শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫

অব্যক্ত আলাপ

মার্জিয়া নীলিমা
প্রিন্ট ভার্সন
অব্যক্ত আলাপ

গল্প

হেমন্তের নরম রোদ এসে পড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুই পাশে। মুক্তাগাছা মুন সিনেমা হলের পাশ দিয়ে যখন যাচ্ছিলাম, দেখলাম- সাদা পাঞ্জাবি-লুঙ্গি পরা এক বৃদ্ধ মাথায় চারাগাছের ঝাঁপি নিয়ে বিকেলের হাটে যাচ্ছেন। সাথে সাথে তার দ্বিগুণ লম্বা ছায়াও যাচ্ছে। একটা হাত ঝাঁপির ওপর তুলে আর একটা হাত দ্রুত সামনে-পিছনে যাওয়া-আসা করছে। নরম রোদে ধানগাছগুলো হেসে যাচ্ছে। দেখলে যে কারও মনে খুশির বান ডাকবে। ঝিরিঝিরি বাতাসে ধানগাছগুলো দুলছিল। হেমন্তের নরম সোনারাঙা রোদ ধানের শীষগুলো আমাকে ডাকছিল। আমার বামপাশে রীনা আপা বসেছিলেন, তিনি সেই ডাক শুনতে পাননি। যেমন আমার আব্বার ডাক অনেকেই শুনতে পেতেন না। এই তো সেদিন বুধবার সকাল বেলা, আমি যখন আব্বার কাছে গেলাম, তার মুখজুড়ে হাসি ছড়িয়ে পড়ছিল। আব্বার মুখে আমার হাত রাখতেই সেই হাসির কিছু হাসি মুক্তোর দানার মতো ছড়িয়ে পড়ল ঘরের মেঝেতে। কিছু রহস্যমিশ্রিত হাসি হেসে জানালা দিয়ে চলে গেল। আমি আব্বার মুখ ও গলায় হাত দিয়ে ছোট বাচ্চার মতো আদর করতে লাগলাম। তারপর আমার হাত আব্বার হাতের আঙুল ধরে একটু ওপরে তুলতেই পুরো হাতটা অশক্ত হয়ে, হালকা থেকে হালকা হয়ে আমার হাত থেকে পড়ে গেল। তখনো তিনি হাসছিলেন। তার মুখ, ঠোঁটের কোণা, নাকের দুই পাশ, এমনকি বন্ধ হয়ে থাকা দুই চোখের কিনারাও সুগন্ধি ছড়িয়ে হাসছে।

বুকের ওপর থেকে পাতলা কাপড়টা সরাতেই, মৃদু হাওয়া উড়িয়ে নিয়ে গেল আব্বার শিয়রে রাখা সাদা ফেব্রিকে সাদা সুতোয় হাতের কাজ করা পাঞ্জাবিটা। উড়িয়ে নিয়ে যেতে শুধু দেখলাম। আটকানোর মতো কিছুই করতে পারলাম না। সাদা পাঞ্জাবি সাদা আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর মতো ওপরে উড়ে গিয়ে মিলিয়ে গেল।

আব্বাকে ডাকতে যেয়ে শক্তি পাচ্ছিলাম না। আমার ভিতর থেকে ‘আব্বা আব্বা’ ডাকতে চাইছিলাম। কিন্তু কিছুতেই সেই ডাক গভীরভাবে ডাকতে পারছিলাম না। ফিসফিস করে শুধু ‘আব্বা’ বলে বারবার ডাকছিলাম। পাশের ড্রয়িংরুমে মেজো ভাই কারও সাথে কথা বলছিলেন। আমি আব্বার প্রশস্ত বুকের দিকে তাকিয়ে বললাম, ভাই আব্বা তো কথা বলে না। আব্বার বুক থেকে খুশবুর ঢেউ আমাদের বিমোহিত করে রাখছিল। অন্য রুম থেকে আম্মা এসেই প্রিয়জনকে প্রিয় নাম ধরে ডেকে, মাথার নিচ থেকে বালিশটা সরিয়ে রাখলেন। আমি অবাক হলাম, আব্বার মাথার বালিশ তারই প্রিয়সঙ্গিনী সরিয়ে দিল! যাকে বাসর রাত থেকে সঙ্গিনী পেয়ে একসঙ্গে সাতষট্টি বছর সুখে-দুঃখে পার করলেন। শুধু দেখেই যাচ্ছিলাম। আমার কী করণীয়। আম্মা ভাইকে বলছে- পাগুলো সোজা করে দে। পাগুলো সোজা করতেই আমার মনে পড়ে গেল আমার শৈশবের কথা। আমাকে কোলে করে আব্বা হেঁটে হেঁটে স্কুলে নিয়ে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। আর একবার আমাকে সাথে নিয়ে পিকনিকে গিয়েছিলেন। মধুপুরে অনেক গাছ-গাছালির ছায়ার নিচ দিয়ে আমাকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন। আজ সেই পা নিথর। আম্মার মুখ থেকে হাহাকার সুর একটু পরপর বের হচ্ছে। আবার বললেন- মাথাটা উত্তরমুখী করে দে। আম্মা যা-যা করতে বলছেন ভাই সেভাবে তাই করছেন। কেউ প্রেসার দেখছে। কিন্তু প্রেসারের মেশিনে কোনো কালো রিডিং কাজ করছে না। ছোট ভাই ডাক্তার ডেকে নিয়ে আসল।

আম্মা নিজেই আব্বার মুখটা পশ্চিমমুখী করে দেন। আম্মা কিছুটা সামনের দিকে ঝুঁকে বলছেন, পাখি হয়ে উড়ে গেলা। একটা বার ডাকলা না। কতই না ডাকতা। কত যত্নে আগলাইয়া রাখতা। কাগজে ‘ভালোবাসি’ কোনো দিন লেখ নাই। কোনো দিন ছবিও তোল নাই। কিন্তু পরম আদরে, আলিঙ্গনে, সম্মানে একসঙ্গে থেকেছি।

ভাই বললেন, আম্মা ডাক্তার সাব এসেছেন। আম্মা বরাবরের মতো মাথার কাপড়টা টেনে অন্য রুমে চলে যান। আমি আব্বার আঙুল থেকে প্রেসার মাপার মেশিনটা বের করে বললাম, এটা নষ্ট তাই কাজ করছে না। হাসপাতালেও এ রকম কয়েকবার হয়েছিল, দেখেছিলাম। ডাক্তার বললেন, আচ্ছা ঠিক আছে আমি সব দেখছি। মহিলারা সব রুম থেকে বের হয়ে গেলাম।

আব্বার বিভিন্ন রিপোর্ট, কাগজের জন্য ডাক্তারের কাছে আমাকেই ডাকত। কিন্তু আজকে ডাকছে না। নিজেই রুমের ভিতর ঢুকলাম। দেখি বেডে চিৎ হয়ে শুয়ে আছেন আব্বা। তাঁর বুকে ডাক্তার এক হাতের ওপর আর এক হাত দিয়ে জোরে জোরে চাপ দিচ্ছেন। তাঁর হাতটা সরিয়ে বললাম, আব্বা তো ব্যথা পাচ্ছেন। আব্বার যে নরম শরীর! সারা জীবন শক্ত কোনো কাজ করেন নাই।

এই বুকে কতদিন আমি ঘুমিয়েছি। আবার সকাল বেলা যখন আম্মা উঠে চলে যেতেন আমি বিছানায় আব্বার তসবি-টুপি নিয়ে খেলা করতাম। খেলতে খেলতে একসময় আমার মাথাটা আব্বার বুকের ওপর রেখে ওপরের ছাদের দিকে তাকিয়ে টিকটিকিদের দৌড়াদৌড়ি দেখতাম, আর হাসতাম। যখন বিছানা থেকে নামিয়ে দিতে বলতাম- ঘুমের চোখে আমাকে নামিয়ে দিয়ে জুতো পরতে বলতেন। সেই বিস্তীর্ণ বুকে এত জোরে জোরে ব্যথা দিচ্ছে।

বড় বোনের ছেলে বলল, নানা ভাই উঠবে। আমি রুম থেকে আবার বের হয়ে আসলাম। সোফাতে বসতেই কেমন জানি কান্না আসছে। কিছুতেই কান্না থামাতে পারছিলাম না।

