Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জুন, ২০১৮ ২৩:১৪

আলো ছড়ানো তারকা মদ্রিচ

ক্রীড়া ডেস্ক

আলো ছড়ানো তারকা মদ্রিচ

জোশেপ টিটোর যুগোস্লাভিয়া ভেঙে এখন সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, মন্টেনিগ্রোতে বিভক্ত। যুগোস্লাভিয়া এক সময় নিয়মিত সদস্য ছিল বিশ্বকাপের। ভেঙে যাওয়ার পর খেলছে সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও বসনিয়া। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলছে সার্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া। ব্রাজিলের গ্রুপে সার্বিয়া এবং আর্জেন্টিনার গ্রুপে ক্রোয়েশিয়া। সেলেকাওদের বিপক্ষে সার্বিয়ার খেলা ২৭ জুন। লিওনেল মেসিদের গুঁড়িয়ে দিয়েছে লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। বৃহস্পতিবার রাতে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ১৯৯৮ সালের পর পুনরায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। পূর্ব ইউরোপের দেশটিকে ২০ বছর পর দ্বিতীয় রাউন্ডে টেনে তোলার অন্যতম নায়ক লুকা মদ্রিচ। রিয়াল মাদ্রিদের সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার বিশ্বকাপে খেলছেন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে। আর্জেন্টিনা ছাড়াও প্রথম ম্যাচে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দারুণ ফুটবল খেলেছেন মদ্রিচ। টানা দুই ম্যাচে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ডিয়াগো কস্টাদের নামের পাশে নিজেকে জায়গা দিয়েছেন। দুই ম্যাচে দুই গোল করে আলো ছড়িয়েছেন ক্রোট তারকা। ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলেছিল ক্রোয়েশিয়া। সেবার ডেভর সুকার, বোবানোভিচরা দুর্দান্ত খেলে ক্রোয়েশিয়াকে টেনে নিয়ে যান সেমিফাইনালে। তৃতীয় হয়েছিল দলটি। ২০০২ ও ২০০৬ সালেও বিশ্বকাপ খেলেছিল, কিন্তু প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকাতে পারেনি। সেবার সুকার গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন। এবার টানা দুই ম্যাচে গোল করে সুকারের পথেই হাঁটছেন মদ্রিচ। সুকার ১৯৯৮ সালে গোল করেছিলেন ৬টি। অবশ্য সেবার ৬টি গোল করেছিলেন রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কোও। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ের ম্যাচে একটি গোল করেছিলেন মদ্রিচ। পরশু রাতে প্রায় ৩০ মিটার দূর থেকে দুর্দান্ত এক গোল করেন বাঁকানো শটে। ডি বক্সের মাথা থেকে ডান পায়ের বাঁকানো শটে বোকা বানান আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক কাবালেরোকে। ২৬ জুন ক্রোয়েশিয়ার পরের ম্যাচের প্রতিপক্ষ আইসল্যান্ড। ৩২ বছর বয়স্ক মদ্রিচ দীর্ঘকায় কোনো ফুটবলার নন। ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার মদ্রিচের ক্যারিয়ার শুরু ডানামো জাগরেভে। সেখানে দুই বছর খেলার পর যোগ দেন ইংলিশ ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পারে। স্পারদের পক্ষে নাম লেখানোর পর দলটি নিজেদের ৫০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নাম লেখান উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয়। ২০১১/১২ সালে মদ্রিচকে রিয়াল মাদ্রিদে নিয়ে আসেন কার্লোস অ্যানচেলত্তি। রিয়ালের হয়ে গত তিন বছরে হ্যাটট্রিক শিরোপা  জেতেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের। দুর্দান্ত খেলা মদ্রিচ লা লিগার সেরা মিডফিল্ডার হন। এবার তিনি প্রাণভোমরা ক্রোয়েশিয়ার।

তার নেতৃত্বেই দুই দশকের ব্যর্থতা কাটিয়ে ক্রোটরা জায়গা করে নেয় সেরা ১৬-তে।


আপনার মন্তব্য