শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ জুন, ২০২১ ২৩:৪৭

মোহামেডানে বিধ্বস্ত আবাহনী

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মোহামেডানে বিধ্বস্ত আবাহনী
Google News

আবাহনী ও মোহামেডান; বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই দল। ক্রিকেট, ফুটবল, হকি- সব খেলাতেই দুই দলের লড়াই বাড়তি উত্তেজনার সষ্টি করে। কিন্তু বহু বছর ধরে দুই দলের লড়াইয়ে সেই উত্তেজনা নেই। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টি-২০ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে গতকাল হঠাৎই সেই উত্তেজনা ফিরে আসে। তবে ব্যাট ও বলের লড়াইয়ে নয়। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের বিতর্কিত কান্ডে।

আম্পয়ারের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে মোহামেডান অধিনায়ক লাথি মেরে উইকেট ভাঙেন। এরপর উইকেট উপরে ফেলেন এবং আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদের সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হন। এমন সব কান্ডের পরও বৃষ্টি¯œাত কার্টেল ওভারের ম্যাচটি মোহামেডান জিতেছে ৩১ রানে। লিগে সপ্তম ম্যাচে মোহামেডানের এটা চার নম্বর জয় এবং আবাহনীর সমসংখ্যক ম্যাচে দ্বিতীয় হার। লিগের অপরাপর ম্যাচগুলো প্রাইম ব্যাংক ১০১ রানে লিজেন্ড অব রূপগঞ্জকে, শেখ জামাল ধানমন্ডি ৩ উইকেটে প্রাইম দোলেশ্বরকে, শাইনপুকুর ৭ উইকেটে ওল্ড ডিওএইচএসকে, ডিএল মেথডে খেলাঘর ১৫ রানে পারটেক্সকে এবং ডিএল মেথডে গাজী গ্রুপ ১৫ রানে হারিয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে।        

মিরপুরে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ২০ ওভারে মোহামেডানের সংগ্রহ ছিল ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৫ রান। বৃষ্টিতে খেলা ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকায় আবাহনীর টার্গেট দাঁড়ায় ৯ ওভারে ৭৬ রান। ম্যাচ সেরা শুভাগত হোমের আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে মুশফিক বাহিনী ৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৪৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি। হেরে যায় ৩১ রানে। গতকালই প্রথম ব্যাট হাতে নিজেকে মেলে ধরেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ব্যক্তিগত ২৫ রানে জীবন পেয়ে ২৭ বলে ২ ছক্কায় ৩৭ রান করেন। মাহমুদুল ২২ বলে ৩০ রান করেন। রান তাড়ায় প্রথম ওভারেই শুভাগতের স্পিনে ২ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে আবাহনী। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগে মুশফিকের বিপক্ষে লেগ বিফোরের সিদ্ধান্ত মানতে না পেলে উইকেট ভেঙে ফেলেন। এরপর বৃষ্টিতে আম্পয়ার ম্যাচ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে উইকেট আছরে ফেলেন। এরপর আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদের সঙ্গে বচসায় লিপ্ত হন। এতো ঘটনার পরও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে হারায় মোহামেডান।

 

দোলেশ্বর : ১৬৬/৫ (২০ ওভার) (ইমরান ৬৫, শামীম ৪৯*; জিয়া ২/২৬, ইলিয়াস সানি ২/২৫)।

শেখ জামাল    : ১৬৭/৭ (২০ ওভার) (তানবীর ৪৫*, জিয়া ৫৩; কামরুল রাব্বি ৪/২৪)।

ফল : শেখ জামাল ধানমন্ডি ৩ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : জিয়াউর রহমান।

 

ওল্ড ডিওএইচএস : ১১৯/৬ (২০ ওভার) (রাকিব ৫৬*; সুমন ২/২৪)।

শাইনপুকুর : ১২০/৩ (১৯.১ ওভার) (তানজিদ ৭৯*; পায়েল ২/১৮)।

ফল : শাইনপুকুর ৭ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : তানজিদ হাসান।

 

প্রাইম ব্যাংক : ২০ ওভারে ১৬৯/৫ (এনামুল ৬৯*। মুক্তার ৩/২৮)।

রূপগঞ্জ    : ৬৮/১০, ১৮ ওভার (জাকের ১৬; নাহিদুল ৩/১৫)।

ফল : প্রাইম ব্যাংক ১০১ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা : নাহিদুল ইসলাম।

 

পারটেক্স : ১০৬/৮, ২০ ওভার (রাজিবুল ২৮*; ইলফান ৩/২৩)।

খেলাঘর : ৫০/২, ৬ ওভার (টার্গেট ৭ ওভারে ৩৬) ( ইমতিয়াজ ২৭)।

ফল : খেলাঘর ডিএল মেথডে ১৫ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা : মেহেদি মিরাজ।

 

গাজী গ্রুপ : ১৭৩/৬ (২০ ওভার) (মেহেদি ৪৭; আলাউদ্দিন ৪/২৫)।

ব্রাদার্স    : ৮৫/৫, ১১.২ ওভার ( টার্গেট ১১.২ ওভারে ১০১)।

ফল : ডিএল মেথডে গাজী ১৫ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা : মেহেদি হাসান।