শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ মার্চ, ২০২১ ২২:৩৫
প্রিন্ট করুন printer

মুজিববর্ষ: বশেফমুবিপ্রবিতে ৯ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক

মুজিববর্ষ: বশেফমুবিপ্রবিতে ৯ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি
মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) বিকালে জামালপুর শহরে বশেফমুবিপ্রবি গেস্ট হাউজে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেফমুবিপ্রবি)। বিদ্যমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১৭ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) বিকালে জামালপুর শহরে বশেফমুবিপ্রবি গেস্ট হাউজে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ জানান, হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালজুড়ে নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মধ্যে বৃক্ষরোপণ, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান উল্লেখযোগ্য। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সীমিত আয়োজনে এসব অনুষ্ঠান হয়। তবে দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা স্কলার, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অংশগ্রহণে অনলাইনে ওয়েবিনারসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। 

তিনি বলেন, ২০২১ সালের ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ৯ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করা হয়েছে। এরই মধ্যে এসব অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানমালায় প্রতিদিন পৃথক থিমভিত্তিক আলোচনা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এর মাঝে ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শিশুদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। থাকবে এতিম ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।

১৮ মার্চ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি থাকবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ২০ মার্চ ক্রীড়ানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার। ২৩ মার্চ আলোচনা সভা, ২৪ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ২৫ মার্চ কালরাতে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

আর আয়োজনের শেষ দিন অর্থাৎ ২৬ মার্চ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অংশ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। 

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 
 
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ
 


 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর