শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:২৭, শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২২ আপডেট:

হতাশা সমবায় সমিতি লিমিটেড

হোসেন আবদুল মান্নান
অনলাইন ভার্সন
হতাশা সমবায় সমিতি লিমিটেড

“বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সার্বিক কল্যাণের প্রত্যাশা নিয়ে গত ১৫.০৪.১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ হতে প্রত্যাশা সমবায় সমিতি লিমিটেডের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এ সমিতির সদস্য সংখ্যা ৩৮১ জন। সমিতির সদস্যদের সীমিত আয় থেকে অর্জিত অর্থে প্রত্যেকের বাসা/বাড়ি করার মত এক খণ্ড জমির নিশ্চয়তার লক্ষ্যে প্রত্যাশা সমবায় সমিতির গৃহায়ণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়”।

মো. নজরুল ইসলাম 
জেলা প্রশাসক, গাজীপুর 
ও সভাপতি,
প্রত্যাশা সমবায় সমিতি লিঃ
রথখোলা, জয়দেবপুর 
গাজীপুর।
২৪ চৈত্র ১৪০৩ বঙ্গাব্দ 
৭ এপ্রিল ১৯৯৭ খ্রিঃ  

২) সমিতিটির প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) প্রকাশিত কার্যপত্রে সভাপতি’র বক্তব্য থেকে ওপরের তিনটি বাক্য তুলে ধরা হলো। ‘প্রত্যাশা সমবায় সমিতি’র মূল উদ্দেশ্য (objective) বোঝার জন্য  উদ্ধৃত তৃতীয় বাক্যটিই যথেষ্ট বলে মনে আমি করি। অথচ এর পরে দীর্ঘ ২৭ বছরের পথ পরিক্রমা। এক বুক স্বপ্ন নিয়ে নিরন্তর আসা যাওয়ার পাঁচালি। ঋতু বৈচিত্রের সাথে সাথে আমাদের প্রত্যাশাও দ্বিগুণ-ত্রিগুণ বৃদ্ধি পায়। এ সময়ে আমাদের অসংখ্য মেধাবী সদস্য রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণীতে পদাধিকারী হয়েছি। কাজ করারও অন্তহীন সুযোগ হাতে ছিল বা এখনো আছে। তবুও আমরা কী এ স্বপ্ন নিয়ে একচুল পরিমাণ এগুতে পেরেছি? বহুবছর ধরে পথচারীরা দেখছে, সরকারি দায়িত্ব পালনকারী এতগুলো পদস্থ মানুষের সম্মিলিত স্বপ্নও মরে যেতে পারে! এবং সিদ্ধান্তহীনতার অদৃশ্য পর্বতের নিচে চাপা পড়ে স্বপ্নগুলো অশ্রু হয়ে ঝরতে পারে! এতকাল পরে এ কৈফিয়ত কে কার কাছে চাইবে? 
  
৩) সদ্য অবসরপ্রাপ্ত জীবনের আজকের এ সময়ে উপনীত হয়ে এ সমিতি সম্পর্কে ভাবতে গেলে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী তথা একজন মানুষ হিসেবে আমার নিজের অপরাধই মুখ্য হয়ে ওঠে। নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে মাত্র কয়েক’শ টাকার বেতন থেকে বলা যায়, স্ত্রী ও সন্তানদের বঞ্চিত করে এ সমিতির কিস্তি পরিশোধ করার কথা মনে হলে আমি হতচকিত, বিস্মিত ও বিমূঢ় হই। আজও  আশ্চর্য লাগে, যথাযথভাবে অবহিত না হওয়ায় এবং পার্বত্য জেলায় পদায়ণ থাকায় আমাকে একাধিকবার সুদসহ এর কিস্তি পরিশোধ করতে হয়েছিল। তখন মনে হত, যাক ঢাকার অদূরে একটু মাথাগোঁজার ঠাঁই তো হচ্ছে! আমাদের সন্তানদেরও নিজস্ব একটি ঠিকানা থাকবে। এমন সহজ প্রাপ্তি ক’জনের ভাগ্যে হয়! 

৪) এদিকে প্রতিদিনই সরলপ্রাণ, স্বপ্নবান ও মহৎ উদ্যোক্তা মানুষগুলো একে একে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ৫১ জন প্রিয় সদস্য মৃত্যু বরণ করেছেন। অপূর্ণ অধরাই থেকে গেল তাদের প্রত্যাশার ছোট্ট ভুবন। তারা দেখে যেতে পারেননি বা বাস করে যেতে পারেননি নিজের জমির ওপর নির্মিত ঘরে। যেমন দেখে যেতে পারেননি আমার স্ত্রী জেবু। জুন ২০২০ সালে করোনায় তার অকাল মৃত্যু হয়। মনে পড়ে, বিগত ১৯৯৮ সাল থেকে অন্তত পঞ্চাশবার তাকে নিয়ে সমিতির প্রকল্প এলাকায় গিয়েছি। এমনকি চিহ্নিত প্লটের মাটিতে বেড়ে ওঠা ঘাসে নগ্নপায়ে হেঁটে হেঁটে সে কত-না কল্পনার জাল বুনেছিল। এখান থেকে কিশোরগঞ্জের পথ কোনটা হবে? ঢাকায় গেলে সারাদিন কাটিয়ে আসবো, আর বিমানবন্দর তো ২০ মিনিটের ব্যাপার ইত্যাদি ইত্যাদি। আজ আমার এসবের মূল্য কে দেবে? এতে কার-ই বা কী আসে যায়? আর এখন আমার নিজেরই বা কত আগ্রহ অবশিষ্ট আছে? 

৫) আমাদের দেশের সর্বশেষ আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে বলা যায়, ‘প্রত্যাশা সমবায় সমিতি’ সিদ্ধান্তহীনতা বা বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণীর ক্ষেত্রে মন্থরগতি বা ধীরচল নীতির দিক থেকে শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে। বছর বছর সাধারণ সভা হলেও সিদ্ধান্তহীনতার এমন নৈরাজ্যের রেকর্ড অদূর ভবিষ্যতে অন্য কোন লিমিটেড সমিতি বা সংগঠন অতিক্রম করে যেতে পারবে বলে আমরা কেউ বিশ্বাস করি না। এদিক থেকে সম্মানিত সদস্যগণ একটা সান্ত্বনা পেতে পারেন যে, পরবর্তী প্রজন্ম ‘প্রত্যাশাকে’ দৃষ্টান্ত হিসেবে গ্রহণ করে তাদের কাজে অনেক সাফল্য পাবে। তবে তারা অবশ্যই আমাদেরকে ভর্ৎসনাসহ অভিশাপ দেবে এই বলে যে, ‘যারা নিজেদের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক দায়িত্ব পালনে ঐক্যবদ্ধ এবং ঐকমত্যে পৌঁছতে প্রায় তিন দশক সময় নিয়েও কিনারা করতে পারছেন না, তারা দেশ ও জাতির জন্য কীভাবে কি করেছেন! তা নিশ্চয়ই খতিয়ে দেখার অবকাশ আছে’। 

৬) গত ক’বছরে দেশব্যাপী হাউজিং বা ডেভলপার কোম্পানির সম্প্রসারণ হয়েছে অকল্পনীয় হারে। এগুলোর মাশরুম বিস্তার ঘটেছে উপজেলা ও ছোট ছোট পৌর এলাকা পর্যন্ত। তারা রাস্তার পাশে জমি পেলেই প্রকল্প নিচ্ছে। অথচ প্রত্যাশার জন্য উত্তরা সংলগ্ন হাইওয়ে থেকে সংযোগ ব্রিজ করা হয়েছে তা কমপক্ষে দশ বছর আগে। আমরা ডেভলপারের সন্ধান পাই না। নিজের নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত জমির মূল দলিল জমা রাখা হয়েছে তা-ও কয়েক বছর হলো। এতে মনে হয়, সমিতির সদস্যদের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে দেখে আসছি, প্রতিটা এজিএমে তর্ক-বির্তক এবং  বিচিত্রসব পরামর্শ, মান-অভিমান, আশা-নিরাশার কল্পনাবিলাসী মতামত উদগীরণ করে দিনের শেষে শূন্য হাতে আরও একরাশ হতাশা নিয়ে বাড়ি ফেরা। মনে হয়, এটি এখন প্রত্যাশার ললাটের অমোচনীয় বেদনার ক্ষত চিহ্ন। 
      
৭) দেশের সকল পেশাজীবী সংগঠনই অন্তত নিজেদের জন্য পারে এবং পেরেছে। কেউ কেউ অনন্য নজির স্থাপনও করেছে। আমাদের না পারার পেছনের প্রচ্ছন্ন রহস্য খুঁজতে গেলে পাওয়া যায়- 

প্রথমত, আমরা সবাই বিশেষজ্ঞ ও বুদ্ধিমান। কখনও হেরে যাওয়ায় অভ্যস্ত নই বরং গোটা জীবন কেবল জিতে যাওয়ার গল্পে ভরপুর। বেশি বুদ্ধিমান মানুষের সমাবেশ থেকে কোনও বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত পাওয়ার সুযোগ কম। 

দ্বিতীয়ত, আমরা সবাই বলি ‘অল্পে তুষ্ট মানুষ আমি’। 
বাস্তবে আমরা অনেক বেশি বেশি করে চাই। ফলে প্রত্যেকের জীবন থেকে হারিয়ে ফেলেছি অনেক উৎকৃষ্ট সময়।  

তৃতীয়ত, আস্থা, অনাস্থার দ্বন্দ্ব এবং অন্যের ওপর শতভাগ আস্থা রাখার পূর্ব অভিজ্ঞতার সংকট। আমরা কেউ ভাবি না, “মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ”। 

৮) এ ক্ষেত্রে বলা যায়, শতভাগ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে পৃথিবীতে কোনওকালেই সামষ্টিক কল্যাণে বড় কিছু হয়নি। কাজেই কতিপয় মানুষের হাতেই এর ভার ছেড়ে দিতে হবে। প্রয়াত লেখক ও সাহিত্যেক আহমদ ছফা বলেছেন, “১৯৭১ সালের পূর্বে বঙ্গবন্ধু যদি আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা শুনতেন, তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না”। কাজেই এতেও কম শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও বিকল্প নেই। তাছাড়া,“বেশি বুদ্ধিমান মানুষেরা কখনও ভালো মানুষ হয় না। আর ভালো মানুষেরা সবসময় কম বুদ্ধিমান”।

বিডি প্রতিদিন/কালাম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়