শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:১১, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৫

নির্বাচন কি আন্দোলনের অংশ?

ডক্টর তুহিন মালিক
অনলাইন ভার্সন
নির্বাচন কি আন্দোলনের অংশ?

এক. দীর্ঘদিন ধরে স্বাভাবিক রাজনীতি করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত বিএনপি নেতারা দাবি করছেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবেই তারা এবার পৌর নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। অন্যদিকে সরকারি দল দাবি করছে, বিএনপি বর্তমান সরকারকে অবৈধ বললেও তাদের অধীনেই আবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু বিএনপি ইতিপূর্বে দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিলেও সব স্থানীয় সরকারের নির্বাচনেই অংশ নিয়েছে। কারণ স্থানীয় সরকার নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ কোনো সরকারের অধীনে হওয়ার কোনো সুযোগই থাকে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি চালু থাকা অবস্থাতেও সব দলীয় সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বিএনপি এ ক্ষেত্রে তার কৌশল থেকে এবারও সরে আসেনি। তা ছাড়া স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক কারচুপি হলেও বিএনপি কিন্তু প্রথম দিকে বেশ সফলতাও পেয়েছিল। তাই এবার এই কৌশলের সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতাদের নির্বাচনী মাঠে অবাধ বিচরণের ক্ষেত্রটা পেয়ে গিয়ে বিএনপি এটাকে আন্দোলনের অংশ বলেও দাবি করছে। এতে কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি দল গোছানোর সুযোগকেও তারা হয়তো হাতছাড়া করতে চাইছে না। বিএনপি হয়তো মনে করছে, সরকারের স্বৈরশাসনে এমনিতেই দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। এ অবস্থায় যে কোনো নির্বাচনেই জনগণ স্বাধীনভাবে ভোটদানের সুযোগ পেলে সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেবে। আর এতেই কাজ হয়ে যাবে নিশ্চিতভাবেই। কারণ পৌর নির্বাচনের মতো স্থানীয়ভাবে একে অন্যকে চেনাজানার এরকম নির্বাচনে সরকার জোর করে কারচুপি করলে তৃণমূলের জনমত আরও ব্যাপকভাবে সরকারের বিরুদ্ধে চলে যাবে। এতে নতুন করে গণআন্দোলনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে বিএনপি এ সুযোগটিকে কাজে লাগাতে পারবে কিনা সেটাও কিন্তু কোটি টাকার প্রশ্ন বটে। 

দুই. আসলে পৌর নির্বাচনের হার-জিত, দুটোতেই বিএনপির লাভ। জিতলে প্রমাণ হবে তাদের প্রবল জনসমর্থনের। আর হারলে প্রমাণ হবে আওয়ামী আমলে কোনোভাবেই নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। দুই ক্ষেত্রেই আন্দোলন করার প্রেক্ষিত তৈরি করা সম্ভব হবে। সে কারণেই হয়তো বিএনপি প্রথমে বিরোধিতা করলেও পরে নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নেয়। সরকার চেয়েছিল ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো এবারও বিএনপি যাতে নির্বাচনে না আসে। কিন্তু রাজনীতির পাশা খেলায় লাভ বিএনপিরই হয়েছে বেশি। খুন-গুম-হামলা-হামলায় বিপর্যস্ত নেতা-কর্মীরা, এ সুযোগে ঘুরে দাঁড়ানোর একটা মহাসুযোগই পেয়ে গেল। বিএনপি জানে, এ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে কিছুই নেই। কারণ গত নভেম্বর মাসের ৫ তারিখ থেকে বিএনপি-জামায়াতের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ৩২ জেলায় র‌্যাব-পুলিশ-বিজিবি দিয়ে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিএনপি-জামায়াতের হাজারও নেতা-কর্মীকে গণগ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ যেন প্রকাশ্যেই ‘ডেথ ওয়ারেন্ট’ নিয়ে তাড়া করছে তাদের। আবার জামিনে মুক্তি মিললেও কারাফটক থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সরকার গণগ্রেফতারের পাশাপাশি গণহারে বিরোধী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চার্জশিট দিয়ে এলাকাছাড়া করে রেখেছে। বাড়িতে বাড়িতে চলছে পুলিশি অভিযান। তবে বিএনপির প্রার্থীদের গ্রেফতার থেকে রক্ষা, তাদের জামিনের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং পলাতকদের প্রকাশ্যে এসে ভোট চাওয়ার মতো কোনো কিছুর ব্যবস্থা যে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় তা যেন বর্তমান ইসির কাছে একটা মামাবাড়ির আবদারের মতো মনে হচ্ছে। এদিকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেও নির্বাচন কমিশন মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে এবার প্রকাশ্যই পিছু হটল। ইসি সিদ্ধান্ত নিয়ে জানায়, এখন থেকে তারা আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবে না। এটা তারা সুকৌশলে রিটার্নিং অফিসারদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনেই যদি ইসির এরকম দুরবস্থা হয় তবে জাতীয় নির্বাচনে তো তাদের আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না! সাংবিধানিক পদে বসে যদি মেরুদণ্ডহীনতা রোগে ভুগতেই হয়, তাহলে তো তাদের ইস্তফা দিয়ে হাসপাতালে গিয়ে সুচিকিৎসা নেওয়াটাই বেশি জরুরি!

তিন. এদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও কিন্তু রাজনৈতিক কূটচালে পিছিয়ে নেই। গত বৃহস্পতিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় জানানো হয়, সরকারের চাপে জামায়াত নেতারা পৌর নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি আশঙ্কা করছে, এ কারণে বেশকিছু পৌরসভায় জামায়াতের প্রার্থীদের বসিয়ে দেওয়া সম্ভব না-ও হতে পারে। যে ৩৫টি আসনে বিএনপি সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে সেগুলোতেই জামায়াতের নেতারা সরকারের চাপে মেয়র পদে প্রার্থী হয়ে বসে আছে। আসলে আমাদের বৃহৎ দুটি রাজনৈতিক দলই তাদের প্রয়োজনে সব সময়ই জামায়াতকে ব্যবহার করে আসছে। তবে জামায়াত তার রাজনৈতিক ইতিহাসে আওয়ামী লীগকে ছেড়েই সবচেয়ে বেশি ভুল করেছে। ১৯৯৪ সালে বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আন্দোলন করা জামায়াত যদি নৌকার সহযাত্রী হয়ে থাকতে পারত তাহলে হয়তো তাদের এ দুর্দশাটা সহ্য করতে হতো না। আসলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রয়োজনেই জামায়াতকে তাদের টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন। জামায়াতের রাজনীতির অবসান হয়ে গেলে তো আওয়ামী লীগের রাজনীতিরও আর কোনো আবেদনই অবশিষ্ট থাকবে না। তাই এক জামায়াত বিলুপ্ত হলে আরও অনেক জামায়াতের সৃষ্টি করা হবে। কেননা নিরঙ্কুশ ক্ষমতা থাকতেও আওয়ামী লীগ কেন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করছে না? হাইকোর্টের রায়ের পর নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন হারিয়েও জামায়াত কীভাবে প্রকাশ্যে পৌর নির্বাচন করতে পারছে? দাঁড়িপাল্লাকে আটকানোর জন্যই কি শুধু মেয়র পদে দলীয়ভাবে নির্বাচনের আইন করে বাকি সব কাউন্সিলর নির্বাচনে স্বতন্ত্র ব্যবস্থাকে রাখা হলো? আর জামায়াত নাকি কোনো চাপেই নতি স্বীকার করে না, তাহলে সরকারের চাপে তারা প্রার্থী দিতে বাধ্য হচ্ছে কেন? বিএনপি কি তাহলে এতদিন পরে বুঝতে পেরেছে, জামায়াত হচ্ছে আওয়ামী লীগের দাবার ঘুঁটি?

চার. এবার আমাদের নির্বাচন কমিশন অদ্ভুত এক পদ্ধতিতে সারা দেশে পৌরসভা নির্বাচন করতে যাচ্ছে। একই নির্বাচনে মেয়ররা দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করবে। আর কাউন্সিলররা করবে স্বতন্ত্র প্রতীকে। পুরো বিশ্বে এটা একটা বিরল ঘটনা বটে। নির্বাচনী সভা-সমাবেশের ওপর আরোপ করা হয়েছে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার। এমনকি ঘরে বসেও কেউ সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো সভা করতে পারবে না। এটা তো দেখছি মার্শাল ল’ আমলকেও হার মানিয়ে দিয়েছে। জরুরি অবস্থার সময় দেশে জনসভা, শোভাযাত্রা, পথসভা বা ঘরোয়া মিটিং নিষিদ্ধ থাকে সত্য, কিন্তু এখন তো দেশে কোনো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়নি। তবে এখন কেন এগুলোর ওপর এত নিষেধাজ্ঞা আনা হচ্ছে? এ অবস্থায় নির্বাচনে আসা বিএনপি নেতা-কর্মীরা প্রকাশ্য প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবে কিনা তাও সন্দেহ আছে। ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ভাগ্যেই বা কি লেখা আছে কেবা জানে? কারণ গত উপজেলা ও সিটি নির্বাচনে বেশির ভাগ এলাকায় এজেন্টদের খুঁজেও পাওয়া যায়নি। আর এখন তো অবস্থা আরও ভয়াবহ। দলের প্রার্থী থেকে শুরু করে পোলিং ও নির্বাচনী এজেন্টরা অধিকাংশই এখন জেলের ভিতর। নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী-সমর্থকরাও শত শত মামলার আসামি। এলাকাতে ঢুকতেই সাহস করছে না মামলা খাওয়া পলাতক কর্মী-সমর্থকরা। তা ছাড়া প্রশাসনের পাশাপাশি সরকারদলীয় পাণ্ডারা সার্বক্ষণিক মনিটর করছে বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের। ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত নির্ভয়ে পৌঁছাতে পারাটাই বরং এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ বিএনপির জন্য। এ নির্বাচন কমিশন দিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাচন কিংবা ঢাকা সিটি নির্বাচনের কোনোটাতেই বর্তমান ইসি তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেনি। তাই আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনেও ইসি তাদের চিরাচরিত চরিত্রেই আবিভর্‚ত হবে নিশ্চিতভাবেই। তার প্রমাণ পৌর নির্বাচন সামান্য পেছানো থেকে শুরু করে বিএনপির কিছু পর্যবেক্ষণ ও দাবি নিরসনে বর্তমান ইসি কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার বিন্দুমাত্র চেষ্টাও করেনি।