এর আগে কোনো দিন এত জোরে কাঁদিনি। আজ আমার এ কী হলো! দেয়ালগুলো ফাঁকা হয়ে ভিতরের আস্তর খোলা লাল ইট আমার দিকে চেয়ে আছে। আব্বার নাতি-নাতনিরা চোখের পানি ফেলতে-ফেলতে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছে। নাতিদের একজন বলল, নানাভাই উঠবে। তা হলে তো আব্বা হাঁটতে পারবেন। আগের মতো সব ঘুরে ঘুরে দেখবেন। এমন সময় ঘর থেকে শব্দ আসল সবাই সরেন। তাকিয়ে দেখি চাদরে মুড়িয়ে নিচে নিয়ে গেল আব্বাকে। তখনই মসজিদের মিনার থেকে মাইকে ভেসে এলো ঘোষণা। একটি শোক সংবাদ...!

আম্মাকে আব্বা অনেক দূর থেকে এনেছিলেন। আম্মা ছিলেন মফস্বলের মেয়ে। জেলা শহর থেকে মফস্বল যেতে তখন ভালো রাস্তা হয়নি। আব্বা আর তাঁর ছোট বোনের স্বামী বাইসাইকেল চালিয়ে বিয়ে বাড়ি গিয়েছিলেন। দাদা অন্য মুরুব্বিদের নিয়ে আগের দিন চলে গিয়েছিলেন। দক্ষিণপাড়ার এক পুকুরে সাঁতার কেটে গোসল করেন। পাজামা- পাঞ্জাবি পরে, আতর মেখে, পশ্চিমপাড়ার খান বাড়িতে যান কবুল করে বিয়ে করতে।

আম্মা ছিলেন মা-হারা সন্তান। তার এক ভাই ছিলেন। আর প্রাইমারিতে পড়ানো বাবা মাসে বিশ টাকা মাইনে পেতেন। ছোট সংসার চলে যেত। আম্মা খুব ছোট থাকায় তাঁর নানুও থাকতেন একসাথে। আম্মাকে অর্ধেক পথ গরুরগাড়ি দিয়ে, বাকি অর্ধেক পথ পালকি দিয়ে জ্ঞানের ঘাট দিয়ে নতুন শ্বশুরবাড়ি নিয়ে আসেন।

পালকি থেকে নামিয়ে একটি জলচৌকিতে দাঁড় করিয়ে রাখে আম্মাকে। একটা পানিভর্তি বড় গামলা এনে তার মধ্যে পা ভিজিয়ে হাঁটতে বলেন। সেই সময়েই আব্বা এসে উপস্থিত হন। এসব করতে নিষেধ করেন। আব্বার কারণে প্রথম বিপদ থেকে রক্ষা পান মা। কিন্তু ভিতরে ভিতরে দাদি, ফুফুদের মধ্যে অসন্তোষ শুরু হলো। সারা দিন কাজ করতে হতো। কারণ ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ জনের বিশাল পরিবার। দুপুরের খাবার খেতে সময় পেতেন না। বিকেল বেলা এক হাতে পানির গ্লাস ধরে, অন্য হাতে ভাতের লোকমা মুখে দিয়ে, পানি দিয়ে খালি ভাত গিলতেন। তখন টাইমের কল ছিল। চৌবাচ্চা থেকে পানি টেনে নিয়ে গোসলখানায় জমিয়ে রাখা হতো। শ্বশুর-শাশুড়ি, ননদ-দেবরদের গোসল করে রেখে আসা কাপড় ধুতে ধুতে অনেক সময় সন্ধ্যা হয়ে যেত। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও বকা দিত। একদিন আব্বা এসে দেখে ফেলেন, দাদা-দাদি খুব খারাপ ব্যবহার করছেন। দাদি ছিলেন মান্নাফ বেপারীর একমাত্র মেয়ে। আব্বার নানা ছিলেন অনেক ধনী। তখন আব্বা আম্মাকে নানার বাড়ি রেখে আসেন। আসার সময় আম্মার হাতে কিছু টাকা দিয়ে আসেন।

আব্বার অনেক প্রশংসার পাশাপাশি গুণের কথাও আম্মা বলতেন। আম্মাকে নানার বাড়ি বেড়াতে পাঠানোর আগেই- আব্বা খবর জানিয়ে দিতেন। আম্মার নানু খবর শুনে আগেভাগে কুয়া থেকে পানি তুলে কিছু পানি গরম করে, জলে ভাসা সাবান এবং গামছা নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকতেন। কিছুক্ষণ পরপর আনুখালাকে পাঠাতেন- গাড়ির শব্দ শোনা যায় নাকি। সারা দিনে একটি, দুটি গাড়ি চলত তখন। নতুন রাস্তা। বাড়ির সামনে শুধু ধানখেত। তারপর ষোল মৌহিষের রাস্তা, এরপর আরও অনেক ধানখেত। পুবে মেইন কাঁচাপাকা সড়ক। সূর্য পশ্চিমে যাবে যাবে। আনুখালা বাড়ির ভিতর দৌড় দিয়ে বলে : নানু বুজি আইছে, বুজি আইছে!

আম্মার নানু বোরকা খুলে লেবুর শরবত খেতে দেন। রান্নাঘর থেকে আবার গরম করা পানি কুয়ার পাড়ে নিয়ে নাতিকে গোসল করিয়ে দেন। জলেভাসা সাবান দিয়ে মাথার জট হওয়া চুল ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে দেন।

খাওয়ার পর চুলে তেল দিতে গিয়ে রাগে ফস ফস করে। মওলানা আরিফ রাব্বানী আসুক। তারে কেডা কইছিল বিদেশে বিয়া দিতে। দেশে কি জাতের ছেলেপুলা ছিল না।

এই বলে চিরুনি দিয়ে এমন জোরে চুল আঁচড়ালেন যেন, এক হাত লম্বা চুল তিন হাত হয়ে গেছে। আম্মার চিবুকে হাত দিয়ে বলেন, দেখ কত চুল উঠে পড়ছে।

চুল তো উঠবেই। ফজরের নামাজ পড়ে নিজের ঘর থেকে বের হয়ে মাগরিবের নামাজের সময় নিজের ঘরে ঢুকতেন। অন্য দুই বেলার নামাজ শাশুড়ির ঘরেই পড়তেন। মাথার চুল আঁচড়ানো তো দূরের কথা, নিজের মুখটাও দেখার সুযোগ ছিল না।

আব্বার যেদিন বাড়ি থেকে আম্মাকে নিয়ে আসার কথা থাকত। আম্মা সেদিন কিছুক্ষণ পরপর পাটশোলার বেড়ার ফাঁক দিয়ে সড়কের দিকে তাকিয়ে থাকতেন।

বেড়ার গা ঘেঁষেই একটা কামিনি ফুলের গাছ ছিল। সেই ফুলের গন্ধ আমাদের প্রিয় ছিল।

আমার বোন আব্বাকে দেখতে নিচে চলে গেলেন।

আব্বা নিজেই তাঁর শেষবেলার সাদা তিন টুকরো কাপড় মদিনা থেকে কিনে এনেছিলেন,

বিশ বছর আগে। ভাদ্র মাস আসলে আমরা শুধু তা রোদে দিতাম। তারপর ভাঁজ করে আবার রেখে দিতাম। আম্মা বড় ভাগ্নের ছেলেকে ভাঁজ করা সেই সাদা কাপড় স্টিলের আলমিরা থেকে বের করে দেন। এর মধ্যেই আরও তিন-চারজন চলে আসে কাপড় নিতে। আব্বা সারা জীবন সাদা পোশাক পরতেন। মামি-চাচিরা বলতেন- ভাইসাহেবের মনও সাদা। সাবান দিয়ে গোসলের আগে মগ, বালতির জন্য দুজন নিচ থেকে ছুটে আসলো। আমার মেয়ে পাশে বসে জিগ্যেস করে- মা বরইপাতা, বাঁশপাতা দিয়ে কী করে? আমার মেয়েকে বললাম, এসব দিয়ে নানাভাইকে গোসল করাবে, সাজাবে। ও বলে, আমি নানাভাইকে দেখব।

আমার নানা বাড়ির সবাই আম্মাকে বুজি ডাকে।

মামা এসে বলেন, বুজি কই?, চলেন নিচে যাই। শেষ দেখা দেখে আসেন। কত সুন্দর লাগছে।

সারা জীবনই তাকে সুন্দর লেগেছে। কোথাও গেলে মানুষ তাকিয়ে থাকত। আম্মা আরও কিছু বলতে যেয়ে আটকে যান। আম্মার সাথে সাথে আমরাও নিচে যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালাম।

এই বিভাগের আরও খবর
নিসর্গজ ভাষণ
নিসর্গজ ভাষণ
লাল সূর্য, সবুজ ঘাসের গালিচা
লাল সূর্য, সবুজ ঘাসের গালিচা
আমাদের কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ
আমাদের কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ
হারজিত
হারজিত
পূর্ণাঙ্গিনী
পূর্ণাঙ্গিনী
চৌমুহনী
চৌমুহনী
বিরহকাতর
বিরহকাতর
দ্বিভাষিক ব্যাকরণ
দ্বিভাষিক ব্যাকরণ
শিরোনাম
শিরোনাম
মন পাবে সুখ
মন পাবে সুখ
ভুলুয়া দরিয়া
ভুলুয়া দরিয়া
জুতা আখ্যান
জুতা আখ্যান
সর্বশেষ খবর
রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার
রংপুরে অটোচালকের লাশ উদ্ধার

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়ি আটকে ৭ দফা দাবি ছাত্র-জনতার
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গাড়ি আটকে ৭ দফা দাবি ছাত্র-জনতার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সড়ক ছাড়লেন জুলাই ঐক্যের কর্মীরা, যান চলাচল স্বাভাবিক
সড়ক ছাড়লেন জুলাই ঐক্যের কর্মীরা, যান চলাচল স্বাভাবিক

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনেই ভারত পরাজিত হয়েছিল : কংগ্রেস নেতা
অপারেশন সিঁদুরের প্রথম দিনেই ভারত পরাজিত হয়েছিল : কংগ্রেস নেতা

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রটারড্যামে যাচ্ছে বাংলাদেশের তিন সিনেমা
রটারড্যামে যাচ্ছে বাংলাদেশের তিন সিনেমা

৮ মিনিট আগে | শোবিজ

পিএসএল এবার নতুন ফরম্যাটে
পিএসএল এবার নতুন ফরম্যাটে

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে
মাইক্রোবাস ভাড়া দিয়ে ফয়সালকে পলায়নে সহায়তাকারী নুরুজ্জামান রিমান্ডে

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

'প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধ অমূল্য সম্পদ'
'প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধ অমূল্য সম্পদ'

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী আইনে হত্যাচেষ্টার শাস্তি
ইসলামী আইনে হত্যাচেষ্টার শাস্তি

১৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নোবেল পুরস্কারের মনোনীতদের তালিকায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি
নোবেল পুরস্কারের মনোনীতদের তালিকায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হিটলার-নেপোলিয়ন রাশিয়াকে দমাতে পারেনি, ইউরোপও পারবে না: সালভিনি
হিটলার-নেপোলিয়ন রাশিয়াকে দমাতে পারেনি, ইউরোপও পারবে না: সালভিনি

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবির বিএসসি ইন ‘সিএসই’ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
বাউবির বিএসসি ইন ‘সিএসই’ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

২৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জয়পুরহাটে পিঠা উৎসব
জয়পুরহাটে পিঠা উৎসব

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব
প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা
রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা
নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা

২৭ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'
'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা
কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা
সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বড় আতঙ্ক কি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? মোসাদ প্রধানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের বড় আতঙ্ক কি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? মোসাদ প্রধানের সতর্কবার্তা

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন এআই ইমেজ মডেল আনল ওপেনএআই
নতুন এআই ইমেজ মডেল আনল ওপেনএআই

৫৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডিএসইতে বড় দরপতন, সূচক কমেছে
ডিএসইতে বড় দরপতন, সূচক কমেছে

৫৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুদানে আহত শান্তিরক্ষী মোস্তাকিম হোসেনের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন
সুদানে আহত শান্তিরক্ষী মোস্তাকিম হোসেনের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় লালবাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে
দুই ঘণ্টার চেষ্টায় লালবাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর
পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা