শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৯:০২
আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৯:০৪

একুশের প্রথম প্রহরে অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল চবির শহীদ মিনার!

চবি প্রতিনিধি:

একুশের প্রথম প্রহরে অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল চবির শহীদ মিনার!

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে রাতে কোন আলোকসজ্জার ব্যবস্থা রাখেনি প্রশাসন। এতে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এর নেপথ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অদক্ষতাকেও দুষছেন অনেকে। 

চবি অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মিশু মঈনুল ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেন, 'কথাগুলো বলতেও আজ লজ্জা লাগে। ভাষা শহীদদের স্মৃতির স্মারক হচ্ছে শহীদ মিনার। আর সেই শহীদ মিনারেই আজ বাংলা ভাষা আন্দোলনে জীবন দেওয়া শহীদদের স্মরণ করা হচ্ছে অন্ধকারে। শতশত শিক্ষার্থীরা ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে ফুল দিচ্ছে ঘোর অন্ধকারে। লাইটিং এর ব্যবস্থাও করা লাগে না এদের। প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা বাজেটের এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের থাকার প্রয়োজনটা আমার আজও বোধগম্য হয় না।

শুধু মিশু মঈনুলই নয় এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আরো অনেক নেতা-কর্মী।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল টিপু বলেন, একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে আমরা দেখি সেখানে কোন আলোকসজ্জার ব্যবস্থা নেই। শিক্ষার্থীরা এতে বিপাকে পড়ে যায়। এ বিষয়টি খুবই বিব্রতকরও ছিল। আমরা আজকে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, বর্তমান প্রশাসন প্রায় আট মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নানা বিষয়ে দক্ষতার বদলে অদক্ষতার ছাপই স্পষ্ট হয়ে উঠছে দিনদিন। একুশের প্রথম প্রহরের শহীদ মিনারকে অন্ধকারে রাখা ভাষা শহীদদের অবমাননারও শামিল বলে মন্তব্য করেন তারা। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর এস এম মনিরুল হাসান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সম্ভবত লাইটটি বন্ধ ছিলো। আর যদি নাও থেকে থাকে তাহলে লাইট লাগানোর ব্যবস্থা করবো। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য