। বলা হয়েছে, সমঝোতার মাধ্যমে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এ সমঝোতা, বোঝাপড়া গণতন্ত্রের নয়; ভাগাভাগির। ভাগাভাগির এমন বিচিত্র সমঝোতা গণতন্ত্র অনুমোদন করে না।

এটা অবশ্যই সবার স্বীকার করা উচিত যে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনটি কোনো বিবেচনায়ই আদর্শ নির্বাচন ছিল না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরো-আমেরিকান বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ, এমনকি জাতিসংঘ এ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলে বিবেচনা করেনি, এখনো করে না। মাঝে মাঝে তারা বাংলাদেশে আলোচনা এবং সমঝোতার মাধ্যমে দ্রুত একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছে। কিন্তু সরকার তার অবস্থানে অনড়ই আছে। গত জুন মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে উপলক্ষ করে বিএনপি তার গুরুত্বপূর্ণ দুটি রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করেছে বলে স্পষ্ট হয়েছে। দুটি অবস্থানই নীতিগত। এক. ভারতনীতি, দুই. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নীতি। ভারতনীতির পরিবর্তনের কথা খালেদা জিয়া তার সর্বশেষ ভারত সফরকালেও একবার পরিষ্কার করেছিলেন। দশম সংসদ নির্বাচনে ভারতের কংগ্রেস সরকারের অনেকটা প্রকাশ্যেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষে অবস্থান বিএনপির মনোভাব বিগড়ে দেয়। ভারতের সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের লজ্জাজনক ভরাডুবিতে বিএনপি আবার উৎফুল্ল হয় এবং বিজয়ী দল বিজেপির সঙ্গে দৃঢ় একটা সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে আবারও খালেদা জিয়া ভারতনীতিতে পরিবর্তনের কথা স্পষ্ট করেন। বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি, প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে খালেদা জিয়ার দলের সমর্থনও যে জরুরি তা না বোঝার মতো নাদান নন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এক হাতে যে তালি বাজে না তাও তিনি জানেন। বিএনপির প্রার্থনা তো একটি আগাম বা মধ্যবর্তী নির্বাচন, যা হবে সবার অংশগ্রহণমূলক। নির্বাচনমুখী গণতন্ত্রের দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে তেমন একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দাবির বিরোধিতা করার বোকামি কি করতে পারেন? আওয়ামী লীগের ওপর এ ব্যাপারে একটা মনস্তাত্ত্বিক চাপ বোধহয় সৃষ্টি হয়ে আছে। সম্প্রতি খালেদা জিয়া তার দ্বিতীয় নীতিগত অবস্থান পরিবর্তন করে লীগ সরকারকে আরও একটু চাপের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। এতদিন লড়েছেন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে। সম্প্রতি তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, 'আমি বলছি না যে, তত্ত্বাবধায়কই হতে হবে'। বিষয়টি একেবারেই পরিষ্কার। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও নিরপেক্ষ হতে পারে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য আবারও একটি সর্বদলীয় সরকার হতে পারে নির্বাচনকালে। খালেদা জিয়ার এ প্রস্তাব গণতান্ত্রিক সমঝোতা ও বোঝাপড়ার প্রস্তাব। সর্বত্র একটা ধারণার সৃষ্টি হয়েছে যে, উভয় পক্ষের মধ্যে একটা অদৃশ্য সমঝোতারই বোধহয় ফল এটা। সরকারের ভয় তো হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তারা ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারবেন না বলে সহসা কোনো নির্বাচনের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। ভয় পাচ্ছেন! তত্ত্বাবধায়ক না হলে বিপদটা তেমন নাও থাকতে পারে।

সরকারের প্রতিক্রিয়াটা ইদানীং সহনশীলই মনে হচ্ছে। শাসক লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্প্রতি দলে ও সরকারে অধিকতর শক্তিশালী হিসেবে আবিভর্ূত হয়েছেন। অতি সম্প্রতি ক্ষমতার লড়াইয়ে তার স্পষ্ট বিজয় তাই প্রমাণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বোঝাপড়াটা মনে হয় আরও দৃঢ় হয়েছে। এখন তার কথা দলের নীতিগত কথা বলেই ধরে নেওয়া যায়। তিনি প্রথমে বেগম জিয়ার বক্তব্যে কিছুটা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানালেও সর্বশেষ তিনি বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী চাইলে যে কোনো সময় একটা নির্বাচন হতেই পারে।' আমাদের সংবিধানেও বিষয়টি পরিষ্কার। ধারণা করা যায়, সরকার ও সরকারি দল যে কোনো সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। তাছাড়া আওয়ামী লীগ তো একটা গোছানো দলও বটে। কিন্তু বিএনপির আশা যদি পূরণ হয়, অর্থাৎ একটি আগাম বা মধ্যবর্তী নির্বাচন যদি হয়ও, দলটি কি এ মুহূর্তে সেই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত? দলের প্রতি জনসমর্থন থাকলেও তা ক্যাশ করার মতো সংগঠন কই তাদের? কর্মচারী দিয়ে চালাতে গিয়ে ইতিমধ্যে দলের বারোটা বাজানো হয়েছে। গুলশান অফিসের কর্মচারীদের চেনে না কে? এরা কবে থেকে বিএনপির লোক হয়েছে এ নিয়ে প্রশ্ন আছে দলে। দলের প্রতি এদের আনুগত্যও প্রশ্নাতীত নয়। বিএনপির অকৃত্রিম নেতা-কর্মী-সংগঠকদের মূল্য দিয়ে, আওয়ামী লীগের মতো দলের পুনঃএকত্রীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে বিএনপিকে এবং তা অতি দ্রুত। নেতৃত্বের বিষয়টিও ভাবতে হবে। বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের সংকট মাথায় রেখে নতুন যৌথ নেতৃত্ব কাঠামো গড়ে তোলার কথাও ভাবতে হবে। মনে রাখতে হবে, ভারতে নেহেরু-ইন্দিরা আবেগ এবারের নির্বাচনে কাজে লাগাতে পারেননি সোনিয়া-রাহুল। রাহুল-উপদ্রব নাকি আরও ডুবিয়েছে কংগ্রেসকে। অপরদিকে যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী করে একটি কমিটেড যৌথ-নেতৃত্বই বিজেপিকে সাফল্য এনে দিয়েছে। বিএনপির প্রকৃত অনুসারীদের এসব সাত-পাঁচ সব ভেবে দলে নবজাগরণ সৃষ্টির জন্য চাপ প্রয়োগ করতে হবে। সাফল্য চাইলে এর কোনো বিকল্প নেই।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।

ই-মেইল : [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়