Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:২৪

শিশুরাও আজ নির্যাতনের শিকার : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

শিশুরাও আজ নির্যাতনের শিকার : ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা যুদ্ধ করেছিলাম ‘একটি ফুলকে বাঁচাবো’ গানটিকে প্রেরণা হিসেবে সামনে রেখে। কিন্তু দেশের শিশুরা আজ অধিকারবঞ্চিত, অমানুষিক নির্যাতনের শিকার তারা। কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির রোষানলে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। তাদের ওপর প্রতিনিয়ত পৈশাচিক নির্যাতন চলছে, যা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বিরাট অন্তরায়। এ নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, চতুর্দিকে একটি অনিশ্চয়তা, একটা অস্থিতিশীলতা, একটা ভয়-শঙ্কা কাজ করছে। মঙ্গলবার রাজধানীর আইডিইবি ভবনে জিয়া শিশু    একাডেমির ১১তম জাতীয় শিশুশিল্পী প্রতিযোগিতা শাপলাকুঁড়ি-২০১৯ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জিয়া শিশু একাডেমির মহাপরিচালক এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান চেয়েছিলেন শিশুরা পাখির মতো ডানা মেলে উড়বে, সুশিক্ষা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জীবন গড়ার মাধ্যমে বিশ্বকে দেবে এক নতুন বাংলাদেশ। আমরা এ কোন সমাজ নির্মাণ করছি? যে সমাজে ফুলের মতো শিশুদের আমরা ভালোবাসতে পারছি না। তাদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পারছি না। চারদিকে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা। আর ভয় কাজ করছে।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, বাংলাদেশের এই চিত্র আমরা আশা করিনি। সেই জন্য আমরা অস্ত্র তুলে যুদ্ধ করিনি। আমরা যুদ্ধ করেছিলাম সত্যিকার অর্থে ‘একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে’ গানটিকে প্রেরণা হিসেবে সামনে রেখে। ফুল ফোঁটাতে চেয়েছিলাম আমরা। এমন একটি বাসযোগ্য ভূমি তৈরি করতে চেয়েছিলাম, যেখানে সবাই সুখে-শান্তিতে, আনন্দে বাস করতে পারব। কিন্তু আমাদের সেই স্বপ্ন সফল হয়নি। যদিও অনেক রাস্তাঘাট তৈরি হয়েছে, অট্টালিকা হয়েছে। আমাদের জীবনযাত্রার মান অনেক বদলে গেছে। তারপরও আমরা নিরাপদ যে বাসভূমি, তা দেখতে পাইনি। এর চেয়ে বড় লজ্জা আর কিছু হতে পারে না।  বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, আজ শিশুরা পর্যন্ত ঘৃণা ও সন্ত্রাসের বাইরে থাকতে পারছে না। আমাদের শিশুরা অহরহ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, হত্যার শিকার হচ্ছে। একটা ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশুকে কীভাবে নির্যাতন ও হত্যা করা যায়- এটি আমার বোধগম্য নয়।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না, সবাইকে ওপরেই রাখতে চাই। কিন্তু যে মানুষটির অবদান আছে, তাকে ছোট করার অধিকার কারও নেই। যার যা অবদান, জাতি তা সবসময় স্মরণ রাখে ও তার মূল্য দেয়। আমরা অনেকেই জানি না, জাতীয় এই শিশু একাডেমি তৈরি করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

মির্জা আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান সম্পর্কে অনেক খারাপ কথা আমাদের শুনতে হয় আজ, আসলে তা সঠিক নয়। জিয়া হচ্ছেন সেই ব্যক্তি, যিনি মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।


আপনার মন্তব্য