শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:১৪

শিক্ষকদের অনশন চলছেই সাড়া নেই প্রশাসনের

১২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষকদের অনশন চলছেই সাড়া নেই প্রশাসনের

সেকায়েপ প্রজেক্টের অতিরিক্ত শ্রেণি (এসিটি) শিক্ষকদের টানা অনশন কর্মসূচি চলছেই। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটপাথে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে গত ৩ ফেব্রুয়ারি অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। কিন্তু এখনো দাবি মানার কোনো আশ্বাসই পাননি তারা। গতকালের অনশনে ১২ জন এসিটি শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল ভারই দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিউটি খাতুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের চর জগন্নাথপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইউসুফ আলী, টাঙ্গাইল হরিপুর তোররা ইউসুফিয়া দাখিল মাদ্রাসার হালিমা খাতুন, দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার হোসেনপুর বিদ্যালয়ের সালমা জাহানও ঝিনাইদহের  কেবি একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিলুফা ইয়াসমিন রয়েছেন। গতকাল বিকালে প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটপাথে কাগজ বিছিয়ে বসে থেমে থেমে স্লোগান দিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। কেউবা ফুটপাথেই শুয়ে পড়েছেন।  আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, দারিদ্র্যপীড়িত ও দুর্গম এলাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে ২০১৫ সালে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে প্রজেক্টের আওতায় নিয়োগ দেওয়া হয় ৫ হাজার ২০০ শিক্ষক। প্রকল্প  শেষে এসিটিদের এমপিও সিস্টেমে অন্তর্ভুক্তিসহ যাবতীয় ব্যবস্থা  নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্প শেষ হওয়ার পর তাদের স্থায়ীকরণের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তাই তারা নিরুপায় হয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। অনশনকারীরা বলেন, ১৪ মাস ধরে বিনা বেতনে পাঠদান করে ক্লান্ত। বেতন-ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অবশেষে চতুর্থবারের মতো আন্দোলনে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, এসিটি শিক্ষকদের গত নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সুপারিশে এসইডিপি প্রোগ্রামে স্থানান্তরের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সুপারিশ পাঠানো হয়। তবে এ কার্যক্রমের   কোনো অগ্রগতি নেই


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর