শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:৫৩, সোমবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২২ আপডেট:

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশ পেলো হৃদস্পন্দন

ড. প্রভাষ কুমার কর্মকার
অনলাইন ভার্সন
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশ পেলো হৃদস্পন্দন

বিশ্ববাসীর কাছে আজ এক অবাক বিস্ময়ের নাম সার্বভৌম বাংলাদেশ-যে দেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ছিলো শুধুই কষ্ট আর বেদনার পরতে পরতে মোড়ানো। তবে স্বর্ণাক্ষরে লেখা ঘটনাপঞ্জিতে আলোকজ্যোতির উদগিরণ সময়ের বিচারে আমাদের অনন্য সত্তায় আচ্ছাদিত করেছে। বাঙালি জাতিকে গর্বে মাথা উঁচু করতে শিখিয়েছে, পৌঁছে দিয়েছে সুবিশাল উচ্চতায়। এই নত শিরের বাঙালি এমন অবস্থানে যে একদিনে যায়নি তার প্রমাণ কিংবা সাক্ষী তাও ওই ইতিহাসই বহন করে চলেছে। শোষিত বাঙালির প্রবঞ্চনা আর দগদগে ক্ষতের সৃষ্টি যেমন একদিনে হয়নি, তেমনি তার পরিশোধনও স্বল্প সময়ে হয়নি-এ যে বহু পুরাতন!

সেই ১৯৪৭ থেকে শুরু হয়ে বাহান্নর ভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন অতঃপর শিক্ষা আন্দোলন পার হয়ে ১৯৬৬ সালের ছয় দফাতে গড়ায়-বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্নের আকাঙ্ক্ষা চুরমার করতে আনা হয় ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। পরবর্তী সময়ে ছয় দফাকে একদফায় রূপদান শেষে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয় বাঙালির ক্ষয়িষ্ণু মনে আশার আলো জ্বালাতে সক্ষম হয়। সবশেষ একাত্তরের ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির আড়ষ্টতা কাটিয়ে স্বাধীনতার শক্তি আধার রূপে সাড়ে সাত কোটি মানুষকে দীক্ষিত করলে তারা মরণপণ লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়।

সর্বোপরি ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণায় উজ্জীবিত ধ্বনিতে এই বাংলার দামাল ছেলে, কৃষক-মজুর, কামার-কুমার-তাঁতী-জেলে, বুদ্ধিজীবী-পেশাজীবী, সাংবাদিক-কবি-লেখক, ভবঘুরেসহ সকলে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হয়। ইতিহাসের এ সকল অবিচ্ছেদ্য ঘটনাপঞ্জির অমোঘ আধান ও মুক্তিযুদ্ধের অনন্য শক্তিধারের মূলে এক মহামানব, বিশাল হৃদয়ের অধিকারী বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বাঙালির আঁধার ঘরের মানিক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

এতক্ষণে যে ঐতিহাসিক ক্ষণ ও ঘটনাপঞ্জি কিংবা আবহের বর্ণনা করা হয়েছে তার প্রতিটি পদক্ষেপেই যার অমর কীর্তি ও প্রজ্ঞালোক প্রেরণাদায়ক হয়ে বাঙালিকে সুসংগঠিত করেছে তিনি বাংলার অবিসংবাদিত নেতা  সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শোষিতের প্রতি তার মমত্ব ও আবেদন তাকে ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসিয়েছে। তিনি তার কর্ম, গুণ ও প্রজ্ঞা দিয়ে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, হয়েছেন বাংলার মুক্তিদাতা মহান পুরুষ জনক জ্যোতির্ময়। সারা বিশ্বের শোষিত বঞ্চিতের পথদ্রষ্টা হয়ে তিনি অর্জন করেছেন বিরল সম্মাননা। জাতি হিসেবে বাঙালিরা আজ গর্বে মাথা উঁচু করে বলতে পারে আমরা বাঙালি-আমরা বীরের জাতি, আমরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিক।

আমরা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। কিন্তু সদ্য স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টির অনন্য কারিগর যার সম্মুখসমর, দিকনির্দেশনা, ভিশন-মিশনের আলোকে ও কঠিন ত্যাগে আমাদের এই সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান বিজয় অর্জন তখনও পর্যন্ত সেই মহামানবের কোনো সন্ধান নেই। কোথায় আছেন বাঙালি জাতির পিতা? কেমন আছেন তিনি? তার জন্য অপেক্ষারত সাড়ে সাত কোটি বাঙালি-তখনও যেন কেমন এক অসম্পূর্ণতা তাড়া করে ফিরছে সমগ্র বাংলাদেশকে। বাঙালির আকাঙ্ক্ষা ও অপেক্ষার পালা, অপেক্ষা যেন সমস্ত তরুলতা, বৃক্ষরাজি, আকাশ-বাতাস বাংলার শোষিত মানুষের, শুধুই এক মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য। আর কেনইবা হবে না এমন অপেক্ষার সারি দীর্ঘতম? এ তো স্বাধীন বাংলাদেশের অবয়ব তৈরি হয়েছে মাত্র-পোড়ামাটির ধ্বংসস্তুপ, লাশের ছড়াছড়ি, বেদনাহত সকল বাঙালির  হৃদয়ে যেন পূর্ণতার বিন্দুমাত্র লেশ নেই। অন্তরে আকাঙ্ক্ষা, কখন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবয়বে প্রাণ সঞ্চার হবে? কখন আসবেন তিনি? যিনি এই বাংলাকে, বাংলা ভাষাকে বাঙালির জন্য উপহার দিলেন, উপহার দিলেন আমাদের লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা এবং আমার সোনার বাংলা সুমধুর জাতীয় সংগীত। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইল কী সারা দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর অন্তরে দাগ কাটতে পারে?-যখন  আমাদের প্রবাহমান গতিধারাকে সামনে অগ্রসরের মহান নেতৃত্ব বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি? তাইতো বুঝি বাঙালির অপেক্ষার শেষ নেই। বাঙালির অন্তরে কামনা ফিরে পেতে তাদের স্বাধীনতার মহানায়ক মহামানব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে-যিনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিজয়ের উন্মুক্ত বাতায়ন খুলে দিয়েছেন, অমানুষিক নির্যাতন, জেল-জুলুম সহ্য করে জীবনবাজি রেখে সার্বভৌম বাংলাদেশ আমাদের করে দিয়েছেন। তাইতো বাংলার মাটি, আকাশ-বাতাস মর্মর ধ্বনিতে অপেক্ষারত, অপেক্ষারত সকলেই বলছে-এসো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, তোমার বিশাল হৃদয়ে আমাদের একটুখানি আশ্রয় দাও, আমরা একটু তোমার সাথে আলিঙ্গন করি, তোমার আবেশে আবেশিত হই।

অবশেষে দীর্ঘ ৯ মাস ১৪ দিন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দিজীবন শেষে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বঞ্চিত, শোষিত এবং নির্যাতিত মানুষের চিরকষ্ট ও বেদনার প্রচ্ছদ দূর করা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন হয়ে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালের পড়ন্ত বিকেলে তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের নেতৃবৃন্দ প্রাণের নেতা বঙ্গবন্ধুকে অভ্যর্থনা জানান। সদ্য স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে যেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হৃদস্পন্দন পেলো-জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশের অবয়বও পেল পূর্ণাঙ্গতা।

বঙ্গবন্ধু একটি খোলা ট্রাকে করে সরাসরি রেসকোর্স ময়দানে অপেক্ষমাণ লাখো জনতার উদ্দেশে রওনা হন। বাঙালির ভাগ্যোন্নয়নে বদ্ধপরিকর বঙ্গবন্ধু আবেগআপ্লুত হয়ে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দেন। মা-মাটি-মানুষের প্রতি দরদ তাকে সর্বদাই আবেশিত করতো-তিনি তার বক্তব্যের এক পর্যায়ে বলেন, ‘‘আজ আমি বক্তৃতা করতে পারছি না আপনারা বুঝতে পারেন। ‘নম নম নম সুন্দরী মম, জননী জন্মভূমি, গঙ্গার তীর সিক্ত সমীর, জীবন জুড়ালে তুমি।’  আমার জীবন যখন আমি ঢাকায় নামছি, তখন আমি চোখের পানি রাখতে পারি নাই। আমি জানতাম না, যে মাটিকে আমি এত ভালবাসি, যে মানুষকে আমি এত ভালবাসি, যে জাতিকে আমি এত ভালবাসি, যে বাংলাদেশকে আমি এত ভালবাসি, সেই বাংলায় আমি যেতে পারবো কিনা?  আজ আমি বাংলাদেশে ফিরে এসেছি, আমার ভাইদের কাছে, আমার মা’দের কাছে, আমার বোনদের কাছে, বাংলা আমার স্বাধীন, বাংলার মানুষ আজ আমার স্বাধীন।”

আজ থেকে ৫০ বছর পূর্বে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি সদ্য স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টির অনন্য কারিগর যার সম্মুখসমর, দিকনির্দেশনা, ভিশন-মিশনের আলোকে আমাদের এই সার্বভৌম বাংলাদেশ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় অর্জন করে, সেই মহামানবের জন্য অপেক্ষারত সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে উজ্জীবিত করতেই কি তবে আজ থেকে নয় দশক পূর্বে আমাদের প্রাণের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন-
“শিখরে শিখরে কেতন তোমার
রেখে যাবে নব নব,
দুর্গম-মাঝে পথ করে দিবে ...
জীবনের ব্রত তব।”

এ যেন রাজনীতির মহাকবি, বাঙালির মুক্তিদাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মময় জীবনের অনুসঙ্গ। বাংলাদেশের তরুণ সমাজ সংকটকালেও তোমার সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড থেকে বিচ্যুত হবে না। তাইতো সকল দেশবাসীর কামনা-এসো বঙ্গবন্ধু, জাতির পিতা তোমার বিশাল হৃদয় আমাদের যে ঋণের ভারে জর্জরিত করেছে সেই ঋণকে আরো একটু সম্প্রসারিত করো, বিনম্র চিত্তে তোমার আকাঙ্ক্ষায় আমাদের উদ্দীপ্ত করো। এদেশ বিনির্মাণে তোমার কর্মপরিকল্পনা ও প্রত্যয় গর্ব ও অহংকারের প্রাচুর্য হয়ে সারা বিশ্বে বিচ্ছুরিত হোক সূর্যের আলোকচ্ছটার ন্যায়। 

গণমানুষের সম্পৃক্তকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ সত্ত্বার জাগরণ ঘটানোর কঠিন মনোবল, অনুধাবন ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানবহিতৈষী মনোভাব যে বাঙালির মুক্তির উপায় তা তিনি হৃদয়ে ধারণ করতেন বলেই বঙ্গবন্ধু বাঙালির অন্তরে ঠাঁই করে নিয়েছিলেন। তাইতো তার আহ্বান আপামর জনতার কাছে শুধুমাত্র আহ্বানই ছিলোনা, তা ছিলো আজ্ঞা পালনের ব্রত। এই ব্রতের গুণেই বাঙালি শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর দক্ষ নেতৃত্ব, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় মাত্র ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করার দুর্লভ স্বাক্ষর রাখতে পেরেছে। নেতৃত্বের প্রজ্ঞা ও সৌজন্যের কারণেই যেমন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করার আগেই পরম বন্ধু ভারতের সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ জানাতে সেদেশ হয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তেমনি দেশের স্বার্থের বাইরে কোনো আপস নয়-এ ব্যাপারে দৃঢ়চেতা মনোভাবের কারণেই স্বাধীনতার সহযোগী পরম বন্ধু যশ্বস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে পারেন বাংলাদেশ থেকে দ্রুত ভারতীয় সেনা ফেরত নেওয়ার কথা। দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই একটি সম্পূর্ণ যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনের কাজে সফলতার সাথে আত্মনিয়োগ করতে পেরেছিলেন-বড় বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কাজ শুরু করেছিলেন, শুধুই দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্যে। শত রিক্ততার বক্ষ ভেদি বঙ্গবন্ধু বাঙালির জীবনের জয় ছিনিয়ে আনতে মেধা ও মননে প্রকৃত চিত্তাকর্ষক শক্তির যোগসূত্র স্থাপনসহ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার আলোকে কর্মসম্পাদন শুরু করেছিলেন। শুরু করেছিলেন হাজারো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে, বহুমাত্রিক পরিকল্পনা নিয়ে স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের কাজ। এ যেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি- 

“রিক্ততার বক্ষ ভেদি আপনারে করো উন্মোচন। ব্যক্ত হোক জীবনের জয়...” -এর  মতো করেই জীবনের জয়গানে বাঙালিকে স্বনির্ভরতায় পূর্ণ করার কাজ, বাঙালির দুঃখ মোচনের কাজ। কিন্তু একদল লোভী, ভিরু কাপুরুষ, এদেশীয় স্বার্থন্বেষী চক্র তথা পাকিস্তানের প্রেতাত্মা তা শেষ করতে দিল না। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে বর্বরোচিত কায়দায় নির্মমভাবে হত্যা করে। শারীরিকভাবে তিনি আর আমাদের মাঝে ফিরবেন না একথা ঠিক তবে তার দেখানো পথে, পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাঙালি অনুরণিত হয়ে চলেছে এবং ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে তার অনন্য সৃষ্টি। বাংলা, বাঙালি আর বঙ্গবন্ধুকে কখনও আলাদা করা যাবে না-যাবে না বঙ্গবন্ধুর অমিয়ধারা মুছে ফেলা। তাইতো পঞ্চাশ বছর পরও জাতির পিতার আবেশধন্য হয়ে বর্তমান প্রজন্ম শত-সহস্রাধিক আঙ্গিকে তাকে নিজ নিজ কর্মে পেতে অপেক্ষারত। যতদিন এ পৃথিবীর গতি অব্যাহত থাকবে ততদিন আমাদের এই অনন্ত চাওয়ার মাঝেই বাঙালির প্রাণপুরুষ জাতিরাষ্ট্রের স্রষ্টা বেঁচে থাকবেন। হে পিতা, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বিনম্রচিত্তে জানাই তোমায় শ্রদ্ধাঞ্জলি।

লেখক : প্রফেসর, পরিসংখ্যান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

সভাপতি, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়