পাঁচ. আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচনের বড় বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে বিজয়ীর নাম ভোটের আগেই জেনে যাওয়া। হোক না সেটা জাতীয় নির্বাচন কিংবা কোনো উপ-নির্বাচন। সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা কিংবা এমনকি নিজ দলের কাউন্সিলে পর্যন্ত আগেই বিজয়ীর নাম জানা হয়ে যায়। শুধু কি নির্বাচনে? দেশের যতসব পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও পরীক্ষার আগের রাতেই জানা হয়ে যায়। এমনকি কোর্ট-কাচারিতে মামলা-মোকাদ্দমায় পর্যন্ত মন্ত্রী-নেতারা বলে দিতে পারেন কে কে জেলে যাচ্ছেন, আর কার কি রায় হতে যাচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার অনেক আগেই সংখ্যাগরিষ্ঠ অর্জন করার মতো ১৫৩ আসনে ভোট ছাড়াই সরকার গঠিত হয়ে যায়। সরকারদলীয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ছাড়া বাকি সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের যতরকম কলাকৌশল আছে সবই প্রয়োগ করা হয় গণহারে। ফাঁকফোকর দিয়ে কোনোভাবে বিরোধীদলীয় কেউ পাস করে বসলে তার বিরুদ্ধে দেওয়া হয় নাশকতার শত মামলা। মামলার কারণে পদ থেকে বরখাস্ত হতে হয় দুই শতাধিক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে। শূন্য সেই চেয়ারে বসানো হয় নিজেদের পছন্দমতো লোকজনকে। তাই বিরোধী দলের কেউ এখন কোনো নির্বাচনে পাস করা মানেই হচ্ছে নিশ্চিতভাবে জেলজীবন আর পদ থেকে বরখাস্ত। তা ছাড়া নিজেদের সুবিধামতো যখন-তখন আইন করে যেভাবে খুশি নির্বাচন দেওয়ার সুযোগ তো রয়েছেই। সুবিধামতো না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায় যে কোনো নির্বাচন। তখন আর আইনের সময়সীমার সীমাবদ্ধতার প্রয়োজন পড়ে না। আবার বিরোধী পক্ষ নির্বাচনে আসার ঘোষণা দেওয়া মাত্রই দিনক্ষণ নড়চড় করা অসাধ্য হয়ে যায়। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার দোহাই দিয়ে নির্বাচন কমিশন তখন বীরপুরুষ সেজে বসে। অথচ এ বীরপুরুষরা আবার নির্বাচনের দিন মেরুদণ্ডহীন প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। তবে ৫% ভোটকে ৪০% বানিয়ে দেওয়ার মতো সক্ষমতাকে কিন্তু তারা ঠিকই ধরে রাখতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের যতরকম মেরুদণ্ডহীন উপাধিতে ভূষিত করুক না কেন, তাতে তাদের কোনো যায় আসে না। চেয়ার থেকে সোজা দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের কাছে প্রমাণ করা হয়, তাদের মেরুদণ্ডটা ঠিকই জায়গা মতো আছে। নিজের শরীরের মেরুদণ্ডকে নির্বাচন কমিশনের মেরুদণ্ড ভেবে তারা নিশ্চিতই থাকে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারুক আর না পারুক, তারা তাদের নিয়োগকর্তার কাছে সবসময়ই থাকে চরম অনুগত, বিশ্বস্ত ও চিরকৃতজ্ঞ। সে জন্য আমাদের জাতির জন্য প্রয়োজন একজন অকৃতজ্ঞ নির্বাচনের কমিশনের, যারা তার নিয়োগকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়ে প্রজাতন্ত্রের মালিকদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবেন।

লেখক : সুপ্রিমকোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ।

e-mail: [email protected].

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়