শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল, ২০২০ ২০:০২

বরিশালে নোঙ্গর করা লঞ্চে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালে নোঙ্গর করা লঞ্চে আগুন

বরিশাল নদী বন্দরে নোঙ্গর রাখা অবস্থায় একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডে এমভি চন্দ্রদ্বীপ নামে একটি লঞ্চের নিচ তলা এবং দ্বিতীয় তলার অবকাঠামো এবং সাজসজ্জা সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়। তবে এতে কোন হতাহত হয়নি। 

বরিশাল নদী বন্দর এবং ফায়ার সার্ভিস জানায়, সরকারি নির্দেশে সারা দেশের মতো বরিশাল নদী বন্দর থেকেও যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে কিছু লঞ্চ নদী বন্দরের উত্তরপ্রান্তে পন্টুনে নোঙ্গর করে রাখা ছিলো। লঞ্চের মধ্যে থাকতেন কর্মচারিরা। 

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আকস্মিক লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে দাউ দাউ করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিকটবর্তী নদী বন্দরে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় সকাল সকাল ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। এর আগেই লঞ্চের নিচ এবং দ্বিতীয় তলার অবকাঠামো এবং আসবাবপত্র সহ সাজসজ্জা পুড়ে যায়। 

প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা মশার কয়েল অথবা ধূমপানের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত আগুনের প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব নয় বলে উল্লখ করেন বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান। 

কয়েল কিংবা ধূমপানের আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা বরিশাল সদর নৌ থানার ওসি আবদুল্লাহ আল-মামুনের। 

বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা মিঠু সরকার জানান, চন্দ্রদ্বীপ নামে ওই লঞ্চেটি বরিশাল-লক্ষীপুর রুটে চলাচল করতো। সরকারি নির্দেশে অভ্যন্তরীণ এবং দূরপাল্লার সকল রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে প্রায় ৩০টি লঞ্চ নদী বন্দরের পন্টুনে নোঙ্গর করে রাখা ছিলো। নোঙ্গর করে রাখা লঞ্চের পেছনের দিকে থাকা চন্দ্রদ্বীপ নামে একটি লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তা না হলে বড় ধরনের বিপর্যয়সহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিলো। 

চলাচল বন্ধ থাকা লঞ্চের পাহারাদারদের মশার কয়েল কিংবা বিড়ি-সিগারেটের আগুন থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে বলেও তার আশঙ্কা। এ ঘটনার পর নদী বন্দরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন নদী বন্দর কর্মকর্তা মিঠু সরকার। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য