শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:৪২

দেড় কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ আরিফের অস্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

দেড় কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ আরিফের অস্বীকার

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ এনে নগরীতে প্রদীপ্ত সিলেটবাসীর ব্যানারে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ‘এই দুর্নীতির ফলে ভুক্তভোগী’দের নিয়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন আমার এমপি ডটকমের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান সুশান্ত দাস গুপ্ত। তবে মানববন্ধনে করা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বিকালে প্রেস ব্রিফিং করেছেন মেয়র আরিফ। মানববন্ধনে সঞ্জয় রায় নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালে সিলেট সিটি করপোরেশন ভবন নির্মাণের জন্য ১৬ কোটি ৮ লাখ টাকা মূল্যে মাহবুব ব্রাদার্সকে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। কাজটি সম্পাদনের জন্য মাহবুব ব্রাদার্স তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। কাজ শুরুর পর থেকে তিনি নিয়মিত কাজ করার পাশাপাশি বিল ইস্যু করে চেকের মাধ্যমে লেনদেন করছিলেন। কিন্তু কাজের মাত্র ৫ শতাংশ বাকি থাকতে তিনি চিকিৎসার জন্য ভারতে চলে যান। এ সময় আরিফুল হক চৌধুরী মাহবুব ব্রাদার্সকে জিম্মি করে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। ঘটনার ২ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর কাজের জন্য রক্ষিত জামানতের ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা মেয়র আরিফ ভয়ভীতি দেখিয়ে তার সহযোগী তোফায়েল খানের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসেন। জামানতের এই চেকের ঘটনার সাক্ষী হিসেবে ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছয়ফুল আমিন বাকের উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন সঞ্জয়। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিকালে করা প্রেস ব্রিফিংয়ে মেয়র আরিফ বলেন, সঞ্জয় রায় নামের এই ব্যক্তি সিটি করপোরেশনের তালিকাভুক্ত কোনো ঠিকাদার নন। নগর ভবন নির্মাণের কাজ পায় মাহবুব ব্রাদার্স। কাজ শেষ হওয়ার পর তাদের সঙ্গে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের সব লেনদেন হয়েছে।

তিনি বলেন, এই মানববন্ধনের আয়োজক সুশান্ত দাস গুপ্ত নিজেও সিলেট নগরীর বাসিন্দা নন। এমনকি তিনি সিলেট জেলারও নন। মেয়র আরিফ বলেন, শুধু সিলেট নগরীতে চলমান উন্নয়ন কর্মকা  বাধাগ্রস্ত করতে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে। নগরীর উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করতেই তারা এসব করছে। এসব মিথ্যা অভিযোগে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর