শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ জুলাই, ২০২১ ২০:০১
প্রিন্ট করুন printer

হাটে ভিড় কম, বাড়ি বাড়ি বিক্রি হচ্ছে পশু

সাইফুল ইসলাম বেগ, বিশ্বনাথ

হাটে ভিড় কম, বাড়ি বাড়ি বিক্রি হচ্ছে পশু
কোরবানির পশুর শেষ হাট উপজেলার পীরেরবাজারে আজকের চিত্র।
Google News

রাত পোহালেই কোরবানির ঈদ। তবুও জমে ওঠেনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার পশুর হাট। হাটের শেষ দিনেও আশানুরূপ বেচা-বিক্রি করতে না পারায় হতাশ ব্যাপারীরা। এ বছর খামারি ও গ্রামের কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পছন্দ মতো পশু কিনছেন ক্রেতারা

অনলাইনেও বিক্রি হয়েছে লক্ষাধিক টাকার পশু। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় অধিকাংশ ক্রেতারাই যাননি হাটে। এতে করে বিপাকে পড়েছেন ইজারাদাররা ও ব্যাপারীরা।

জানা যায়, লকডাউন শিথিলের পর উপজেলায় চারটি স্থায়ী পশুর হাটের পাশাপাশি এবার ইজারা দেওয়া হয় অস্থায়ী আরও ছয়টি হাট। সেই সাথে উন্মুক্ত স্থানে (স্কুল মাঠ, রাস্তার পাশে ও বাড়ির সামনে) হাসিল ও টোল ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানি পশু ক্রয়-বিক্রয়ের বিশেষ নির্দেশনা দেয় উপজেলা প্রশাসন।

এছাড়াও পশু বেচাকেনায় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করে উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে হাটগুলোতে শুরু হয় তৎপরতা। করোনার কারণে কোনো হাটেই এবার জমেনি পশু বেচাকেনা। ক্রেতারা স্থানীয় খামারি ও কৃষকদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ও অনলাইন থেকে ক্রয় করেন পছন্দের পশু। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন হাট ইজারাদাররা ও ব্যাপারীরা।

শেষ দিনের পশুর হাট পীরেরবাজারে গিয়ে দেখা যায়, অপ্রতুল ক্রেতা ও বৃষ্টিতে বাজার মন্দা। হাটের তুলনায় পশুও কম। উঠেছে নানা জাতের ছাগল। ক্রেতার চেয় উৎসুক মানুষের সংখ্যাই বেশি। কয়েক জন মিলে হাট ঘুরে ঘুরে দর-দাম করছেন ক্রেতারা। ইজারাদার বাজারের মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানান, কারোনায় জমেনি হাট। আশানুরূপ বেচাকেনা না হওয়ায় লসে পড়েছি আমরা।

দেওকলস ইউনিয়নের আলাপুর এলাকার মেসার্স মা অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক জাবের আহমদ বলেন, করোনার কারণে মানুষ, গ্রামের কৃষক ও খামারিদের কাছ থেকে পশু কিনছেন। অধিকাংশ খামার ও কৃষকদের গরু ইতিমধ্যে বিক্রি হয়েছে গেছে।

দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে হাটে যাইনি। অযথা ঝামেলা না করে আমার মতো গ্রামের অধিকাংশ মানুষ খামার ও কৃষকদের বাড়ি থেকে পশু কিনেছেন।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবদুস শহীদ ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, এ বছর পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় জমেনি পশুর হাট। অনলাইনে, খামারি ও কৃষকদের থেকে বেশির ভাগ কোরবানির পশু কিনেছেন ক্রেতারা। অনলাইনেই বিক্রি হয় লক্ষাধিক টাকার পশু।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর