শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৩:১৫
প্রিন্ট করুন printer

যুক্তরাষ্ট্র ইমিগ্রেশন কোর্টে টেলিফোনেই এসাইলাম মঞ্জুর বিএনপি কর্মীর

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্র ইমিগ্রেশন কোর্টে টেলিফোনেই এসাইলাম মঞ্জুর বিএনপি কর্মীর
ফাইল ছবি

লকডাউন শিথিল হবার পর টেলিফোনে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের পর টেলিফোনেই যুক্তিতর্কে গতকাল  বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) এক বাংলাদেশির এসাইলাম মঞ্জুর হলো পেনসিলভেনিয়াস্থ ইমিগ্রেশন কোর্টে। 

করোনায় লন্ডভন্ড পরিস্থিতি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নানা বিধিনিষেধ সত্ত্বেও বিএনপির নোয়াখালী অঞ্চলের সংগঠক মোহাম্মদ স্বপন (৩৩)-এর যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের পথ সুগমের সংবাদে অপর এসাইলাম প্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে। 

স্বপনের আইনজীবী ছিলেন নিউইয়র্ক অঞ্চলের খ্যাতনামা অভিবাসী এটর্নি অশোক কর্মকার। তিনি জানান, ২০১৬ সালে মেক্সিকো হয়ে দুর্গম সীমান্ত পথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময়েই গ্রেফতার হয়েছিলেন স্বপন। এরপর তিনি এসাইলাম প্রার্থনা করেন। কয়েকমাস টেক্সাসের ডিটেনশন সেন্টারে থাকার পর প্যারলে মুক্তিলাভ করেছেন তিনি। করোনার কারণে মধ্যমার্চ থেকেই আদালত বন্ধ। সম্প্রতি কিছু কিছু মামলার শুনানী শুরু হয়েছে টেলিফোনে। স্বপনের মামলাও সেভাবেই সম্পন্ন হলো। করোনার মধ্যে সম্ভবত নিউ ইয়র্ক অঞ্চলে এই প্রথম এক বাংলাদেশির এসাইলাম মঞ্জুর হলো।

প্রসঙ্গত, গত ৫/৬ বছরে দালাল ধরে বেশ কয়েক হাজার বাংলাদেশি তরুণও মেক্সিকো সীমান্ত পথে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেই বিএনপি অথবা এলডিপি কিংবা জাতীয় পার্টির কর্মী পরিচয়ে এসাইলাম প্রার্থনা করেছেন। এদের অধিকাংশকেই পরবর্তীতে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। অবশিষ্টরা আবেদনের সমর্থনে যথাযথ বক্তব্য এবং তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনে সক্ষম হওয়ায় পর্যায়ক্রমে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি পাচ্ছেন।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:২৪
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৪৬
প্রিন্ট করুন printer

গ্রিসে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৭ বাংলাদেশি

গ্রিস প্রতিনিধি:

গ্রিসে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৭ বাংলাদেশি

রেসিডেন্সি পারমিট নিয়ে ফ্লাইট জটিলতায় আটকে পড়েছিলেন দেড় শতাধিক গ্রিস প্রবাসী বাংলাদেশি। যাদের ফিরে আসাটা ছিল স্বপ্নের মতো। বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিস, অভিবাসন বিষয়ক কর্মীদের প্রচেষ্টায় আলোর মুখ দেখতে পেরেছেন গ্রিস প্রবাসী বাংলাদেশিরা।  

এখন পর্যন্ত আটকে পড়া প্রবাসীদের মধ্যে ৩৭ জন ট্রাভেল পাস পেয়ে গ্রিসে ফিরেছেন। এতে আটকে পড়া বাকি প্রবাসী বাংলাদেশিদের গ্রিসে ফিরতে কোনো বাধা থাকলো না।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:১৫
প্রিন্ট করুন printer

জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির পূনর্ব্যক্ত করলেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি :

জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির পূনর্ব্যক্ত করলেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা

জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ ও টেকসই শান্তি প্রচেষ্টার প্রতি বাংলাদেশের আন্তরিক প্রতিশ্রুতির পুনর্ব্যক্ত করলেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ তহবিলে আর্থিক অবদান বৃদ্ধির প্রয়াসে ভার্চুয়ালে ২৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের ‘পূনর্ভরণ সম্মেলনে’ বক্তব্যকালে বাংলাদেশের এই প্রতিশ্রুতির কথা উপস্থাপন করেন তিনি।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ এবং কানাডা, জার্মানি, সিয়েরালিওন ও সুদান সরকার যৌথভাবে সম্মেলনটির আয়োজন করে।

সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ তহবিলে উল্লেখযোগ্য পরিমান অর্থ প্রদানের ঘোষণা দেয়। এসময় রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, “কোভিড-১৯ এর কঠিনতম সময়েও শান্তি-বিনির্মাণ তহবিলে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান বিশ্বশান্তির প্রতি বাংলাদেশের সুদৃঢ় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিরই বহি:প্রকাশ”। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও শান্তি বিনির্মাণ পদক্ষেপে বাংলাদেশের অমূল্য অবদানের পাশাপাশি বাড়তি হিসেবে আর্থিক এই সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হলো।

শান্তি বিনির্মাণ পদক্ষেপে বহুবছর ধরে তহবিল ঘাটতির বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি শান্তি বিনির্মাণ অর্থায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জরুরিভাবে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান। শান্তি বিনির্মাণ ও টেকসই শান্তি বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত দুটি রেজুলেশনের উদাহরণ টেনে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, বাংলাদেশ শান্তি বিনির্মাণ তহবিলের জরুরি সম্পদ সংগ্রহের সকল আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় সমর্থন জুগিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি গৃহীত উপরোক্ত রেজুলেশনদ্বয় অনুযায়ী আগামী ৭৬তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশসহ অনেক দেশের অর্থনীতিতে কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোর শান্তিবিনির্মাণ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি; কারণ এটি তাদের জাতীয় অগ্রাধিকার। সংঘাতপ্রবণ দেশগুলো যাতে শান্তিবিনির্মাণের ইতিবাচক ফলাফল ঘরে তুলতে পারে সেজন্য তাদের জাতীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বিনির্মাণ বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণের জন্য শান্তি বিনির্মাণ তহবিলের আবশ্যকতার উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সমাজের সকল অংশ সমানভাবে যাতে এই তহবিলের সুফল ভোগ করতে পারে অবশ্যই তা নিশ্চিত হতে হবে”।

শান্তি বিনির্মাণ তহবিলের ২০২০-২০২৪ বিনিয়োগ কৌশলে স্বেচ্ছা-অবদানকে উৎসাহিত করতে উচ্চ পর্যায়ের এই পুনর্ভরণ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘ মহাসচিব, সিয়েরালিওনের রাষ্ট্রপতি, সুদানের প্রধানমন্ত্রী এবং কানাডা ও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনটির উদ্বোধন করেন। এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক পররাষ্ট্রমন্ত্রী অংশগ্রহণ করেন।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:৪৩
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:২৪
প্রিন্ট করুন printer

বাইডেন প্রশাসনে আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাজী সাবিল

লাবলু আনসার, যুক্তরাষ্ট্র

বাইডেন প্রশাসনে আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাজী সাবিল
কাজী সাবিল রহমান

বাইডেন প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে নিয়োগ পেলেন আরেকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান কাজী সাবিল রহমান (৩৮)। হোয়াইট হাউজে এক্সিকিউটিভ অফিসের ম্যানেজমেন্ট এ্যান্ড বাজেট ডিভিশনে ইনফরমেশন এ্যান্ড রেগুলেটরি এফেয়ার্সের সিনিয়র কাউন্সেলর হয়েছেন কাজী সাবিল। ২৫ জানুয়ারি এই নিয়োগের সংবাদ পাওয়া গেছে।

নিউইয়র্ক সিটিতে জন্মগ্রহণকারি কাজী সাবিল ব্রুকলীন ল’ স্কুলের এসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘ডেমজ’ নামক একটি থিঙ্ক ট্যাংকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। বর্ণ ও জাতিগত সাম্য, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, নীতিগত গবেষণার আলোকে গণতান্ত্রিক চেতনায় সর্বসাধারণকে উজ্জীবিত করার অভিপ্রায়ে কর্মরত এই থিঙ্কট্যাংকের মাধ্যমেই কাজী সাবিলের প্রতি জো বাইডেনের দৃষ্টি প্রসারিত হয়েছে। 

উল্লেখ্য, বাইডেন-কমলা ট্র্যাঞ্জিশন টিমে আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর গভীর পর্যবেক্ষণ আলোকে সুদূর প্রসারি কর্ম-কৌশল গ্রহণের অভিপ্রায়ে কর্মরত ৮টি ওয়ার্কিং গ্রুপের একটির কো-চেয়ার ছিলেন সাবিল। এরও আগে হার্ভার্ড ল’ স্কুলে ভিজিটিং প্রফেসর, রুজভেল্ট ইন্সটিটিউটের ফেলো এবং নিউ আমেরিকানের ফেলো ছিলেন। সাবিলের গবেষণার সেক্টর হচ্ছে গণতান্ত্রিক সমাজ-ব্যবস্থায় আর্থিক সমৃদ্ধি প্রদানের পাশাপাশি সমগ্র জনগোষ্ঠিকে উন্নয়ন আর গণতন্ত্রের ধারায় সম্পৃক্ত করে একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রয়াস। টেকসই উন্নয়নের গতিধারা ত্বরান্বিত করতে কর্মক্ষম মানুষদের উজ্জীবিত করার কাজেও সাবিলের বেশ কটি গবেষণাকর্ম ও লেখা রয়েছে। 

সাবিল একইসাথে সুশাসনের জন্যে কর্মরত ‘দ্য নিউ প্রেস’র পরিচালনা পর্ষদের মেম্বার, ‘ইউনাইটেড টু প্রটেক্ট ডেমোক্রেসি’ এবং ‘দ্য ন্যারেটিভ ইনিশিয়েটিভ’রও সক্রিয় সদস্য হিসেবে মাঠে রয়েছেন। আমেরিকানদের জীবন-মানের উন্নয়ন আলোকে গবেষণামূলক তার লেখা প্রকাশিত হয় ওয়াশিংটন পোস্ট, দ্য আটলান্টিক, স্টানফোর্ড সোস্যাল ইনোভেমন রিভিও, বস্টন রিভিউ, ডেমোক্রেসি জার্নাল, দ্য আমেরিকান প্রসপেক্টে। 

বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড থেকে সমাজবিজ্ঞান, জেডি এবং পিএইচডি করেছেন সাবিল। রোড স্কলার হিসেবে ওক্সফোর্ড থেকে এমএসসি, অর্থনীতি এবং সামাজিক বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন মেধাবি এই সাবির।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের পর ২০১৪-২০১৫ সালে নিউইয়র্ক সিটির অন্তভূক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কৌশল সম্পর্কিত স্পেশাল এডভাইজার এবং নিউইয়র্ক সিটি রেন্ট গাইডলাইন বোর্ডেরও মেম্বার ছিলেন কাজী সাবিল। কাজী সাবিলের বাবা কাজী আফজালুর রহমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্যাডার হিসেবে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনে ইকনোমিক কাউন্সেলর হিসেবে চাকরি করেছেন ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত ৫ বছর। এরপর তিনি এস্কেপ-বাংলাদেশেও চাকরি করেছেন। ২০০৭ সালে অবসর নিয়ে জাতিসংঘে এস্কেপের রিজিওনাল অফিসে কাজ করেছেন এবং দু’বছর আগে পরিচালক হিসেবে অবসর নিয়েছেন। তার দু’কন্যার একজন আইএমএফ’র সিনিয়র ইকনোমিস্ট এবং অপরজন থাকেন নিউইয়র্কে। কাজী সাবিলের মা সিলেটের সন্তান সেগুপ্তা রহমান তিন মেধাবি সন্তানের জন্যেই সময় ব্যয় করেছেন এই প্রবাসে। সাবিলের চাচা কাজী ফজলুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের মেম্বার এবং আরেক চাচা কাজী গোলাম রহমানও বাংলাদেশের সচিব ছিলেন।

কাজী সাবিলের এই নিয়োগকে অভিনন্দিত করেছেন বাইডেন-টাঞ্জিশন টিমের প্রভাবশালী সদস্য এ্যাম্বাসেডর ওসমান সিদ্দিক, সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামার উপদেষ্টা ড. নীনা আহমেদ, নিউজার্সির বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও লেখক দেওয়ান শামসুল আরেফিন, নিউ অর্লিন্স ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন উপ-উপাচার্য ও লেখক ড. মোস্তফা সারোয়ার, ফোবানার চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী, পেনসিলভেনিয়া কমিউনিটির লিডার ডা. ইবরুল চৌধুরী এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সেক্রেটারি আব্দুল কাদের মিয়া।  

এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান জাইন সিদ্দিক হোয়াইট হাউজের ডেপুটি চিফ অব স্টাফের সিনিয়র এডভাইজার হয়েছেন। বাইডেন প্রশাসনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন পল্লী উন্নয়ন সচিবালয়ের আন্ডার সেক্রেটারির চিফ অব স্টাফ হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভ’ত আমেরিকান ফারাহ আহমেদ। বাইডেনের ট্র্যাঞ্জিশন টিমে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম টিমেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন আরেক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান রুমানা আহমেদ। রুমানা এবং ফারাহ আহমেদ বারাক ওবামার আমলে ভিন্ন দুটি দায়িত্বে ছিলেন।

 

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:০৬
প্রিন্ট করুন printer

ফ্রান্সে কাউন্সিলর হলেন রাব্বানী খান

ফ্রান্স প্রতিনিধি:

ফ্রান্সে কাউন্সিলর হলেন রাব্বানী খান

ফ্রসে আভেক রাব্বানীর প্রতিষ্ঠাতা ও সেবাদানমূলক প্রতিষ্ঠান ‘অফিওরা’ এর নির্বাহী পরিচালক কৌশিক রাব্বানী খান ফ্রান্সের (STAINS) পৌর এলাকার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। গাজীপুরের এ মেধাবী তরুণ শনিবার (২৩ জানুয়ারি) কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

২০২০ সালের ১৫ ই মার্চে ফ্রান্সে মিউনিসিপালিটি (সিটি কর্পোরেশন) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে নির্বাচনে ফ্রান্সের বিভিন্ন পৌর এলাকা থেকে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ১২ জন ফরাসি নাগরিক নির্বাচনে অংশ নেয়। ঐ নির্বাচনে রাব্বানী খানের প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়। বিজয়ী মেয়র আজেদিন তায়েবীর নেতৃত্বাধীন  ঘোষিত প্যানেলে কৌশিক রাব্বানী খান কাউন্সিলর হিসেবে অপেক্ষমান ছিলেন, অতিসম্প্রতি প্যানেলের রদবদলে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে স্তা শহরের কাউন্সিলরের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

তরুণ রাব্বানীর কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের খবর প্রকাশ হবার পর ইতিমধ্যে ফ্রান্সের বাংলাদেশ কমিউটিতে বেশ উৎসাহ ও আনন্দ বিরাজ করছে।
কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, আঞ্চলিক, সাংস্কৃতিক সংঘঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও প্রবাসীরা ইতিমধ্যে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এর মাধ্যমে ফ্রান্সের মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশী তরুণদের দৃঢ় পদচারণার নব দিগন্তের সূচনা হিসেবে দেখছেন প্রবাসীরা।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:২৬
প্রিন্ট করুন printer

হোয়াইট হাউসে ফিরলেন ট্রাম্প প্রশাসনে বিদ্বেষের শিকার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুমানা

অনলাইন ডেস্ক

হোয়াইট হাউসে ফিরলেন ট্রাম্প প্রশাসনে বিদ্বেষের শিকার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুমানা

ডোনাল্ড ট্রাম্পের টিমে টিকতে না পারা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুমানা আহমেদ আবার হোয়াইট হাউসে ফিরেছেন। রুমানা ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর গ্লোবাল মিডিয়ার (ইউএসএজিম) রিভিউ প্যানেলের সাত সদস্যের অংশ হয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন।

রুমানা হিজাব পরায় ট্রাম্পের লোকজনের কাছে প্রায়ই অপদস্ত হতেন। তাকে কেউই স্বাভাবিকভাবে নিতে পারত না। ২০১৭ সালে পদত্যাগের নেপথ্য এই কারণগুলো জানিয়ে দ্য আটলান্টিকে একটি কলাম লেখেন রুমানা। ওই লেখা প্রকাশিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।

রুমানা জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনে যোগ দেন। ওবামার আমলে দেশটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে কাজ করতে থাকেন। রুমানা তার সেই আলোচিত কলামে জানান, ওবামা ক্ষমতা ছাড়লে হোয়াইট হাউসে তার অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে। সপ্তাহ পার হতে না হতে তাকে চাকরি ছেড়ে দিতে হয়।

তিনি বলেন, আমার কাজ ছিল দেশের সেবা করা। ওয়েস্ট উইংয়ে আমি ছিলাম একমাত্র হিজাবী। ওবামা প্রশাসন সব সময় আমাকে স্বাগত জানিয়েছে। অন্য মুসলিমদের মতো ২০১৬ সালে আমিও ট্রাম্পের কাজকর্ম দেখতে থাকি। আমি ভেবেছিলাম, দেশের জন্য তার প্রশাসনে আমার থাকা উচিত। আমি আটটা দিন টিকতে পেরেছিলাম।

রুমানা বলেন, ট্রাম্প যখন সাতটি মুসলিম-প্রধান দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেন, তখনই বুঝে যাই আমার আর সময় নেই। ভাবতে থাকি, এমন একটা প্রশাসনে কাজ করি, যারা আমাকে অধীনস্ত নাগরিক মনে করে, হুমকি হিসেবে দেখে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর