শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১৭, শনিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৩ আপডেট:

ঈদ মানে বাড়ি ফেরা

মোহন রায়হান
অনলাইন ভার্সন
ঈদ মানে বাড়ি ফেরা

অফিসে খাই। খাবার নিয়ে আসি। অফিস বন্ধ। বাইরের খাবার খাবো না। বন্ধুবান্ধবের বাসায় যেয়ে খেয়ে আসবো? আমার গাড়ি চালক শাহীন বাড়ি যাচ্ছে। বাইরে যে গরম! উপায় কি? বাধ্য হয়ে গতকাল দুপুরে অফিস শেষ করে মগবাজার মীনা বাজারে ঢুকেছিলাম, চিড়া, স্কিম মিল্ক, ফল, বিস্কুট ইত্যাদি শুকনো খাবার কিনতে। আগামী পাঁচ দিন অধিকাংশ সময় এসব খেয়েই কাটিয়ে দিতে হবে। উত্তাল সংগ্রামী দিনে- জেলে, আন্ডারগ্রাউন্ডে, পলাতক জীবনে, খেয়ে না খেয়ে থাকার অনেক অভ্যেস আছে। অসুবিধা হবে না। 

সন্ধ্যায় প্রিয় তোহা মুরাদের অফিসে নানা রকমের প্রাকৃতিক শরবত আর সবজি খিচুড়ির নির্দোষ ইফতারি শেষে রাতে বাসায় ফিরি। প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই একটি শিশু মন থাকে যাকে সব সময় নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। খাওয়া-দাওয়ায় আমার এত বাছ-বিচার সত্ত্বেও গতকাল মিনা বাজারে থেকে একসময়ের প্রিয়  দু'প্যাকেট চিপস কিনে এনেছিলাম। রাতে টেলিভিশনে টক শো দেখতে দেখতে তার এক প্যাকেট খেয়ে ফেললাম। বন্ধুদের মনে আছে কিনা গত বছরের রোজার ঈদে, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বাসায় দাওয়াত খেয়ে এসে প্রচণ্ড পেট ব্যথা নিয়ে আমাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। গতরাত বারোটার দিকে আমার সেই পুরনো তীব্র পেট ব্যথা আবার শুরু হলো। ব্যথা তো ব্যথা সে আর থামে না। বাড়তেই থাকে। এই নিয়ে কয়েকবার এই ব্যথা উঠলো। ভবনের কেয়ারটেকারকে ফোন করে ঘুম ভাঙালাম। বললাম, কাপড় পরো, রেডি হও, লিফট ছাড়ো, আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, আমার সেই পুরনো ব্যথা আজকে আবার উঠেছে। অসহ্য ব্যথায় দুমড়ে মুচড়ে যেতে যেতে নিজে শার্ট প্যান্ট পরে নিচে নেমে এলাম। কেয়ারটেকারকে সঙ্গে নিয়ে খানিক হেঁটে খানিক রিকশাতে হাসপাতালে গেলাম। ইমারজেন্সিতে ঢুকে সাওলের কনসালটেন্ট ডাক্তার ফারহানকে ফোন করে ইমারজেন্সির ডাক্তারকে ধরিয়ে দিলাম। ফারহান বলে দিল, কী করতে হবে। দুটো কম্বাইন্ড ইনজেকশন পুশ করলো আর চার চামচ সিরাপ খাইয়ে দিল। ঘণ্টা দুয়েক শুয়ে থেকে ব্যথা একটু কমলে মধ্যরাতে বাসায় চলে এলাম। 
আজ সারাদিন একাকী বাসায় শুয়ে বসে পড়ে লিখে কাটাচ্ছি। নাভির ডান পাশে উপরের দিকে একটু একটু ব্যথা আছে তবে স্বাভাবিক একটু অস্বস্তি ছাড়া তেমন কষ্ট নেই। 
শরীরটা দুর্বল। মনটা খারাপ। মাকে খুব মনে পড়ছে। আগামীকাল ঈদ। ঈদ মানে ছিল বাড়ি ফেরা। মায়ের কাছে ফেরা। জীবনে খুব কম ঈদ ছিল মায়ের কাছে ফিরিনি। কোন কোন বার ফিরতে না চাইলেও মায়ের আদেশ পালন করতে, মাকে খুশি রাখতে শেষ মুহূর্তে হলেও ফিরতে হয়েছে। সেই মা আজ নেই। মাত্র ৫ দিন আগে মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। ইচ্ছে এবং প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও আর্থিক অনটনের কারণে মায়ের কাছে ফেরা হয়নি। যে কারণে মনটা আরও বেশি খারাপ। 
বাড়ি যাব না জেনে পুত্রসম ডাক্তার ফারহান পরশুদিন বারবার বলেছিল, আমার বাসায় চলেন একসঙ্গে ঈদ করবো।' বন্ধু ঝর্না গতকাল দুবার টেক্সট আর আজ সকালে ফোন করেছে ওর বাসায় চলে যেতে, ওর পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে। ওর পরিবারের সবাই আমার অতি আপনজন। সব সুখদুখের সাথী। বন্ধু কেএম কামাল, প্রিন্সিপাল আব্দুর রাজ্জাক ফোন করেছে তাদের বাসায় নিয়ে যেতে, একসঙ্গে ঈদ করতে। খবর পেয়ে বন্ধু কথা শিল্পী আনোয়ারা আজাদ টেক্সট করেছে, আমেরিকা থেকে বন্ধু, সহপাঠী খালেদা সিরাজী সকালে ফোন করে কথা বলেছে, জলি টেক্সট করেছে, বন্ধু লুৎফর ফোন করেছে। কেয়ার টেকার কুদ্দুস সকালে বাড়ি যাওয়ার আগে বলল, স্যার, এই অবস্থায় আপনাকে রেখে কীভাবে যাই? আমার বাড়িতে চলেন একসঙ্গে ঈদ করব। স্যার আমি গাড়ি ভাড়া করে আপনাকে নিয়ে যাব।"
আসলে কারো আমন্ত্রণই ফেলবার নয়। কার কাছে যাবো? আমার এই একাকীত্ব নিঃসঙ্গতা অসুস্থতা অসহায়ত্ব হয়তো সবাইকে কষ্ট দিচ্ছে। সবার আমন্ত্রণই অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ, নিখাদ, অকৃত্রিম। কিন্তু কষ্টের আরেক নামই তো মোহন রায়হান। ওই যে কথায় আছে না -কষ্টে যাদের জীবন গড়া তাদের আবার কষ্ট কিসের?' ভুল ভুল আর ভুল। কেবলই ভুল। হৃদয়াবেগ দিয়ে চলা মানুষের জীবন এমনই হয়। ভুলের পাহাড় চাপা বুকে যাদের বিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে, তাদেরই একজন আমার আবার কষ্ট কিসের? আর একাকীত্ব? নিঃসঙ্গতা? সে তো আমার ১৮-১৯ বছর বয়সেই প্র্যাকটিস করা। কারাগারের সেলে এমনকি জেল-আন্দোলনের কারণে পানিশমেন্ট সেলেও দিনের পর দিন, বছরের পর বছর আমি একাকী কাটিয়েছি কৈশর এবং যৌবনের সন্ধিক্ষণ সময়ে।
আর এই পাঁচ দিন কি আমি একাকী কাটাতে পারবো না? অনাহার অর্ধাহারে থাকতে পারবো না? ওই যে চিড়া, মুড়ি, ফল, বিস্কুট নিয়ে ঢুকেছি নিঃসঙ্গ গুহায়, আদিম মানুষের মতন কাটিয়ে দেবো ৫ দিন অনায়াসে। এইতো আজ সারাদিন কিছুই খাওয়া হয়নি। সঙ্গে যদি থাকে বই আর আধুনিক সভ্যতার অন্যতম আবিষ্কার তথ্যপ্রযুক্তির সেরা উপহার স্মার্টফোন, গান। কিসের দুর্ভাবনা? কিসের দুশ্চিন্তা? এই লেখা লিখতে লিখতে হঠাৎ ফোন এলো, ডাকসুর সাবেক ভিপি, সাবেক এমপি আখতারউজ্জামান, আখতার ভাইয়ের। 
তিনি বললেন, হোয়াটসঅ্যাপে দেখো একটা ছবি পাঠিয়েছি তোমার আর নাজমুল হক প্রধানের। একটা সেরা ঈদ  উপহার তোমাদের জন্য। ঈদের আগের দিনের এই বিকেল খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক মানুষের স্মৃতি মনে পড়ে। খুঁজতে খুঁজতে আমার সংগ্রহের তোমাদের এই ছবিটা পেয়ে গেলাম। আমার একাকিত্বের কথা শুনে তিনি বললেন, একাকি এরকম সময়ে, নীরবে ফাঁসির হুকুম মেনে নিতে পারো,
নীরবে সবচয়ে খুশির খবর মেনে নিতে পারো।" হোয়াটসঅ্যাপ খুলে ছবিটা দেখে অবাক হয়ে গেলাম! ১৯৯১ সালে নিউওয়ার্কে "বাংলাদেশ সোসাইটি, আমেরিকা" কর্তৃক এরশাদের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র নেতাদের সংবর্ধনা সভার একটি দুর্লভ ছবি নাজমুল হক প্রধান এবং আমার। আখতার ভাইয়ের ভাষায়, ঈদ উপলক্ষে আমাদের দুজনের জন্য সত্যি একটি অতুলনীয় উপহার। ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা আখতার ভাই। ছবিটি প্রধানকেও পাঠালাম। 
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ রোজার ইফতারের আজান পড়বে। ইতোমধ্যে হঠাৎ তাপদগ্ধ প্রকৃতির বিরুদ্ধে আকাশের শীতলতার বজ্র নির্ঘোষ। খানিক কালবৈশাখী ঝড় আর বৃষ্টি বর্ষণে। হয়তো ভয়াবহ তাপমাত্রা কমে আসবে। তাহলে হয়তো বেরোনো যাবে। উবার, সিএনজি, রিকশায় ছুটতে পারবো বন্ধুদের আমন্ত্রণ রক্ষার্থে। ঈদের সকাল, দুপুর, বিকেল কিংবা রাতে। একেক সময় একেকজনের বাড়িতে। না কমলে পাঁচ দিন ঘরেই কাটিয়ে দেবো। 

ঈদ মোবারক। ঈদ মোবারক। ঈদের প্রীতি ও শুভেচ্ছা সবাইকে।

লেখক: কবি

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়