শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:০৩
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচন : স্থগিত হচ্ছে ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ডের নির্বাচন

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম:

চসিক নির্বাচন : স্থগিত হচ্ছে ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ডের নির্বাচন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা তারেক সোলেমান সেলিমের মৃত্যুতে ওয়ার্ডটির নির্বাচন স্থগিত হবে। দুরারোগ্য বোন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার দুপুর ২টার দিকে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।  

মঙ্গলবার দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম নগরের পুরাতন রেল স্টেশন চত্বরে তারেক সোলেমান সেলিমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। মৃত্যকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।   

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, তফসীল ঘোষণার পর কোনো প্রার্থী মারা গেলে তখন ওই প্রার্থীর পক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অবহিত করলে কমিশন নির্বাচন স্থগিত করে। আলকরণ ওয়ার্ডের ব্যাপারেও এমন সিদ্ধান্ত আসবে। এর আগে চসিকের স্থগিত হওয়া নির্বাচনে চারজন কাউন্সিলর প্রার্থী মারা গেলে ওই সব ওয়ার্ডে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল।      

চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘আলকরণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী তারেক সোলেমান সেলিম দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মার যান। তবে বিষয়টি এখনও পর্যন্ত আমাদেরকে কেউ লিখিতভাবে জানাইনি। নিয়ম মতে, প্রার্থীর পক্ষে কেউ কমিশনে লিখিতভাবে অবহিত করলে নির্বাচন স্থগিত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।’

তারেক সোলেমান সেলিমের সন্তান মোহাইমিন তারেক রাতুল বলেন, ‘গত বছরের জুন মাসে আব্বার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। ভারত এবং দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।’

জানা যায়, আলকরণ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ ছালেহ্‌র ছেলে তারেক সোলাইমান সেলিম দুরারোগ্য ক্যান্সার আক্রান্ত হলে প্রথমে দেশে চিকিৎসা শুরু করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কলকাতার একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে গত ২০ দিন আগে দেশে ফিরে আনা হয়। এরপর থেকে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তারেক সোলেমান সেলিম আলকরণ ওয়ার্ডের চারবার নির্বাচিত কাউন্সিলর। স্কুল জীবন থেকেই তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই থেকে বিরোধী পক্ষের শত অত্যাচার-নির্যাতন সয়েও তিনি আওয়ামী লীগের আর্দশ ও নীতির উপর অটল ছিলেন। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৩
প্রিন্ট করুন printer

হালদার পাড়ে হবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

হালদার পাড়ে হবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র এবং বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হালদা নদীর পাড়ে বসানো হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিনন্দন ম্যুরাল। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত সরকারি জায়গায় হালদা নদীর পাড়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি স্থাপন করা হবে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করার কথা। গত বছরের ২১ ডিসেম্বর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এ নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করে সরকার।

জানা যায়, হালদা নদীর মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত এতটি অংশে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করা হবে। তবে ম্যুরালটি কেমন হবে কত আকারের হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ম্যুরালটি তৈরির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করার পর নদীর পাড়ে বঙ্গবন্ধুর একটি ম্যুরাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। এটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, নদীটিকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করায় নদীটা বিশেষ মর্যাদা পাবে। একই সঙ্গে হালদা নদী আরও বেশি সুরক্ষিত থাকবে এবং একটি কর্তৃপক্ষ তৈরি হবে।    

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি রাউজানের মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত অংশে হবে। তবে এটি স্থাপনে ব্যয়, নকশা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে মুজিব বর্ষের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

জানা যায়, উপমহাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীটি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার ১ নং পাতাছড়া ইউনিয়নের হালদা ছড়া থেকে উৎপত্তি। কার্যত সেখান থেকেই এই হালদা নদীর উৎপত্তি হয়ে কালুরঘাটের কাছে হয়ে কর্ণফুলীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। চলতি পথে হালদায় ৩৬টি ছড়া ও খাল এসে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে খালের সংখ্যা ১৯টি। ১০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদীতে প্রাকৃতিকভাবে চার প্রজাতির মা মাছ ডিম ছাড়ে। এই নদী থেকে দৈনিক ১৮ কোটি লিটার পানিও সরবরাহ করে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রতিবছর মা মাছ এখানে অবাধে রেণু (ডিম) ফোটাতে নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নেয়। প্রাকৃতিকভাবে মা-মাছ ডিম ছাড়ে বলে দুই পাড়ের মানুষ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করছে নদীকে। জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান ৮০০ কোটি টাকা। তবে হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল থেকে কর্ণফুলী নদীর মোহনা পর্যন্ত এলাকায় নদীর পাড়ে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠে শিল্প-কারখানা। ফলে প্রতিনিয়তই কারখানার দূষিত বর্জ্যে হালদায় মাছ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। তাছাড়া নিয়মিত ডলফিন ও মা মাছ শিকার এবং অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের ঘটনাও ঘটে। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৩
প্রিন্ট করুন printer

বিআরটিএ কার্যালয়ে ছদ্মবেশে অভিযানে দালাল আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

বিআরটিএ কার্যালয়ে ছদ্মবেশে অভিযানে দালাল আটক

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) নগরের নতুন পাড়া এলাকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে তিনজন দালালকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম। 

আটককৃতরা হলেন মো. আবদুল্লাহ মিন্টু, মো. রবিউল হোসাইন এবং মো. গালিব। এর মধ্যে মিন্টুকে জেল এবং রবিউল ও গালিবকে জরিমানা করা হয়।  

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম বলেন, ছদ্মবেশে বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তিনজন দালালকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং বাকি দুইজনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমানের নির্দেশে এই অভিযান পরিচালিত হয়। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:১৩
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

চট্টগ্রাম নগরীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মেট্রো মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, বুধবার সকালে নগরীর শাহ আমানত সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আলমগীর নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ১৯শ’ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারজান হোসাইনের নেতৃত্বে নগরীর তুলাতলী, বিআরটিসি, সিআআরবিসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ১৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে দেড় কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:২৩
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ

সিইসি-চসিক মেয়র রেজাউলসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

সিইসি-চসিক মেয়র রেজাউলসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
কে এম নুরুল হুদা ও এম রেজাউল করিম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা ও নবনির্বাচিত মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিমসহ নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক খাইরুল আমিনের আদালতে এ মামলা দায়ের করেন সিটি নির্বাচনে পরাজিত বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

মামলায় মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং বাকি ছয় মেয়র প্রার্থীকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে নির্বাচনে জোর করে হারিয়ে দেয়া অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধের মামলা করার ঘোষণা দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

গত ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০৫
প্রিন্ট করুন printer

দীর্ঘ ১১ মাস পর কোকেন মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

দীর্ঘ ১১ মাস পর কোকেন মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

চট্টগ্রামের আলোচিত কোকেন মামলায় সাক্ষী দিয়েছেন জব্ধ তালিকার তিন সাক্ষী। সাক্ষীরা হলেন, মো. মুছা, ফারুক হোসেন ও মনিরুল ইসলাম। এগারো মাস পর কোকেন মামলার ফের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হলো। 

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্য দেন বলে জানান চট্টগ্রাম মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, আদালত থেকে চারজন আসামিকে সাক্ষ্য দিতে সমন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনজন সাক্ষী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ৩ মার্চ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন নির্ধারণ করেছে আদালত।

আদালতে তিন সাক্ষী বলেন, কোকেন আমদানি সংক্রান্ত বিদেশ থেকে আসা ই-মেইলের কপি, নথিপত্র, কম্পিউটারের হার্ডডিক্সসহ অনেক কাগজ তাদের সামনে জব্ধ করেছে পুলিশ। এসব নথি জব্ধ করার সময় আসামিরাও তখন তাদের সামনে উপস্থিত ছিলেন।’  

জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা একটি কন্টেনার জব্ধ করে সিলগালা করে দেয় কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। পরে পরীক্ষা করে সেখানে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ২৮ জুন বন্দর থানায় আমদানিকারক খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও সোহেলকে আসামি করে মাদক আইনে একটি মামলা করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করে প্রধান আসামি নুর মোহাম্মদকে বাদ দিয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের বিরোধীতায় মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। র‌্যাব অধিকতর তদন্ত করে নুর মোহাম্মদকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর