শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১৭, শনিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৩ আপডেট:

ঈদ মানে বাড়ি ফেরা

মোহন রায়হান
অনলাইন ভার্সন
ঈদ মানে বাড়ি ফেরা

অফিসে খাই। খাবার নিয়ে আসি। অফিস বন্ধ। বাইরের খাবার খাবো না। বন্ধুবান্ধবের বাসায় যেয়ে খেয়ে আসবো? আমার গাড়ি চালক শাহীন বাড়ি যাচ্ছে। বাইরে যে গরম! উপায় কি? বাধ্য হয়ে গতকাল দুপুরে অফিস শেষ করে মগবাজার মীনা বাজারে ঢুকেছিলাম, চিড়া, স্কিম মিল্ক, ফল, বিস্কুট ইত্যাদি শুকনো খাবার কিনতে। আগামী পাঁচ দিন অধিকাংশ সময় এসব খেয়েই কাটিয়ে দিতে হবে। উত্তাল সংগ্রামী দিনে- জেলে, আন্ডারগ্রাউন্ডে, পলাতক জীবনে, খেয়ে না খেয়ে থাকার অনেক অভ্যেস আছে। অসুবিধা হবে না। 

সন্ধ্যায় প্রিয় তোহা মুরাদের অফিসে নানা রকমের প্রাকৃতিক শরবত আর সবজি খিচুড়ির নির্দোষ ইফতারি শেষে রাতে বাসায় ফিরি। প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই একটি শিশু মন থাকে যাকে সব সময় নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। খাওয়া-দাওয়ায় আমার এত বাছ-বিচার সত্ত্বেও গতকাল মিনা বাজারে থেকে একসময়ের প্রিয়  দু'প্যাকেট চিপস কিনে এনেছিলাম। রাতে টেলিভিশনে টক শো দেখতে দেখতে তার এক প্যাকেট খেয়ে ফেললাম। বন্ধুদের মনে আছে কিনা গত বছরের রোজার ঈদে, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বাসায় দাওয়াত খেয়ে এসে প্রচণ্ড পেট ব্যথা নিয়ে আমাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। গতরাত বারোটার দিকে আমার সেই পুরনো তীব্র পেট ব্যথা আবার শুরু হলো। ব্যথা তো ব্যথা সে আর থামে না। বাড়তেই থাকে। এই নিয়ে কয়েকবার এই ব্যথা উঠলো। ভবনের কেয়ারটেকারকে ফোন করে ঘুম ভাঙালাম। বললাম, কাপড় পরো, রেডি হও, লিফট ছাড়ো, আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, আমার সেই পুরনো ব্যথা আজকে আবার উঠেছে। অসহ্য ব্যথায় দুমড়ে মুচড়ে যেতে যেতে নিজে শার্ট প্যান্ট পরে নিচে নেমে এলাম। কেয়ারটেকারকে সঙ্গে নিয়ে খানিক হেঁটে খানিক রিকশাতে হাসপাতালে গেলাম। ইমারজেন্সিতে ঢুকে সাওলের কনসালটেন্ট ডাক্তার ফারহানকে ফোন করে ইমারজেন্সির ডাক্তারকে ধরিয়ে দিলাম। ফারহান বলে দিল, কী করতে হবে। দুটো কম্বাইন্ড ইনজেকশন পুশ করলো আর চার চামচ সিরাপ খাইয়ে দিল। ঘণ্টা দুয়েক শুয়ে থেকে ব্যথা একটু কমলে মধ্যরাতে বাসায় চলে এলাম। 
আজ সারাদিন একাকী বাসায় শুয়ে বসে পড়ে লিখে কাটাচ্ছি। নাভির ডান পাশে উপরের দিকে একটু একটু ব্যথা আছে তবে স্বাভাবিক একটু অস্বস্তি ছাড়া তেমন কষ্ট নেই। 
শরীরটা দুর্বল। মনটা খারাপ। মাকে খুব মনে পড়ছে। আগামীকাল ঈদ। ঈদ মানে ছিল বাড়ি ফেরা। মায়ের কাছে ফেরা। জীবনে খুব কম ঈদ ছিল মায়ের কাছে ফিরিনি। কোন কোন বার ফিরতে না চাইলেও মায়ের আদেশ পালন করতে, মাকে খুশি রাখতে শেষ মুহূর্তে হলেও ফিরতে হয়েছে। সেই মা আজ নেই। মাত্র ৫ দিন আগে মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। ইচ্ছে এবং প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও আর্থিক অনটনের কারণে মায়ের কাছে ফেরা হয়নি। যে কারণে মনটা আরও বেশি খারাপ। 
বাড়ি যাব না জেনে পুত্রসম ডাক্তার ফারহান পরশুদিন বারবার বলেছিল, আমার বাসায় চলেন একসঙ্গে ঈদ করবো।' বন্ধু ঝর্না গতকাল দুবার টেক্সট আর আজ সকালে ফোন করেছে ওর বাসায় চলে যেতে, ওর পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে। ওর পরিবারের সবাই আমার অতি আপনজন। সব সুখদুখের সাথী। বন্ধু কেএম কামাল, প্রিন্সিপাল আব্দুর রাজ্জাক ফোন করেছে তাদের বাসায় নিয়ে যেতে, একসঙ্গে ঈদ করতে। খবর পেয়ে বন্ধু কথা শিল্পী আনোয়ারা আজাদ টেক্সট করেছে, আমেরিকা থেকে বন্ধু, সহপাঠী খালেদা সিরাজী সকালে ফোন করে কথা বলেছে, জলি টেক্সট করেছে, বন্ধু লুৎফর ফোন করেছে। কেয়ার টেকার কুদ্দুস সকালে বাড়ি যাওয়ার আগে বলল, স্যার, এই অবস্থায় আপনাকে রেখে কীভাবে যাই? আমার বাড়িতে চলেন একসঙ্গে ঈদ করব। স্যার আমি গাড়ি ভাড়া করে আপনাকে নিয়ে যাব।"
আসলে কারো আমন্ত্রণই ফেলবার নয়। কার কাছে যাবো? আমার এই একাকীত্ব নিঃসঙ্গতা অসুস্থতা অসহায়ত্ব হয়তো সবাইকে কষ্ট দিচ্ছে। সবার আমন্ত্রণই অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ, নিখাদ, অকৃত্রিম। কিন্তু কষ্টের আরেক নামই তো মোহন রায়হান। ওই যে কথায় আছে না -কষ্টে যাদের জীবন গড়া তাদের আবার কষ্ট কিসের?' ভুল ভুল আর ভুল। কেবলই ভুল। হৃদয়াবেগ দিয়ে চলা মানুষের জীবন এমনই হয়। ভুলের পাহাড় চাপা বুকে যাদের বিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে, তাদেরই একজন আমার আবার কষ্ট কিসের? আর একাকীত্ব? নিঃসঙ্গতা? সে তো আমার ১৮-১৯ বছর বয়সেই প্র্যাকটিস করা। কারাগারের সেলে এমনকি জেল-আন্দোলনের কারণে পানিশমেন্ট সেলেও দিনের পর দিন, বছরের পর বছর আমি একাকী কাটিয়েছি কৈশর এবং যৌবনের সন্ধিক্ষণ সময়ে।
আর এই পাঁচ দিন কি আমি একাকী কাটাতে পারবো না? অনাহার অর্ধাহারে থাকতে পারবো না? ওই যে চিড়া, মুড়ি, ফল, বিস্কুট নিয়ে ঢুকেছি নিঃসঙ্গ গুহায়, আদিম মানুষের মতন কাটিয়ে দেবো ৫ দিন অনায়াসে। এইতো আজ সারাদিন কিছুই খাওয়া হয়নি। সঙ্গে যদি থাকে বই আর আধুনিক সভ্যতার অন্যতম আবিষ্কার তথ্যপ্রযুক্তির সেরা উপহার স্মার্টফোন, গান। কিসের দুর্ভাবনা? কিসের দুশ্চিন্তা? এই লেখা লিখতে লিখতে হঠাৎ ফোন এলো, ডাকসুর সাবেক ভিপি, সাবেক এমপি আখতারউজ্জামান, আখতার ভাইয়ের। 
তিনি বললেন, হোয়াটসঅ্যাপে দেখো একটা ছবি পাঠিয়েছি তোমার আর নাজমুল হক প্রধানের। একটা সেরা ঈদ  উপহার তোমাদের জন্য। ঈদের আগের দিনের এই বিকেল খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক মানুষের স্মৃতি মনে পড়ে। খুঁজতে খুঁজতে আমার সংগ্রহের তোমাদের এই ছবিটা পেয়ে গেলাম। আমার একাকিত্বের কথা শুনে তিনি বললেন, একাকি এরকম সময়ে, নীরবে ফাঁসির হুকুম মেনে নিতে পারো,
নীরবে সবচয়ে খুশির খবর মেনে নিতে পারো।" হোয়াটসঅ্যাপ খুলে ছবিটা দেখে অবাক হয়ে গেলাম! ১৯৯১ সালে নিউওয়ার্কে "বাংলাদেশ সোসাইটি, আমেরিকা" কর্তৃক এরশাদের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র নেতাদের সংবর্ধনা সভার একটি দুর্লভ ছবি নাজমুল হক প্রধান এবং আমার। আখতার ভাইয়ের ভাষায়, ঈদ উপলক্ষে আমাদের দুজনের জন্য সত্যি একটি অতুলনীয় উপহার। ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা আখতার ভাই। ছবিটি প্রধানকেও পাঠালাম। 
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ রোজার ইফতারের আজান পড়বে। ইতোমধ্যে হঠাৎ তাপদগ্ধ প্রকৃতির বিরুদ্ধে আকাশের শীতলতার বজ্র নির্ঘোষ। খানিক কালবৈশাখী ঝড় আর বৃষ্টি বর্ষণে। হয়তো ভয়াবহ তাপমাত্রা কমে আসবে। তাহলে হয়তো বেরোনো যাবে। উবার, সিএনজি, রিকশায় ছুটতে পারবো বন্ধুদের আমন্ত্রণ রক্ষার্থে। ঈদের সকাল, দুপুর, বিকেল কিংবা রাতে। একেক সময় একেকজনের বাড়িতে। না কমলে পাঁচ দিন ঘরেই কাটিয়ে দেবো। 

ঈদ মোবারক। ঈদ মোবারক। ঈদের প্রীতি ও শুভেচ্ছা সবাইকে।

লেখক: কবি

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর মাঠে থাকা প্রয়োজন
নির্বাচন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর মাঠে থাকা প্রয়োজন
সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়তে হবে
সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়তে হবে
হয়রানি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকারকে শক্ত হতে হবে
হয়রানি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকারকে শক্ত হতে হবে
জাতীয়তাবাদের উপহার সবাই মিলে এক জাতি
জাতীয়তাবাদের উপহার সবাই মিলে এক জাতি
তারুণ্যের কাছে প্রত্যাশা
তারুণ্যের কাছে প্রত্যাশা
মামলাবাণিজ্যে ধ্বংস হচ্ছে দেশ
মামলাবাণিজ্যে ধ্বংস হচ্ছে দেশ
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক: বাংলার মুক্তি ও বাংলাদেশের পূর্বাভাস
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক: বাংলার মুক্তি ও বাংলাদেশের পূর্বাভাস
বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়াতে পারছেন না
বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়াতে পারছেন না
জেনারেল ওয়াকার ম্যাজিকে গণমানুষের উচ্চাশা
জেনারেল ওয়াকার ম্যাজিকে গণমানুষের উচ্চাশা
আরববিশ্বের নীরবতা গাজার গণহত্যাকে উসকে দিচ্ছে
আরববিশ্বের নীরবতা গাজার গণহত্যাকে উসকে দিচ্ছে
দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া
দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া
চেনা যায় সহজেই
চেনা যায় সহজেই
সর্বশেষ খবর
চট্টগ্রামে শব্দ দূষণ প্রতিরোধে সাইকেল র‍্যালি
চট্টগ্রামে শব্দ দূষণ প্রতিরোধে সাইকেল র‍্যালি

১৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জনতার হাতে আটক যুবলীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ
জনতার হাতে আটক যুবলীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পিকআপ-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ১
পিকআপ-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ১

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে মে দিবসের অঙ্গীকার : শিমুল বিশ্বাস
শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে মে দিবসের অঙ্গীকার : শিমুল বিশ্বাস

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

ডুয়েটে আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর উদ্বোধন
ডুয়েটে আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর উদ্বোধন

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়া থেকে কাল দেশে ফিরছেন ১৭৭ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে কাল দেশে ফিরছেন ১৭৭ বাংলাদেশি

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় অবহিতকরণ সভা
কলাপাড়ায় অবহিতকরণ সভা

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ ত্বরান্বিত করতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ
চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ ত্বরান্বিত করতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

১১ মাস পর হিলিতে ভারত থেকে কচুরমুখি আমদানি
১১ মাস পর হিলিতে ভারত থেকে কচুরমুখি আমদানি

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসিলা ও বেড়িবাঁধ সড়কের যানজট নিরসনে ডিএমপির নতুন নির্দেশনা
বসিলা ও বেড়িবাঁধ সড়কের যানজট নিরসনে ডিএমপির নতুন নির্দেশনা

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কলাপাড়ায় সন্ত্রাসী হামলায় শিক্ষার্থী আহত
কলাপাড়ায় সন্ত্রাসী হামলায় শিক্ষার্থী আহত

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যার অভিযোগ
মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যার অভিযোগ

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে নিহত ৩৫
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে নিহত ৩৫

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা জানা গেল
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা জানা গেল

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সাবেক সংসদ সদস্য শাহরিন ইসলাম তুহিনের মুক্তির 
দাবিতে নীলফামারীতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ
সাবেক সংসদ সদস্য শাহরিন ইসলাম তুহিনের মুক্তির  দাবিতে নীলফামারীতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে ‘তাণ্ডব’র শুটিং দৃশ্য
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে ‘তাণ্ডব’র শুটিং দৃশ্য

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

'সংস্কার যেটুকু প্রয়োজন দ্রুত সেরে নির্বাচন দিন'
'সংস্কার যেটুকু প্রয়োজন দ্রুত সেরে নির্বাচন দিন'

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঝিনাইদহে মাদক কারবারি আটক
ঝিনাইদহে মাদক কারবারি আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে দিনব্যাপী কর্মশালা
বরিশালে দিনব্যাপী কর্মশালা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা
খাগড়াছড়িতে জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সিগঞ্জে দুর্বৃত্তদের হামলা, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
মুন্সিগঞ্জে দুর্বৃত্তদের হামলা, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইটনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
ইটনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনলাইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের আবেদন শুরু ১৫ মে
অনলাইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের আবেদন শুরু ১৫ মে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাক-প্রাথমিকে ১৫০০ বিদ্যালয়ে স্মার্ট টিভি-ল্যাপটপ দেবে সরকার
প্রাক-প্রাথমিকে ১৫০০ বিদ্যালয়ে স্মার্ট টিভি-ল্যাপটপ দেবে সরকার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোবিপ্রবির এএসভিএম বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
গোবিপ্রবির এএসভিএম বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ
জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল নরসিংদীর লটকন
জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল নরসিংদীর লটকন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবানলে জ্বলছে ইসরায়েল, হন্য হয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা
দাবানলে জ্বলছে ইসরায়েল, হন্য হয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশব্যাপী শব্দদূষণবিরোধী অভিযানে ২৬৫ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ
দেশব্যাপী শব্দদূষণবিরোধী অভিযানে ২৬৫ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের তাড়া খেয়ে পিছু হটেছে ভারতীয় রাফাল
পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের তাড়া খেয়ে পিছু হটেছে ভারতীয় রাফাল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’, অডিওটি শেখ হাসিনার
‘২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’, অডিওটি শেখ হাসিনার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘মুক্তিযোদ্ধা’র সনদ বাতিলের তালিকায় আলোচিত নামগুলো কারা?
‘মুক্তিযোদ্ধা’র সনদ বাতিলের তালিকায় আলোচিত নামগুলো কারা?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এখনো তৎপর মালয়েশিয়ার সিন্ডিকেট
এখনো তৎপর মালয়েশিয়ার সিন্ডিকেট

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে হামলা চালাতে পারে ভারত’
‘২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে হামলা চালাতে পারে ভারত’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
সৌদি আরবে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন-পাকিস্তানকে ‘মাথায় রেখেই’ কী রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত?
চীন-পাকিস্তানকে ‘মাথায় রেখেই’ কী রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুহুর্মুহু রকেট হামলায় বিপর্যস্ত মার্কিন রণতরী, বাধ্য হলো পিছু হটতে
মুহুর্মুহু রকেট হামলায় বিপর্যস্ত মার্কিন রণতরী, বাধ্য হলো পিছু হটতে

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উচ্চতর গ্রেড পাবেন সরকারি চাকরিজীবীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরা
উচ্চতর গ্রেড পাবেন সরকারি চাকরিজীবীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেয়ার মার্কিন প্রস্তাবে ‘অস্বীকৃতি’ সিরিয়ার
আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেয়ার মার্কিন প্রস্তাবে ‘অস্বীকৃতি’ সিরিয়ার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুবর্ণা, শাওনসহ ১৭ অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা
সুবর্ণা, শাওনসহ ১৭ অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভিনেতা সিদ্দিকের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ
অভিনেতা সিদ্দিকের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাবানলে জ্বলছে ইসরায়েল, হন্য হয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা
দাবানলে জ্বলছে ইসরায়েল, হন্য হয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যখন বুঝতে পারলাম কী হচ্ছে, তখন চিৎকার শুরু করি’
‘যখন বুঝতে পারলাম কী হচ্ছে, তখন চিৎকার শুরু করি’

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধাবস্থা নিয়ে জেল থেকে যে বার্তা দিলেন ইমরান খান
ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধাবস্থা নিয়ে জেল থেকে যে বার্তা দিলেন ইমরান খান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’, এক ঠিকানায় মিলবে সব সেবা
আসছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’, এক ঠিকানায় মিলবে সব সেবা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন ক্ষেপণাস্ত্র-বোট তৈরির ঘোষণা দিল ইরান
নতুন ক্ষেপণাস্ত্র-বোট তৈরির ঘোষণা দিল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর, কেউ হামলা করার সাহস করবে না : মরিয়ম
পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর, কেউ হামলা করার সাহস করবে না : মরিয়ম

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ই-কমার্স ব্যবসায় মেয়ে, যে কারণে বিনিয়োগ করলেন না বিল গেটস
ই-কমার্স ব্যবসায় মেয়ে, যে কারণে বিনিয়োগ করলেন না বিল গেটস

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘অনুমানে দুইয়ে দুইয়ে চার না মেলানোই ভালো’
‘অনুমানে দুইয়ে দুইয়ে চার না মেলানোই ভালো’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইমরানকে মুক্তি দিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকুন: পিটিআই
ইমরানকে মুক্তি দিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকুন: পিটিআই

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুতিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা; স্থায়ী চুক্তি চান ট্রাম্প
পুতিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা; স্থায়ী চুক্তি চান ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি নেতা আমানের ১৩ ও তার স্ত্রীর ৩ বছরের সাজা বাতিল
বিএনপি নেতা আমানের ১৩ ও তার স্ত্রীর ৩ বছরের সাজা বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রমিক অসন্তোষে গাজীপুরে দুই কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
শ্রমিক অসন্তোষে গাজীপুরে দুই কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রাইজবন্ডের ১১৯তম ‘ড্র’ আজ
প্রাইজবন্ডের ১১৯তম ‘ড্র’ আজ

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

চিন্ময় দাসের জামিন হাইকোর্টে
চিন্ময় দাসের জামিন হাইকোর্টে

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিরাজের ঘূর্ণিতে তিনদিনেই জিতল বাংলাদেশ
মিরাজের ঘূর্ণিতে তিনদিনেই জিতল বাংলাদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইফোন ১৭-কে টপকে যাবে অ্যান্ড্রয়েড?
আইফোন ১৭-কে টপকে যাবে অ্যান্ড্রয়েড?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবা-ছেলে গ্রেফতার
গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবা-ছেলে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১৯তম প্রাইজ বন্ডের ড্র, প্রথম বিজয়ী নম্বর ০২৬৪২৫৫
১১৯তম প্রাইজ বন্ডের ড্র, প্রথম বিজয়ী নম্বর ০২৬৪২৫৫

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অভিবাসী বহিষ্কারে রেকর্ড গড়লেন ট্রাম্প
অভিবাসী বহিষ্কারে রেকর্ড গড়লেন ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে চায় ডেসকো ওজোপাডিকো
বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে চায় ডেসকো ওজোপাডিকো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমবাগান পরিদর্শনে চীনের রাষ্ট্রদূত
আমবাগান পরিদর্শনে চীনের রাষ্ট্রদূত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আরও জটিল রোহিঙ্গা পরিস্থিতি
আরও জটিল রোহিঙ্গা পরিস্থিতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজনেস পিপলকে মেরে ফেলা যাবে না
বিজনেস পিপলকে মেরে ফেলা যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনের হাসপাতাল নীলফামারীতে
চীনের হাসপাতাল নীলফামারীতে

পেছনের পৃষ্ঠা

পল্লী বিদ্যুতে চালু রাখার চেষ্টা ডিইপিজেড
পল্লী বিদ্যুতে চালু রাখার চেষ্টা ডিইপিজেড

নগর জীবন

মোহনীয় কৃষ্ণচূড়া জারুল সোনালু
মোহনীয় কৃষ্ণচূড়া জারুল সোনালু

পেছনের পৃষ্ঠা

পাল্টা প্রস্তুতিতে পাকিস্তান
পাল্টা প্রস্তুতিতে পাকিস্তান

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবিলা নূরের লুকোচুরি...
সাবিলা নূরের লুকোচুরি...

শোবিজ

বিনিয়োগকারীরা আর ঝুঁকি নিতে চান না
বিনিয়োগকারীরা আর ঝুঁকি নিতে চান না

পেছনের পৃষ্ঠা

অভিনেতা সিদ্দিককে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ
অভিনেতা সিদ্দিককে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ

পেছনের পৃষ্ঠা

অপকর্ম করলে আওয়ামী লীগের মতো অবস্থা
অপকর্ম করলে আওয়ামী লীগের মতো অবস্থা

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহকর্মী ধর্ষণের শিকার, বাবা-ছেলে আটক
গৃহকর্মী ধর্ষণের শিকার, বাবা-ছেলে আটক

দেশগ্রাম

শেরেবাংলা, মেয়র হানিফ ও ঢাকার মশা
শেরেবাংলা, মেয়র হানিফ ও ঢাকার মশা

সম্পাদকীয়

ব্যবসায় পরিবেশ উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই
ব্যবসায় পরিবেশ উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

শিশুশিল্পী থেকে যেভাবে তারকা
শিশুশিল্পী থেকে যেভাবে তারকা

শোবিজ

আইসিইউতে অর্থনীতি, সংকটে রাজনীতি
আইসিইউতে অর্থনীতি, সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিতর্কে কারিনা
বিতর্কে কারিনা

শোবিজ

শ্রমিকেরাও মানুষ
শ্রমিকেরাও মানুষ

সম্পাদকীয়

মোহামেডানকে কাঁদিয়ে ক্রিকেটে আবাহনীই সেরা
মোহামেডানকে কাঁদিয়ে ক্রিকেটে আবাহনীই সেরা

মাঠে ময়দানে

চম্পা কেন দূরে
চম্পা কেন দূরে

শোবিজ

গ্যাস ও ব্যাংকিং সংকটে বিপর্যয়ে রপ্তানি শিল্প
গ্যাস ও ব্যাংকিং সংকটে বিপর্যয়ে রপ্তানি শিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বছর পর সেমিতে বার্সা-ইন্টার
১৫ বছর পর সেমিতে বার্সা-ইন্টার

মাঠে ময়দানে

নাচে এখন পেশাদারির জায়গা তৈরি হয়েছে
নাচে এখন পেশাদারির জায়গা তৈরি হয়েছে

শোবিজ

কী চায় নতুন দলগুলো
কী চায় নতুন দলগুলো

প্রথম পৃষ্ঠা

মানুষ মর্যাদা পাবে তার গুণের ভিত্তিতে
মানুষ মর্যাদা পাবে তার গুণের ভিত্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ
চট্টগ্রামে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

নাটকীয় ফাইনালে কিংসের শিরোপা
নাটকীয় ফাইনালে কিংসের শিরোপা

মাঠে ময়দানে