শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২২:৪৮

পারল না জুভেন্টাস

ক্রীড়া ডেস্ক

পারল না জুভেন্টাস

আর্জেন্টাইন কোচ দিয়েগো সিমিওনের অধীনে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ইতালিয়ান ক্লাবের বিপক্ষে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ছয়টা ম্যাচ খেলেছে। ছয়টাতেই তারা অপরাজিত। এর মধ্যে চারটাতেই জিতেছে। বাকি দুটোতে ড্র। এই রেকর্ডটা নিয়েই গত বুধবার রোনালদোদের মুখোমুখি হয়েছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ২-০ গোলে জুভেন্টাসকে হারিয়ে রেকর্ডটা ধরে রাখল তারা। একই দিনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে জার্মান প্রতিপক্ষ শালকে জিরোফোরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের ঘাম ঝরানো জয় পেয়েছে পেপ গার্ডিওলার দল ম্যানচেস্টার সিটি। জুভেন্টাসের কাছে সর্বশেষ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ পরাজিত হয়েছিল ১৯৬৫ সালে ফেয়ারস কাপে। দীর্ঘ ৫৩ বছরে অ্যাটলেটিকোকে আর হারাতে পারেনি ওল্ড লেডিরা। অতীতের এই চরম বাস্তবতা কী জুভেন্টাস অ্যারিনায় বদলাতে পারবেন রোনালদোরা! জুভেন্টাস কোচ ম্যাসিমিলিয়ানো আল্লেগ্রি বলছেন, ‘আমাদের ভাগ্য ভালো যে তৃতীয় গোলটা হজম করতে হয়নি। ২-০ ফলটা টপকানো সম্ভব। আমাদের এখনো সুযোগ আছে।’ জুভেন্টাস কোচের সঙ্গে অনেকটাই একমত অ্যাটলেটিকো কোচ দিয়েগো সিমিওনে। ম্যাচ শেষে তিনি শিষ্যদের সতর্ক করে বলেছেন, ‘আমরা এখনো পরের রাউন্ডে চলে যাইনি। আরও একটা ম্যাচ খেলতে হবে। আর আমরা জানি সেই ম্যাচে অনেক বিপদের মুখোমুখি হতে হবে আমাদেরকে।’ অ্যাটলেটিকোর মাঠ ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে জুভেন্টাস খুব একটা খারাপ খেলেনি। সুযোগ তৈরি করেছিল ভালোই। কিন্তু সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি তারা। বল দখলের লড়াইয়ে ৬৪-৩৬ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল জুভেন্টাস। এমনকি আক্রমণের সংখ্যায়ও (১৪-১৩) কিছুটা এগিয়ে ওল্ড লেডিরা। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগিয়ে অ্যাটলেটিকো জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে। উরুগুয়ের দুই ডিফেন্ডার হোসে জিমেনিজ (৭৮) এবং দিয়েগো গডিনের (৮৩) গোলে এ জয় পেয়েছে অ্যাটলেটিকো। অবশ্য ৭৩তম মিনিটে আলভারো মোরাতার গোলটা ভিএআরের সাহায্যে বাতিল না করলে আরও বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারতো অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।


আপনার মন্তব্য