শিরোনাম
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৬:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

খুঁচিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীর দুই চোখ নষ্ট করলো প্রতিপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

খুঁচিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীর দুই চোখ নষ্ট করলো প্রতিপক্ষ

বরিশাল নগরীর হাটকোলা হকার্স মার্কেট এলাকায় এক ভাঙারি ব্যবসায়ীর দুই চোখ নষ্ট করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে স্থানীয় মোহাম্মদপুর চরের জনৈক মোবারক হোসেনের ৩ ছেলে গত ৪ ডিসেম্বর সোহাগ খান (৩২) নামে ওই ভাঙারি ব্যবসায়ীর দুই চোখ খুঁচিয়ে নষ্ট করে দেয় বলে অভিযোগ করেন তার স্বজনরা। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ অভিযুক্তদের মধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

সোহাগ খান কীর্তণখোলা নদীর তীরবর্তী নগরীর মোহাম্মদপুর চরের বাসিন্দা। ফেরী করে ভাঙারি সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। ওই চরের জমি নিয়ে জনৈক মোবারক হোসেনের সাথে দির্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো তার। 

সোহাগের ভাই সুজন খান জানান, চরের খাসজমি নিয়ে একই এলাকার মোবারক হোসেনের পরিবারের সঙ্গে তাদের (সোহাগ) পুরনো বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে গত ৪ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার সময় নগরীর হাটখোলা হকার্স মার্কেটে সোহাগের ওপর হামলা চালায় মোবারকের তিন ছেলে সাইফুল, আল আমিন ও রাব্বী। তারা ধাতব বস্তু দিয়ে খুঁচিয়ে সোহাগের দুটি চোখ নষ্ট করে দিয়েছে। আহবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেলে এবং পরে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার দুটি চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা তাদের জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। 

স্থানীয়রা জানান, সোহাগের স্ত্রী ইয়াসমিন বেগম (২৫) আগামী ১০-১২ দিন পর প্রথম সন্তান প্রসব করবেন। কিন্তু তার বাড়িতে আনন্দ নেই। আছে শুধু কান্না। প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে পারবেন না, এমন দুঃখে সারাক্ষন কান্নাকাটি করছেন অনাগত সন্তানের বাবা সোহাগ খান। 

এ ঘটনায় সোহাগের বড় ভাই মাসুম খান বাদী হয়ে ওইদিনই হামলাকারী ৪ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মানববন্ধন করে স্থানীয় এলাকাবাসী। 

কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম জানান, এক ব্যক্তির চোখ খুঁচিয়ে নষ্ট করে দেয়ার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সাইফুল ও আল আমিন নামে দুই সহোদর অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

নির্বিঘ্নে ভোট দেয়ার নিশ্চয়তা চাইল চারঘাট বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:

নির্বিঘ্নে ভোট দেয়ার নিশ্চয়তা চাইল চারঘাট বিএনপি

নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তাসহ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সে নিশ্চয়তার দাবিতে রাজশাহীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চারঘাট পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম বিকুল। 

শক্রবার বিকেলে নগরীর বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনের নিকট এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে দুইদিন রাজশাহীতে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনি তো ঘর থেকে বের হন না। ঘরে থেকেই মাঝে মাঝে মুখ বাড়িয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক সরকার, জনগণের সরকার। বাইরে বের না হলে তো আপনি বুঝতে পারবেন না যে আওয়ামী লীগ কার সরকার আর কেমন সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে।

বিএনপির মনোনিত প্রার্থী বিকুল আরো বলেন, বিগত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে অনুমানিক সকাল ৭টার দিকে চারঘাট বাজারে আমার পোস্টার লাগানাের সময় আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থীর লোকজন লাঠি সোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চারঘাট বাজারে অবস্থান নেয়। এরপরে সকাল সাড়ে ১০ টার সময় আমি মায়ের কবর জিয়ারত করে প্রচার-প্রচারণার উদ্দেশে নেতাকর্মীসহ চারঘাট বাজারের দিকে রওনা হলে পূর্ব থেকে অবস্থান করা আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থীর লোকজন আমার প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে আমি এবং আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা এসময় দেশীয় অস্ত্রের পাশাপাশি ককটেল নিক্ষেপ করে আমাদের নিরস্ত্র নেতা কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় আমাদের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক আইনেসহ দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকেই আমার সকল নির্বাচনী কার্যক্রমে তার বাধা দিচ্ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরেই সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা অভিযোগ করছে। এটা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার তাদের কৌশল।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:১৭
প্রিন্ট করুন printer

ক্রিকেট খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে কিশোরকে ছুরিকাঘাতে খুন

কুমিল্লা প্রতিনিধি

ক্রিকেট খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে কিশোরকে ছুরিকাঘাতে খুন
মোহাম্মদ আমিন

কুমিল্লা নগরীতে ক্রিকেট খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে মোহাম্মদ আমিন (১৫) নামে এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। তার বুকে ও পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়। 

শুক্রবার নগরীর শেখ ফজিলাতুন্নেছা মডার্ন হাই স্কুলের পেছনে বিসিক এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোর কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার পালাসুতা গ্রামের প্রবাসী নোয়াব মিয়ার ছেলে। তার পরিবার নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার পুরাতন কাস্টমস গোডাউনের সামনে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার নগরীর শেখ ফজিলাতুন্নেছা মডার্ন হাই স্কুলের পেছনে বিসিক এলাকার ভেতর মাঠে কিশোর মোহাম্মদ আমিনকে ছুরিকাঘাত করে মো. পারভেজ (২২) নামে অন্য এক কিশোর। পারভেজ কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া বেসরকারি পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউট সংলগ্ন বাসিন্দা মো. শাহ আলমের ছেলে। পারভেজ কুমিল্লায় একজন ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করে।

কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সাধন কান্তি চৌধুরী জানান, তার বুকে ও পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা সুরতহাল করেছি। ময়নাতদন্ত করা হবে। 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:০৪
প্রিন্ট করুন printer

ভুয়া অ্যাকাউন্টে স্ত্রী তামিমাকে নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে: দাবি নাসিরের

অনলাইন ডেস্ক

ভুয়া অ্যাকাউন্টে স্ত্রী তামিমাকে নিয়ে   প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে: দাবি নাসিরের
স্ত্রী তামিমা সুলতানার সঙ্গে নাসির হোসেন

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও বিমানবালা তামিমা সুলতানার বিয়ে নিয়ে চলছে তোলপাড়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা। অভিযোগ উঠেছে, স্বামী রাকিব হাসানকে তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা।

এদিকে, নাসির ও তামিমা দাবি করেছেন, তাদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন নাসির হোসেন।

ভেরিফাইড পেইজে দেয়া নাসির হোসেনের সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-

‘আমার প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী, শুভার্থী ও ভক্তবৃন্দ, আপনাদের সদয় অবগতির জন্য আমি পুনরায় বিশেষভাবে জানাচ্ছি যে, আমার এই ফেসবুক পেজ ব্যতীত অন্য কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট/ প্রোফাইল/ পেইজ নেই। আমার স্ত্রী তামিমা সুলতানারও কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট/ প্রোফাইল/ পেইজ নেই। অত্র ফেসবুক পেইজটিই আমার অফিশিয়াল এবং একমাত্র ফেসবুক পেইজ। এই ফেসবুক পেইজ ব্যতীত অন্য যে সমস্ত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট/ প্রোফাইল/ পেইজ নকলভাবে/ জালিয়াতির মাধ্যমে আমার অথবা আমার স্ত্রীর নামে তৈরি করা হয়েছে বা বর্তমানে বিদ্যমান আছে সেইগুলি সমস্তই নকল/জাল, যার প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রতারণার মাধ্যমে আমাদের লাঞ্ছিত ও অপদস্ত করা। আমাদের নামে সৃজিত সেই সমস্ত  ফেসবুক অ্যাকাউন্ট/ প্রোফাইল/ পেইজ থেকে যেসমস্ত বিভ্রান্তিকর তথ্য/ স্ট্যাটাস আপনাদের কাছে প্রকাশ/শেয়ার করা হচ্ছে তার সমস্তই মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। এমতাবস্থায় আমি আমার সকল বন্ধু, ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ জানাচ্ছি যে আপনারা অনুগ্রহপূর্বক সেই সমস্ত নকল/জাল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট/ প্রোফাইল/ পেইজ থেকে প্রদানকৃত বিভ্রান্তিকর তথ্য/ স্ট্যাটাস বিশ্বাস করবেন না এবং উক্ত বিভ্রান্তিকর  তথ্য/ স্ট্যাটাস শেয়ার করবেন না। এই ফেসবুক পেইজ ব্যতীত আমাদের নামে সৃজিত সেই সমস্ত নকল/জাল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট/ প্রোফাইল/ পেইজ থেকে প্রকাশকৃত/পরিবেশনকৃত কোনো বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন তথ্যের জন্য আমি অথবা আমার স্ত্রী দায়ী নই। আমি অথবা আমার স্ত্রী যদি কোনো তথ্য/সংবাদ আপনাদের নিকট প্রকাশ/পরিবেশন করতে চাই তবে আমরা এই ফেসবুক পেইজ এর মাধ্যমে অথবা গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার প্রদানের মাধ্যমে তা প্রকাশ করবে।’

নাসির হোসেন আরো লেখেন,‘এই সময়ে আমাদের পাশে থাকার জন্য এবং আমাদের সহায়তা করার জন্য আমি আমার সকল ভক্ত, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমি আশা করি আপনারা সবাই আমাদের পাশে থাকবেন এবং আমাদের প্রতি আপনাদের ভালোবাসা এবং সমর্থন অব্যাহত রাখবেন। সবাইকে  আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ।’

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫২
প্রিন্ট করুন printer

রাজধানীতে বিএনপির মশাল মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে বিএনপির মশাল মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মশাল মিছিলে নেতৃত্ব দেন। ছবি-সংগৃহীত

রাজধানীর বনানীতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মশাল মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ দলটির। সেখান থেকে বিএনপি নেতা আব্দুল হকসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের নেতারা। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মশাল মিছিলে নেতৃত্ব দেন।

সাংবাদিক মুশতাক আহমদের কারাবন্দী অবস্থায় মৃত্যু, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের উদ্যোগের প্রতিবাদ, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পরোয়ানা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে এই মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। 

বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী জানান, মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তেনজিং, বিএনপি নেতা এ এফ এম খালেদ, ফজলুর রহমান মন্টু, শিমুল হোসেন ফারুক, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সুমন হোসেন, জিল্লুর রহমান রুপকসহ বহু নেতাকর্মী। 

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে আয়োজিত মিছিলটি সন্ধ্যায় বনানী বাজারের সামনে থেকে একটি মশাল মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ প্রধান সড়কে উঠে কাকলীর দিকে এগোতে থাকলে মিছিলের পেছনে পুলিশ ধাওয়া দেয়। এরপর লাঠিপেটা করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। পরে সেখান থেকে বিএনপি নেতা আব্দুল হকসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৪২
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫২
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাকের মৃত্যু: মশাল মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যু: মশাল মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বামপন্থী কয়েকটি ছাত্র সংগঠন রাজধানীতে মশাল মিছিল করেছে। এতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এসময় দু’পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় টিএসসি থেকে মশাল মিছিল বের করেন। 

মিছিলটি শামসুন্নাহার হল ঘুরে শাহবাগের জাদুঘরের সামনে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। এরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে পিছু হটেন ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। 

পরে তারা ঢাবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে অবস্থান নেন। সেখানে আবার পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়েন নেতাকর্মীরা। প্রথমে পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। পরে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।

এর আগে ২০১৮ সালে কোটা আন্দোলনের সময় ঢাবি এলাকায় টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছিল। দুই বছর পর ঢাবিতে আবার টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটল।

ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মী এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ঢাবির নেতা আরাফাত সাদসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা মহানগর সংসদের সভাপতি তাসিন মল্লিক গণমাধ্যমকে জানান, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ১০-১২ জনের বেশি নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন- ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখার সভাপতি সাখাওয়াত ফাহাদ, ছাত্র ইউনিয়নের ইংলিশ মিডিয়ামের ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক শ্রাবণ চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আশ্রাফি নিতু, ছাত্র ইউনিয়নের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সদস্য অন্তু অরিন্দম, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক নাজিফা জান্নাত।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের ভেতরেই মুশতাক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৮টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

মুশতাক নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার ছোট বালাপুর এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। ঢাকা মেট্রোপলিটনের রমনা মডেল থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গত বছরের ৬ মে ঢাকা জেলে এবং পরে ২৪ আগস্ট থেকে তিনি কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর