Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:০৩
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০১৯ ২১:২৮

চট্টগ্রামে সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি কাকরলের

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি কাকরলের
ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম নগরের কাঁচাবাজারগুলোতে এ মৌসুমের নতুন সবজি কাকরল পাওয়া যাচ্ছে প্রায় দেড় মাস ধরে। প্রথম দিকে সরবরাহ কম এবং নতুন হওয়ায় প্রতি কেজি ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। কিন্তু এখন সরবরাহ বাড়লেও কাকরলের দাপট কমেনি। এখনো প্রতি কেজি কাকরল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। 

শুক্রবার নগরের বক্সির হাট, সিরাজুদ্দৌলা রোড, কাজীর দেউড়ি বাজারসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। কেবল কাকরল নয়, অন্যান্য সবজির দামও এখন চড়া। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম, এমন অজুহাতে বিক্রেতারা বিভিন্ন সবজি বেশি দামে বিক্রি করছে।  

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজার কখনো প্রশাসনের কঠোর তদারকিতে থাকে না।  যার ফলে বিক্রেতারা মৌসুমী সবজিসহ সব ধরণের সবজি যখন যেমন ইচ্ছা সে মূল্যে বিক্রি করে। বাজার যদি মনিটরিংয়ের আওতায় থাকত, তাহলে বিক্রেতারা ইচ্ছামত মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে পারত না।

বক্সির হাটের সবজি ক্রেতা ইরশাদুল আলম বলেন, ‘মৌসুমী সবজি বলে কোনো কথা নয়, সব সময় সব ধরণের সবজির দাম চড়া থাকে। এর মূল কারণ বাজার তদারকির বাইরে থাকা।’

সিরাজুদ্দৌলা রোডের সবজি বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, ‘সবজির সরবরাহ থাকলে দামও কম থাকে। বেশি দামে বিক্রি করার তো সুযোগ নেই।’                

আজ বাজারে প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, তিত করলা ৬০ টাকা, ভেন্ডি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লাউ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, আলু ১৮ টাকা, দেশি আলু ২৮ থেকে ৩০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা। তাছাড়া প্রতিকেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে ৩৮০ টাকা, কাতাল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, চিংড়ি ৪০০ থেকে ১০০০ টাকা (আকারভেদে), পোয়া মাছ ২০০ থেকে ৪০০ টাকা, রুপচাঁদা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, নাইলেটিকা ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, সোনালি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা।

 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য