Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : রবিবার, ৭ মে, ২০১৭ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৬ মে, ২০১৭ ২২:২৩
সম্মিলিত জাতীয় জোট নিয়ে আসছেন এরশাদ
আজ আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ
শফিকুল ইসলাম সোহাগ

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় জোট বিএনএ এবং জাতীয় ইসলামী মহাজোটের সমন্বয়ে গঠিত হচ্ছে সম্মিলিত জাতীয় জোট। বিএনএ জোটে ২১টি ও জাতীয় ইসলামী মহাজোটে ৩৫টি দল রয়েছে। সব মিলিয়ে এ জোটে রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৮টি। আর জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আজ বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের জোট গঠনের লক্ষ্য গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়া। এইচ এম এরশাদের স্বর্ণযুগে আবারও ফিরে যাওয়া।’ তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে বৃহত্তর জোট গঠন করে জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আমরাই সরকার গঠন করব ইনশা আল্লাহ।’ রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালে যে উন্নয়ন করেছেন, বিগত সরকারগুলো তা অতিক্রম করতে পারেনি। সত্যিকারের উন্নয়নের জন্য জাতীয় পার্টির বিকল্প নেই। জানা যায়, শুক্রবার বিকালে এরশাদের উপস্থিতিতে দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের গুলশানের বাসভবনে এক সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় এরশাদ-হাওলাদার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মান্নান, বাংলাদেশ জাতীয় জোট বিএনএর চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মনি, জাতীয় ইসলামী মহাজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক এবং জোটের প্রধান সমন্বয়ক সুনীল শুভ রায় ও সহ-সমন্বয়কারী এস এম মুশফিকুর রহমান।

জোটকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল : সম্মিলিত জাতীয় জোটের সাফল্য কামনা করে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপির নেতৃত্বে গতকাল দুপুরে মিছিল  ও সমাবেশ করেছে শ্যামপুর ও কদমতলী থানা জাতীয় পার্টি। শ্যামপুর বালুর মাঠে মিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাপার সভাপতি ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, কেন্দ্রীয় নেতা জহিরুল আলম রুবেল, সুজন দে, শেখ মাসুক রহমান প্রমুখ। সমাবেশে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী বাবলার হাতে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন।

 বাবলা বলেন, ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী, উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের সমন্বয়ে এ জোট গঠন করা হবে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে একটি সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ তৈরিতে এ জোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

up-arrow