৩০ নভেম্বর, ২০২১ ২২:৫০

‘বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে মুম্বাই হামলা মোকাবেলা’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

‘বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে মুম্বাই হামলা মোকাবেলা’

‘মুম্বাই হামলা মোকাবেলায় বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছে ভারত। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে এ হামলার অনেক মিল রয়েছে। এ প্রেরণা থেকেই ওই সন্ত্রাসী হামলা দমন করেছে। বাংলাদেশ-ভারত সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় এক সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’ 

এসব কথা বলেছেন চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি। মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার ১৩ তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে ও বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠক শওকত বাঙালি। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি জেলা সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, দীপংকর চৌধুরী কাজল প্রমুখ। আলোচনা সভার শুরুতে লেখক-সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার কবিরের ‘জিহাদ ত্রয়ী’ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, ‘২০০১-এর ৯/১১’র ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পর থেকে পশ্চিমের বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষক পাকিস্তানকে দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র বলেছেন। সন্ত্রাস সম্পর্কে পাকিস্তান যদি নীতি পরিবর্তন না করে এটিকে অবশ্যই সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। পাকিস্তান কীভাবে তালেবান ও আল কায়দার মতো সন্ত্রাসী জিহাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত এ নিয়ে পাকিস্তানী গবেষকরাও প্রচুর লিখেছেন। পাকিস্তান হচ্ছে বিশ্বের প্রধান সন্ত্রাস উৎপাদনকারী, বিপণনকারী ও রপ্তানিকারী দেশ। পাকিস্তানের জঙ্গী মৌলবাদী সন্ত্রাস রপ্তানির নীতি সারা বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ’।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর