শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫

৩০ লাখ মানুষ অতি গরিব হতে যাচ্ছে

আবু তাহের খান
প্রিন্ট ভার্সন
৩০ লাখ মানুষ অতি গরিব হতে যাচ্ছে

‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ শীর্ষক বিশ্বব্যাংকের বহুল আলোচিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই মর্মে আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়েছে যে এ বছর বাংলাদেশে অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা গত বছরের ৭ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ এ সময়ে আরও প্রায় ৩০ লাখ মানুষ নতুন করে অতিদরিদ্র শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে এ সময়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থানকারী মানুষের সংখ্যা গত বছরের ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ২২ দশমিক ৯ শতাংশ হবে বলে ওই প্রতিবেদনে হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ এ বছর বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের তালিকায় আরও প্রায় ৫৩ লাখ নতুনভাবে যুক্ত হচ্ছে। এদিকে দেশে মূল্যস্ফীতির হার সামান্য ওঠানামার মধ্যে থাকলেও কিছুতেই তা সাধারণ সহনসীমার মধ্যে আসছে না। সর্বশেষ এপ্রিল মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ, যার মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির এ উচ্চধারা অব্যাহত থাকলে, যা থাকার আশঙ্কাই সর্বাধিক, মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা সহসাই এমন এক স্তরে গিয়ে পৌঁছে যেতে পারে, যা দেশে দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যাই শুধু বাড়াবে না-মধ্যম আয়গোষ্ঠীর মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনযাপনের অন্য সূচকগুলোকেও প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেবে। এর মধ্যে ব্যয় কাটছাঁট করার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে ন্যূনতম পুষ্টিস্তর রক্ষার বিষয়টি। এমনি পরিস্থিতিতে দারিদ্র্য পরিস্থিতির মোকাবিলায় অর্থাৎ এর অবনতি ঠেকানোর লক্ষ্যে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যদি জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তাহলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার দুই-ই স্থবিরতার মুখে পড়তে পারে। বিশ্বব্যাংক ইতোমধ্যে এ মর্মে প্রাক্কলন হাজির করেছে যে এ বছর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার হতে পারে মাত্র ৩ দশমিক ৩ শতাংশ এবং তা হলে সেটি হবে গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। উল্লেখ্য গত ২০ বছরের মধ্যে দেশে সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ, ২০১৯-২০ অর্থবছরে করোনাকালে। আর এরকম একটি অবস্থায় দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চাপ মোকাবিলায় সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার আওতায় কী ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, সেটি অনেক বড় আলোচনা। অতএব সে বিস্তৃত আলোচনায় না গিয়ে এখানে শুধু দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি যাতে পরবর্তী বছরগুলোত আর বৃদ্ধি না পায়, তার জন্য বিভিন্ন করণীয়ের অংশ হিসেবে ক্ষুদ্র, কুটির ও গ্রামীণ শিল্পের উন্নয়নে কী কী করা যায়, তা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো।

দারিদ্র্য প্রশমনে ক্ষুদ্র, কুটির ও গ্রামীণ শিল্পের উন্নয়নকে কৌশল হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোড়াতেই যে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা দরকার, সেগুলো হচ্ছে : এক. শিল্পনীতিতে দেওয়া সংজ্ঞা অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সর্বোচ্চ বিনিয়োগসীমা হচ্ছে যথাক্রমে ১৫ কোটি ও ১০ লাখ টাকা। ফলে ক্ষুদ্র শিল্পকে সাধারণভাবে যত ক্ষুদ্র ভাবা হয়, আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞায় সেটি আসলে তত ক্ষুদ্র নয়-এর চেয়ে অনেক বড়। দুই. কুটির শিল্পের একটি বড় অংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত হলেও ক্ষুদ্র শিল্পের প্রায় সবই এখন পর্যন্ত শহর বা আধা-শহরাঞ্চলে অবস্থিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ক্ষুদ্র শিল্প এখন একইভাবে গ্রামাঞ্চলেও স্থাপন করা সম্ভব। তিন. কুটির শিল্প পৃথিবীজুড়েই মূলত ব্যক্তিগত নৈপুণ্যভিত্তিক শিল্প। ফলে এ শিল্পে কর্মসংস্থানের হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি এবং ক্ষুদ্র শিল্পেও এ হার যথেষ্ট উচ্চবর্তী। চার. শিল্পনীতির সংজ্ঞায় ‘গ্রামীণ শিল্প’ বলতে আলাদা কোনো শিল্প নেই বিধায় বিনিয়োগসীমা নির্বিশেষে গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত যে কোনো শিল্পই হচ্ছে গ্রামীণ শিল্প। এবং পাঁচ. কুটির শিল্পের উদ্যোক্তাগণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজেই নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও কারিগর। ফলে এ শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে খুব স্বাভাবিকভাবেই একধরনের বাড়তি মমতা ও অঙ্গীকারাবদ্ধতা যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে, যেটি এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের একটি বড় শক্তি। তো, এ রকম একটি পটভূমিতে দারিদ্র্য বিমোচন ও নয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পক্ষে অবদান রাখার বিপুল সুযোগ রয়েছে বলাটাই শুধু যথেষ্ট নয়। বরং বলা প্রয়োজন যে এ কাজের জন্য এরচেয়ে বেশি সুযোগ এই মুহূর্তে আর কোনো খাতেই নেই। ফলে এ খাতের বিকাশকে কীভাবে আরও ত্বরান্বিত করা যাবে এবং সেটিকে কীভাবে আরও অধিক গুণগত মানসম্পন্ন ও প্রতিযোগিতা-সক্ষম হিসেবে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে একই সঙ্গে নীতিনির্ধারণী ও বাস্তবায়ন উভয় পর্যায় মিলে সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করাটা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করি। আর সে লক্ষ্যে এ ক্ষেত্রে আশু ব্যবস্থা গ্রহণার্থে কতিপয় প্রস্তাব কর্তৃপক্ষীয় বিবেচনার জন্য নিচে তুলে ধরা হলো।

এক. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক), মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) প্রভৃতি যেসব প্রতিষ্ঠানের মাঠপর্যায়ে বিস্তৃততর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে, তাদের উচিত হবে গ্রামের শিক্ষিত তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের উদ্যোক্তাবৃত্তিতে উৎসাহিত করা এবং এর ধারাবাহিকতায় তাদের জন্য উদ্যোক্তা উন্নয়নসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা।

দুই. ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তাদের শর্ত দেওয়া আছে যে তাদের বিনিয়োগযোগ্য ঋণ তহবিলের একটি ন্যূনতম অংশ কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে বিতরণ করতে হবে এবং গ্রামাঞ্চলে শাখা বাড়াতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এ শর্ত বা নির্দেশনা প্রতিপালনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো অনেকটাই পিছিয়ে আছে। এমতাবস্থায় দেশে বিরাজমান নাজুক দারিদ্র্য পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এ বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর প্রতি জরুরি ভিত্তিতে একটি তাগিদপত্র জারি করে, তাহলে সিএমএসএমই খাতে ঋণপ্রবাহ কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পাবে। আর এ ব্যাপারে বিসিকের উচিত হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে উল্লিখিত কাজটি দ্রুত করিয়ে নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে চলা ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা প্রদান করা। তিন. বিসিক, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বিআরডিবি প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের আওতায় বর্তমানে নারী উন্নয়নের জন্য যেসব কার্যক্রম ও কর্মসূচি চালু আছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত হবে সেগুলোকে যতটা সম্ভব গ্রামমুখী করে তোলা এবং গ্রামের নারী কারুশিল্পী, কারিগর ও কর্মীদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রণোদনা দিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করা।

চার. সৃজনশীল নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সম্প্রতি  ৯০০ কোটি টাকার যে উদ্যোক্তা তহবিল (স্টার্টআপ ফান্ড) গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেটির উপকার যাতে শহুরে উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি গ্রামীণ উদ্যোক্তারাও পান, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

পাঁচ. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতে নতুন উদ্যোক্তা অনুসন্ধান ও বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সেবা খাতের পরিবর্তে উৎপাদনমূলক শিল্প প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কারণ সেখানে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের হার দুই-ই বেশি। আর এ দুটি বিষয়ে এগিয়ে থাকতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই তা দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে সহায়ক হবে। মোটকথা উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে প্রত্যক্ষ অবদান রাখা-এ উভয় বিবেচনা থেকেই সেবা খাতের বিপরীতে উৎপাদন খাতকে এগিয়ে রাখতে হবে।

ছয়. উপরোল্লিখিত পাঁচ ধরনের বিশেষায়িত উদ্যোগের বাইরে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রমগুলোকেও এখন থেকে আরও জোরদার করতে হবে এবং সে ক্ষেত্রে সিএমএসএমই খাতে নিকট ভবিষ্যতে গড়ে উঠতে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলো যাতে উৎপাদনশীলতার সঙ্গে আপস না করেও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, সেদিকটির প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। বাংলাদেশের যে ২০ শতাংশ বা নতুন হিসাব অনুযায়ী ২২ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ বর্তমানে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে, তাদের প্রত্যেকের জীবনে দারিদ্র্যের বয়সকাল তাদের স্ব-স্ব বয়সের সমান। অর্থাৎ তারা সবাই জন্মের প্রথম দিন থেকেই এ দারিদ্র্যের সঙ্গে বসবাস করে আসছে। সেই সুবাদে দারিদ্র্য তাদের কাছে একটি অতিপরিচিত বিষয়। ফলে বিষয়টি কষ্টের হলেও এ ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে এক ধরনের অভ্যস্ততা গড়ে উঠেছে। কিন্তু এ বছর নতুন করে যে ৫৩ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাবে, তারা কেউই -ইতোপূর্বেকার কষ্টকর জীবনের সঙ্গে অভ্যস্ত ছিল না। ফলে বিষয়টি তাদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করার পাশাপাশি তা বড় ধরনের নতুন সামাজিক অসন্তুষ্টিরও কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমতাবস্থায় দারিদ্র্যবিমোচনের বৃহত্তর স্বার্থে এবং শেষোক্ত সামাজিক অসন্তুষ্টির ঝুঁকি এড়ানোর লক্ষ্যে দেশে এই মুহূর্তে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রহণের কোনোই বিকল্প নেই এবং সে ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র,  কুটির ও গ্রামীণ শিল্পই হচ্ছে উত্তমতম বিকল্প।

লেখক : সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) শিল্প মন্ত্রণালয়

এই বিভাগের আরও খবর
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
প্রাথমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যাংক লুটপাট
ব্যাংক লুটপাট
সর্বশেষ খবর
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২৫ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

১২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন