শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২৮, সোমবার, ২৬ জুন, ২০২৩ আপডেট:

দিল্লির চিঠি

নরেন্দ্র মোদির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর স্পষ্ট হবে ভবিষ্যতের যাত্রাপথ

জয়ন্ত ঘোষাল
অনলাইন ভার্সন
নরেন্দ্র মোদির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর স্পষ্ট হবে ভবিষ্যতের যাত্রাপথ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফর নিয়ে বিস্তর আলাপ-আলোচনা শুরু হয়ে গেছে ভারতে-বাংলাদেশে। অনেকেই প্রশ্ন করছেন, এবার মোদির মার্কিন সফরে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা হলো? সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসন যেভাবে বাংলাদেশের ওপর খড়্গহস্ত হয়েছে, এক বিচিত্র ভিসানীতি ঘোষণা করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট, সে ব্যাপারে নরেন্দ্র মোদি কি বাইডেনকে কিছু বললেন? কেউ কেউ বলছেন, এ বিষয়ে আলোচনা করার প্রশ্নই ওঠে না। বাইডেনের সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়ে মোদি আলোচনা করতে যাবেন কেন? আবার অনেকে বলছেন, না, বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বিস্তর। আসল সত্যটা কী?

বিনীতভাবে পাঠকদের জানাতে চাই, রাজীব গান্ধী যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সেই তখন থেকে আমি দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফর করছি। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী সাংবাদিক হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গেছি। কখনো অটল বিহারি বাজপেয়ি, নরসিমা রাও, কখনো মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে। এখন নরেন্দ্র মোদির যে মার্কিন সফর, সেটি অতীতের সফরগুলোর সঙ্গে অনেক বিষয়ে ফারাক আছে। কূটনীতির একটা নিজস্ব ধারাবাহিকতাও থাকে। অর্থাৎ সেটা বুশ, ওবামা, ক্লিনটন, ট্রাম্প থেকে বাইডেন, সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে। কাজেই নেহরু থেকে মোদি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অনেক উত্থান-পতন হয়েছে। কিন্তু কূটনীতির একটা ধারাবাহিকতা সব সময় ছিল, আছে। সেখানে কিভাবে এবং কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বা হতে পারে না, সেটা প্রথমে বুঝে নিতে হয়।

বাইডেন ও মোদির যখন বৈঠক হয়, তখন সেটা ঠিক আমাদের পাড়ার সকালের চায়ের আড্ডা নয় যে মোদি বলবেন, ‘কী বাইডেন মশাই, আপনি বাংলাদেশ নিয়ে কী ভাবছেন? আচ্ছা, বাংলাদেশের ভিসানীতি নিয়ে আপনি যে এ রকম সব বললেন, এমনটা বললেন কেন? এটা কিন্তু আমাদের না পছন্দ। আর যাই বলুন, বাংলাদেশ নিয়ে এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে ভারতের কোনো ক্ষতি হয়ে যায়।’ তখন বাইডেন আরে নরেন্দ্র বলে পিঠটা চাপড়ে দিয়ে বলবেন, ‘আপনি এত বাংলাদেশ নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন কেন? চিন্তার কোনো কারণ নেই।’ ব্যাপারটা কিন্তু ঠিক এ রকম নয়। তাহলে কেমন?

প্রথমত আলোচনা হয়। সেখানে এ ধরনের আলোচনাগুলো দুই ভাগে ভাগ করা যায়। একটা হচ্ছে, কূটনৈতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা। যেখানে বাইডেনের সঙ্গে একটি প্রতিনিধিদল থাকে। যেখানে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব থাকবেন। আবার ভারতেরও একটা প্রতিনিধিদল থাকে, যেখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারতের প্রতিনিধিদল থাকবে। দুই দেশেরই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাকবে। আবার অনেক সময় ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক হয়। অর্থাৎ সেখানে দুজনই থাকেন। কোনো তৃতীয় ব্যক্তি সেখানে থাকেন না। সাধারণত সেটা খুব কম হয়। আর যাই হোক, একজন দোভাষীকে তো থাকতেই হয়, যিনি হিন্দি থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে দেবেন। আর এই দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর শুরু হয় তার পরের স্তরের আলোচনা। অনেক সময় সেটা আগেও হোম ওয়ার্ক করার জন্য হয়। আবার অনেক সময় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়ে যাওয়ার পরও সেটা হতে থাকে। সেটা কখনো ভারতে, কখনো আমেরিকায় হয়।

নরেন্দ্র মোদির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর স্পষ্ট হবে ভবিষ্যতের যাত্রাপথএকটা উদাহরণ দিই, ধরুন, মোদি বাইডেনের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার আগে দিল্লিতে এসেছিলেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলেভান। সেই জ্যাক সুলেভানের সঙ্গে অজিত দোভাল বৈঠক করেন, যেটা প্রধানমন্ত্রী স্তরে বা হেড অব দ্য স্টেটের স্তরে হয় না, কিন্তু এনএসের স্তরে সে কথাটা বলা যায়, সেখানে অজিত দোভাল বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে আমেরিকা যেন এমন কিছু না করে, যাতে ভারতের যে সার্বভৌম স্বার্থ বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে, সেখানে এমন কিছু যেন না হয়, যেটা বাংলাদেশকে আঘাত করতে গিয়ে ভারতও আহত না হয়। কেন ভারত বাংলাদেশ নিয়ে উত্থাপন করছে? সেটা যতটা বাংলাদেশের স্বার্থে, তার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের সার্বভৌম স্বার্থও জড়িয়ে আছে। অজিত দোভালও যখন এ কথাটা বলবেন, তখন তিনি বলবেন, এই উপমহাদেশে ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও আপনারা এমন কোনো নীতি গ্রহণ করবেন না, যেটা ভারতের সার্বভৌম স্বার্থে আঘাত লাগে। আমরা এটাকে বলি, আন্ডারস্টুড ডিপ্লোম্যাসি। অর্থাৎ বুঝে নিতে হয়। স্পষ্ট ভাষায় চায়ের দোকানের মতো করে চোখে আঙুল দিয়ে কথা বলার প্রয়োজন কূটনীতিতে হয় না। অর্থাৎ কূটনীতিতে যেমন বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ইমপর্ট্যান্ট, শরীরের ভাষার পাশাপাশি নানা রকমের ইঙ্গিত, নানা রকমের সংকেত ইত্যাদিও থাকে।

এখানে নরেন্দ্র মোদির এবারের মার্কিন সফরে অনেক আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশের বিষয়টা কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে? তার কারণ নরেন্দ্র মোদি যাওয়ার আগেই আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তিনি যদি বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলেন বা অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র নিয়ে কথা বলেন, সেটাতে তারা ডিসকারেজ করবে না। অর্থাৎ সেটাতে বাধা দেবে না। কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। মোদি জি২০-এর শুধু ক্যাপ্টেন নন, তিনি এই উপমহাদেশেরও একজন বড় রাষ্ট্রনায়ক। চীন ও ভারতের মধ্যে একটা অক্ষগত জটিলতা এবং সংঘাত আছে। সুতরাং সেখানে ভারতের যে সার্বভৌম স্বার্থ যেসব দেশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করাটাই তো স্বাভাবিক ঘটনা। আজকে চীন যদি মিয়ানমারে ড্রাগনের নিঃশ্বাস ফেলে, মিয়ানমার-চীন সম্পর্কের জন্য যদি ভারতের অসুবিধা হয় এবং এর ফলে রোহিঙ্গা সমস্যা ভারতের অস্বস্তির কারণ হয়, তাহলে সেটা কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে না জানানোরও কোনো কারণ নেই। কেননা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও তো আবার প্রথম দুনিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র, যার সঙ্গে চীনের সরাসরি সংঘাত আছে। সুতরাং জিওস্ট্র্যাটেজিক কারণেই কিন্তু এই আলাপ-আলোচনা হয়।

বারবার আমি বলছি, হেড অব দ্য স্টেটের স্তরে সব সময় এগুলো এত খোলাখুলি, এত সবিস্তার আলোচনা হয় না। হয়, যদি সেটা ওয়ান ইজ টু ওয়ান বৈঠক হয় এবং যখন রিট্রিট হয়। অর্থাৎ যখন কোনো রেকর্ড থাকে না, খোলামেলা আলোচনা হয়। আমরা জানি, গোধরা কাণ্ডের জন্য নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে আমেরিকার সমস্যা কম ছিল না। তখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদি, তখন আমেরিকা তাঁকে ব্ল্যাকলিস্টেড করেছিল এবং ভিসা দিত না। তারপর ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আমেরিকা তাঁকে ভিসা দিতে বাধ্য হয়। তবে কোনো দিনই স্টেট ভিজিট কিন্তু হয়নি। সব সময় ওয়ার্কিং ভিজিট কিংবা অফিশিয়াল ভিজিট ইত্যাদি খেতাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই প্রথম স্টেট ভিজিট হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সফর বাইডেনও খুব বেশি করেন না। এর আগে একবার কোরিয়ার ক্ষেত্রে তিনি করেছিলেন এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট করেছিলেন।

নরেন্দ্র মোদির এবারের রাষ্ট্রীয় সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তার কারণ আমেরিকারও কিন্তু ভারতকে বিশেষভাবে প্রয়োজন এবং ভারতকে আমেরিকাও যথেষ্ট খাতির-যত্ন এবার করেছেন বাইডেন। পুরো সফরটা যদি বিশ্লেষণ করা যায়, তাহলে দেখা যাবে যে নরেন্দ্র মোদিকে একটু বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ থেকে ড্রোন দেওয়া পর্যন্ত সব ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। জি২০ সম্মেলন হবে সেপ্টেম্বর মাসে। সেখানেও যেহেতু ভারত প্রধান ক্যাপ্টেন। সেই কারণে সব নেতাই আবার ভারতে আসবেন। সেখানে কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে নরেন্দ্র মোদিকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় চাইছে ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলো। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও জাপানে হিরোশিমায় নরেন্দ্র মোদির একটা বৈঠক হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি তাঁর সম্পর্ক অটুট রেখেও আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখতে সক্ষম হয়েছেন। এটা তাঁর কূটনীতির একটা সাফল্য। ন্যাটো সদস্য না হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দর-কষাকষি করে তাঁর নিজের মর্যাদাটা তিনি রক্ষা করছেন। বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনেও নরেন্দ্র মোদি সে কথা জানিয়েছেন।

এখানে একটা কথা বলব, আসলে আত্মসমর্পণ করলেই সুসম্পর্ক হয় না। বাংলাদেশ যখন ১৯৭১ সালে গঠন হয়, তখন আমেরিকার কী অবস্থান ছিল এবং সেই সময় থেকে বাংলাদেশও কিভাবে আমেরিকার সঙ্গে লড়াই করে তার নিজের সার্বভৌম স্বার্থকে রক্ষা করেছে, সেটা মুজিবুর রহমানের যে ঘোষিত নীতি, সেই ঘোষিত নীতির পর নিক্সন-ইন্দিরা ও ভারতের সম্পর্কের যে জটিলতা এবং পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর বাংলাদেশে সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন হওয়ার পর আমেরিকাকেও কিন্তু সেই সার্বভৌম রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে মেনে নিতে হয়। সেই লড়াই কিন্তু আজও চলেছে। এবারও নরেন্দ্র মোদি তাঁর মার্কিন সফরে এই লড়াইয়ে লড়ে বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট আশ্বাস অর্জন করতে পেরেছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এখন আর্থিক সংকট চরমে। সেখানে তিনটা ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেছে। আর্থিকভাবে ঋণগ্রস্ত আমেরিকা। বাইডেনকে সংসদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সেই ঋণমুক্তির ওয়ে আউট কী হতে পারে, তা নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে হয়েছে। বিরোধীরা অবশ্য বাইডেনকে এ ব্যাপারে সমর্থন করেছেন। একটা ঋণমুক্তির রাস্তা বের করেছে সংসদ। এ অবস্থায় চীন একটা মস্ত বড় থ্রেট। সেখানে চীনের মোকাবেলায় ভারতকে সঙ্গে রাখা আমেরিকার জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। যে কারণে এবারের দি ইকোনমিস্ট পত্রিকারও প্রচ্ছদ নিবন্ধ হচ্ছে যে আমেরিকার বেস্ট ফ্রেন্ড এখন ভারত। আমেরিকাকে ভারত যতই অপছন্দ করুক না কেন, ভারত আমেরিকার বেস্ট ফ্রেন্ড। এটা ইকোনমিস্টের মতো পত্রিকার প্রচ্ছদ নিবন্ধের বিষয়।

এখানে একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, এবারে বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে দুটি তথ্য দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। প্রথমত, বিশদভাবে যুক্তরাষ্ট্র তার স্বার্থের জন্য ভূমিকা রাখতে দ্বিধা করবে না। আর দ্বিতীয়ত, স্বার্থগুলো যখন এই অঞ্চলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তখন ভারত সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার। ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখ্য উপমুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং নৈশ ভোজ হয়েছে। তিনি ভাষণ দিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্রের সফরকে ঘিরে গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ব্রিফিংয়েও ভারত ও বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের সঙ্গে ভারত আছে কি না, তা জানতে চান এক সাংবাদিক। জবাবে বাইডেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান থেকে কথা বলে। আর ভারত কথা বলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তিতে। ভারতকে বাংলাদেশ বিষয়ে বলার সুযোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের আলোচনা, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শাসন আমলে ভারতের আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী উলফার জন্য ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানসহ সার্বিক নিরাপত্তার ঝুঁকির প্রসঙ্গ এসেছিল।

ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, নরেন্দ্র মোদি এরই মধ্যে ওয়াশিংটন যখন পৌঁছে গেছেন। এই সফরের আগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলেভান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকে অজিত দোভাল বলেছিলেন, ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোয় ভারতের জাতীয় শর্ত ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া থেকে অন্য দেশগুলোর বিরত থাকা উচিত। বিষয়টি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ওই সাংবাদিক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলেন, ভারতের একটি শীর্ষ দৈনিক পত্রিকা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বরাত দিয়ে লিখেছে যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর কিছু করা যুক্তরাষ্ট্রের উচিত নয়। যেমন- বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার শাসনকালে আসামের সন্ত্রাসীগোষ্ঠী উলফার কাছে ১০ ট্রাক সামরিক অস্ত্র পাচার হচ্ছিল। এটা নিরাপত্তার মূল বিষয়। ওই সাংবাদিক এসব বিষয়, বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও ভারসাম্যের সমস্যার সৃষ্টি করা উচিত নয়- এমন প্রত্যাশার বিষয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিক্রিয়া জানতে চান। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখ্য উপমুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল এবং ভারত ও মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে আলোচনায় বাংলাদেশের প্রসঙ্গ ওঠার কথা নাকচ করেননি। আবার বাংলাদেশ প্রসঙ্গ উঠেছে-তিনি এমনটাও সোজাসুজি বলেননি। 

বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, আমি দুটি বিষয় বলব, প্রথমত বিশদভাবে যুক্তরাষ্ট্র তার স্বার্থের বিষয়ে এবং ক্ষেত্র মুখে ভূমিকা রাখতে দ্বিধা করবে না। আগে যেমনটা বলেছি, একটি অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দোপ্যাসিফিক অঞ্চল সমুন্নত রাখতে আমরা ভারতীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করি। আমরা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো যৌথভাবে মোকাবেলা করি। উন্মুক্ত সমৃদ্ধ নিরাপদ স্থিতিশীল ও স্থিতিস্থাপক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ ইন্দোপ্যাসিফিক অঞ্চল এবং বিশ্ব গড়তে কাজ করার জন্য আমরা ভারতীয় অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরো মজবুত করার অপেক্ষায় রয়েছি।

ভারতের মতো অংশীদারদের সঙ্গে আমেরিকা যে কাজ করতে প্রস্তুত সে কথা তো আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েই দিয়েছে। ভারতও যে বাংলাদেশের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে, সেটাও স্পষ্ট। বাংলাদেশে নির্বাচন আসছে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে। আর ভারতের নির্বাচন ২০২৪ সালের মে মাসে। তার আগেই এ বিষয়গুলোর জটিলতার জট ছাড়াতে আশা করা যায় আরো আলাপ-আলোচনা এগোবে। জি২০ সম্মেলন যখন দিল্লিতে হবে, তখন শেখ হাসিনাও বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে দিল্লিতে আসবেন। তখন বাইডেনও থাকবেন। থাকবেন অন্যান্য রাষ্ট্রনায়ক। সেই সময় ভারতে মোদির সঙ্গেও হাসিনার একটা দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা। সুতরাং সব মিলিয়ে আমরা আশাবাদী, আগামী দিনে আরো স্পষ্ট হবে ভবিষ্যতের যাত্রাপথ।

লেখক : ভারতীয় সাংবাদিক।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়