শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০৪

অভিনব কায়দায় আসছে নিষিদ্ধ পণ্য

চট্টগ্রামের দুই বন্দর

মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম

অভিনব কায়দায় আসছে নিষিদ্ধ পণ্য

চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দর দিয়ে অভিনব কায়দায় আসছে সোনার বার, সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দাবি, চোরাচালান বন্ধে নানান পদক্ষেপের কারণে অভিনব কৌশল অবলম্বন করছে চোরাকারবারিরা। শাহআমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কাস্টমস হাউসের উপ-কমিশনার রিয়াদুল ইসলাম জানান, কাস্টমস তৎপরতা বৃদ্ধি করায় পাচারকারীরা নানান কৌশল অবলম্বন করছে। কৌশলের অংশ হিসেবে তারা নানান কায়দায় সোনা ও নিষিদ্ধ পণ্যের চালান দেশে আনছে। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অধিক সতর্ক থাকায় চালানগুলো আটকও হচ্ছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস শাহআমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইউনিটের দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ মাসে বেশ কিছু অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানগুলোয় ধরা পড়েছে সোনা, সিগারেট, মাদকসহ আমদানি নিষিদ্ধ নানান ধরনের জিনিসপত্র। যার মধ্যে সোনা প্রায় ৪১ কেজি, ২১ হাজার ৩০৫ কার্টন সিগারেট, বিদেশি মাদকসহ আমদানি নিষিদ্ধ নানান জিনিসপত্র রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চোরাচালানকারীরা চট্টগ্রামকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে অভিনব কায়দায় আসছে সোনার চালান। কখনো মোবাইলের ভিতর, চার্জার লাইটে, পেটের ভিতরে করে নিয়ে আসছে সোনার চালান। পাশাপাশি আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের দিকেও মনোযোগ দিয়েছে চোরাকারবারিরা। এ ছাড়া নৌবন্দর নিয়ে মিথ্যা ঘোষণা দিয়েও সিগারেট আমদানির পরিমাণ বেড়েছে। মিথ্যা ঘোষণায় নিয়ে আসা সিগারেটের কিছু চালান এরই মধ্যে আটকও করেছে নৌ কাস্টমস।

সূত্র জানায়, গত ১৩ জানুয়ারি পেটে করে প্রায় এক কেজি সোনা পাচারের সময় মোহাম্মদ মোরশেদ নামে এক যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। তার আগে ১ জুন অভিন্ন কায়দায় পাচারের সময় লোকমান হোসেন নামে এক যাত্রীকে গ্রেফতার করা   হয়। তার কাছ থেকে চারটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এর আগে মোবাইল ফোনের মধ্যে অভিনব কায়দায় পাচারের সময় এক যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ১০টি সোনার বার জব্দ করা হয়। ১১ নভেম্বর চার্জার লাইটের ব্যাটারি থেকে সাড়ে ৮ কেজি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। অভিনব কায়দায় সোনা পাচারের সময় আখতারুজ্জামান নামে একজনকে গ্রেফতারও করা হয়। অভিন্ন কায়দায় সোনা পাচার করতে গিয়ে গ্রেফতার হন জয়নান আবেদীন নামে এক ব্যক্তি। এ সময় তার কাছ থেকে ১৫ কেজি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। ১৯ মে ব্লেজারে করে অভিনব কায়দায় সোনার চালান আনার সময় মো. শাহজাহান নামে এক যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১১ কেজি সোনার বার জব্দ করা হয়।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর