শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৩, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

বিএনপি কেন সংবিধান ছুড়ে ফেলতে চায়

মো. জাকির হোসেন
অনলাইন ভার্সন
বিএনপি কেন সংবিধান ছুড়ে ফেলতে চায়

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের এমন এক জীবন পদ্ধতি, যা রাষ্ট্র স্বয়ং নিজের জন্য বেছে নেয়।’ কোনো রাষ্ট্রের সংবিধান হচ্ছে এমন মূল্যবান দলিল, যেখানে বর্ণিত আইন-কানুন, নীতি-নির্দেশনার আলোকে রচিত হয় রাষ্ট্রের অন্যান্য আইন-কানুন, বিধি-বিধান, যা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অপরিহার্য। এটি সাধারণ আইনের মতো সহজে পরিবর্তনীয় না হলেও কিছু শর্ত সাপেক্ষে রাষ্ট্র-সমাজ ও জনসাধারণের প্রয়োজনে সংবিধানে সংযোজন-বিয়োজন-পরিবর্তন করা যেতে পারে। লিখিত, অলিখিত সব সংবিধানেই সংশোধনের বিধান রয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধান গত ৫১ বছরে ১৭ বার সংশোধন তথা সংযোজন-বিয়োজন-পরিবর্তন করা হয়েছে। যদিও এর কয়েকটি সংশোধনী নিয়ে বেশ বিতর্ক রয়েছে এবং কোনো কোনো সংশোধনী সংবিধানের অভিভাবক সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিতও হয়েছে।

দীর্ঘ সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও কয়েক লাখ কন্যা-জায়া-জননীর চরম আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং ১১ জানুয়ারি মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ওই দিনই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন। ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি নতুন সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১৯৭০-এর ডিসেম্বর এবং ১৯৭১-এর জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা নতুন এই গণপরিষদের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হন। প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদ মোট ৪৬৯ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হলেও মুক্তিযুদ্ধে নিহত, স্বাভাবিক মৃত্যু, মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা, দেশত্যাগ ইত্যাদি কারণে ৬৬ জন সদস্য বাদ পড়েন। বাকি ৪০৩ জন নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়। সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে গণপরিষদে একটি খসড়া প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে মোট সদস্য ছিলেন ৩৪ জন। ৩৪ সদস্যের কমিটির ২৪ জনই ছিলেন আইনজীবী, যাঁদের মধ্যে পাঁচজন ইংল্যান্ডে শিক্ষাপ্রাপ্ত ব্যারিস্টার ছিলেন। কমিটির অন্য ১০ জন সদস্যের মধ্যে চারজন অধ্যাপক, একজন ডাক্তার, একজন সাংবাদিক ও তিনজন সমাজকর্মী ছিলেন।

সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন কমিটি ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করেন। প্রথম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিন সপ্তাহ সময় দিয়ে আগ্রহী সংগঠন ও ব্যক্তিদের কাছ থেকে সংবিধান সম্পর্কে প্রস্তাব আহবান করা হয়। সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশনের মাধ্যমে এই আহবান জানানো হয়। কমিটি সংবিধান বিষয়ে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ৯৮টি প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল। তার মানে, অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে সংবিধান তৈরি করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ, উত্তম ও কার্যকর সংবিধান প্রণয়ন করার লক্ষ্যে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করে সেখানকার পার্লামেন্টের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। তা ছাড়া সংবিধানকে অপেক্ষাকৃত ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দেশ্যে কমিটি একজন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করে। খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি ৪৭টি বৈঠকে মিলিত হয়ে পূর্বনির্ধারিত ১৯৭২ সালের ১০ জুন সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়।

কমিটিতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সর্বসম্মতিক্রমে কোনো কোনো সময়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে কমিটির ছয়জন সদস্য ভিন্নমত প্রদান করেন। ভিন্নমত প্রদানকারীদের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন আওয়ামী লীগের ও অন্যজন ছিলেন তৎকালীন মোজাফফর ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বিরোধীদলীয় সদস্য ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের পক্ষ থেকে সর্বাধিক আপত্তি উত্থাপিত হয়। তিনি ২৪টি আপত্তি উত্থাপন করেন, তাঁর মূল আপত্তি ছিল—সংবিধানে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় বিধান করা হয়নি, সংসদে আসনসংখ্যা ৩৫০ জন করা, নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন না রাখা এবং সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর করা। অন্য সদস্যদের ভিন্নমত ছিল—ব্যক্তিগত সম্পত্তি অধিগ্রহণ, দলত্যাগ বা বহিষ্কারজনিত কারণে সংসদ সদস্য পদ বাতিলের বিরুদ্ধে, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা, ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের বিষয় সংযোজন। প্রাপ্ত তথ্যাদি থেকে জানা যায় যে কমিটিতে উন্মুক্ত পরিবেশে আলাপ-আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিরোধীদলীয় একমাত্র সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ওই সময় বলেছিলেন, ‘কমিটির সদস্যগণ খোলা মন নিয়ে সংবিধান সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।’ (বাংলাদেশ গণপরিষদ বিতর্ক, খণ্ড-২, সংখ্যা ১, ১২ আক্টোবর, ১৯৭২, পৃষ্ঠা-২৭)। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের কথার প্রত্যয়ন মেলে কমিটির আওয়ামী লীগদলীয় সদস্য আসাদুজ্জামানের বক্তব্যে। তিনি বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু কিংবা তাঁর সরকার কোনো সময়েই আমাদের প্রভাবান্বিত করার চেষ্টা করেননি, আমরাও হইনি।’ (বাংলাদেশ গণপরিষদ বিতর্ক, খণ্ড-২, সংখ্যা ৯, ২৫ আক্টোবর, ১৯৭২, পৃষ্ঠা-২৫৯)।

১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধানটি বিল আকারে গণপরিষদে উত্থাপন করা হয় ও ১৯ অক্টোবর সাধারণ আলোচনার জন্য গৃহীত হয়। ১০টি বৈঠকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সংবিধান বিলের ওপর বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। ৪৭ জন সদস্য আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এই ৪৭ জনের মধ্যে ৪৪ জন আওয়ামী লীগের, একজন ন্যাপের ও দুজন স্বতন্ত্র সদস্য। ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হয় সংবিধান বিলের দ্বিতীয় পাঠ তথা অনুচ্ছেদওয়ারি আলোচনা। এই আলোচনা ৩ নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। দ্বিতীয় পাঠের সময় মোট ১৬৫টি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। এর মধ্যে ৮৫টি প্রস্তাব উত্থাপন করেন আওয়ামী লীগের সদস্যরা, আর ৮০টি প্রস্তাব আনেন বিরোধী ন্যাপ ও স্বতন্ত্র সদস্যরা। এর মধ্যে ৮৬টি সংশোধনী প্রস্তাব গৃহীত হয়। বেশির ভাগ সংশোধনী কার্যত সম্পাদকীয় ধরনের ছিল, যা মূলত ভাষাগত উৎকর্ষ সাধন কিংবা ভাবের সুস্পষ্টকরণ সম্পর্কিত। গুরুত্বপূর্ণ গৃহীত সংশোধনীর মধ্যে অন্যতম ছিল—এক. খসড়া সংবিধানের ৪২ অনুচ্ছেদে ব্যক্তিগত সম্পত্তি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এটি সংশোধন করে এই অনুচ্ছেদে একটি নতুন বিধান সংযোজন করা হয় এবং তার দ্বারা জাতীয় সংসদকে ‘ক্ষতিপূরণসহ অথবা বিনা ক্ষতিপূরণে’ ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে অধিগ্রহণের জন্য আইন প্রণয়নের অবাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়। দুই. খসড়া সংবিধান বিলের ৫৬ অনুচ্ছেদে বলা হয় যে কেবল সংসদ সদস্যরাই মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন। এই অনুচ্ছেদ সংশোধন করে একটি নতুন বিধান করা হয় যে সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিকেও মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করা যাবে, তবে অনুরূপ ব্যক্তিকে মন্ত্রিত্ব বহাল রাখতে ছয় মাস সময়ের মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে হবে। তিন. ৭০ অনুচ্ছেদের খসড়া বিধানে দল থেকে বহিষ্কারের কারণে সংসদ সদস্য পদ হারানোর বিধান সংশোধন করে এটি বাদ দেওয়া হয়। চার. ৭৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ ছিল রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণদান এবং বাণী প্রেরণ করতে পারবেন। এই অনুচ্ছেদটি সংশোধন করে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রচলিত সর্বজনীন রীতি সংযোজন করে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির বাণী বা ভাষণ সম্পর্কে সংসদ আলোচনা করবে।

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান বিলের তৃতীয় ও শেষ পাঠ অনুষ্ঠিত হয় এবং ওই দিনই গণপরিষদ কর্তৃক সংবিধানটি গৃহীত হয়। কোনো সদস্য বিপক্ষে ভোট দেননি। নতুন সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর তথা বিজয় দিবস থেকে বলবৎ হয় এবং ওই দিনই গণপরিষদের বিলুপ্তি ঘটে। গণপরিষদে সংবিধানের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এই সংবিধান শহীদের রক্তে লিখিত, এই সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।’

শহীদের রক্তে লেখা এই সংবিধান বিএনপি বদলে ফেলতে চায়। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বাংলাদেশের সংবিধান পুরোপুরি বাতিল করে নতুন একটি সংবিধান প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ‘বাই চান্স’ বা ‘ভাগ্যক্রমে’ হয়েছে। তাই দেশের সংবিধানও অপরিকল্পিত। তিনি বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপি সেই সংবিধান নতুন করে প্রণয়ন করবে। যাঁরা সংবিধান তৈরি করেছেন, তাঁদের সংবিধান তৈরি করার কোনো অধিকার ছিল না।’ অন্যদিকে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘একদলীয় লোকেরা এই সংবিধান তৈরি করেছেন। আওয়ামী লীগের বাইরে মাত্র দুজন সদস্য সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে ছিলেন। তাঁরা কেউই সেই সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি। তাই এটি একনায়কদের সংবিধান। এই সংবিধান বারবার কাটাছেঁড়া না করে পুরোটাই ফেলে দিন। নতুন করে একটি সংবিধান তৈরি করুন। যেখানে মানুষের অধিকারের নিশ্চয়তা থাকবে।’ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘আমাদের দলের স্ট্যান্ডিং কমিটিকে বলব আপনারা ঘোষণা দিন ক্ষমতায় গেলে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবেন। বর্তমান সংবিধানের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তাই সবার মতামত নিয়ে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।’

প্রশ্ন হলো, শহীদের রক্তে লেখা সংবিধান বিএনপি কেন বদলে ফেলতে চায়? গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংবিধানে আছে, কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধানে নেই এমন কোনো বিষয় কি আছে? থাকলে সেটা কী? বিশ্বের অন্যান্য দেশের সংবিধানে আছে কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধানে তা সংযোজন করা হয়নি, এমন বিষয় সংবিধানে সংযোজন করলেই তো সমাধান হয়ে যায়। এ জন্যই তো সংবিধানে সংশোধনের বিধান সংযোজন করা হয়েছে। এই সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে তথা শহীদের রক্তের দাগ মুছে ফেলে নতুন করে কেন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে? তার মানে কি মুক্তিযুদ্ধকে তথা লাখ লাখ শহীদ ও কন্যা-জায়া-জননীর চরম আত্মত্যাগকে ও মুক্তিযোদ্ধাদের মুছে ফেলতে চান? বাংলাদেশ ভাগ্যক্রমে স্বাধীন হয়নি। কয়েক দশকের সুদীর্ঘ রক্তপিচ্ছিল পথ বেয়ে অনেক মাইলফলক পেরিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বৈধ পদ্ধতিতে গণপরিষদ গঠিত হয়েছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের গণপরিষদ যে প্রক্রিয়ায় সংবিধান প্রণয়ন করে তার সব কটি ধাপ অনুসরণ করে অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে সর্বসম্মতিক্রমে সংবিধান বিল গণপরিষদে গৃহীত হয়েছে। এটি একদলীয় সংবিধান নয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অনেক দল অংশগ্রহণ করেছে, কিন্তু মানুষ তাদের ভোট দেয়নি, আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে। কেউ কেউ সব রাজনৈতিক দল ও গণসংগঠনের প্রতিনিধির সমন্বয়ে জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে সংবিধান প্রণয়নের দাবি করেছিলেন। যৌক্তিক কারণেই তা গ্রহণ করা হয়নি। অনুরূপ কনভেনশন ডাকতে গেলে বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিত্বের পরিমাণ ও পদ্ধতি এবং প্রস্তাবিত কনভেনশনের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে গুরুতর আইনগত ও রাজনৈতিক জটিলতার সৃষ্টি হতো।

বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার সোপান ছয় দফা ঘোষণা করলে তৎকালীন রাজনৈতিক দলের অনেক নেতা বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। ডানপন্থী দলগুলোর পক্ষ থেকে ছয় দফাকে ইসলামী রাষ্ট্র পাকিস্তানকে ধ্বংস করার কমিউনিস্ট ভারতের ষড়যন্ত্র বলা হয়। অন্যদিকে কিছু বামপন্থী ছয় দফার ভেতরে সিআইএকে আবিষ্কার করে। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরেও ছয় দফার প্রবল সমালোচনা হয়। বিরোধিতা এতই প্রকট ছিল যে দলের মধ্যেই ভাঙন শুরু হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়েও রাজনৈতিক দলে বিভক্তি ছিল। এমনকি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বিধা ছিল। এমন রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে সংবিধান প্রণয়ন অবাস্তব ধারণা। নানা মত-পথের মধ্যে সমন্বয় করতে না পারায় পাকিস্তানের ৯ বছর লেগেছে সংবিধান প্রণয়ন করতে। ভারতেরও তিন বছর লেগেছে। বাংলাদেশেও যদি সংবিধান প্রণয়নে কয়েক বছর লেগে যেত এবং বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর সংবিধান তৈরি করা হতো, তবে তা বাংলাদেশের সংবিধান নয়, পাকিস্তানের সংবিধানের রেপ্লিকা হতো।

গণপরিষদের সদস্যদের সংবিধান প্রণয়নের অধিকার নিয়ে যদি প্রশ্ন তোলা হয়, তাহলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তথা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অন্তর্বর্তী সংবিধানও বিতর্কিত হয়ে পড়বে। কারণ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতেই বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছে। আর এই গণপরিষদের সদস্যরাই তো স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন করেছেন, যা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বলবৎ হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশবলে গণপরিষদ গঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রপতির গণপরিষদ আদেশকে যদি অবৈধ বলতে চান, তাহলে যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রে দাঁড়িয়ে নতুন সংবিধান তৈরির কথা বলছেন সেই রাষ্ট্রের পাটাতনটিই ধসে পড়বে। উদাহরণস্বরূপ, অস্থায়ী সংবিধান আদেশ, জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা আদেশ, বাংলাদেশ ব্যাংক, শিল্প ব্যাংক, বাংলাদেশ বিমান, হাইকোর্ট, স্থানীয় পরিষদ, শিপিং করপোরেশন, ইনস্যুরেন্স করপোরেশন, নির্বাচন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, বাংলা একাডেমি, বার কাউন্সিল, বাংলাদেশ রেলওয়ে, পিডিবি, টিসিবি, এনবিআর, বিআইডাব্লিউটিসি, চট্টগ্রাম বন্দর, শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, বিডিআরসহ (বিজিবি) অসংখ্য প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রপতির আদেশে সৃষ্টি হয়েছে।

গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের সমন্বয়ে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ার উপযোগী দলিল বাংলাদেশের সংবিধান। জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা—এই চারটি মূল আদর্শের ভিত্তিতে সংবিধান প্রণীত হয়েছে। এই চারটি আদর্শের পক্ষে জনগণ পাকিস্তান আমলেই আওয়ামী লীগকে রায় দিয়েছে। এই আদর্শের জন্যই মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিরা নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। তাহলে কেন এই সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে নতুন সংবিধান তৈরি করতে হবে? সংবিধান ছুড়ে ফেলা মানে তো কিছু শব্দ আর বাক্যসংবলিত গ্রন্থ ছুড়ে ফেলা নয়। তার মানে মুক্তিযুদ্ধকে ছুড়ে ফেলা। শহীদের রক্ত আর কন্যা-জায়া-জননীর আত্মত্যাগ মুছে ফেলা। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক অস্বীকার করা।

লেখক : অধ্যাপক, আইন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়